খুঁজুন

“ধান’কে নয় কালামকে শেষ পেরেক দিতে মরিয়া”।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
“ধান’কে নয় কালামকে শেষ পেরেক দিতে মরিয়া”।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী কালামকে শেষ পেরেক দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী ও তৃনমূল। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কালামের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসা ফুটবল মার্কার মাকসুদ ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ একজন ব্যক্তি। যদিও এর আগে মাকসুদ যুবদলের রাজনীতির সাথে জরিত ছিলো বলে আলোচনায় আছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের গণঅভ্যুত্থানের পর যখন আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতা পলাতক, ঠিক সেই সময় মাকসুদের মতো একজন প্রার্থী হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে ওসমান পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে। আর যে ভাবে মাকসুদ অর্থ ছড়াচ্ছে তা বিষয়টি আরও গভীর করে তুলছে যেমন মনে হচ্ছে এটা ওসমান পরিবারের বি টিম,অথচ কিছু মহল থেকে বলা হচ্ছে, ওসমানদের কোনো প্রভাব বা ইন্ধন নেই—যা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

অন্যদিকে, কালামের পুত্র আশা নির্বাচনী মাঠে যাদের সামনে আনছেন, তাদের বড় একটি অংশ অতীতে আওয়ামী লীগ ও ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাছাড়া সমাজবিরোধী লোকেরাও তাদের সাথে থাকছেন। এসব ব্যক্তিকে দিয়েই ধানের প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আশার বিশ্বাস তারা ই তার বাবা কালামকে ভোট দিবে যা একেবারে হাস্যকর বিষয় এতে করে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি তৃণমূল কর্মীদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে।

দলীয় কর্মীদের মতে, এই পরিস্থিতিতে আগামী ১২ তারিখে কালাম ভয়াবহ রকমের ধরাশায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এখনো কিছুটা সময় হাতে থাকায় কালাম ও তার পুত্র কাউসার চাইলে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে সংগঠনকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, শেষ মুহূর্তে প্রার্থী ও প্রচার কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন না এলে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ধানের অবস্থান আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

 

“হকারদের দৌরাত্ম্যে অসহায় প্রশাসক সাখাওয়াত”

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
“হকারদের দৌরাত্ম্যে অসহায় প্রশাসক সাখাওয়াত”

 

​শহরের ফুটপাথ ও ব্যস্ত রাস্তাঘাটগুলোতে হকারদের উপদ্রব ও দৌরাত্ম্য দিন দিন চরম আকার ধারণ করেছে। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ দখল করে ফুটপাথে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব দোকানপাটের কারণে নিত্যদিনই তীব্র যানজট এবং জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও হকারদের বেপরোয়া অবস্থানের কাছে যেন একপ্রকার অসহায় হয়ে পড়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক সাখাওয়াত।

এরই ধারাবাহিকতায়, অদ্য ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে ও হকার উচ্ছেদ অভিযানে নামেন প্রশাসক সাখাওয়াত। কিন্তু অভিযান চলাকালীন হকারদের তীব্র তোপের মুখে পড়েন তিনি। বিশেষ করে একটি মহলের অসাধুভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার পায়তারা এবং কিছু স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহলের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে পরিস্থিতি চরম উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। উচ্ছেদ কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করে ওই চক্রটি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধান সড়কের দুই পাশ দখল করে স্থায়ী ও অস্থায়ী নানা পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন হকাররা। এর ফলে পথচারীদের বাধ্য হয়ে মূল সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, উচ্ছেদ অভিযান বাধাগ্রস্ত করতে কিছু কুচক্রী মহল সবসময় পর্দার আড়ালে থেকে উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। এই স্থায়ী সংকটের কার্যকর কোনো সমাধান না হওয়ায় এবং অসাধুদের দৌরাত্ম্য না কমলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে।

জনদুর্ভোগ কমাতে, উস্কানিদাতাদের আইনের আওতায় আনতে এবং শহরের শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শহরবাসী।

“জেলা বিএনপির কমিটি ঘিরে চমকপ্রদ গুঞ্জন”

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
“জেলা বিএনপির কমিটি ঘিরে চমকপ্রদ গুঞ্জন”

 

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতৃত্ব এবং সম্ভাব্য নতুন কমিটি নিয়ে রাজনীতিপাড়ায় নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূল—সবখানেই এখন নতুন চমকপ্রদ গুঞ্জন ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে একটি নাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন। তাঁর উদীয়মান নেতৃত্বের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জে বিএনপির ভিত্তি তৈরি করা রাজপথের সাবেক ও বর্তমান জ্যেষ্ঠ নেতাদের ভূমিকা নিয়েও সরগরম রাজনৈতিক ময়দান।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির রাজনীতিতে তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে মাহমুদুর রহমান সুমনকে ঘিরে চর্চা এখন তুঙ্গে। আড়াইহাজারসহ পুরো জেলায় দলীয় কর্মসূচিতে ধারাবাহিক গতিশীলতা, গণসংযোগ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন করে নজর কেড়েছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় কর্মসূচিতে সর্বাত্মক অংশগ্রহণ, ইতিবাচক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও তৃণমূলকে চাঙ্গা রাখার দক্ষতার কারণে নতুন কমিটিতে সুমনকে বড় দায়িত্বে দেখার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্র এবং স্থানীয় রাজনীতিতে সুমনের ক্রমবর্ধমান ভাবমূর্তিই তাঁকে এখন আলোচনার শীর্ষ বিন্দুতে বসিয়েছে।

মাহমুদুর রহমান সুমনকে ঘিরে এই জোয়ারের মাঝেও রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামের অতীত ইতিহাস ও ত্যাগী অবদান নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ও বর্তমান শীর্ষ নেতারা। তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও প্রবীণ এই শীর্ষ নেতার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা এবং তৃণমূলকে সংগঠিত করার ইতিহাস রাজনীতিতে আজও বড় ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। জেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক হিসেবে তিনি কঠিন সময়ে দলকে শক্ত হাতে ধরে রেখেছেন। বিগত আন্দোলনে দফায় দফায় গ্রেপ্তার, কারাবরণ ও রাজনৈতিক মামলার মুখোমুখি হয়েও রাজপথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মাসুকুল ইসলাম রাজীব সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে বিরোধী দলে থাকাকালীন প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। চরম প্রতিকূল পরিবেশেও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকার কারণে তাঁর অতীত ভূমিকা সর্বজনবিদিত।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, গিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক মামুন মাহমুদ ও মাসুকুল ইসলাম রাজীবের মতো রাজপথের অভিজ্ঞ নেতাদের অতীত ত্যাগের প্রতি সম্মান রেখে মাহমুদুর রহমান সুমনের মতো সক্রিয় ও আধুনিক ধারার নেতৃত্বকে সামনে আনা হলে দল আরও শক্তিশালী হবে।

প্রবীণদের অভিজ্ঞতা এবং সুমনের মতো গতিশীল নতুন নেতৃত্বের মেলবন্ধনে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নতুন কমিটি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন জেলা বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।

 

 

“অদৃশ্য ইশারায় মোবারক আউট”

সোনারগাঁও প্রতিনিধি।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
“অদৃশ্য ইশারায় মোবারক আউট”

 

চতুর্মুখী রাজনৈতিক কৌতূহল, ক্ষোভ আর গুঞ্জনের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি। যুবদল নেতা জহির হত্যা মামলায় চরম চাঞ্চল্য ও নাটকীয় মোড় দেখা দিয়েছে। ঘটনার পর পরই নিহতের স্বজন ও পরিবার থেকে সরাসরি মোবারকের নাম উত্থাপন করা হলেও, চূড়ান্তভাবে দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারে তার নাম উধাও হয়ে গেছে। কোনো এক ‘অদৃশ্য ইশারায়’ এজাহার থেকে মোবারকের নাম বাদ পড়ায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মী এবং সচেতন মহলের মাঝে।

জহির হত্যার পর স্বজনদের কান্না ও উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগে যার নাম সবচেয়ে জোরেসোরে উচ্চারিত হয়েছিল, সেই মোবারক কীভাবে মামলার প্রাথমিক আসামির তালিকা থেকেও বাদ পড়লেন—তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। দলীয় তৃণমূল কর্মী ও স্থানীয়দের মাঝে এখন বড় প্রশ্ন—দূর থেকে বসে এ নাটকের সুতা টানছেন কে? কার নির্দেশে এবং কিসের বিনিময়ে এ হত্যাকাণ্ড থেকে প্রধান অভিযুক্তকে ‘অব্যাহতি’ দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলো?

ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তৃণমূলের কর্মীদের দাবি, কোনো প্রকার বৈধ ভিত্তি না থাকা সত্ত্বেও মোবারকের মতো ব্যক্তিরা কীভাবে সবসময় পার পেয়ে যান? আসলে তার ‘খুঁটির জোর’ কোথায়? কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, কোনো প্রভাবশালী মহল বা সিন্ডিকেটের অশুভ আঁতাতের ফলেই মূল আসামিকে আড়াল করে মামলা হালকা করার পাঁয়তারা চলছে।

পরিবারের প্রাথমিক অভিযোগের পরও এজাহারে নাম না থাকায় বিচার পাওয়া নিয়ে মারাত্মক সংশয় প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। অবিলম্বে নেপথ্যের কলকাঠি নাড়ানো মূল খলনায়কদের মুখোশ উন্মোচন এবং মোবারকসহ জহির হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রকৃত আসামিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

"হকারদের দৌরাত্ম্যে অসহায় প্রশাসক সাখাওয়াত" "জেলা বিএনপির কমিটি ঘিরে চমকপ্রদ গুঞ্জন" "অদৃশ্য ইশারায় মোবারক আউট" "এমপিদের নিরবতায় ঝুট সম্রাটদের সাম্রাজ্য, অভুক্ত তৃণমূলকর্মীরা" আড়াইহাজারের আলামিন গাজীর বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে ধোঁয়াশা ​