খুঁজুন

শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ডের রায়

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনার মৃত্যুদন্ডের রায়

 

 

বাংলাদেশে গত বছরের জুলাই-অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগের দুইটিতে মৃত্যুদণ্ড ও অপরটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় দেন ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায় ঘোষণার সময় জনাকীর্ণ আদালতে আইনজীবীরা ছাড়াও জুলাই অগাস্টে নিহতদের কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ট্রাইব্যুনালে বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়। বিচারকাজ চলার সময় অডিও, ভিডিওসহ যেসব তথ্যউপাত্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর বর্ণনা দেওয়া হয়। ঘটনার শিকার ও সাক্ষীরা কী বলেছে তার বর্ণনা দেওয়া হয়।

এর আগে ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন ভিডিওতে পাওয়া শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য–প্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।

ঢাকার যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার, আশুলিয়া, রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে যেভাবে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের হত্যা করা হয়েছে, সেগুলোর ভিডিও ও তথ্যপ্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।

আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকাশিত রিপোর্টের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনানো হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন জনের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোনে কথোপকথনগুলো শোনানো হয়। কিছুক্ষণ আগে শেখ হাসিনার সঙ্গে সে সময়ের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর ফোনালাপ শোনানো হয়।

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি এই মামলার অন্য দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান পলাতক। দুজনই এখন ভারতে অবস্থান করছেন।

একটি অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হওয়ায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ১৩ নভেম্বর এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন (১৭ নভেম্বর) দিন ধার্য করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদসহ অন্যরা।

গত ২৩ অক্টোবর এ মামলায় সমাপনী বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ হেভিওয়েট নেতাদের যেভাবে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, সেসব বর্ণনা ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেন তিনি। পরে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর যুক্তি উপস্থাপনের কয়েকটি বিষয়ে জবাব দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এরপর তাদের কিছু কথার পাল্টা উত্তর দেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন।

এ মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও আসামি। তবে রাজসাক্ষী হয়ে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেওয়ায় যুক্তিতর্কে শেখ হাসিনা-কামালের চরম দণ্ড বা সর্বোচ্চ সাজা চাইলেও তার ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছিল প্রসিকিউশন। মামুনের আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদও তার অ্যাকুইটাল (খালাস) চেয়েছেন।

এ মামলায় ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ৫৪ জন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় চলতি বছরের ৩ আগস্ট। প্রথম সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বীভৎসতার চিত্র তুলে ধরেন খোকন চন্দ্র বর্মণ। ৮ অক্টোবর মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরের জেরার মাধ্যমে শেষ হয় সাক্ষ্যগ্রহণের ধাপ। এরপর প্রসিকিউশন ও স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীর যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয় ২৩ অক্টোবর।

এ মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। এর মধ্যে রয়েছে উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুলে হত্যা ও আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মোট আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠার ও শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার। গত ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

 

“ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন” নিয়ে জনকল্যাণে মাসুদ।

শহর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
“ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন” নিয়ে জনকল্যাণে মাসুদ।

 

জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের পাশে থাকার যে অঙ্গীকার করেছিলেন, সেটিকে এবার আরও সংগঠিত রূপ দিয়েছেন শিল্প উদ্যোক্তা ও বিএনপি নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদ। দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে নিতে ‘ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তুলেছেন তিনি।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা ফতুল্লার তল্লা খানপুর এলাকার হোসেন সর্দার রোডে দোয়া ও মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

তবে নতুন এই সংগঠনের কার্যক্রমকে কেবল একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, করোনাকাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক সংকট, ঈদ ও উৎসবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব এবং ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে মাসুদুজ্জামুজ্জানের যে সামাজিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে, ফাউন্ডেশনটি তারই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।

করোনার কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা যখন থমকে গিয়েছিল, তখন অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ান মাসুদুজ্জামান। খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে তিনি মানুষের কাছে পৌঁছান। পরবর্তী সময়েও ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে উপহারসামগ্রী বিতরণ করে আসছেন তিনি। ঈদের আগে প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া, শীতার্তদের সহায়তা এবং বিভিন্ন সংকটে ব্যক্তিগতভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হয়ে ওঠে।

ব্যবসায়ী হিসেবেও নারায়ণগঞ্জের অর্থনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে তার। মডেল ডি ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। শিল্প ও ব্যবসা খাতের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

ক্রীড়াঙ্গনেও রয়েছে তার সম্পৃক্ততা। বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন ও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। তার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রেখে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখার বিষয়টিকেও তিনি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

এর বাইরে বিভিন্ন সামাজিক সংকট ও দুর্যোগেও তাকে মানুষের পাশে দেখা গেছে। বন্যার সময় দুর্গতদের সহায়তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন মানবিক প্রয়োজনে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহায়তা দেওয়ার কথাও তার অনুসারীরা উল্লেখ করেন।

এই দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের মধ্যেই গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন মাসুদুজ্জামান। পরে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। তবে তখন তিনি জানিয়েছিলেন, জনপ্রতিনিধি না হলেও মানুষের পাশে থাকার কাজ অব্যাহত রাখবেন এবং সমাজসেবায় আগের চেয়েও বেশি ভূমিকা রাখবেন।

সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এবার সামাজিক কর্মকাণ্ডকে আরও সংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। ‘ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধা বিকাশ, স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক সহায়তা, নিরাপদ পানি, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু উন্নয়ন, পরিবেশ, যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন এবং দুর্যোগকালীন সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাসুদুজ্জামান জানান, সুন্দর ও মানবিক সমাজ নির্মাণ এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করাই সংগঠনটির লক্ষ্য। প্রায় ১৮ বছর আগে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হলেও নিবন্ধন পেতে সময় লেগেছে। সম্প্রতি নিবন্ধন পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মাসুদুজ্জামুজ্জান বলেন, তিনি ও তার পরিবার সমাজের জন্য যা করেছেন, তা কোনো প্রত্যাশা থেকে নয়; সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই করেছেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান তিনি।

দীর্ঘদিন তার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মতে, এতদিন ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম এখন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত পরিসরে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন সংগঠনটি তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি নতুন অধ্যায় হলেও এর ভিত্তি তৈরি হয়েছে বহু বছরের কাজের মধ্য দিয়েই।

 

অসুস্থ রাকিব এর জন্য দোয়া চেয়েছেন পরিবার।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
অসুস্থ রাকিব এর জন্য দোয়া চেয়েছেন পরিবার।

মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী এবং স্ট্রার্কটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুল ইসলাম রাকিব হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার দ্রুত সুস্থতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

‎‎রবিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রাকিবুল ইসলাম রাকিব। পরে তার সহধর্মিণী সারাফ আনিকা ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে রাকিবের শারীরিক অবস্থার কথা জানান।

‎‎স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “রাকিব ভালো আছে, খুব বেশি অসুস্থ নয়। তবে ডাক্তার আপাতত ওকে বেশি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে বা বেশি মানুষের সঙ্গে মিশতে নিষেধ করেছেন। তাই সবাই দূর থেকে রাকিবের জন্য দোয়া করবেন।”

‎‎তিনি আরও বলেন, “আল্লাহ যেন রাকিবকে দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করেন। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।”

‎‎পরিবারের পক্ষ থেকে রাকিবুল ইসলাম রাকিবের দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

"ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন" নিয়ে জনকল্যাণে মাসুদ। অসুস্থ রাকিব এর জন্য দোয়া চেয়েছেন পরিবার। ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন