খুঁজুন

তারেক রহমানের সবুজ সংকেতে বিএনপির তিন নেতা

দেশবাণী ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সবুজ সংকেতে বিএনপির তিন নেতা

আগামী সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তারেক রহমান। ২৬ জুলাই রাতে ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত হয় ওই বৈঠক। সভাতে উঠে আসে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে বিশ্লেষণ ও বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড। সেখানে জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটি নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। রূপগঞ্জ নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, আড়াইহাজার নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ ও সোনারগাঁও নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নানের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন বলে জানা যায়। এছাড়া একটি আসনে ব্যাপক রদবদলেরও বিষয়টি আলোচনা হয়।বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রামে থাকা, নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়াতে কাজ করা, মামলা ও হামলায় জর্জরিত নেতাদের দিয়েই আগামীতে সংসদ নির্বাচন করানো হবে ইঙ্গিত দেন তারেক রহমান।

তিনি জানান তার কাছে বিগত সবগুলো বছরের সকল নেতাদের কর্মকান্ডের ফিরিস্তি রয়েছে। কারা মাঠে ছিল, কারা কাজ করেছে, কারা সুবিধাভোগী, কোন কোন নেতার সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক আছে ইত্যাদি সকল তথ্য আছে। ৫ আগস্টের পরেও কে কি করেছে সেটাও তাঁর জানা। সুতরাং দলের প্রতি যাদের অগাধ ভালোবাসা, বিতর্কহীন কর্মকান্ড তারাই এবার প্রাধান্য পাবেন সংসদ সদস্য প্রার্থীতার ক্ষেত্রে।বৈঠকে নারায়ণগঞ্জ-৪ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে উঠে এসেছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ নিয়ে লড়াই করা জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি শাহ আলমকে নিয়ে। কিন্তু তারেক রহমান নিজেই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন শাহ আলমের পদত্যাগের বিষয়টি। তিনি বলেন, ‘শাহআলম সাহেব তো দলের পদ ছেড়ে দিয়েছেন। তাকে নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নাই।’এ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি গিয়াসউদ্দিনের নাম বলা হলেও তারেক রহমান বিষয়টি এড়িয়ে যান।ফলে জেলা বিএনপির বর্তমান আহবায়ক মামুন মাহমুদ, যুগ্ম আহবায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আলোচনাতে।বৈঠকে নারায়ণগঞ্জ-১ তথা রূপগঞ্জ আসনে কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির নেতা মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-২ তথা আড়াইহাজার আসনে কেন্দ্রীয় কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ও নারায়ণগঞ্জ-৩ তথা সোনারগাঁও আসনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পক্ষে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তারেক রহমানও এ তিন নেতার প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিগত দিনে আওয়ামী লীগ বিরোধী আন্দোলনে এসব নেতাদের সক্রিয়তা ও মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পর্কের বিষয়টিও উঠে এসেছে। ফলে বৈঠকে উপস্থিত নেতারা জানিয়েছেন, তিন নেতার নাম উচ্চারণে পর তারেক রহমানে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখানোতে অনুমেয় তারাই পাচ্ছেন আপাতত সবুজ সংকেত।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের একটি বড় অংশ মহানগর বিএনপির আওতাধীন থাকায় সেটা নিয়ে বিস্তর কোন আলোচনা করেনি জেলা বিএনপির নেতারা। তবে আগামী দিনে নারায়ণগঞ্জের বিএনপির রাজনীতিতেও আসবে চমক।দলের নেতারা জানান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে কার্যত সবুজ সংকেত পেয়ে গেছেন নজরুল ইসলাম আজাদ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেসব নেতারা সবচেয়ে বেশী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে ছিলেন তাদের একজন নজরুল ইসলাম আজাদ। আড়াইহাজারের আলোচিত একটি আন্দোলনের পর তাকে ধরতে প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতার খবর তখন ছিল বেশ আলোচিত। জুলাই ও আগস্ট আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ি স্পটকে জাগিয়ে রাখা আজাদকে ধরে তখন মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা এমন কথাও জানিয়েছেন অনুসারীরা। গত এক দশক ধরে তিনি নারায়ণগঞ্জে আলোচিত। বিএনপি ও এর সহযোগি সংগঠনের পদধারী অনেক নেতা তাঁর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। বিগত দিনে বিএনপির আন্দোলনের অনেক ক্ষেত্রেই তিনি নেতৃত্ব দেন। কারাভোগও করেছেন কয়েকবার। অন্তত অর্ধশত মামলার আসামী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর ঘোর প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আজাদ। দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে। কয়েকবার আজাদের বাড়িঘরেও হামলা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে রাজনীতি করা মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু এলাকায় তিনি পরিচিত দিপু ভূইয়া নামে। টানা ১৫ বছর ধরে সরকার বিরোধী আন্দোলন করে রূপগঞ্জ তো বটেই নারায়ণগঞ্জকে জাগিয়ে রেখেছিলেন তিনি। রাজধানীতেও বিএনপির বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কর্মসূচীতে লোকজন নিয়ে শো ডাউন করে আলোচনায় ছিলেন। আন্দোলনগুলোতে ছিলেন সামনের সারিতে। বিএনপির তৃণমূল থেকে শুরু করে প্রতিটি অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে তিনি সরব করে তুলেছেন। আওয়ামী লীগ থাকতে গাজী বাহিনীর একের পর এক হামলায় আক্রান্ত হন দিপুর বিভিন্ন স্থাপনা। বাড়িতে ঢুকে গুলি করা হয়।নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আন্দোলনের আরেক নেতা আজহারুল ইসলাম মান্নান এর আগে সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। কিন্তু চেয়ারম্যান হয়েও তিনি পরিষদে কাজ করতে পারেনি। মান্নান বিএনপির চেয়ারম্যান হওয়ার কারণে তাকে মেনে নিতে পারেনি স্থানীয় সংসদ। পরে তাকে অপসারণ করা হয়। গত ১৫ বছরে সবগুলো আন্দোলনেই সামনের সারিতে ছিলেন মান্নান। একের পর এক মামলায় কাবু করা হয় তাকে ও তার ছেলে যুবদলের নেতা খায়রুল ইসলাম সজীবকে। সোনারগাঁও বিএনপি’র অঙ্গ সংগঠনগুলোকে একত্র করে এক ছাতার নিচে ধরে রেখেছেন তিনি। বিগত সময় বিএনপির আন্দোলন সংগ্রাম ও গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ে মামলা-হামলায় নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন তিনি। নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বাড়ীতো খোঁজখবর নিয়েছেন। বিএনপির কোন দলীয় কর্মসূচী আসলে নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে নেমে পড়েন এবং আন্দোলন-সংগ্রাম সফল করেন আজহারুল ইসলাম মান্নান।

পদ স্থগিতের প্রতিবাদে অ্যাড. আনোয়ার ও রিফাত অনুসারীদের মৌন মিছিল

শহর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
পদ স্থগিতের প্রতিবাদে অ্যাড. আনোয়ার ও রিফাত অনুসারীদের মৌন মিছিল

দলের ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা যেন সাংগঠনিকভাবে বঞ্চনার শিকার না হন, সে বিষয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. এইচ এম আনোয়ার প্রধান। তিনি তাঁর পদ স্থগিতের সিদ্ধান্তকে অন্যায় ও অনৈতিক উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানান।

‎মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় নারায়ণগঞ্জ নতুন কোর্ট এলাকার জেলা পরিষদের সামনে থেকে তাঁর এবং মহানগর বিএনপির ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি এড. শেখ আঞ্জুম আহমেদ রিফাতের পদ স্থগিতের প্রতিবাদে দলীয় নেতাকর্মী ও অনুসারীরা একটি বিশাল মৌন মিছিল বের করেন। মিছিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে আনোয়ার প্রধান এসব কথা বলেন।

মিছিলটি নতুন কোর্ট এলাকা থেকে শুরু হয়ে চানমারি রেললাইন অতিক্রম করে চাষাড়ায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় পদ স্থগিতের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান অংশগ্রহণকারীরা।

বক্তব্যে আনোয়ার প্রধান বলেন, গত ৬ অক্টোবরের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির একটি বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে মহানগর বিএনপির সদস্যপদও স্থগিত করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি দলের নেতাকর্মীদের কাছে বিচার চেয়েছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সিদ্ধান্তটিতে ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হয়ে তাঁর সঙ্গে রাজপথে নেমেছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এসব নেতাকর্মী তাঁর সঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। এ সময় তাঁরা নানা প্রতিকূলতা, জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করেছেন। দলের দুঃসময়ে যাঁরা পাশে ছিলেন, তাঁদের অবদান ও ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করা জরুরি।

আনোয়ার প্রধান আরও বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিএনপি একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে দলের তৃণমূল পর্যায়ের ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। তাঁদের উপেক্ষা করা কিংবা দল থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার যেকোনো ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তাঁর মতো তৃণমূলের নেতাকর্মীরা যেন দলের অভ্যন্তরে অন্যায়ভাবে বঞ্চনার শিকার না হন, সে বিষয়ে দলের নীতিনির্ধারকদের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

২২ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে অ্যাডভোকেট শিপলুর শারদীয় শুভেচ্ছা উপহার প্রদান

বন্দর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
২২ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে অ্যাডভোকেট শিপলুর শারদীয় শুভেচ্ছা উপহার প্রদান

 

বন্দর শ্রী শ্রী লালজী মন্দির, সিরাজউদ্দৌলা মাঠ পূজা মন্ডপ এবং বন্দর বাজার মন্দিরসহ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন দুর্গোৎসব মন্ডপে শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ করা হয়েছে।

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ২২ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী, বিশিষ্ট আইনজীবী ও সমাজকর্মী অ্যাডভোকেট মোঃ শরীফুল ইসলাম শিপলু পূজা উদযাপন কমিটির আয়োজক প্রতিনিধিদের হাতে এসব শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন।

উপহার প্রদানকালে অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের শারদীয় দুর্গোৎসবের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির গণ্যমান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

ঘাটাইলে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
ঘাটাইলে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ঘাটাইল উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ নুরী তাসমিন উর্মি। সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপন, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোখছেদুর রহমান,উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হাজী বিল্লাল হোসেন,বিআরডিবির চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশীদ,পৌর বিএনপি সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল হক মঞ্জু,উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক অধীর চন্দ্র সহা,সম্পাদক শ্রী অমুল্য চন্দ্র,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ তরিকুল ইসলাম,

উপজেলা জামায়াত ইসলামের আমীর মোঃ রাসেল মিয়া,পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

পদ স্থগিতের প্রতিবাদে অ্যাড. আনোয়ার ও রিফাত অনুসারীদের মৌন মিছিল ২২ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে অ্যাডভোকেট শিপলুর শারদীয় শুভেচ্ছা উপহার প্রদান ঘাটাইলে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত জিবুতি উপকূলে নৌকাডুবিতে শিশুসহ ১৩৯ অভিবাসী নিহত, অটোরিকশায় তুলে গরু চুরির চেষ্টা, দুই নারী আটক