খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ওয়ান ম্যান খ্যাতরাই কাশেমীর ভরসা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
ওয়ান ম্যান খ্যাতরাই কাশেমীর ভরসা

 

বিএনপির সিংহভাগ নেতাকর্মীরা বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরীক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এখানকার আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি মুহাম্মদ শাহআলম ও মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীনের পক্ষে কাজ করছেন বিএনপির সিংহভাগ নেতাকর্মীরা। যেখানে কাসেমীর পক্ষে অবস্থান করছেন ওয়ান ম্যান শো খ্যাত বিএনপির তিন নেতা, যারা আবার বহিরাগত। যাদের মধ্যে একজন বরিশালের বাসিন্দা, আরেকজন নোয়াখালীর, অপরজন কুমিল্লার বাসিন্দা। ভোটের মাঠে ফতুল্লায় তাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই বললেই চলে। কাসেমীর সঙ্গে আরেকজন বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলেও তিনি আয় রোজগার  ও সেক্টর নিয়ন্ত্রণে ওস্তাদ।  ভোটের মাঠে তারও কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। ফলে কাসেমী তার জয়ের পথ এখনো তৈরি করতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানান, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি তাদের প্রার্থী দেয়নি। এখানে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরীক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। তিনি খেজুর গাছ প্রতীক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। একইভাবে এ আসনের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু না পেয়ে তিনি রিপাবলিকান বাংলাদেশের হাতি প্রতীকে প্রার্থী হয়েছেন।

এ ছাড়াও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীন ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শিল্পপতি মুহাম্মদ শাহআলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় গত ৩০ ডিসেম্বর তাদেরকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার ঘোষণা করা হয়। তবে বহিষ্কারের পরেও তারা নির্বাচনে অটুট রয়েছেন। তাদের পক্ষেই রয়েছেন বিএনপির গ্রহণযোগ্য নেতাকর্মীরা। কাসেমীকে মনোনিত করার পর থেকে কাসেমীর প্রতি নারাজ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা কাসেমীকে এমপি হিসেবে দেখতে চান না। যে কারনে তারা শাহআলম ও গিয়াসের দিকে ঝুকছেন নেতাকর্মীরা।

গিয়াসের পক্ষে আছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মোহাম্মদ মোল্লা, সাংগঠিনক সম্পাদক হাসান আলী, আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন খন্দকার, হাসান মোহাম্মদ পলাশ, বিল্লাল হোসেন, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহামুদ সহ উল্লেখযোগ্য বেশকজন নেতা। শাহআলমের পক্ষে আছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জাহিদ হাসান রোজেল, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর, নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান খোকা, জেলা বিএনপির সদস্য নাদিম হাসান মিঠু, একরামুল কবির মামুনের মত আরো বহু শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। মুলত এই আসনে বিএনপির সবচেয়ে বেশি নেতাকর্মী আছেন শাহআলমের সাথে।

অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে টানতে পারছেন না মনির হোসাইন কাসেমী। এখানে থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভুঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদারই এখন তার একমাত্র ভরসা। কিন্তু টিটু ও রুহুল আমিন বরিশালের বাসিন্দা। ভাসমান এই দুই ব্যক্তির ভোটের মাঠে কোনো গ্রহণযোগ্যতা নাই। তারা কাসেমীকে ভোটে কোনো সহযোগীতা করতে পারবেন না। একই দশা কুমিল্লার বাসিন্দা আব্দুল বারী ভুঁইয়ার। আইনজীবী হওয়ার সুবাধে থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক করেছিলেন গিয়াস উদ্দীন। রাজনৈতিক বোদ্ধারা মনে করেন এই তিন নেতা কাসেমীকে ১ হাজার ভোট সংগ্রহ করে দেয়ার মত যোগ্যতা রাখেন না ফতুল্লায়। যিনি চাঁদাবাজিসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। কাসেমীর হাত ধরে বহিষ্কার প্রত্যাহার পেয়েছেন।  ফতুল্লার আয় রোজগারের সেক্টর নিয়ন্ত্রণে পারদর্শী হলেও ভোটের মাঠেও তারও অবস্থান শূণ্য। এই অবস্থায় কাসেমীর পরাজয় সন্নিকটে।

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর।।
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪২ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আগামী দুই বছরের পথচলা শুরু হলো।

 

গতকাল ১৫ মে (শুক্রবার) বিকেলে মদনগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

নবগঠিত এই কমিটিতে সংগঠনের সবার প্রিয়ভাজন, সমাজকর্মী আলমগীর আজাদ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত কমিটির সফল সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোরশেদ রতন। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. জিয়াউদ্দিন ভুইয়া।

 

কমিটি ঘোষণার পর নবাগত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, তারা অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করবেন। একই সাথে আগামী দিনে সিনিয়র সিটিজেনদের অধিকার রক্ষা, সংগঠনের অগ্রগতি এবং সামগ্রিক সমাজ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ডকইয়ার্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে উল্টো বিপাকে পড়েছেন মহিউদ্দিন সাউদ নামে এক ব্যবসায়ী। থানা ও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে অভিযুক্তদের হুমকি এবং পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ঘাট সংলগ্ন শেফা ডকইয়ার্ডের মালিক মহিউদ্দিন সাউদের কাছে লোহা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা পরিচয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে স্থানীয় একটি চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত কয়েকদিন আগে অভিযুক্তরা ডকইয়ার্ডে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, শত শত মানুষের সামনে ডকইয়ার্ড থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের লোহা লুট করে নিয়ে যায় তারা।

 

এই ঘটনায় মহিউদ্দিন সাউদ স্থানীয় মৃত শামছুলের ছেলে সৈকতকে (৪০) প্রধান আসামি করে সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‍্যাব কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, “অভিযুক্তরা নিজেদের যুবদল ও বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তারা আমার কাছে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুট করেছে। এখন আমি জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি।”

 

এদিকে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে প্রধান অভিযুক্ত সৈকত হাসান বাদী হয়ে মহিউদ্দিন সাউদের বিরুদ্ধে থানায় একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ডকইয়ার্ডের স্ক্র্যাপ লোহা কেনার জন্য তিনি মহিউদ্দিনকে ৫ লাখ টাকা বায়না দিয়েছিলেন এবং মহিউদ্দিন সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের স্বপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী খান মাসুদ পালিয়ে গেলে বন্দর ঘাট এলাকার স্ট্যান্ড বাজার ও ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেন এই সৈকত। তিনি নিজেকে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) ভাতিজা পরিচয় দিয়ে থানা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনার মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

চাঁদাবাজির শিকার হয়েও প্রতিকার না পেয়ে মহিউদ্দিন সাউদ এখন আতঙ্কিত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ এখনো তার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের ভয়ে এবং পুলিশের অসহযোগিতায় তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের একটি ডকইয়ার্ডে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুটপাটের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মহিউদ্দিন সাউদ। তিনি এ ঘটনায় বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, র‌্যাব বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

অভিযোগে ডকইয়ার্ড মালিক স্থানীয় মৃত শামছুল এর পুত্র সৈকত (৪০) কে প্রধান করে, সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করেছেন।

 

অভিযোগে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এরা নিজেদের বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, স্কুল কলেজের ছাত্রীদের রাস্তায় উত্যক্ত ও অসালীন আচরণ করা সহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে আসছে।

 

গত সোমবার (৪ মে) চাঁদা না পেয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দেন।

 

“অভিযোগকারী মহিউদ্দিন দাবি করেন ওরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে হইব। কিন্তু আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওরা আমারে বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করসে। পরবর্তীতে আমার ডকইয়ার্ড থেকে শত শত মানুষের সামনে প্রায় ৭০ হাজার টাকার লোহা নিয়া চলে গেছে। ওরা সবাই যুবদল করে। আমি এখন আমার জীবন নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি সেখানে। রিপোর্ট পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। অভিযোগকারীর সাথে যদি ঘটনা মিলে যায় তাহলে অপরাধী যে দলেরই হোক আমি ব্যবস্থা নেবো। আইন সবার জন্যই সমান।”

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’ বিএনপিতে ‘অল-আউট রিসেট’: ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল বগুড়া হচ্ছে সিটি করপোরেশন, দেশে নতুন পাঁচ উপজেলা