খুঁজুন

মাকসুদ আশার গোপন বৈঠক, নারায়ণগঞ্জকে অশান্ত করার পরিকল্পনা 

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
মাকসুদ আশার গোপন বৈঠক, নারায়ণগঞ্জকে অশান্ত করার পরিকল্পনা 

নারায়ণগঞ্জকে অশান্ত করার যড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে পড়েছে। মনোনয়ন বঞ্চিত অ্যাডভোকেট আবুল কালামের ছেলে আশা ও ওসমান পরিবারের অন্যতম দোসর মাকসুদ চেয়ারম্যান নাশকতার পরিকল্পনা করেছেন বলে গোয়েন্দা সুত্র বলছে। ফলে সর্তকাবস্থায় গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাদা পোষাকে নেমে পড়েছেন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির অভ্যন্তরে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনকে কেন্দ্র করে। দলের কেন্দ্রীয় ঘোষণায় শিল্পপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদের নাম ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভ ও ষড়যন্ত্রের গোপন আগুন জ্বলে উঠেছে পরাজিত মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়া আবুল কালামের ছেলে সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশা গোপনে হাত মিলিয়েছেন পতিত স্বৈরাচারী দল আওয়ামী লীগের দোসর খ্যাত বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির জেলা সহ-সভাপতি ও বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেনের সঙ্গে। দুজনের মধ্যে একাধিক গোপন বৈঠক হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে একটি নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা সংস্থা।

 

দলীয় সূত্র জানায়, কেন্দ্র থেকে কঠোর নির্দেশ থাকায় আশার পক্ষের কেউ প্রকাশ্যে মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে সাহস পাচ্ছে না। কিন্তু অন্তরালে তারা ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। গত কয়েক দিনে তাঁদের ঘনিষ্ঠ কর্মীরা মদনপুর, চিটাগাং রোড, বন্দর ও সদর এলাকায় গোপনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৫ নভেম্বর) দিনের বেলায় বন্দর এলাকার এক কাঠের স’মিল থেকে বেশ কিছু গাছের গুড়ি ও দাহ্য পদার্থ সংগ্রহ করেছে মাকসুদ-আশা গ্রুপের অনুসারীরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মধ্য রাতে তাঁরা মুখে মাস্ক ও হেলমেট পরে হঠাৎ সড়কে নেমে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাবে। এতে তাঁরা মাসুদুজ্জামানের বিরুদ্ধে “মনোনয়ন বাতিল করো”, “বিক্রি করা প্রার্থী চাই না” এমন উস্কানিমূলক স্লোগান দিতে পারে বলে গোয়েন্দারা ধারণা করছে।
সূত্রটি আরও জানায়, শুধু বিক্ষোভ নয়, তাঁরা রাতে চলাচল করা গাড়িতে আগুন ধরানো বা নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলারও প্রস্তুতি নিচ্ছে। এতে এলাকায় নাশকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ ইউনিট ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং রাতে অতিরিক্ত টহল বাড়ানো হচ্ছে।
গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, “মাসুদুজ্জামানের মনোনয়ন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে তাঁকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। আমরা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। নাশকতার কোনো ইঙ্গিত পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, যদি সত্যি হয় বিষয়টি বিএনপির জন্য হবে চরম আত্মঘাতী। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। এমন কোন কিছু হওয়ার সুযোগ যেন না পায় সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক করা হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই বন্দর এলাকায় মাকসুদ হোসেনের সঙ্গে কিছু বিএনপি নেতার অদ্ভুত সম্পর্ক টিকে আছে। এখন সেটি আবার সক্রিয় হচ্ছে নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে। আশা ও মাকসুদ উভয়েই রাজনীতিতে প্রভাব হারিয়ে প্রান্তিক অবস্থানে চলে গেছেন। তাঁদের এই আতঙ্কই হয়তো মাসুদুজ্জামান মাসুদের উত্থান ঠেকাতে মরিয়া করে তুলেছে।
এদিকে বিএনপির জেলা নেতারা বলছেন, দলের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করে আন্দোলন ও নির্বাচনের গতি ভিন্ন খাতে নিতে দেওয়া হবে না। তাঁরা জানিয়েছেন, মাসুদুজ্জামান মাসুদ দলের প্রতীক ‘ধানের শীষ’-এর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন এবং যেকোনো ষড়যন্ত্রের জবাব গণঅংশগ্রহণের মাধ্যমেই দেবেন।
এটি কেবল একটি আসনের বিরোধ নয়, বরং ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় হারতে না চাওয়া গোষ্ঠীগুলোর সংঘাত। মাসুদুজ্জামানের জনপ্রিয়তা ও অর্থনৈতিক শক্তি এখন তাঁকে এই আসনের বিএনপির মূলধারায় সবচেয়ে প্রভাবশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে, যা পুরনো রাজনীতিকদের আতঙ্কে ফেলেছে।
বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনটি নির্বাচনীভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহর ও বন্দরের ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় যেকোনো সহিংসতা বা নাশকতা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “যে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে মাসুদুজ্জামান মাসুদ নিজে বলেন, “আমি দলের প্রতীক ‘ধানের শীষ’-এর প্রার্থী হিসেবে জনগণের কাছে যাচ্ছি। বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। ষড়যন্ত্রের ভয় আমি করি না। বিএনপি নেতাকর্মীরা জানে কারা আন্দোলনের মাঠে ছিল আর কারা শুধু ক্ষমতার লোভে ষড়যন্ত্র করে।”
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

“ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন” নিয়ে জনকল্যাণে মাসুদ।

শহর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
“ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন” নিয়ে জনকল্যাণে মাসুদ।

 

জনপ্রতিনিধি না হয়েও মানুষের পাশে থাকার যে অঙ্গীকার করেছিলেন, সেটিকে এবার আরও সংগঠিত রূপ দিয়েছেন শিল্প উদ্যোক্তা ও বিএনপি নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদ। দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে নিতে ‘ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তুলেছেন তিনি।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা ফতুল্লার তল্লা খানপুর এলাকার হোসেন সর্দার রোডে দোয়া ও মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

তবে নতুন এই সংগঠনের কার্যক্রমকে কেবল একটি নতুন উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, করোনাকাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক সংকট, ঈদ ও উৎসবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব এবং ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে মাসুদুজ্জামুজ্জানের যে সামাজিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে, ফাউন্ডেশনটি তারই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ।

করোনার কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা যখন থমকে গিয়েছিল, তখন অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ান মাসুদুজ্জামান। খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে তিনি মানুষের কাছে পৌঁছান। পরবর্তী সময়েও ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে উপহারসামগ্রী বিতরণ করে আসছেন তিনি। ঈদের আগে প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া, শীতার্তদের সহায়তা এবং বিভিন্ন সংকটে ব্যক্তিগতভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হয়ে ওঠে।

ব্যবসায়ী হিসেবেও নারায়ণগঞ্জের অর্থনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে তার। মডেল ডি ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। শিল্প ও ব্যবসা খাতের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

ক্রীড়াঙ্গনেও রয়েছে তার সম্পৃক্ততা। বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন ও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। তার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রেখে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখার বিষয়টিকেও তিনি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

এর বাইরে বিভিন্ন সামাজিক সংকট ও দুর্যোগেও তাকে মানুষের পাশে দেখা গেছে। বন্যার সময় দুর্গতদের সহায়তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন মানবিক প্রয়োজনে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহায়তা দেওয়ার কথাও তার অনুসারীরা উল্লেখ করেন।

এই দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের মধ্যেই গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন মাসুদুজ্জামান। পরে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। তবে তখন তিনি জানিয়েছিলেন, জনপ্রতিনিধি না হলেও মানুষের পাশে থাকার কাজ অব্যাহত রাখবেন এবং সমাজসেবায় আগের চেয়েও বেশি ভূমিকা রাখবেন।

সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় এবার সামাজিক কর্মকাণ্ডকে আরও সংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। ‘ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধা বিকাশ, স্বাস্থ্যসেবা, মানবিক সহায়তা, নিরাপদ পানি, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু উন্নয়ন, পরিবেশ, যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন এবং দুর্যোগকালীন সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাসুদুজ্জামান জানান, সুন্দর ও মানবিক সমাজ নির্মাণ এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করাই সংগঠনটির লক্ষ্য। প্রায় ১৮ বছর আগে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হলেও নিবন্ধন পেতে সময় লেগেছে। সম্প্রতি নিবন্ধন পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মাসুদুজ্জামুজ্জান বলেন, তিনি ও তার পরিবার সমাজের জন্য যা করেছেন, তা কোনো প্রত্যাশা থেকে নয়; সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই করেছেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান তিনি।

দীর্ঘদিন তার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মতে, এতদিন ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম এখন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত পরিসরে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন সংগঠনটি তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি নতুন অধ্যায় হলেও এর ভিত্তি তৈরি হয়েছে বহু বছরের কাজের মধ্য দিয়েই।

 

অসুস্থ রাকিব এর জন্য দোয়া চেয়েছেন পরিবার।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
অসুস্থ রাকিব এর জন্য দোয়া চেয়েছেন পরিবার।

মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী এবং স্ট্রার্কটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুল ইসলাম রাকিব হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার দ্রুত সুস্থতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

‎‎রবিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রাকিবুল ইসলাম রাকিব। পরে তার সহধর্মিণী সারাফ আনিকা ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে রাকিবের শারীরিক অবস্থার কথা জানান।

‎‎স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “রাকিব ভালো আছে, খুব বেশি অসুস্থ নয়। তবে ডাক্তার আপাতত ওকে বেশি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে বা বেশি মানুষের সঙ্গে মিশতে নিষেধ করেছেন। তাই সবাই দূর থেকে রাকিবের জন্য দোয়া করবেন।”

‎‎তিনি আরও বলেন, “আল্লাহ যেন রাকিবকে দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করেন। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।”

‎‎পরিবারের পক্ষ থেকে রাকিবুল ইসলাম রাকিবের দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

"ডিয়ার মোস্তফা ফাউন্ডেশন" নিয়ে জনকল্যাণে মাসুদ। অসুস্থ রাকিব এর জন্য দোয়া চেয়েছেন পরিবার। ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন