খুঁজুন

আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

 

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ  নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে সারা দেশের ন্যায় পুরো আড়াইহাজার জুড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য একাধিক  প্রার্থীর অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও ছোটবড় বিভিন্ন অনুষ্টানমালায় উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করতেও দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীনদল বিএনপির  হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন এমন সম্ভাব্য অনেক প্রার্থীর নাম বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে।

জানাগেছে আসন্ন হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এবার প্রার্থীতা হতে পারেন সরকারি সফর আলী কলেজের সাবেক এজিএস মীর রেজাউল করিম,  হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সফিউল আলম সবুজ, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির, হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা এড. মামুন মাহমুদ, জাকির হোসেন, হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলিউল্লাহও সাধারণ সম্পাদক মীর মেহেদী হাসান রানা।তবে নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানাগেছে থাকছে না দলীয় কোন প্রতীক।

এদিকে জানাগেছে হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একাধিক নেতার প্রার্থীতার নাম গুঞ্জুন থাকলেও সাধারণ ভোটাররা আস্থায় রাখছেন হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলি উল্লাহকে।তার কারণও আছে বেশ।কারণ হিসেবে তৃণমূল বলছেন, একটি আধুনিক নিরাপদ মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মাণ লক্ষ্যে ও একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন অলিউল্লাহ অলি। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিটি পরিবারকে নিরাপদ রাখতে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উন্নত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হাইজাদী ইউনিয়ন গড়ার ব্যত্যয় নিয়ে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য।এছাড়াও অলি বিএনপির দুঃসময়ে কারানির্যাতিত নেতাদের জামিন করানো, অসহায় নেতাদের আর্থিক সহযোগিতা, বিশেষ দিবসে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ত্রান-সাহায্য সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।যার ফলে একাধিক নেতা আলোচনায় থাকলেও তৃণমূলের আস্থায় আছেন এক অলি।যার রয়েছে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বিশাল কর্মী বাহিনী।যাকে দেখলে এগিয়ে আসেন যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেনিপেশার মানুষ।

তৃণমূল এর ভাষ্যমতে, অলির রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই বিতর্কিত কর্মকাণ্ড।তবে রয়েছে সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলার ও বুকে টেনে নেওয়ার সক্ষমতা। যিনি তরুন সমাজকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় মাতিয়ে রাখতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় খেলার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন

নিরবে।আল্লাহর নৈকট্যলাভের আশায় মসজিদ মাদ্রাসায়ও তার দানের হাত কমতি নয়।এমন এসব কর্মকান্ডে তাকেই এগিয়ে রাখছেন আগামীদিনে হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে। রাখতে চান একমাত্র অলির উপর আস্থা।দেখতে চান চেয়ারম্যান পদে। তবে এখন দেখার বিষয় কে হচ্ছেন আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের আগামীদিনের চেয়ারম্যান।

 

 

 

 

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ধারাবাহিক নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দলের নীতি-নির্ধারকেরা সর্বসম্মতভাবে তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের জন্য মনোনীত করেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারক ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নের খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রবীণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিককে এই পদে বেছে নেওয়া বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট

নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির এক বিশেষ সাধারণ সভা আগামী ২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ওই দিন দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে আইনজীবী সমিতি ভবনের নিচতলায় এ সভা আহ্বান করা হয়েছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ. এম. আনোয়ার প্রধান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ূন কবীর।

নোটিশে বলা হয়, সমিতির গঠনতন্ত্র ও বিধিমালার কতিপয় অনুচ্ছেদ সংশোধনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। বিশেষ এই সাধারণ সভাটি সমিতির সকল সদস্যদের জন্য অত্যন্ত জরুরি ও তাৎপর্যপূর্ণ। তাই সমিতির সকল বিজ্ঞ সদস্য ও আইনজীবীদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিশেষ সূত্র ও নোটিশের বিবরণ অনুযায়ী, আসন্ন এ বিশেষ সাধারণ সভায় আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনসহ বেশ কিছু নীতিগত ও জরুরি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ

অর্ধশত বছরেরও বেশি সময় ধরে শহর ও বন্দরবাসী দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শীতলক্ষ্যা নদীর উপর দিয়ে সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে শুরু করা কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। কিছু কুচক্রী মহলের চক্রান্তে এবং দাপ্তরিক কিছু জটিলতায় যেকোন সময় থমকে দাঁড়াতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত এই সেতুর নির্মাণ কাজ। এমনকি এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে, যে কোন সময় এই সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে।

বিশ্বস্ত একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, সেতুর নির্মাণের লক্ষ্যে এরই মধ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর দুই পাশে সেতুর পাইলিং কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। যার মধ্যে নদীর পূর্ব পাশের বন্দর এলাকায় এপ্রোচ সড়কসহ মূল সেতুর পাইলিং কাজ ও কেপিং কাজ শেষ করে নদীর পশ্চিম পাশের (শহর এলাকায়) এলাকায় নদীর কাছাকাছি এলাকার পাইলিং কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন কালির বাজার এলাকার দেলোয়ার টাওয়ারের পাশের কুমুদিনী এলাকা হতে নারায়ণগঞ্জ কলেজের কাছাকাছি এলাক পর্যন্ত সিরাজউদ্দৌলা সড়কের পূব পাশ দিয়ে পাইলিংয়ের কাজ শুরু করার অপেক্ষায় সেতু কর্তৃপক্ষ।

সূত্রটি আরও জানায়, সিরাজউদ্দৌলা সড়কের পূব পাশের জায়গাটি রেলওয়ের কর্তৃপক্ষে হওয়ায় এবং রেলওয়ের সাথে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) এর মধ্যস্থতায় জায়গাটি সেতু কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকায় এখন সেতু কর্তৃপক্ষ অনেকটা অসহায় অবস্থায় আছে। এমনকি নাসিক কর্তৃপক্ষ সেতু কর্তৃপক্ষকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে বসার সুযোগ করে দিতে পারলেও সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে বলেও জানা যায়।

গণমাধ্যম সহ বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর গত বছরের (২০২৫ সালের) ৩ ডিসেম্বর শহরের ৫ নম্বর ঘাট দিয়ে বন্দর উপজেলার একরামপুরকে যুক্ত করার মাধ্যমে শহর ও বন্দরের সেতুবন্ধন তৈরির লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ২০২৮ সালের জুন মাসের মধ্যে এই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর উপর নির্মাণাধীন এই গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল-স্টেড সেতুটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্যাবল-স্টেড সেতু।

সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের তৎকালীন প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, জেলা প্রশাসক রায়হান কবির, নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আজগর হোসেন, এলজিইডি প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুজ্জামান এবং কদম রসুল সেতুর প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হরি কিংকর মোহন্তসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সে সময় নাসিকের তৎকালীন প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেছিলেন, এই সেতু নির্মাণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ ছিল। আমি তাদের নির্মাণ কাজ চলমান রাখার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছিলাম। এখন সেতুর মূল কাজ শুরুর মাধ্যমে সেই যাত্রা শুরু হলো। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, সেতুর ল্যান্ডিং পয়েন্ট নিয়ে যানজটের কোন আশঙ্কা নেই। আমরা একাধিক ল্যান্ডিং পয়েন্ট নিয়ে কাজ করেছি। শহর এবং বন্দরের কোন এলাকারই যেন সমস্যা তৈরি না করে সে বিষয়ে আমরা সচেষ্ট থাকবো।

অভিযোগ আছে, সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরু করার আগে থেকেই কিছু কুচক্রী মহল প্রথমে এইখান দিয়ে সেতুটি নির্মাণের বিরোধিতা করতে শুরু করে এবং পরে সেতুর র‌্যাম্পিং পয়েন্ট বা এপ্রোচ সড়কের মুখ (ল্যান্ডিং পয়েন্ট) নিয়ে মিথ্যা ও অপব্যখ্যা দিয়ে সেতুটির নির্মাণ কাজ বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। তবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নারায়ণগঞ্জ পৌর পাঠাগারে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় শহরের সুধীজন এবং সচেতন মহল যেকোন উপায়ে এই সেতুর নির্মাণ কাজ চালিয়ে রাখার পক্ষে মতামত পেশ করেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে কদম রসুল সেতুর প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হরি কিংকর মোহন্ত এই প্রতিবেদককে জানান, সিরাজউদ্দৌলা সড়কের কুমুদীনি পয়েন্ট পর্যন্ত আমাদের পাইলিংয়ের কাজ প্রায় শেষ। এখন আমাদের যদি আগামীকাল এই পয়েন্ট থেকে ১ নং রেলগেট এলাকা পর্যন্ত জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয় তাহলে আমরা আগামীকাল থেকেই এখানে পাইলিংয়ের কাজ শুরু করতে পারবো। অন্যথায় আমাদের এই কাজের জন্য থাকা ইকুয়েপমেন্টগুলো ফেরৎ পাঠাতে হবে। এগুলো বসিয়ে রাখা যাবে না। তাছাড়া রেল কর্তৃপক্ষের সাথে এই জায়গার বিষয়ে আমাদের সরাসরি কোন কথা হয়নি। তাই বিষয়টি এখন সিটি কর্পোরেশনের উপর নির্ভর করছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ নারায়ণগঞ্জের এসপি মিজানুর হাইওয়ে পুলিশে বদলি আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ।