খুঁজুন

কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে বিএনপির একাংশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুনকা পাঠাগার মিলনায়তনে বিএনপির এক সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সভায় আতাউর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, যাকে তিনি একসময় পিতৃতুল্য ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেছেন এবং যার সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষে ওসমান পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনীতি করেছেন, সেই ব্যক্তি সুদিনে তাকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

মুকুলের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন আজ তাদের মধ্যে এমন দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টি হলো?

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আতাউর রহমান মুকুল দীর্ঘদিন আবুল কালামের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আবুল কালামের হাত ধরেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তাদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন, আবুল কালাম রাজনৈতিকভাবে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করলেও প্রয়োজন ও স্বার্থের পরিবর্তনে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও আবুল কালামের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক ছিল। প্রকাশ্যে এক পক্ষের পক্ষে অবস্থান দেখালেও আড়ালে অন্য পক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। একই ধরনের রাজনৈতিক কৌশল ও দ্বিমুখী অবস্থানের অভিযোগ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনায় উঠেছে বলে দাবি করছেন তার সমালোচকরা।

তাদের ভাষ্য, আবুল কালাম বাইরে থেকে অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কোন্দল এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুকুলের মতো দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে একসময় যারা একই রাজনৈতিক বলয়ে ছিলেন, তাদের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে দলীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের।

 

“তীব্র কোণঠাসা ও বহুমুখী অভিযোগে বিদ্ধ সাখাওয়াত”।

বিশেষ প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
“তীব্র কোণঠাসা ও বহুমুখী অভিযোগে বিদ্ধ সাখাওয়াত”।

​

স্থানীয় রাজনীতি এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে চারদিক থেকে তীব্র সমালোচনা ও কোণঠাসার মুখে পড়েছেন আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। হকার উচ্ছেদ কেন্দ্র করে ঘটা সংঘাত, স্থানীয় আদালত পাড়া ও মহানগর রাজনীতির অভ্যন্তরীণ বিভাজন এবং প্রশাসনিক খাতের নানা অনিয়মের অভিযোগে তার চারপাশের বৃত্ত সংকুচিত হয়ে আসছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন সূত্রে জানা যায়, হকার উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র মহানগর রাজনীতিতে তৈরি হওয়া স্পষ্ট বিভাজন এবং বিভিন্ন স্তরে পদ-পদবি স্থগিত বা নিষ্ক্রিয় থাকার জেরে তাঁর সঙ্গে দলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের কর্মীরা চরম অবমূল্যায়ন ও ক্ষোভের মধ্য দিয়ে দিন কাটালেও সাখাওয়াতের চারপাশে ভিড় জমিয়েছে গুটিকয়েক সুবিধাভোগী ও তোষামোদকারী চক্র। অভিযোগ রয়েছে, মাঠের ত্যাগী কর্মীদের দূরে সরিয়ে সিটির গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সেক্টরগুলোতে নিজের অনুগত ও তোষামোদকারী লোকজনকে বসানো হয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের দৈনন্দিন সেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েও উঠেছে পাহাড়সম অভিযোগ। নগরীর খাল পুনরুদ্ধার ও ড্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মতো জনগুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে নিয়মের তোয়াক্কা না করে নামেমাত্র নামমাত্র প্রকল্প দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা লোপাট করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

​এর পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগেও চলছে সিন্ডিকেট রাজ। অভিযোগ রয়েছে, ঝাড়ুদার থেকে শুরু the ময়লা সংগ্রহকারী প্রতিটি সেক্টর থেকে প্রতি মাসে নিয়মিত মাসোহারা বা চাঁদা আদায় করা হয়। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে কোরবানির পশুর হাট বসানোর অনুমতি এবং বরাদ্দের নামে লাখ লাখ টাকার আর্থিক বাণিজ্যের গুঞ্জনও রয়েছে জোরালোভাবে।

হকার উচ্ছেদ করতে গিয়ে হট্টগোল, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, প্রশাসনিক স্থবিরতা এবং আর্থিক অনিয়মের এসব বিষয় বিগত কিছুদিন ধরে সরকারের উচ্চপর্যায় ও কেন্দ্রীয় নজরদারিতে রয়েছে। স্থানীয় সরকার পরিচালনায় একের পর এক নেতিবাচক তথ্য ও অব্যবস্থাপনার জেরে যেকোনো মুহূর্তে তাঁর বিরুদ্ধে বড় ধরনের প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত আসার জোরালো গুঞ্জন চলছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

 

নৌকার খোলসে মোড়ানো বিএনপি মোড়কে চেয়ারম্যান প্রার্থী লিটন।

নিজস্ব প্রতিবেদক, আড়াইহাজার।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
নৌকার খোলসে মোড়ানো বিএনপি মোড়কে চেয়ারম্যান প্রার্থী লিটন।

​
আসন্ন হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এখলাস উদ্দিন লিটন। একদিকে দীর্ঘদিনের আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং অন্যদিকে বর্তমানে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা ও লবিং—এই দুইয়ের মেলবন্ধনে স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজাল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এখলাস উদ্দিন লিটন দীর্ঘকাল ধরে এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। বিগত দিনে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ এবং স্থানীয় ক্ষমতার পালাবদলে তিনি আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় নিজের অবস্থান শক্ত করেন। দলীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ইউনিয়নজুড়ে নিজের আধিপত্য বিস্তার এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগের ক্ষমতার সেই সময়ে তার কর্মকাণ্ড স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও বিরোধী মতের লোকজনের নজর এড়ায়নি।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও বর্তমান পরিস্থিতির বাস্তবতা বিবেচনা করে লিটন এখন নিজের খোলস পাল্টাতে শুরু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির হাইকমান্ড ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে গোপনে ও প্রকাশ্যে অবাধে মেলামেশা শুরু করেছেন তিনি। নিজেকে বিএনপির সমর্থক বা তাদেরই লোক হিসেবে জাহির করার নানা কৌশল নিচ্ছেন এই প্রার্থী। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির পদধারী ও প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করে তিনি মূলত নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার চেষ্টা করছেন। আওয়ামী লীগের পুরনো পরিচয় আড়াল করে বিএনপির মোড়ক গায়ে জড়ানোর এই কৌশলকে অনেকেই সুবিধাবাদী রাজনীতি হিসেবে দেখছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী এখলাস উদ্দিন লিটনের এই দ্বিমুখী রাজনৈতিক চরিত্র নিয়ে হাইঝাদী ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করছে। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা বলছেন, যারা এতদিন আওয়ামী লীগের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছে, সুসময়ে এসে তারা এখন নিজেদের রঙ বদলিয়ে অন্য দলের পরিচয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আদর্শিক রাজনীতির বাইরে গিয়ে এভাবে খোলস পাল্টে প্রার্থী হওয়া ইউনিয়নবাসীর জন্য প্রতারণার শামিল। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, লিটনের এই অতীত আওয়ামী কর্মকাণ্ড এবং বর্তমান বিএনপিপ্রীতি নিয়ে ভোটারদের মাঝে আলোচনা ততই জোরালো হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, হাইজাদী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ এই সুবিধাবাদী রাজনীতির জবাব কীভাবে দেন।

 

“জনসেবার ছদ্মবেশে কোন পথে হাঁটছেন রাকিব”?

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
“জনসেবার ছদ্মবেশে কোন পথে হাঁটছেন রাকিব”?

 

​নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ও চর্চিত নামগুলোর একটি—রাকিবুল ইসলাম রাকিব। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দলীয় পদে সরাসরি না থেকেও নারায়ণগঞ্জের রাজনীতির মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এই তরুণ ব্যবসায়ী। রাজনীতির মাঠের সচেতন মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, “অবশেষ কোথায় গিয়ে থামবে রাকিবের এই রাজনৈতিক যাত্রা”?

রাকিবের রাজনৈতিক পরিচয়ের সবচেয়ে বড় ভিত্তি তিনি নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের ছোট ভাই। দলে পদ-পদবি না থাকলেও বড় ভাইয়ের রাজনৈতিক প্রভাব, নিজের অর্থায়ন এবং ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর রাজনীতিতে এক নিজস্ব বলয় তৈরির চেষ্টা করেছেন। দলীয় চেইন অব কমান্ড বা তৃণমূল নেতাকর্মীদের তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমুখী কর্মসূচিতে মুখ্য আকর্ষণ হয়ে ওঠার পেছনে তার আর্থিক শক্তি এবং তোষামোদকারীদের বড় ভূমিকা রয়েছে। সজল, রাজীব কিংবা টিপুর মতো অনুসারী ও নেতাদের প্রভাবে কর্মসূচির মূল চেয়ারে তিনি আসীন থাকেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে এক ধরনের অস্বস্তিকর আবহ তৈরি করেছে।

আড়াইহাজারের সন্তান হয়েও বেশ কিছুদিন ধরে রাকিবকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যাচ্ছে। নিজ এলাকা ছেড়ে হঠাৎ সিটি করপোরেশন অধিবাসীদের সেবায় নিয়োজিত হওয়া এবং দান-অনুদান ও সামাজিক কর্মকাণ্ড বাড়িয়ে দেওয়ার পেছনে স্পষ্ট রাজনৈতিক অভিসন্ধি দেখছেন বিশ্লেষকরা। যদিও রাকিব নিজে কখনোই সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি, তবে পর্দার অন্তরালে যে সিটি নির্বাচনকে ঘিরেই সব চাল চালছেন, তা এখন খোলা বইয়ের মতোই স্পষ্ট।

রাকিব আদৌ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকার ভোটার হয়েছেন কিনা—তা এখনও রহস্যাবৃত। এছাড়া তার কোনো স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা বা জমি কেনা নিয়ে গুঞ্জন ডালপালা মেললেও নির্দিষ্ট কোনো স্পষ্ট তথ্য নেই। রাজনীতিতে যেখানে তৃণমূলের কর্মীদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা, সেখানে তোষামোদকারী কয়েকজন নেতার ওপর ভর করে ও অর্থায়নে শহর দখলের এমন কৌশল নারায়ণগঞ্জের অভিজ্ঞ রাজনৈতিক মহল কীভাবে নেবে, তাও দেখার বিষয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাকিবের এই চতুর পদক্ষেপ মূলত মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে জাহির করার দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের অংশ। তৃণমূলের রাজনৈতিক ভিত্তি ছাড়া কেবল অর্থ এবং ভাইয়ের প্রভাব খাটিয়ে বেশি দূর এগোনো কঠিন। বিএনপির মতো বড় রাজনৈতিক দলে ত্যাগী ও পদধারী নেতাদের ডিঙিয়ে কোনো অননুমোদিত ব্যক্তির এমন আধিপত্য দলীয় কোন্দল বাড়িয়ে তুলতে পারে।

নিঃসন্দেহে বলা যায়, রাকিব আপাতত জনসেবার মোড়কে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদের দিকেই ধাবিত হচ্ছেন। তবে দলের সিনিয়র নেতৃত্ব, তৃণমূল কর্মী এবং সর্বোপরি নগরবাসী এই ‘রাজনীতির ব্যতিক্রমী ধারা’কে কীভাবে মূল্যায়ন করে, তার ওপরই নির্ভর করছে তার ভবিষ্যৎ।

 

"তীব্র কোণঠাসা ও বহুমুখী অভিযোগে বিদ্ধ সাখাওয়াত"। নৌকার খোলসে মোড়ানো বিএনপি মোড়কে চেয়ারম্যান প্রার্থী লিটন। "জনসেবার ছদ্মবেশে কোন পথে হাঁটছেন রাকিব"? সামারি ট্রায়ালে ছাড় পাচ্ছে অপরাধীরা: নারায়ণগঞ্জ জুড়ে উদ্বেগ "প্রিন্সের পথেই হাটছেন লিটন"