খুঁজুন
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র, ১৪৩২

নমিনেশনে হতাশ সাখাওয়াত এখন বাবুলের কর্মী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
নমিনেশনে হতাশ সাখাওয়াত এখন বাবুলের কর্মী

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশায় বেশ আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তিতে নিজের ব্যর্থতা উপলব্দি করতে পেরে এবার নিজেই অন্যজনের কর্মী বনে গেছেন। সাখাওয়াত হোসেন খান এখন ব্যবসায়ী নেতা প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর বাবুলের কর্মী হিসেবে আবির্ভাব হয়েছেন। সেই সাথে আবু জাফর বাবুলের টাকায় তাকে রাজনীতি করতে হচ্ছে।

সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলো আওয়ামী লীগ। আর এই ক্ষমতায় থাকাবস্থায় নারায়ণগঞ্জ বিএনপির নেতাকর্মীরা অনেক নির্যাতন নীপিড়নের শিকার হয়েছেন। দিনের পর দিন মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে পরিবার পরিজন ছেড়ে দিন যাপন করতে হয়েছে। যার ধারাবাহিকতকায় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকেও নির্যাতন নীপিড়নের শিকার হতে হয়েছে।

এরই মধ্যে গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। আর এই পতনের সাথে সাথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গাঁ ঢাকা দিয়েছেন। এই অবস্থায় একদম খালি মাঠে রয়েছে বিএনপি। দীর্ঘদিন পর খালি মাঠে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা বেড় যায়। সেই সাথে তাদের নিজেদের মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বীতা বাড়ছে।

এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলাপ আলোচনা চলমান রয়েছে। সেই সাথে দিন যাওয়ার সাথে আলাপ আলোচনা আরও সরগরম হতে থাকে। যার ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জে সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্নভাবে নিজেদের জানান দিতে থাকেন। তাদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন।

আর এই প্রস্তুতিতে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনকে কেন্দ্র করে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও এগিয়ে আসেন। সেই সাথে বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে নিজেদের জানান দিতে থাকেন। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানও নিজেকে জানান দিতে থাকেন। সেই সাথে মনোনয়নে ব্যাপারে তিনি বেশ আশাবাদীও ছিলেন।

কিন্তু গত ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্যবসায়ী নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদ যোগদান করেছেন। তার এই যোগদান বিএনপির রাজনীতিতে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে আবির্ভাব হয়েছে। কেন্দ্রীয় অফিসে গিয়ে যোগদান করার ইতিহাস বিএনপিতে খুব কমই রয়েছে। বিএনপির রাজনীতিতে তার এটা রাজকীয় প্রবেশই বলা চলে।

তিনি আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন। শেষ পর্যন্ত বিএনপির রাজনীতিতে তার এই রাজকীয় প্রবেশে সাখাওয়াত হোসেন খান নিজের মনোনয়ন নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন। অবাক করা বিষয় হলো- এই অনুষ্ঠানে অনিচ্ছা সত্বেও বাধ্য হয়ে সাখাওয়াত হোসেন খানকে উপস্থিত থাকতে হয়েছে। সেই সাথে এই ঘটনার পর থেকে সাখাওয়াত হোসনে খান তার মনোনয়ন নিয়ে আশাবাদী না। ফলে এবার নিজেই অন্যজনের কর্মী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।

মাসুদুজ্জামান মাসুদের বিপরীতে সাখাওয়াত হোসেন খান আবু জাফর বাবুলকে বেছে নিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে নারায়গঞ্জ মহানগর এলাকার আওতাধীন ৭০টি পূজা ম-পের প্রতিটিতে উপহার হিসেবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ মহানগরের উদ্যোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এ আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে বাংলাদেশ হোসিয়ারী অ্যাসোসিয়েশনের কমিউনিটি সেন্টার প্রাঙ্গণে উক্ত উপহার প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। আর অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর বাবুল।

অনুষ্ঠানে আবু জাফর আহমেদ বাবুল বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো, হাজার বছর ধরেই এখানে মুসলমান এবং হিন্দু সম্প্রদায় একসাথে বসবাস করে আসছে। তারেক রহমানের নির্দেশে এই অনুষ্ঠান হিন্দু মুসলমানের সেই সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

এর আগে ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. শাখাওয়াত হোসেন খান এবং সদস্য সচিব হিসেবে অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আর এই কমিটি ঘোষণার পর নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। কমিটি ঘোষণা হওয়ার পরপরই নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি থেকে ১৫ জন নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একই সাথে দিন যাওয়ার সাথে সাথে সকল যুগ্ম আহ্বায়করা সাখাওয়াত হোসেন খান ও আবু আল ইউসুফ খান টিপুর সঙ্গ ছাড়েন।

প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ!

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ
প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ!

 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রক্ষাকারী, সাংগঠনিক দক্ষতা সম্পন্ন রাজনীতিবিদ ও ক্লিন ইমেজ খ্যাত যুবদল নেতা হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলি উল্লাহ।

জানা গেছে, অলি উল্লাহ বিগতদিনে আন্দলোনের সংগ্রামের প্রতিটি স্তরে সক্রিয় ভূমিকা রেখছিলেন। মাঠপর্যায়ে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার সরব উপস্থিতি তাকে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।

রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ-এর একজন ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবেও পরিচিত অলি উল্লাহ। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক এবং নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার সক্ষমতা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় তাকে আরও এগিয়ে রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার নিয়মিত অংশগ্রহণ, দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকার কারণে ইতোমধ্যে তিনি হাইজাদী ইউনিয়নের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজের কাছে তিনি একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। পাশাপাশি বয়োজ্যেষ্ঠদের মাঝেও তার ভদ্রতা ও আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নতুন নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তৃণমূলের রাজনীতি জানা, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং দলীয় কাঠামোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে একজন শক্ত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছে।

এদিকে অলি উল্লাহ বলেন, আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। ছোটবেলা থেকেই হাইজাদী ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে জড়িয়ে আছি। সব সময় চেষ্টা করেছি সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে। যদি এলাকার মানুষ আমাকে যোগ্য মনে করে এবং দায়িত্ব দেয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ হাইজাদী ইউনিয়নকে একটি সুশাসনভিত্তিক, উন্নয়নমুখী ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। তরুণ সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক ও সাধারণ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাইজাদী ইউনিয়নে অলি উল্লাহকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা ও প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে এই আলোচনা কতটা বাস্তব রূপ পায়।

 

বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর।

 

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে সারা দেশের ন্যায় পুরো আড়াইহাজার জুড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থীর অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও ছোট বড় বিভিন্ন অনুষ্টানমালায় উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করতেও দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীনদল বিএনপির হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন এমন সম্ভাব্য অনেক প্রার্থীর নাম বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। তবে বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একাধিক নেতার প্রার্থীতার নাম গুঞ্জুন থাকলেও সাধারণ ভোটাররা আস্থায় রাখছেন বিশনন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা ডা: মো: মজিবুর রহমানকে।
কারণ হিসেবে তৃণমূল বলছেন, একটি আধুনিক নিরাপদ মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মাণ লক্ষ্যে ও একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন মজিবুর রহমান। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে, প্রতিটি পরিবারকে নিরাপদ রাখতে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উন্নত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বিশনন্দী ইউনিয়ন গড়ার ব্যত্যয় নিয়ে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য। এছাড়াও মজিবুর রহমান বিএনপির দুঃসময়ে করেছেন একাধিকবার কারাবরণ। তার পরিবারের প্রত্যেকটা ভাই আওয়ামী লীগের শাসন আমলে কারাবরণ করেছেন একাধিকবার। কারানির্যাতিত নেতাদের জামিন করানো, অসহায় নেতাদের আর্থিক সহযোগিতা, বিশেষ দিবসে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ত্রান-সাহায্য সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে। যার ফলে একাধিক নেতা আলোচনায় থাকলেও বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে তৃণমূলের আস্থায় আছেন এক ডা: মো: মজিবুর রহমান । যার রয়েছে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বিশাল কর্মী বাহিনী। যাকে দেখলে এগিয়ে আসেন যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেনিপেশার মানুষ।
তৃণমূল এর ভাষ্যমতে, মজিবুর রহমান এর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। তবে রয়েছে সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলার ও বুকে টেনে নেওয়ার সক্ষমতা। যিনি তরুন সমাজকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় মাতিয়ে রাখতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় খেলার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন নিরবে। আল্লাহর নৈকট্যলাভের আশায় মসজিদ মাদ্রাসায়ও তার দানের হাত কমতি নয়।এমন সব কর্মকান্ডে তাকেই এগিয়ে রাখছেন আগামীদিনে বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে। রাখতে চান একমাত্র মুজিবুর এর উপর আস্থা।দেখতে চান চেয়ারম্যান পদে।

 

 

আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

 

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ  নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে সারা দেশের ন্যায় পুরো আড়াইহাজার জুড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য একাধিক  প্রার্থীর অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও ছোটবড় বিভিন্ন অনুষ্টানমালায় উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করতেও দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীনদল বিএনপির  হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন এমন সম্ভাব্য অনেক প্রার্থীর নাম বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে।

জানাগেছে আসন্ন হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এবার প্রার্থীতা হতে পারেন সরকারি সফর আলী কলেজের সাবেক এজিএস মীর রেজাউল করিম,  হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সফিউল আলম সবুজ, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির, হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা এড. মামুন মাহমুদ, জাকির হোসেন, হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলিউল্লাহও সাধারণ সম্পাদক মীর মেহেদী হাসান রানা।তবে নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানাগেছে থাকছে না দলীয় কোন প্রতীক।

এদিকে জানাগেছে হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একাধিক নেতার প্রার্থীতার নাম গুঞ্জুন থাকলেও সাধারণ ভোটাররা আস্থায় রাখছেন হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলি উল্লাহকে।তার কারণও আছে বেশ।কারণ হিসেবে তৃণমূল বলছেন, একটি আধুনিক নিরাপদ মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মাণ লক্ষ্যে ও একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন অলিউল্লাহ অলি। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিটি পরিবারকে নিরাপদ রাখতে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উন্নত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হাইজাদী ইউনিয়ন গড়ার ব্যত্যয় নিয়ে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য।এছাড়াও অলি বিএনপির দুঃসময়ে কারানির্যাতিত নেতাদের জামিন করানো, অসহায় নেতাদের আর্থিক সহযোগিতা, বিশেষ দিবসে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ত্রান-সাহায্য সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।যার ফলে একাধিক নেতা আলোচনায় থাকলেও তৃণমূলের আস্থায় আছেন এক অলি।যার রয়েছে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বিশাল কর্মী বাহিনী।যাকে দেখলে এগিয়ে আসেন যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেনিপেশার মানুষ।

তৃণমূল এর ভাষ্যমতে, অলির রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই বিতর্কিত কর্মকাণ্ড।তবে রয়েছে সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলার ও বুকে টেনে নেওয়ার সক্ষমতা। যিনি তরুন সমাজকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় মাতিয়ে রাখতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় খেলার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন

নিরবে।আল্লাহর নৈকট্যলাভের আশায় মসজিদ মাদ্রাসায়ও তার দানের হাত কমতি নয়।এমন এসব কর্মকান্ডে তাকেই এগিয়ে রাখছেন আগামীদিনে হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে। রাখতে চান একমাত্র অলির উপর আস্থা।দেখতে চান চেয়ারম্যান পদে। তবে এখন দেখার বিষয় কে হচ্ছেন আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের আগামীদিনের চেয়ারম্যান।

 

 

 

 

 

প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ! বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর। আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক! সিটি নির্বাচন, কেন আলোচনায় রাকিব? বিশনন্দী ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় হাসান।