খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২৬ চৈত্র, ১৪৩২

তারেক রহমানের সবুজ সংকেতে বিএনপির তিন নেতা

দেশবাণী ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সবুজ সংকেতে বিএনপির তিন নেতা

আগামী সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তারেক রহমান। ২৬ জুলাই রাতে ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত হয় ওই বৈঠক। সভাতে উঠে আসে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে বিশ্লেষণ ও বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড। সেখানে জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটি নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। রূপগঞ্জ নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, আড়াইহাজার নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ ও সোনারগাঁও নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নানের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন বলে জানা যায়। এছাড়া একটি আসনে ব্যাপক রদবদলেরও বিষয়টি আলোচনা হয়।বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রামে থাকা, নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়াতে কাজ করা, মামলা ও হামলায় জর্জরিত নেতাদের দিয়েই আগামীতে সংসদ নির্বাচন করানো হবে ইঙ্গিত দেন তারেক রহমান।

তিনি জানান তার কাছে বিগত সবগুলো বছরের সকল নেতাদের কর্মকান্ডের ফিরিস্তি রয়েছে। কারা মাঠে ছিল, কারা কাজ করেছে, কারা সুবিধাভোগী, কোন কোন নেতার সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক আছে ইত্যাদি সকল তথ্য আছে। ৫ আগস্টের পরেও কে কি করেছে সেটাও তাঁর জানা। সুতরাং দলের প্রতি যাদের অগাধ ভালোবাসা, বিতর্কহীন কর্মকান্ড তারাই এবার প্রাধান্য পাবেন সংসদ সদস্য প্রার্থীতার ক্ষেত্রে।বৈঠকে নারায়ণগঞ্জ-৪ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে উঠে এসেছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ নিয়ে লড়াই করা জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি শাহ আলমকে নিয়ে। কিন্তু তারেক রহমান নিজেই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন শাহ আলমের পদত্যাগের বিষয়টি। তিনি বলেন, ‘শাহআলম সাহেব তো দলের পদ ছেড়ে দিয়েছেন। তাকে নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নাই।’এ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি গিয়াসউদ্দিনের নাম বলা হলেও তারেক রহমান বিষয়টি এড়িয়ে যান।ফলে জেলা বিএনপির বর্তমান আহবায়ক মামুন মাহমুদ, যুগ্ম আহবায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আলোচনাতে।বৈঠকে নারায়ণগঞ্জ-১ তথা রূপগঞ্জ আসনে কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির নেতা মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-২ তথা আড়াইহাজার আসনে কেন্দ্রীয় কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ও নারায়ণগঞ্জ-৩ তথা সোনারগাঁও আসনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পক্ষে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তারেক রহমানও এ তিন নেতার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিগত দিনে আওয়ামী লীগ বিরোধী আন্দোলনে এসব নেতাদের সক্রিয়তা ও মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পর্কের বিষয়টিও উঠে এসেছে। ফলে বৈঠকে উপস্থিত নেতারা জানিয়েছেন, তিন নেতার নাম উচ্চারণে পর তারেক রহমানে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখানোতে অনুমেয় তারাই পাচ্ছেন আপাতত সবুজ সংকেত।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের একটি বড় অংশ মহানগর বিএনপির আওতাধীন থাকায় সেটা নিয়ে বিস্তর কোন আলোচনা করেনি জেলা বিএনপির নেতারা। তবে আগামী দিনে নারায়ণগঞ্জের বিএনপির রাজনীতিতেও আসবে চমক।দলের নেতারা জানান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে কার্যত সবুজ সংকেত পেয়ে গেছেন নজরুল ইসলাম আজাদ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেসব নেতারা সবচেয়ে বেশী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে ছিলেন তাদের একজন নজরুল ইসলাম আজাদ। আড়াইহাজারের আলোচিত একটি আন্দোলনের পর তাকে ধরতে প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতার খবর তখন ছিল বেশ আলোচিত। জুলাই ও আগস্ট আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ি স্পটকে জাগিয়ে রাখা আজাদকে ধরে তখন মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা এমন কথাও জানিয়েছেন অনুসারীরা। গত এক দশক ধরে তিনি নারায়ণগঞ্জে আলোচিত। বিএনপি ও এর সহযোগি সংগঠনের পদধারী অনেক নেতা তাঁর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। বিগত দিনে বিএনপির আন্দোলনের অনেক ক্ষেত্রেই তিনি নেতৃত্ব দেন। কারাভোগও করেছেন কয়েকবার। অন্তত অর্ধশত মামলার আসামী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর ঘোর প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আজাদ। দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে। কয়েকবার আজাদের বাড়িঘরেও হামলা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে রাজনীতি করা মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু এলাকায় তিনি পরিচিত দিপু ভূইয়া নামে। টানা ১৫ বছর ধরে সরকার বিরোধী আন্দোলন করে রূপগঞ্জ তো বটেই নারায়ণগঞ্জকে জাগিয়ে রেখেছিলেন তিনি। রাজধানীতেও বিএনপির বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কর্মসূচীতে লোকজন নিয়ে শো ডাউন করে আলোচনায় ছিলেন। আন্দোলনগুলোতে ছিলেন সামনের সারিতে। বিএনপির তৃণমূল থেকে শুরু করে প্রতিটি অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে তিনি সরব করে তুলেছেন। আওয়ামী লীগ থাকতে গাজী বাহিনীর একের পর এক হামলায় আক্রান্ত হন দিপুর বিভিন্ন স্থাপনা। বাড়িতে ঢুকে গুলি করা হয়।নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আন্দোলনের আরেক নেতা আজহারুল ইসলাম মান্নান এর আগে সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। কিন্তু চেয়ারম্যান হয়েও তিনি পরিষদে কাজ করতে পারেনি। মান্নান বিএনপির চেয়ারম্যান হওয়ার কারণে তাকে মেনে নিতে পারেনি স্থানীয় সংসদ। পরে তাকে অপসারণ করা হয়। গত ১৫ বছরে সবগুলো আন্দোলনেই সামনের সারিতে ছিলেন মান্নান। একের পর এক মামলায় কাবু করা হয় তাকে ও তার ছেলে যুবদলের নেতা খায়রুল ইসলাম সজীবকে। সোনারগাঁও বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনগুলোকে একত্র করে এক ছাতার নিচে ধরে রেখেছেন তিনি। বিগত সময় বিএনপির আন্দোলন সংগ্রাম ও গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ে মামলা-হামলায় নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন তিনি। নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বাড়ীতো খোঁজখবর নিয়েছেন। বিএনপির কোন দলীয় কর্মসূচী আসলে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে নেমে পড়েন এবং আন্দোলন-সংগ্রাম সফল করেন আজহারুল ইসলাম মান্নান।

প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ!

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ
প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ!

 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রক্ষাকারী, সাংগঠনিক দক্ষতা সম্পন্ন রাজনীতিবিদ ও ক্লিন ইমেজ খ্যাত যুবদল নেতা হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলি উল্লাহ।

জানা গেছে, অলি উল্লাহ বিগতদিনে আন্দলোনের সংগ্রামের প্রতিটি স্তরে সক্রিয় ভূমিকা রেখছিলেন। মাঠপর্যায়ে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার সরব উপস্থিতি তাকে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।

রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ-এর একজন ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবেও পরিচিত অলি উল্লাহ। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক এবং নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার সক্ষমতা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় তাকে আরও এগিয়ে রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার নিয়মিত অংশগ্রহণ, দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকার কারণে ইতোমধ্যে তিনি হাইজাদী ইউনিয়নের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজের কাছে তিনি একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। পাশাপাশি বয়োজ্যেষ্ঠদের মাঝেও তার ভদ্রতা ও আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নতুন নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তৃণমূলের রাজনীতি জানা, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং দলীয় কাঠামোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে একজন শক্ত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছে।

এদিকে অলি উল্লাহ বলেন, আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। ছোটবেলা থেকেই হাইজাদী ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে জড়িয়ে আছি। সব সময় চেষ্টা করেছি সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে। যদি এলাকার মানুষ আমাকে যোগ্য মনে করে এবং দায়িত্ব দেয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ হাইজাদী ইউনিয়নকে একটি সুশাসনভিত্তিক, উন্নয়নমুখী ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। তরুণ সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক ও সাধারণ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাইজাদী ইউনিয়নে অলি উল্লাহকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা ও প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে এই আলোচনা কতটা বাস্তব রূপ পায়।

 

বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর।

 

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে সারা দেশের ন্যায় পুরো আড়াইহাজার জুড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থীর অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও ছোট বড় বিভিন্ন অনুষ্টানমালায় উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করতেও দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীনদল বিএনপির হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন এমন সম্ভাব্য অনেক প্রার্থীর নাম বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। তবে বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একাধিক নেতার প্রার্থীতার নাম গুঞ্জুন থাকলেও সাধারণ ভোটাররা আস্থায় রাখছেন বিশনন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা ডা: মো: মজিবুর রহমানকে।
কারণ হিসেবে তৃণমূল বলছেন, একটি আধুনিক নিরাপদ মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মাণ লক্ষ্যে ও একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন মজিবুর রহমান। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে, প্রতিটি পরিবারকে নিরাপদ রাখতে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উন্নত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বিশনন্দী ইউনিয়ন গড়ার ব্যত্যয় নিয়ে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য। এছাড়াও মজিবুর রহমান বিএনপির দুঃসময়ে করেছেন একাধিকবার কারাবরণ। তার পরিবারের প্রত্যেকটা ভাই আওয়ামী লীগের শাসন আমলে কারাবরণ করেছেন একাধিকবার। কারানির্যাতিত নেতাদের জামিন করানো, অসহায় নেতাদের আর্থিক সহযোগিতা, বিশেষ দিবসে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ত্রান-সাহায্য সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে। যার ফলে একাধিক নেতা আলোচনায় থাকলেও বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে তৃণমূলের আস্থায় আছেন এক ডা: মো: মজিবুর রহমান । যার রয়েছে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বিশাল কর্মী বাহিনী। যাকে দেখলে এগিয়ে আসেন যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেনিপেশার মানুষ।
তৃণমূল এর ভাষ্যমতে, মজিবুর রহমান এর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। তবে রয়েছে সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলার ও বুকে টেনে নেওয়ার সক্ষমতা। যিনি তরুন সমাজকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় মাতিয়ে রাখতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় খেলার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন নিরবে। আল্লাহর নৈকট্যলাভের আশায় মসজিদ মাদ্রাসায়ও তার দানের হাত কমতি নয়।এমন সব কর্মকান্ডে তাকেই এগিয়ে রাখছেন আগামীদিনে বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে। রাখতে চান একমাত্র মুজিবুর এর উপর আস্থা।দেখতে চান চেয়ারম্যান পদে।

 

 

আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

 

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ  নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে সারা দেশের ন্যায় পুরো আড়াইহাজার জুড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য একাধিক  প্রার্থীর অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও ছোটবড় বিভিন্ন অনুষ্টানমালায় উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করতেও দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীনদল বিএনপির  হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন এমন সম্ভাব্য অনেক প্রার্থীর নাম বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে।

জানাগেছে আসন্ন হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এবার প্রার্থীতা হতে পারেন সরকারি সফর আলী কলেজের সাবেক এজিএস মীর রেজাউল করিম,  হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সফিউল আলম সবুজ, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির, হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা এড. মামুন মাহমুদ, জাকির হোসেন, হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলিউল্লাহও সাধারণ সম্পাদক মীর মেহেদী হাসান রানা।তবে নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানাগেছে থাকছে না দলীয় কোন প্রতীক।

এদিকে জানাগেছে হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একাধিক নেতার প্রার্থীতার নাম গুঞ্জুন থাকলেও সাধারণ ভোটাররা আস্থায় রাখছেন হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলি উল্লাহকে।তার কারণও আছে বেশ।কারণ হিসেবে তৃণমূল বলছেন, একটি আধুনিক নিরাপদ মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মাণ লক্ষ্যে ও একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন অলিউল্লাহ অলি। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিটি পরিবারকে নিরাপদ রাখতে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উন্নত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হাইজাদী ইউনিয়ন গড়ার ব্যত্যয় নিয়ে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য।এছাড়াও অলি বিএনপির দুঃসময়ে কারানির্যাতিত নেতাদের জামিন করানো, অসহায় নেতাদের আর্থিক সহযোগিতা, বিশেষ দিবসে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ত্রান-সাহায্য সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে।যার ফলে একাধিক নেতা আলোচনায় থাকলেও তৃণমূলের আস্থায় আছেন এক অলি।যার রয়েছে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বিশাল কর্মী বাহিনী।যাকে দেখলে এগিয়ে আসেন যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেনিপেশার মানুষ।

তৃণমূল এর ভাষ্যমতে, অলির রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই বিতর্কিত কর্মকাণ্ড।তবে রয়েছে সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলার ও বুকে টেনে নেওয়ার সক্ষমতা। যিনি তরুন সমাজকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় মাতিয়ে রাখতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় খেলার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন

নিরবে।আল্লাহর নৈকট্যলাভের আশায় মসজিদ মাদ্রাসায়ও তার দানের হাত কমতি নয়।এমন এসব কর্মকান্ডে তাকেই এগিয়ে রাখছেন আগামীদিনে হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে। রাখতে চান একমাত্র অলির উপর আস্থা।দেখতে চান চেয়ারম্যান পদে। তবে এখন দেখার বিষয় কে হচ্ছেন আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের আগামীদিনের চেয়ারম্যান।

 

 

 

 

 

প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ! বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর। আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক! সিটি নির্বাচন, কেন আলোচনায় রাকিব? বিশনন্দী ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় হাসান।