খুঁজুন

১০ হাজার পিস ইয়াবা সহ ১ গ্রেফতার

প্রেস বিঞ্জপ্তি
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
১০ হাজার পিস ইয়াবা সহ ১ গ্রেফতার

মাদক কারবারের সাথে জড়িত থাকায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে এক যুবককেগ্রেফতার করা হয়েছে। এই সময় তার থেকে দশ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

আটককৃত যুবকের নাম জিহাদুল ইসলাম (২০)। সে কক্সবাজার টেকনাফের, বর্তমান সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদি বসবাস করে। ৯ ডিসেম্বর রাতে তাকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।

পুলিশ থেকে জানানো হয়, থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মহম্মদ আব্দুল বারিক এর দিক নিদের্শনায় এসআই মোঃ জাকিরুল ইসলাম, এসআই মোঃ মোস্তফা কামাল সঙ্গীয় ফোর্স সহ ৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ২১.২৫ টার সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন পাইনাদী নতুন মহল্লা শাপলা চত্ত্বরে মায়া টি-স্টোর এর সামনে পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে একজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে নিজের নাম-ঠিকানা ১। জিহাদুল ইসলাম (২০), পিতা- জিয়াউর রহমান, মাতা-দেলোয়ারা বেগম, সাং- রঙ্গিখালী দক্ষিণ হ্নীলা, থানা-টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার, বর্তমান সাং- পাইনাদি নতুন মহল্লা পিএমএর মোড়, থানা- সিদ্ধিরগঞ্জ জানায়। এরপর জিহাদুল ইসলাম (২০) এর হেফাজত থেকে ১০,০০০ (দশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে নিজ হেফাজতে উক্ত মাদকদ্রব্য রাখায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়

“ওসমানের পর জহির খুন, তারপর কে”?

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২০ পূর্বাহ্ণ
“ওসমানের পর জহির খুন, তারপর কে”?

 

​নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে যেন থামছেই না অপরাধ ও রক্তপাতের খেলা। একের পর এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে পুরো উপজেলায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে সাধারণ মানুষের মনে। সম্প্রতি ওসমান হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার খুন হলেন জহির নামে আরেক ব্যক্তি। স্থানীয়দের একটাই প্রশ্ন—”ওসমানের পর জহির খুন, তারপর কে?” একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে এখন চরম ক্ষোভ, উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে। কে কার পরে টার্গেটে পরিণত হবেন—এই ভয়ে দিন কাটছে সাধারণ মানুষের।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান অবনতির কারণেই অপরাধীরা বারবার এমন নৃশংস ঘটনা ঘটাতে সাহস পাচ্ছে। কিছুদিন আগে ওসমান নামের এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের শোক কাটতে না কাটতেই জহিরের প্রাণহানি পুরো জনপদকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। একের পর এক এমন খুনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছে, অপরাধচক্রগুলোর শেকড় কতদূর গভীরে?

ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। শোকারিত ও আতঙ্কিত এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, দ্রুত এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তারা প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জোরদার অভিযান চলছে। তবে সাধারণ মানুষের দাবি, শুধু দায়সারা অভিযান নয়, বরং এলাকায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি এবং অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা জরুরি।

একের পর এক তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়ার এই মিছিলে ইতি টানতে এবং জনমনে স্বস্তি ফেরাতে প্রশাসন কতোটা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

 

যুবদল নেতা জহির হত্যা: অভিযোগের তীর কেন মোবারক এর দিকে?

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
যুবদল নেতা জহির হত্যা: অভিযোগের তীর কেন মোবারক এর দিকে?

​

​নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে যুবদল নেতা জহির হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জহিরের মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতি ও অপরাধের নানা গোপন বিষয় নতুন করে সামনে আসছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে, বালুমহল নিয়ন্ত্রণ, চরদখল ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই জহিরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আড়াইহাজার থানা ছাত্রদলের সাবেক এক সাধারণ সম্পাদকের দিকে আঙ্গুল তুলেছে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে পরিচিত এই রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও নানা গুরুতর অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠছে।

নিহত জহিরের পরিবারের দাবি, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীতা সহ মেঘনা নদীর বালুমহল ও চরাঞ্চলের আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল তার সঙ্গে। জহির এতে বাধা সৃষ্টি করায় তাকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, “জহিরকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের মেঘনা নদীর বালুমহল নিয়ন্ত্রণ ও চরদখল ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং গ্রুপের তৎপরতা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত ওই সাবেক ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেন বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের সাথে সখ্য বজায় রেখে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্যের (এমপি) ঘনিষ্ঠতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি চরাঞ্চলে নিজস্ব বলয় তৈরি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

​সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার বাসভবনে অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে বলেও সূত্রে জানা গেছে। কোনো বৈধ ব্যবসা না থাকা সত্ত্বেও স্বল্প সময়ে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হওয়া এবং এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদক চক্রকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চরদখল, বালুমহল নিয়ন্ত্রণ এবং মাদক সিন্ডিকেটের পেছনে আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতার ভূমিকা পালন করে আসছেন মোবারক হোসেন। তাঁর প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, দলের সুনাম রক্ষা এবং কালাপাহাড়িয়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকে ফেরাতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নীতি-নির্ধারকদের অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা এলাকায় মোবারকের এই কায়েমী রাজত্ব ও সন্ত্রাস থেকে স্থায়ী মুক্তি চাই। দলীয় পরিচয়ের আড়ালে অপরাধ করে যেন কেউ ছাড় না পায়, সে বিষয়ে বিএনপির হাইকমান্ডের কঠোর পদক্ষেপ ও হস্তক্ষেপ জরুরি।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দৃশ্যমান কোনো বৈধ আয়ের উৎস বা নির্দিষ্ট ব্যবসা না থাকা সত্ত্বেও স্বল্প সময়ের মধ্যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক বনে গেছেন মোবারক। আওয়ামী লীগ আমলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সঙ্গে সখ্য বজায় রেখে বালুমহল পরিচালনা, চরাঞ্চলে বালু উত্তোলন এবং অবৈধ চক্র পরিচালনার মাধ্যমে এই বিপুল অর্থ অর্জিত হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

নিহতের স্বজন ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাজস্ব কর্তৃপক্ষের (দুদক/এনবিআর) মাধ্যমে মোবারকের আয়ের উৎস এবং বিপুল সম্পদের সঠিক অনুসন্ধান করা হোক। অপরাধ থেকে অর্জিত অর্থের মাধ্যমে যাতে কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী লালন-পালন হতে না পারে, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে, অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, “যুবদল নেতা জহির হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধী যে দলেরই হোক বা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়েও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

 

সাংবাদিক সমাজকে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক সমাজকে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমাজকে উদ্দেশ্য করে ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মীরা’ এমন অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) কেন্দ্রীয় কমিটি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. গোলাম ফারুক মজনু ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা ও চিকিৎসকের মুখ থেকে সাংবাদিক সমাজকে নিয়ে এমন অবমাননাকর মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত এবং পেশাগত শিষ্টাচারের পরিপন্থী। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা, অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরা এবং সমাজে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মিলিতভাবে হেয় করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকতার গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। কিন্তু সমালোচনার নামে একটি পেশাজীবী সম্প্রদায়কে ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে জড়িয়ে অপমান করা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় বহন করে না। কে জান্নাতে যাবে আর কে জাহান্নামে যাবে, এমন চূড়ান্ত বিচার করার অধিকার কোনো মানুষের নেই। ধর্মীয় বিশ্বাসকে ব্যবহার করে সাংবাদিক সমাজের প্রতি বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিপন্থী।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত সাংবাদিকরা নানা প্রতিকূলতা, হুমকি ও ঝুঁকি মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের অধিকার, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছেন। তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার যেকোনো প্রচেষ্টা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) অবিলম্বে ডা. মিজানুর রহমানের উক্ত বক্তব্যের প্রকাশ্য ব্যাখ্যা ও সাংবাদিক সমাজের কাছে দুঃখ প্রকাশের দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।

এসএসপি নেতৃবৃন্দ বলেন, চিকিৎসক ও সাংবাদিক উভয় পেশাই মানুষের কল্যাণ এবং সমাজের উন্নয়নের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাগত সৌহার্দ্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোনো ব্যক্তির দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের কারণে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পেশার মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত দূরত্ব সৃষ্টি হোক, তা আমরা চাই না।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের অবমাননা করে, ভয় দেখিয়ে কিংবা তাঁদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা চালিয়ে সত্য প্রকাশের পথ বন্ধ করা যাবে না। স্বাধীন সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সোচ্চার থাকবে।

"ওসমানের পর জহির খুন, তারপর কে"? যুবদল নেতা জহির হত্যা: অভিযোগের তীর কেন মোবারক এর দিকে? সাংবাদিক সমাজকে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) নানা অভিযোগ ও বিতর্কের মধ্যে ফেনী সদর যুবদলের নিজাম পাটোয়ারী ও শাহাদাতকে অব্যাহতি দূর্গা পূজায় বন্দরে কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাড. শিপলু'র কাপড় বিতরণ