গতকাল ২৩ অক্টোবর ২০২৫, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৫ নং ওয়ার্ডে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মাসুদুজ্জামান মাসুদের নির্দেশনায় মশক নিধন ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রণীত ৩১ দফা প্রচারপত্র বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন বন্দর থানা মহিলা দলের সভাপতি নাজমা বেগমের নেতৃত্বে, যেখানে স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষদের সচেতন করে তোলা হয়েছে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে।
মাসুদুজ্জামান মাসুদ এসময় বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সুস্থ, সচেতন ও উন্নত নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা। জনগণের পাশে থেকে স্বাস্থ্যসেবা, সচেতনতা ও ন্যায়ের রাজনীতি নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আমরা একসাথে ডেঙ্গুমুক্ত ও উন্নত নারায়ণগঞ্জ গড়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”
বন্দরের আমিন আবাসিক এলাকার আল আমিন মসজিদ ও পঞ্চায়েত মসজিদ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় আলহাজ্ব চাঁন মিয়া ও হাজী মোঃ কবির হোসেন সাধারন সম্পাদক করে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। সভাপতি আলহাজ্ব চাঁন মিয়া কমিটির সকলের উপস্থিততে উপদেষ্টা পরিষদসহ নির্বাহী কমিটির নাম প্রকাশ করেন। ঘোষণ শেষে তিনে মসজিদের উন্নয়ন ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকসহ সার্বিক বিষয়ে সকলকে ঐক্যবব্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।
কমিটিতে অন্যান্যরা হলেন সহ-সভাপতি হাজী মোঃ আব্দুল হক, হাজী মোঃ আক্তার হোসেন, হাজী মোঃ জিয়া উদ্দিন, ইঞ্জি: মোঃ শাহীন, মোঃ হানিফ মিয়া, যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক পদে অলি আহম্মোদ, আবু মোসা, ইকবাল হোসেন, কাজী মোহাম্মদ আলী, কোষাধক্ষ্য আলমগীর হোসেন মোল্লা, সহ-কোষাধক্ষ্য হাজী আফজাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ গোলাম মোহাম্মদ মিল্টন, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ রুবেল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক হাজী আব্দুল হক মিলন, হাজী মোহাম্মদ আলী, সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক: আনোয়ার বাদশা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুফতী তারেক হাসান মিঠু। তাছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে আছেন মোঃ শাহজাহান রানা, মোঃ আরাফাত, মোঃ মেহেদী হাসান মাহফুজ, মোঃ তৌহিদুর রহমান, মোঃ শেখ সাদী, মোঃ আমজাদ হোসেন, মোঃ মেহেদি হাসান জিতু, মোঃ নুরু মিয়া, মোঃ শেখ নাঈম আহম্মেদ, মোঃ সুমন প্রমুখ।
আলহাজ্ব চাঁন মিয়া আরো বলেন, আল্লাহর ঘর মসজিদ। এখান থেকে নেয়ার অনেক কিছু আছে। দেওয়ার মত অনেক কিছু আছে যদি আল্লাহ তাহালা তা কবুল না করে। কমিটি হলো একটা আনুষ্ঠানিক ও নিয়ম অনুযায়ে। মসজিদ ও পঞ্চায়েত কমিটিতে যারা এটাতো নিয়মতান্ত্রিক। সকলেই উন্নয়ন ও ভালো কাজের ক্ষেত্রে সমান। প্রতিটি সদস্য কমিটির লোক মনে করে সমাজের সার্বিক ভালো দিকগুলো ধরে রাখতে হবে। যত প্রকার অপরাধ আছে তা নিমূর্লে আমাদের ঐক্য থাকতে হবে।
মে দিবস বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ‘এক গৌরবোজ্জ্বল দিন’ বলে মন্তব্য করে হাইজাদী ইউনিয়নবাসীসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও আগামীদিনের চেয়ারম্যান প্রত্যাশি মোঃ অলিউল্লাহ।
সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৮৮৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিকদের দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে জীবন উৎসর্গের ইতিহাস স্মরণ করে অলি বলেন, “তাদের সেই আত্মত্যাগ শ্রমিক শ্রেণির অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজও আমাদের প্রেরণা ও শক্তি জোগায়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও তাদের কল্যাণে যুগান্তকারী নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার শ্রম আইন সংস্কার, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের যৌক্তিক মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে পেনশন ব্যবস্থা চালু, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, বন্ধ শিল্প চালু, ন্যায্যমূল্যে খাবার সরবরাহ, স্থায়ী শ্রমিক ও কর্মচারীদের সুরক্ষা নিশ্চিতসহ শ্রমিক সমাজের ভাগ্যোন্নয়নে নানান কর্মসূচি ও নীতি গ্রহণ করেছে।
এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যুবদল এই নেতা।
একটি মহল চাইছে হাটটি বসাতে। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বন্দর জোনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকা ২২ নং ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের বন্দর ঘাট এলাকা দিয়ে প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ জেলা সদরে যাতায়াত করেন। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে এই জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে পশুর হাট বসানোর আশঙ্কায় চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর দাবি, এখানে হাট বসলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ হওয়াসহ জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।
বন্দর ঘাট সংলগ্ন এলাকায় আমিন আবাসিক, রেলী আবাসিক ও লেজারাস আবাসিকের মতো বড় তিনটি আবাসিক এলাকা রয়েছে। প্রায় ১৫০০ প্লট নিয়ে গঠিত এই এলাকায় অন্তত ৩ থেকে ৪ হাজার পরিবার বসবাস করে। ২৬ হাজার ভোটারসহ প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসবাস এই ২২ নং ওয়ার্ডে। সদর ও বন্দরের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এই ঘাট ও সংযোগ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ চলাচল করেন। পশুর হাট বসলে এই যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, বন্দর ঘাটে পশুর হাট বসানোর মতো পর্যাপ্ত খালি জায়গা নেই। নদীর পাড়ে যেটুকু জায়গা আছে, সেখানে সরকারি উদ্যোগে বনায়ন করা হয়েছে। এখানে হাট বসলে সেই বনায়ন ধ্বংস হবে। এছাড়া পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় পশুর হাট আবাসিক এলাকার অলিগলিতে ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সিটি কর্পোরেশনের ড্রেন ও রাস্তার অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করবে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্তমান গরমের মৌসুমে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় হাজার হাজার পশু ও মানুষের সমাগমে দুর্গন্ধ ও ময়লা-আবর্জনা থেকে ভাইরাসজনিত রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এছাড়া সংকীর্ণ রাস্তায় পশু আনা-নেওয়ার ফলে শিশু ও বৃদ্ধদের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।
বিগত বছরগুলোতে জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এই এলাকায় পশুর হাটের ইজারা দেয়নি। গত বছর সদর, বন্দর ও সিদ্ধিরগঞ্জ মিলিয়ে ২৬টি হাট বসলেও বন্দর ঘাট এলাকাটি মুক্ত ছিল। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান এবং এলাকাবাসী এবারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন। তাছাড়া বন্দরের কম ঘনবসতিপূর্ন ওয়ার্ডগুলোতে পর্যাপ্ত খালি মাঠ আছ হাট করার মতো।
“আমরা পশুর হাটের বিরোধী নই, তবে বন্দর ঘাটের মতো একটি ব্যস্ততম পয়েন্টে হাট বসানো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। আমরা সিটি কর্পোরেশন প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসকের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি, যেন জনস্বার্থে এখানে কোনোভাবেই হাট ইজারা না দেওয়া হয়।”
আপনার মতামত লিখুন