খুঁজুন

৭ নভেম্বরের চেতনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।। মাসুদুজ্জামান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
৭ নভেম্বরের চেতনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।। মাসুদুজ্জামান

 

 

 

মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ দেশবাসী সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর)আসনের দলের মনোনিত এমপি প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেছেন, আসুন ৭ই নভেম্বরের চেতনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।

 

 

৭ই নভেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, আমি সবার সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনা নয়,এটি ছিল জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এদিন দেশপ্রেমে উদ্দীপ্ত হয়ে সিপাহী ও জনতা রাজপথে নেমেছিল জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের অঙ্গীকার নিয়ে। ৭ নভেম্বরের এই ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়েই দেশে আধিপত্যবাদবিরোধী জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সূচনা হয়।

 

 

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পর ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী দেশকে আধিপত্যবাদের থাবার মধ্যে ঠেলে দেয় এবং একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। ১৯৭৫ সালের সেই অন্ধকার সময়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়। কিন্তু দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার অভ্যুত্থানে ৭ নভেম্বর তিনি মুক্ত হন, মুক্ত হয় জাতির স্বাধীনচেতা মনন ও জাতীয় চেতনা। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়, গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়, বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে আসে, মানুষ আশার আলো দেখতে পায়।২০০৭ সালের ১/১১-এর অঘোষিত সামরিক শাসনের সময় বাংলাদেশের গণতন্ত্র আবারও গভীর সংকটে পড়ে। সেই সময়ে জনমতকে অগ্রাহ্য করে রাজনীতিকে স্তব্ধ রাখা হয়, গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করা হয়। কৃত্রিম নেতৃত্ব তৈরির অপচেষ্টা চলে, জনগণের কণ্ঠরোধ ও রাজনীতিকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা হয়। দেশের জনপ্রিয় নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করার এক ষড়যন্ত্র শুরু হয়, যার ফল ছিল রাষ্ট্রীয় স্থবিরতা ও জনগণের রাজনৈতিক অধিকার হরণের এক ভয়াবহ পরিণতি।

 

 

তিনি বলেন. এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, গুম,খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার রাজত্ব কায়েম করেছে। গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বছরের পর বছর অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে রেখেছে। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি, জননেতা তারেক রহমানের ওপর চালানো হয়েছে অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, একের পর এক মিথ্যা মামলা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার করা হয়েছে তাঁকে। তাঁকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীর ওপর চালানো হয়েছে ভয়াবহ নিপীড়ন, কারাবরণ, গুম ও খুনের মতো রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে “আয়নাঘর” নামের এক গোপন নির্যাতন কেন্দ্র, যেখানে বিরোধী মতের মানুষদের ওপর অকথ্য মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তারা ভয় ও দমননীতির রাজনীতি চালিয়ে রাষ্ট্রকে পরিণত করেছে একদলীয় দমনযন্ত্রে। তবে ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ প্রমাণ করেছে, এই জাতি গণতন্ত্রপ্রিয়, এই জাতি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। আজ সময় এসেছে জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী সব দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধকরার। আমাদের লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে।

 

 

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। এই শহর এক সময় ছিল শিল্প, শ্রম ও সংগ্রামের শহর। এখন সময় এসেছে সেই ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের। দলমত নির্বিশেষে এক হয়ে আমরা নারায়ণগঞ্জকে গড়ে তুলব উন্নয়ন, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার শহর হিসেবে। আমি, মোঃ মাসুদুজ্জামান মাসুদ, বিশ্বাস করি,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা আবারো গণতন্ত্র ওস্বাধীনতার বাংলাদেশ গড়ে তুলব। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে সকল দেশপ্রেমিক, মুক্তিযোদ্ধা, তরুণ ও শ্রমজীবী মানুষকে আহ্ধসঢ়;বান জানাই আসুন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাই।

আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ।

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ।

 

আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়নে একঝাঁক চেয়ারম্যান প্রত্যাশী প্রার্থী আলোচনা থাকলেও তৃণমূলের আস্থায় আছেন ক্লিন ইমেজ খ্যাত মাত্র একজন।কিন্তু কে সেই ক্লিন ইমেজ খ্যাত নেতা? এমন প্রশ্নের উত্তর খুজতে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে তৃণমূলের সেই প্রাত্যাশিত নেতার নাম।

তৃণমূল জানান, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়নের একাধিক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আলোচনায় থাকলেও মোঃ অলি উল্লাহ একজন সৎ, আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠক, বিশিষ্ট সমাজসেবক। আড়াইহাজার তথা হাইজাদী ইউনিয়ন রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে হাইজাদী ইউনিয়ন এর স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এই অলি উল্লাহ।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন এই অলি উল্লাহ । রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে ধমিয়ে রাখতে পারেনি।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে অলি’র বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

চেয়ারম্যান প্রত্যাশি এই নেতা একান্ত আলাপচারিতায় প্রতিবেদক’ কে বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতা নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে হাইজাদী ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।

স্থানীয়দের ভাষ্য, তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে অলি ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইজাদী ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম অলি উল্লাহ এমনটাই উঠে আসে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানী রিপোর্টে। তবে এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততা এই পথচলা তাকে কতটা জনপ্রতিধি হওয়ার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় প্রায় ২১ লাখ টাকার ড্রেজারের পাইপ ও যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক যুবদল নেতা কাজল প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া কাজল প্রধান বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সদস্য এবং বন্দর থানা যুবদলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে। বন্দর থানা তার বিরুদ্ধে হত্যা সহ একাধীক মামলা রয়েছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী শিমন হাসানের বাবা মরহুম হাজী মো. আতিকুর রহমান আতিক একজন ড্রেজার ব্যবসায়ী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর শিমন হাসান ব্যবসার দায়িত্ব নেন। ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ড্রেজারের মালামাল বন্দর উপজেলার সালেহনগর এলাকার রূপালী গেট বাগানসংলগ্ন কাইল্লাহ মিয়ার বাড়ির সামনে রাখা ছিল।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৫ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে কোনো এক সময় কাজল প্রধান ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন পরিকল্পিতভাবে ড্রেজারের মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ১২ ইঞ্চি ড্রেজার পাইপ ৮৫টি, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ টাকা এবং বুস্টার মেশিনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, যার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। এতে মোট প্রায় ২১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী শিমন হাসান জানান, ২৭ জুলাই ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ড্রেজারের পাইপ ও যন্ত্রাংশ খুঁজে না পেয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। পরে গোপন সূত্রে জানতে পারেন, চুরি হওয়া পাইপ ও যন্ত্রাংশ নবীগঞ্জ ও মাহমুদনগর এলাকার বিভিন্ন ভাঙারি (স্ক্র্যাপ) দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। এরপর আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি কাজল প্রধানকে গ্রেপ্তার করে। তবে মামলার অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন।
বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।

কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির

 

 

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন একজন সৎ, আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠক,বিশিষ্ট সমাজসেবক ফকির জহির রহমান । আড়াইহাজার তথা কালাপাহাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে কালাপাহাড়িয়ার স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এই জহির। অপরদিকে জহিরের রাজনৈতিক দল বিএনপির জন্য একনিষ্ঠতার সাথে বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন এবং দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে মুখ্য ভূমিকা পালন করে বিএনপির নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে কান্ডারী হয়ে উঠেছিলেন।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন জহির। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে ধমিয়ে রাখতে পারেনি।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে জহিরের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

জহির বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে জহির ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম জহির। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততা এই পথচলা তাকে কতটা জনপ্রতিধি হওয়ার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

 

 

আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ। বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির বন্দর থানায় সাংবাদিকদের সঙ্গে ওসির অসদাচরণ আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।