খুঁজুন
সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩০ চৈত্র, ১৪৩২

পবিত্র রমাদান উপলক্ষে দরিদ্র পরিবারে মাঝে মাংস বিতরণ ধারাবাহিকবাবে অব্যাহত রেখেছেন মাসুদুজ্জামান।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
পবিত্র রমাদান উপলক্ষে দরিদ্র পরিবারে মাঝে মাংস বিতরণ ধারাবাহিকবাবে অব্যাহত রেখেছেন মাসুদুজ্জামান।

 

পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে মানবিক সহমর্মিতার অংশ হিসেবে সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দরিদ্র মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। রমজানের তৃতীয় দিনের মতো এদিনও অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। তার উদ্যোগে নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড এবং বন্দরের ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৩০০ দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত প্রতি পরিবারের হাতে পরিবারকে এক কেজি করে মাংস দেওয়া হয়, যাতে রমজানের সময়ে তাদের খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা কিছুটা হলেও পূরণ হয়।

রমজানের মূল শিক্ষা—সংযম, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে সমাজে আরও জাগ্রত করার লক্ষ্য থেকেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে মাসুদুজ্জামান প্রতি বছরই পবিত্র রমজান মাসে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। পূর্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলতি বছরও পুরো রমজান জুড়ে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে একটি তদারকি টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের প্রস্তুত করা তালিকার ভিত্তিতে নির্ধারিত পরিবারের মাঝে সুশৃঙ্খল পরিবেশে মাংস বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়, যাতে সহায়তা বণ্টনে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।

সমাজসেবক মাসুদুজ্জামান বলেন, রমজান আমাদের আত্মসংযম ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাস মানুষকে অন্যের কষ্ট উপলব্ধি করার সুযোগ করে দেয়। তিনি মনে করেন, সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবানরা যদি সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসেন, তাহলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো অনেক সহজ হয়ে যাবে। তার প্রত্যাশা—রমজানের সময় অন্তত কোনো পরিবার যেন ইফতার বা সেহরিতে খাদ্য ও পুষ্টির অভাবে কষ্ট না পায়। এ ধরনের ছোট ছোট মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মাংস বিতরণ কর্মসূচিতে সহায়তা পাওয়া পরিবারগুলো আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে অনেক পরিবারের পক্ষেই মাংস কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন সময়ে এই সহায়তা তাদের জন্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে এবং রমজানের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ তৈরি করেছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির, সদস্য অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, আতাউর রহমান মুকুল,মম হাজী মো. মনির হোসেন সরদার, এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, সমাজসেবক মাসুদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রমজান উপলক্ষে চলমান এই মাংস বিতরণ কর্মসূচিও মাসব্যাপী অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ!

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ
প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ!

 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রক্ষাকারী, সাংগঠনিক দক্ষতা সম্পন্ন রাজনীতিবিদ ও ক্লিন ইমেজ খ্যাত যুবদল নেতা হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলি উল্লাহ।

জানা গেছে, অলি উল্লাহ বিগতদিনে আন্দলোনের সংগ্রামের প্রতিটি স্তরে সক্রিয় ভূমিকা রেখছিলেন। মাঠপর্যায়ে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার সরব উপস্থিতি তাকে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।

রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ-এর একজন ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবেও পরিচিত অলি উল্লাহ। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক এবং নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার সক্ষমতা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় তাকে আরও এগিয়ে রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার নিয়মিত অংশগ্রহণ, দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকার কারণে ইতোমধ্যে তিনি হাইজাদী ইউনিয়নের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজের কাছে তিনি একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। পাশাপাশি বয়োজ্যেষ্ঠদের মাঝেও তার ভদ্রতা ও আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নতুন নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তৃণমূলের রাজনীতি জানা, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং দলীয় কাঠামোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে একজন শক্ত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছে।

এদিকে অলি উল্লাহ বলেন, আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। ছোটবেলা থেকেই হাইজাদী ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে জড়িয়ে আছি। সব সময় চেষ্টা করেছি সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে। যদি এলাকার মানুষ আমাকে যোগ্য মনে করে এবং দায়িত্ব দেয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ হাইজাদী ইউনিয়নকে একটি সুশাসনভিত্তিক, উন্নয়নমুখী ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। তরুণ সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক ও সাধারণ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাইজাদী ইউনিয়নে অলি উল্লাহকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা ও প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে এই আলোচনা কতটা বাস্তব রূপ পায়।

 

বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর।

 

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে সারা দেশের ন্যায় পুরো আড়াইহাজার জুড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থীর অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও ছোট বড় বিভিন্ন অনুষ্টানমালায় উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করতেও দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীনদল বিএনপির হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন এমন সম্ভাব্য অনেক প্রার্থীর নাম বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। তবে বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একাধিক নেতার প্রার্থীতার নাম গুঞ্জুন থাকলেও সাধারণ ভোটাররা আস্থায় রাখছেন বিশনন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা ডা: মো: মজিবুর রহমানকে।
কারণ হিসেবে তৃণমূল বলছেন, একটি আধুনিক নিরাপদ মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মাণ লক্ষ্যে ও একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন মজিবুর রহমান। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে, প্রতিটি পরিবারকে নিরাপদ রাখতে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উন্নত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বিশনন্দী ইউনিয়ন গড়ার ব্যত্যয় নিয়ে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য। এছাড়াও মজিবুর রহমান বিএনপির দুঃসময়ে করেছেন একাধিকবার কারাবরণ। তার পরিবারের প্রত্যেকটা ভাই আওয়ামী লীগের শাসন আমলে কারাবরণ করেছেন একাধিকবার। কারানির্যাতিত নেতাদের জামিন করানো, অসহায় নেতাদের আর্থিক সহযোগিতা, বিশেষ দিবসে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ত্রান-সাহায্য সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে। যার ফলে একাধিক নেতা আলোচনায় থাকলেও বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে তৃণমূলের আস্থায় আছেন এক ডা: মো: মজিবুর রহমান । যার রয়েছে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বিশাল কর্মী বাহিনী। যাকে দেখলে এগিয়ে আসেন যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেনিপেশার মানুষ।
তৃণমূল এর ভাষ্যমতে, মজিবুর রহমান এর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। তবে রয়েছে সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলার ও বুকে টেনে নেওয়ার সক্ষমতা। যিনি তরুন সমাজকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় মাতিয়ে রাখতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় খেলার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন নিরবে। আল্লাহর নৈকট্যলাভের আশায় মসজিদ মাদ্রাসায়ও তার দানের হাত কমতি নয়।এমন সব কর্মকান্ডে তাকেই এগিয়ে রাখছেন আগামীদিনে বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে। রাখতে চান একমাত্র মুজিবুর এর উপর আস্থা।দেখতে চান চেয়ারম্যান পদে।

 

 

আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

 

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ  নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে সারা দেশের ন্যায় পুরো আড়াইহাজার জুড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য একাধিক  প্রার্থীর অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও ছোটবড় বিভিন্ন অনুষ্টানমালায় উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করতেও দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীনদল বিএনপির  হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন এমন সম্ভাব্য অনেক প্রার্থীর নাম বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে।

জানাগেছে আসন্ন হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এবার প্রার্থীতা হতে পারেন সরকারি সফর আলী কলেজের সাবেক এজিএস মীর রেজাউল করিম,  হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সফিউল আলম সবুজ, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির, হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা এড. মামুন মাহমুদ, জাকির হোসেন, হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলিউল্লাহও সাধারণ সম্পাদক মীর মেহেদী হাসান রানা।তবে নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানাগেছে থাকছে না দলীয় কোন প্রতীক।

এদিকে জানাগেছে হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একাধিক নেতার প্রার্থীতার নাম গুঞ্জুন থাকলেও সাধারণ ভোটাররা আস্থায় রাখছেন হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলি উল্লাহকে।তার কারণও আছে বেশ।কারণ হিসেবে তৃণমূল বলছেন, একটি আধুনিক নিরাপদ মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মাণ লক্ষ্যে ও একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন অলিউল্লাহ অলি। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিটি পরিবারকে নিরাপদ রাখতে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উন্নত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হাইজাদী ইউনিয়ন গড়ার ব্যত্যয় নিয়ে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য।এছাড়াও অলি বিএনপির দুঃসময়ে কারানির্যাতিত নেতাদের জামিন করানো, অসহায় নেতাদের আর্থিক সহযোগিতা, বিশেষ দিবসে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ত্রান-সাহায্য সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।যার ফলে একাধিক নেতা আলোচনায় থাকলেও তৃণমূলের আস্থায় আছেন এক অলি।যার রয়েছে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বিশাল কর্মী বাহিনী।যাকে দেখলে এগিয়ে আসেন যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেনিপেশার মানুষ।

তৃণমূল এর ভাষ্যমতে, অলির রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই বিতর্কিত কর্মকাণ্ড।তবে রয়েছে সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলার ও বুকে টেনে নেওয়ার সক্ষমতা। যিনি তরুন সমাজকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় মাতিয়ে রাখতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় খেলার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন

নিরবে।আল্লাহর নৈকট্যলাভের আশায় মসজিদ মাদ্রাসায়ও তার দানের হাত কমতি নয়।এমন এসব কর্মকান্ডে তাকেই এগিয়ে রাখছেন আগামীদিনে হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে। রাখতে চান একমাত্র অলির উপর আস্থা।দেখতে চান চেয়ারম্যান পদে। তবে এখন দেখার বিষয় কে হচ্ছেন আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের আগামীদিনের চেয়ারম্যান।

 

 

 

 

 

প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ! বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর। আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক! সিটি নির্বাচন, কেন আলোচনায় রাকিব? বিশনন্দী ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় হাসান।