খুঁজুন

অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ

অর্ধশত বছরেরও বেশি সময় ধরে শহর ও বন্দরবাসী দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শীতলক্ষ্যা নদীর উপর দিয়ে সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে শুরু করা কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। কিছু কুচক্রী মহলের চক্রান্তে এবং দাপ্তরিক কিছু জটিলতায় যেকোন সময় থমকে দাঁড়াতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত এই সেতুর নির্মাণ কাজ। এমনকি এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে, যে কোন সময় এই সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে।

বিশ্বস্ত একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, সেতুর নির্মাণের লক্ষ্যে এরই মধ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর দুই পাশে সেতুর পাইলিং কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। যার মধ্যে নদীর পূর্ব পাশের বন্দর এলাকায় এপ্রোচ সড়কসহ মূল সেতুর পাইলিং কাজ ও কেপিং কাজ শেষ করে নদীর পশ্চিম পাশের (শহর এলাকায়) এলাকায় নদীর কাছাকাছি এলাকার পাইলিং কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন কালির বাজার এলাকার দেলোয়ার টাওয়ারের পাশের কুমুদিনী এলাকা হতে নারায়ণগঞ্জ কলেজের কাছাকাছি এলাক পর্যন্ত সিরাজউদ্দৌলা সড়কের পূব পাশ দিয়ে পাইলিংয়ের কাজ শুরু করার অপেক্ষায় সেতু কর্তৃপক্ষ।

সূত্রটি আরও জানায়, সিরাজউদ্দৌলা সড়কের পূব পাশের জায়গাটি রেলওয়ের কর্তৃপক্ষে হওয়ায় এবং রেলওয়ের সাথে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) এর মধ্যস্থতায় জায়গাটি সেতু কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকায় এখন সেতু কর্তৃপক্ষ অনেকটা অসহায় অবস্থায় আছে। এমনকি নাসিক কর্তৃপক্ষ সেতু কর্তৃপক্ষকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে বসার সুযোগ করে দিতে পারলেও সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে বলেও জানা যায়।

গণমাধ্যম সহ বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর গত বছরের (২০২৫ সালের) ৩ ডিসেম্বর শহরের ৫ নম্বর ঘাট দিয়ে বন্দর উপজেলার একরামপুরকে যুক্ত করার মাধ্যমে শহর ও বন্দরের সেতুবন্ধন তৈরির লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ২০২৮ সালের জুন মাসের মধ্যে এই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর উপর নির্মাণাধীন এই গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবল-স্টেড সেতুটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্যাবল-স্টেড সেতু।

সেতুর নির্মাণ কাজের উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের তৎকালীন প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, জেলা প্রশাসক রায়হান কবির, নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আজগর হোসেন, এলজিইডি প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুজ্জামান এবং কদম রসুল সেতুর প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হরি কিংকর মোহন্তসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সে সময় নাসিকের তৎকালীন প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেছিলেন, এই সেতু নির্মাণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ ছিল। আমি তাদের নির্মাণ কাজ চলমান রাখার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছিলাম। এখন সেতুর মূল কাজ শুরুর মাধ্যমে সেই যাত্রা শুরু হলো। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, সেতুর ল্যান্ডিং পয়েন্ট নিয়ে যানজটের কোন আশঙ্কা নেই। আমরা একাধিক ল্যান্ডিং পয়েন্ট নিয়ে কাজ করেছি। শহর এবং বন্দরের কোন এলাকারই যেন সমস্যা তৈরি না করে সে বিষয়ে আমরা সচেষ্ট থাকবো।

অভিযোগ আছে, সেতুটি নির্মাণ কাজ শুরু করার আগে থেকেই কিছু কুচক্রী মহল প্রথমে এইখান দিয়ে সেতুটি নির্মাণের বিরোধিতা করতে শুরু করে এবং পরে সেতুর র‌্যাম্পিং পয়েন্ট বা এপ্রোচ সড়কের মুখ (ল্যান্ডিং পয়েন্ট) নিয়ে মিথ্যা ও অপব্যখ্যা দিয়ে সেতুটির নির্মাণ কাজ বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। তবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নারায়ণগঞ্জ পৌর পাঠাগারে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় শহরের সুধীজন এবং সচেতন মহল যেকোন উপায়ে এই সেতুর নির্মাণ কাজ চালিয়ে রাখার পক্ষে মতামত পেশ করেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে কদম রসুল সেতুর প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী হরি কিংকর মোহন্ত এই প্রতিবেদককে জানান, সিরাজউদ্দৌলা সড়কের কুমুদীনি পয়েন্ট পর্যন্ত আমাদের পাইলিংয়ের কাজ প্রায় শেষ। এখন আমাদের যদি আগামীকাল এই পয়েন্ট থেকে ১ নং রেলগেট এলাকা পর্যন্ত জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয় তাহলে আমরা আগামীকাল থেকেই এখানে পাইলিংয়ের কাজ শুরু করতে পারবো। অন্যথায় আমাদের এই কাজের জন্য থাকা ইকুয়েপমেন্টগুলো ফেরৎ পাঠাতে হবে। এগুলো বসিয়ে রাখা যাবে না। তাছাড়া রেল কর্তৃপক্ষের সাথে এই জায়গার বিষয়ে আমাদের সরাসরি কোন কথা হয়নি। তাই বিষয়টি এখন সিটি কর্পোরেশনের উপর নির্ভর করছে।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে বিএনপির একাংশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুনকা পাঠাগার মিলনায়তনে বিএনপির এক সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সভায় আতাউর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, যাকে তিনি একসময় পিতৃতুল্য ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেছেন এবং যার সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষে ওসমান পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনীতি করেছেন, সেই ব্যক্তি সুদিনে তাকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

মুকুলের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন আজ তাদের মধ্যে এমন দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টি হলো?

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আতাউর রহমান মুকুল দীর্ঘদিন আবুল কালামের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আবুল কালামের হাত ধরেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তাদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন, আবুল কালাম রাজনৈতিকভাবে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করলেও প্রয়োজন ও স্বার্থের পরিবর্তনে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও আবুল কালামের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক ছিল। প্রকাশ্যে এক পক্ষের পক্ষে অবস্থান দেখালেও আড়ালে অন্য পক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। একই ধরনের রাজনৈতিক কৌশল ও দ্বিমুখী অবস্থানের অভিযোগ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনায় উঠেছে বলে দাবি করছেন তার সমালোচকরা।

তাদের ভাষ্য, আবুল কালাম বাইরে থেকে অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কোন্দল এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুকুলের মতো দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে একসময় যারা একই রাজনৈতিক বলয়ে ছিলেন, তাদের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে দলীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ধারাবাহিক নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দলের নীতি-নির্ধারকেরা সর্বসম্মতভাবে তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের জন্য মনোনীত করেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারক ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নের খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রবীণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিককে এই পদে বেছে নেওয়া বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ