খুঁজুন

মাসুদুজ্জামান এর উদ্যোগে “জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাস” কর্মসূচী অনুষ্ঠিত।

দেশবাণী রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
মাসুদুজ্জামান এর উদ্যোগে “জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাস” কর্মসূচী অনুষ্ঠিত।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিভিন্ন এলাকায় জনজীবনের বাস্তব চিত্র, প্রয়োজন ও প্রত্যাশা নথিভুক্ত করতে “জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাস” নামে একটি জনমত সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্যোগ নিয়েছেন বিএনপি মনোনিত প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়া সংগঠক মাসুদুজ্জামান। আজ (২ ডিসে ২০২৫), এই উদ্যোগের মাধ্যমে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন সমস্যা, প্রয়োজন, প্রত্যাশা এবং স্থানীয় উন্নয়ন সম্পর্কে মতামত লিখে সরাসরি জানাতে পারবেন। কর্মসূচিটি ধারাবাহিকভাবে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হবে, যাতে সকল শ্রেণি-পেশার নাগরিক তাদের নিজস্ব মতামত প্রকাশ করতে পারেন।

এ সম্পর্কে মাসুদুজ্জামান বলেন,“নাগরিকের মতামত না জেনে কোনো উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হয় না এর উদাহরণ আমাদের চারপাশেই রয়েছে। তাই এলাকার মানুষের প্রকৃত চাওয়া, সমস্যা ও প্রত্যাশা জানা-ই কার্যকর পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ। জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাসের মাধ্যমে সেই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এর উদ্দেশ্য সমন্বিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানুনুকেন্দ্রিক পরিকল্পনার জন্য নাগরিক মতামতকে প্রধান ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা। ”

তিনি আরো বলেন, প্রায়ই দেখা যায়, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা ও মৌলিক প্রয়োজন যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয় না। বিশেষ করে সমাজের প্রান্তিক মানুষের মতামত সংগ্রহ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ে যায়। ফলে কিছু উন্নয়ন উদ্যোগ জনবান্ধব হওয়ার পরিবর্তে মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অবকাঠামো, সড়কব্যবস্থা, নগরসেবা, স্থানীয় সুযোগ-সুবিধা-এসব ক্ষেত্রেই নাগরিকের প্রত্যাশা ও বাস্তব সমস্যার প্রতিফলন অনেক ক্ষেত্রে যথেষ্টভাবে উঠে আসে না। এর ফলে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নকশা, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি এবং উন্নয়ন কাঠামোয় সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বর্তমান বাস্তবতায় এই অভিজ্ঞতা নারায়ণগঞ্জের মানুসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা গেছে, যেখানে প্রান্তিক মানুষের বাস্তব সমস্যার সঙ্গে মিল না থাকায় অনেক প্রকল্প টেকসই হয়নি বা সাধারণ মানুষের উপকারে সম্পূর্ণভাবে আসতে পারেনি।

তিনি বলেন, জনসাধারণের মতামতের গুরুত্ব আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। নাগরিকদের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞতা এবং বাস্তব সমস্যাকে মূল্যায়ন করে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব পরিকল্পনা গ্রহণ করাই এখন সময়ের দাবি। “জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাস” উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষ সরাসরি লিখিতভাবে জানাতে পারছেন তারা কী পরিবর্তন চান, কোন সমস্যাগুলো সমাধান জরুরি এবং স্থানীয় উন্নয়নে কী ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রাপ্ত লিখিত মতামতগুলো যথাযথভাবে অগ্রাধিকার অনুযায়ী বিশ্লেষণ করা হবে, যা ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে দিকনির্দেশক কাঠামো হিসেবে কাজ করবে ।

জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাস” নারায়ণগঞ্জে নাগরিকদের অংশগ্রহণমূলক মতামত সংগ্রহের একটি উন্মুক্ত পঞ্চ্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। সমাজের সকল স্তরের মানুষ তাদের চাহিদা, সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মত প্রকাশ করবেন। পরবর্তীতে এসব মতামতকে প্রাথমিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে নানা উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে-এটাই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

 

“ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন” নিয়ে জনকল্যাণে মাসুদ।

শহর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
“ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন” নিয়ে জনকল্যাণে মাসুদ।

 

জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের পাশে থাকার যে অঙ্গীকার করেছিলেন, সেটিকে এবার আরও সংগঠিত রূপ দিয়েছেন শিল্প উদ্যোক্তা ও বিএনপি নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদ। দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে নিতে ‘ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তুলেছেন তিনি।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা ফতুল্লার তল্লা খানপুর এলাকার হোসেন সর্দার রোডে দোয়া ও মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

তবে নতুন এই সংগঠনের কার্যক্রমকে কেবল একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, করোনাকাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক সংকট, ঈদ ও উৎসবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব এবং ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে মাসুদুজ্জামুজ্জানের যে সামাজিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে, ফাউন্ডেশনটি তারই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।

করোনার কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা যখন থমকে গিয়েছিল, তখন অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ান মাসুদুজ্জামান। খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে তিনি মানুষের কাছে পৌঁছান। পরবর্তী সময়েও ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে উপহারসামগ্রী বিতরণ করে আসছেন তিনি। ঈদের আগে প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া, শীতার্তদের সহায়তা এবং বিভিন্ন সংকটে ব্যক্তিগতভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হয়ে ওঠে।

ব্যবসায়ী হিসেবেও নারায়ণগঞ্জের অর্থনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে তার। মডেল ডি ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। শিল্প ও ব্যবসা খাতের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

ক্রীড়াঙ্গনেও রয়েছে তার সম্পৃক্ততা। বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন ও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। তার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রেখে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখার বিষয়টিকেও তিনি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

এর বাইরে বিভিন্ন সামাজিক সংকট ও দুর্যোগেও তাকে মানুষের পাশে দেখা গেছে। বন্যার সময় দুর্গতদের সহায়তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন মানবিক প্রয়োজনে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহায়তা দেওয়ার কথাও তার অনুসারীরা উল্লেখ করেন।

এই দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের মধ্যেই গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন মাসুদুজ্জামান। পরে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। তবে তখন তিনি জানিয়েছিলেন, জনপ্রতিনিধি না হলেও মানুষের পাশে থাকার কাজ অব্যাহত রাখবেন এবং সমাজসেবায় আগের চেয়েও বেশি ভূমিকা রাখবেন।

সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এবার সামাজিক কর্মকাণ্ডকে আরও সংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। ‘ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধা বিকাশ, স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক সহায়তা, নিরাপদ পানি, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু উন্নয়ন, পরিবেশ, যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন এবং দুর্যোগকালীন সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাসুদুজ্জামান জানান, সুন্দর ও মানবিক সমাজ নির্মাণ এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করাই সংগঠনটির লক্ষ্য। প্রায় ১৮ বছর আগে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হলেও নিবন্ধন পেতে সময় লেগেছে। সম্প্রতি নিবন্ধন পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মাসুদুজ্জামুজ্জান বলেন, তিনি ও তার পরিবার সমাজের জন্য যা করেছেন, তা কোনো প্রত্যাশা থেকে নয়; সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই করেছেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান তিনি।

দীর্ঘদিন তার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মতে, এতদিন ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম এখন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত পরিসরে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন সংগঠনটি তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি নতুন অধ্যায় হলেও এর ভিত্তি তৈরি হয়েছে বহু বছরের কাজের মধ্য দিয়েই।

 

অসুস্থ রাকিব এর জন্য দোয়া চেয়েছেন পরিবার।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
অসুস্থ রাকিব এর জন্য দোয়া চেয়েছেন পরিবার।

মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী এবং স্ট্রার্কটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুল ইসলাম রাকিব হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার দ্রুত সুস্থতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

‎‎রবিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রাকিবুল ইসলাম রাকিব। পরে তার সহধর্মিণী সারাফ আনিকা ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে রাকিবের শারীরিক অবস্থার কথা জানান।

‎‎স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “রাকিব ভালো আছে, খুব বেশি অসুস্থ নয়। তবে ডাক্তার আপাতত ওকে বেশি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে বা বেশি মানুষের সঙ্গে মিশতে নিষেধ করেছেন। তাই সবাই দূর থেকে রাকিবের জন্য দোয়া করবেন।”

‎‎তিনি আরও বলেন, “আল্লাহ যেন রাকিবকে দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করেন। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।”

‎‎পরিবারের পক্ষ থেকে রাকিবুল ইসলাম রাকিবের দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

"ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন" নিয়ে জনকল্যাণে মাসুদ। অসুস্থ রাকিব এর জন্য দোয়া চেয়েছেন পরিবার। ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন