খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

৭ নভেম্বরের চেতনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।। মাসুদুজ্জামান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
৭ নভেম্বরের চেতনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।। মাসুদুজ্জামান

 

 

 

মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ দেশবাসী সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর)আসনের দলের মনোনিত এমপি প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেছেন, আসুন ৭ই নভেম্বরের চেতনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।

 

 

৭ই নভেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, আমি সবার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনা নয়,এটি ছিল জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এদিন দেশপ্রেমে উদ্দীপ্ত হয়ে সিপাহী ও জনতা রাজপথে নেমেছিল জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের অঙ্গীকার নিয়ে। ৭ নভেম্বরের এই ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়েই দেশে আধিপত্যবাদবিরোধী জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সূচনা হয়।

 

 

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পর ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী দেশকে আধিপত্যবাদের থাবার মধ্যে ঠেলে দেয় এবং একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। ১৯৭৫ সালের সেই অন্ধকার সময়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়। কিন্তু দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার অভ্যুত্থানে ৭ নভেম্বর তিনি মুক্ত হন, মুক্ত হয় জাতির স্বাধীনচেতা মনন ও জাতীয় চেতনা। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়, গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়, বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে আসে, মানুষ আশার আলো দেখতে পায়।২০০৭ সালের ১/১১-এর অঘোষিত সামরিক শাসনের সময় বাংলাদেশের গণতন্ত্র আবারও গভীর সংকটে পড়ে। সেই সময়ে জনমতকে অগ্রাহ্য করে রাজনীতিকে স্তব্ধ রাখা হয়, গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করা হয়। কৃত্রিম নেতৃত্ব তৈরির অপচেষ্টা চলে, জনগণের কণ্ঠরোধ ও রাজনীতিকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা হয়। দেশের জনপ্রিয় নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করার এক ষড়যন্ত্র শুরু হয়, যার ফল ছিল রাষ্ট্রীয় স্থবিরতা ও জনগণের রাজনৈতিক অধিকার হরণের এক ভয়াবহ পরিণতি।

 

 

তিনি বলেন. এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, গুম,খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার রাজত্ব কায়েম করেছে। গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বছরের পর বছর অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে রেখেছে। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি, জননেতা তারেক রহমানের ওপর চালানো হয়েছে অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, একের পর এক মিথ্যা মামলা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার করা হয়েছে তাঁকে। তাঁকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীর ওপর চালানো হয়েছে ভয়াবহ নিপীড়ন, কারাবরণ, গুম ও খুনের মতো রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে “আয়নাঘর” নামের এক গোপন নির্যাতন কেন্দ্র, যেখানে বিরোধী মতের মানুষদের ওপর অকথ্য মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তারা ভয় ও দমননীতির রাজনীতি চালিয়ে রাষ্ট্রকে পরিণত করেছে একদলীয় দমনযন্ত্রে। তবে ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ প্রমাণ করেছে, এই জাতি গণতন্ত্রপ্রিয়, এই জাতি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। আজ সময় এসেছে জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী সব দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধকরার। আমাদের লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে।

 

 

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। এই শহর এক সময় ছিল শিল্প, শ্রম ও সংগ্রামের শহর। এখন সময় এসেছে সেই ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের। দলমত নির্বিশেষে এক হয়ে আমরা নারায়ণগঞ্জকে গড়ে তুলব উন্নয়ন, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার শহর হিসেবে। আমি, মোঃ মাসুদুজ্জামান মাসুদ, বিশ্বাস করি,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা আবারো গণতন্ত্র ওস্বাধীনতার বাংলাদেশ গড়ে তুলব। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে সকল দেশপ্রেমিক, মুক্তিযোদ্ধা, তরুণ ও শ্রমজীবী মানুষকে আহ্ধসঢ়;বান জানাই আসুন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাই।

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর।।
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪২ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আগামী দুই বছরের পথচলা শুরু হলো।

 

গতকাল ১৫ মে (শুক্রবার) বিকেলে মদনগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

নবগঠিত এই কমিটিতে সংগঠনের সবার প্রিয়ভাজন, সমাজকর্মী আলমগীর আজাদ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত কমিটির সফল সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোরশেদ রতন। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. জিয়াউদ্দিন ভুইয়া।

 

কমিটি ঘোষণার পর নবাগত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, তারা অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করবেন। একই সাথে আগামী দিনে সিনিয়র সিটিজেনদের অধিকার রক্ষা, সংগঠনের অগ্রগতি এবং সামগ্রিক সমাজ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ডকইয়ার্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে উল্টো বিপাকে পড়েছেন মহিউদ্দিন সাউদ নামে এক ব্যবসায়ী। থানা ও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে অভিযুক্তদের হুমকি এবং পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ঘাট সংলগ্ন শেফা ডকইয়ার্ডের মালিক মহিউদ্দিন সাউদের কাছে লোহা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা পরিচয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে স্থানীয় একটি চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত কয়েকদিন আগে অভিযুক্তরা ডকইয়ার্ডে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, শত শত মানুষের সামনে ডকইয়ার্ড থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের লোহা লুট করে নিয়ে যায় তারা।

 

এই ঘটনায় মহিউদ্দিন সাউদ স্থানীয় মৃত শামছুলের ছেলে সৈকতকে (৪০) প্রধান আসামি করে সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‍্যাব কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, “অভিযুক্তরা নিজেদের যুবদল ও বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তারা আমার কাছে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুট করেছে। এখন আমি জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি।”

 

এদিকে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে প্রধান অভিযুক্ত সৈকত হাসান বাদী হয়ে মহিউদ্দিন সাউদের বিরুদ্ধে থানায় একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ডকইয়ার্ডের স্ক্র্যাপ লোহা কেনার জন্য তিনি মহিউদ্দিনকে ৫ লাখ টাকা বায়না দিয়েছিলেন এবং মহিউদ্দিন সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের স্বপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী খান মাসুদ পালিয়ে গেলে বন্দর ঘাট এলাকার স্ট্যান্ড বাজার ও ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেন এই সৈকত। তিনি নিজেকে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) ভাতিজা পরিচয় দিয়ে থানা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনার মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

চাঁদাবাজির শিকার হয়েও প্রতিকার না পেয়ে মহিউদ্দিন সাউদ এখন আতঙ্কিত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ এখনো তার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের ভয়ে এবং পুলিশের অসহযোগিতায় তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের একটি ডকইয়ার্ডে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুটপাটের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মহিউদ্দিন সাউদ। তিনি এ ঘটনায় বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, র‌্যাব বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

অভিযোগে ডকইয়ার্ড মালিক স্থানীয় মৃত শামছুল এর পুত্র সৈকত (৪০) কে প্রধান করে, সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করেছেন।

 

অভিযোগে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এরা নিজেদের বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, স্কুল কলেজের ছাত্রীদের রাস্তায় উত্যক্ত ও অসালীন আচরণ করা সহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে আসছে।

 

গত সোমবার (৪ মে) চাঁদা না পেয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দেন।

 

“অভিযোগকারী মহিউদ্দিন দাবি করেন ওরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে হইব। কিন্তু আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওরা আমারে বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করসে। পরবর্তীতে আমার ডকইয়ার্ড থেকে শত শত মানুষের সামনে প্রায় ৭০ হাজার টাকার লোহা নিয়া চলে গেছে। ওরা সবাই যুবদল করে। আমি এখন আমার জীবন নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি সেখানে। রিপোর্ট পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। অভিযোগকারীর সাথে যদি ঘটনা মিলে যায় তাহলে অপরাধী যে দলেরই হোক আমি ব্যবস্থা নেবো। আইন সবার জন্যই সমান।”

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’ বিএনপিতে ‘অল-আউট রিসেট’: ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল বগুড়া হচ্ছে সিটি করপোরেশন, দেশে নতুন পাঁচ উপজেলা