বন্দরের আমিন আবাসিক এলাকার আল আমিন মসজিদ ও পঞ্চায়েত মসজিদ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় আলহাজ্ব চাঁন মিয়া ও হাজী মোঃ কবির হোসেন সাধারন সম্পাদক করে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। সভাপতি আলহাজ্ব চাঁন মিয়া কমিটির সকলের উপস্থিততে উপদেষ্টা পরিষদসহ নির্বাহী কমিটির নাম প্রকাশ করেন। ঘোষণ শেষে তিনে মসজিদের উন্নয়ন ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকসহ সার্বিক বিষয়ে সকলকে ঐক্যবব্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।
কমিটিতে অন্যান্যরা হলেন সহ-সভাপতি হাজী মোঃ আব্দুল হক, হাজী মোঃ আক্তার হোসেন, হাজী মোঃ জিয়া উদ্দিন, ইঞ্জি: মোঃ শাহীন, মোঃ হানিফ মিয়া, যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক পদে অলি আহম্মোদ, আবু মোসা, ইকবাল হোসেন, কাজী মোহাম্মদ আলী, কোষাধক্ষ্য আলমগীর হোসেন মোল্লা, সহ-কোষাধক্ষ্য হাজী আফজাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ গোলাম মোহাম্মদ মিল্টন, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ রুবেল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক হাজী আব্দুল হক মিলন, হাজী মোহাম্মদ আলী, সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক: আনোয়ার বাদশা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুফতী তারেক হাসান মিঠু। তাছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে আছেন মোঃ শাহজাহান রানা, মোঃ আরাফাত, মোঃ মেহেদী হাসান মাহফুজ, মোঃ তৌহিদুর রহমান, মোঃ শেখ সাদী, মোঃ আমজাদ হোসেন, মোঃ মেহেদি হাসান জিতু, মোঃ নুরু মিয়া, মোঃ শেখ নাঈম আহম্মেদ, মোঃ সুমন প্রমুখ।
আলহাজ্ব চাঁন মিয়া আরো বলেন, আল্লাহর ঘর মসজিদ। এখান থেকে নেয়ার অনেক কিছু আছে। দেওয়ার মত অনেক কিছু আছে যদি আল্লাহ তাহালা তা কবুল না করে। কমিটি হলো একটা আনুষ্ঠানিক ও নিয়ম অনুযায়ে। মসজিদ ও পঞ্চায়েত কমিটিতে যারা এটাতো নিয়মতান্ত্রিক। সকলেই উন্নয়ন ও ভালো কাজের ক্ষেত্রে সমান। প্রতিটি সদস্য কমিটির লোক মনে করে সমাজের সার্বিক ভালো দিকগুলো ধরে রাখতে হবে। যত প্রকার অপরাধ আছে তা নিমূর্লে আমাদের ঐক্য থাকতে হবে।
জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের পাশে থাকার যে অঙ্গীকার করেছিলেন, সেটিকে এবার আরও সংগঠিত রূপ দিয়েছেন শিল্প উদ্যোক্তা ও বিএনপি নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদ। দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে নিতে ‘ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তুলেছেন তিনি।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা ফতুল্লার তল্লা খানপুর এলাকার হোসেন সর্দার রোডে দোয়া ও মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
তবে নতুন এই সংগঠনের কার্যক্রমকে কেবল একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, করোনাকাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক সংকট, ঈদ ও উৎসবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব এবং ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে মাসুদুজ্জামুজ্জানের যে সামাজিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে, ফাউন্ডেশনটি তারই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।
করোনার কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা যখন থমকে গিয়েছিল, তখন অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ান মাসুদুজ্জামান। খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে তিনি মানুষের কাছে পৌঁছান। পরবর্তী সময়েও ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে উপহারসামগ্রী বিতরণ করে আসছেন তিনি। ঈদের আগে প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া, শীতার্তদের সহায়তা এবং বিভিন্ন সংকটে ব্যক্তিগতভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হয়ে ওঠে।
ব্যবসায়ী হিসেবেও নারায়ণগঞ্জের অর্থনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে তার। মডেল ডি ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। শিল্প ও ব্যবসা খাতের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।
ক্রীড়াঙ্গনেও রয়েছে তার সম্পৃক্ততা। বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন ও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। তার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রেখে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখার বিষয়টিকেও তিনি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
এর বাইরে বিভিন্ন সামাজিক সংকট ও দুর্যোগেও তাকে মানুষের পাশে দেখা গেছে। বন্যার সময় দুর্গতদের সহায়তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন মানবিক প্রয়োজনে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহায়তা দেওয়ার কথাও তার অনুসারীরা উল্লেখ করেন।
এই দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের মধ্যেই গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন মাসুদুজ্জামান। পরে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। তবে তখন তিনি জানিয়েছিলেন, জনপ্রতিনিধি না হলেও মানুষের পাশে থাকার কাজ অব্যাহত রাখবেন এবং সমাজসেবায় আগের চেয়েও বেশি ভূমিকা রাখবেন।
সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এবার সামাজিক কর্মকাণ্ডকে আরও সংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। ‘ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধা বিকাশ, স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক সহায়তা, নিরাপদ পানি, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু উন্নয়ন, পরিবেশ, যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন এবং দুর্যোগকালীন সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাসুদুজ্জামান জানান, সুন্দর ও মানবিক সমাজ নির্মাণ এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করাই সংগঠনটির লক্ষ্য। প্রায় ১৮ বছর আগে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হলেও নিবন্ধন পেতে সময় লেগেছে। সম্প্রতি নিবন্ধন পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মাসুদুজ্জামুজ্জান বলেন, তিনি ও তার পরিবার সমাজের জন্য যা করেছেন, তা কোনো প্রত্যাশা থেকে নয়; সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই করেছেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান তিনি।
দীর্ঘদিন তার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মতে, এতদিন ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম এখন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত পরিসরে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন সংগঠনটি তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি নতুন অধ্যায় হলেও এর ভিত্তি তৈরি হয়েছে বহু বছরের কাজের মধ্য দিয়েই।
মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী এবং স্ট্রার্কটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুল ইসলাম রাকিব হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার দ্রুত সুস্থতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
রবিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রাকিবুল ইসলাম রাকিব। পরে তার সহধর্মিণী সারাফ আনিকা ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে রাকিবের শারীরিক অবস্থার কথা জানান।
স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “রাকিব ভালো আছে, খুব বেশি অসুস্থ নয়। তবে ডাক্তার আপাতত ওকে বেশি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে বা বেশি মানুষের সঙ্গে মিশতে নিষেধ করেছেন। তাই সবাই দূর থেকে রাকিবের জন্য দোয়া করবেন।”
তিনি আরও বলেন, “আল্লাহ যেন রাকিবকে দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করেন। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।”
পরিবারের পক্ষ থেকে রাকিবুল ইসলাম রাকিবের দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।
আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।
জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।
বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।
মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
আপনার মতামত লিখুন