খুঁজুন

ওয়ান ম্যান খ্যাতরাই কাশেমীর ভরসা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
ওয়ান ম্যান খ্যাতরাই কাশেমীর ভরসা

 

বিএনপির সিংহভাগ নেতাকর্মীরা বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরীক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এখানকার আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি মুহাম্মদ শাহআলম ও মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীনের পক্ষে কাজ করছেন বিএনপির সিংহভাগ নেতাকর্মীরা। যেখানে কাসেমীর পক্ষে অবস্থান করছেন ওয়ান ম্যান শো খ্যাত বিএনপির তিন নেতা, যারা আবার বহিরাগত। যাদের মধ্যে একজন বরিশালের বাসিন্দা, আরেকজন নোয়াখালীর, অপরজন কুমিল্লার বাসিন্দা। ভোটের মাঠে ফতুল্লায় তাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই বললেই চলে। কাসেমীর সঙ্গে আরেকজন বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলেও তিনি আয় রোজগার  ও সেক্টর নিয়ন্ত্রণে ওস্তাদ।  ভোটের মাঠে তারও কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। ফলে কাসেমী তার জয়ের পথ এখনো তৈরি করতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানান, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি তাদের প্রার্থী দেয়নি। এখানে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরীক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। তিনি খেজুর গাছ প্রতীক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। একইভাবে এ আসনের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু না পেয়ে তিনি রিপাবলিকান বাংলাদেশের হাতি প্রতীকে প্রার্থী হয়েছেন।

এ ছাড়াও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীন ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শিল্পপতি মুহাম্মদ শাহআলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় গত ৩০ ডিসেম্বর তাদেরকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার ঘোষণা করা হয়। তবে বহিষ্কারের পরেও তারা নির্বাচনে অটুট রয়েছেন। তাদের পক্ষেই রয়েছেন বিএনপির গ্রহণযোগ্য নেতাকর্মীরা। কাসেমীকে মনোনিত করার পর থেকে কাসেমীর প্রতি নারাজ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা কাসেমীকে এমপি হিসেবে দেখতে চান না। যে কারনে তারা শাহআলম ও গিয়াসের দিকে ঝুকছেন নেতাকর্মীরা।

গিয়াসের পক্ষে আছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মোহাম্মদ মোল্লা, সাংগঠিনক সম্পাদক হাসান আলী, আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন খন্দকার, হাসান মোহাম্মদ পলাশ, বিল্লাল হোসেন, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহামুদ সহ উল্লেখযোগ্য বেশকজন নেতা। শাহআলমের পক্ষে আছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জাহিদ হাসান রোজেল, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর, নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান খোকা, জেলা বিএনপির সদস্য নাদিম হাসান মিঠু, একরামুল কবির মামুনের মত আরো বহু শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। মুলত এই আসনে বিএনপির সবচেয়ে বেশি নেতাকর্মী আছেন শাহআলমের সাথে।

অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে টানতে পারছেন না মনির হোসাইন কাসেমী। এখানে থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভুঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদারই এখন তার একমাত্র ভরসা। কিন্তু টিটু ও রুহুল আমিন বরিশালের বাসিন্দা। ভাসমান এই দুই ব্যক্তির ভোটের মাঠে কোনো গ্রহণযোগ্যতা নাই। তারা কাসেমীকে ভোটে কোনো সহযোগীতা করতে পারবেন না। একই দশা কুমিল্লার বাসিন্দা আব্দুল বারী ভুঁইয়ার। আইনজীবী হওয়ার সুবাধে থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক করেছিলেন গিয়াস উদ্দীন। রাজনৈতিক বোদ্ধারা মনে করেন এই তিন নেতা কাসেমীকে ১ হাজার ভোট সংগ্রহ করে দেয়ার মত যোগ্যতা রাখেন না ফতুল্লায়। যিনি চাঁদাবাজিসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। কাসেমীর হাত ধরে বহিষ্কার প্রত্যাহার পেয়েছেন।  ফতুল্লার আয় রোজগারের সেক্টর নিয়ন্ত্রণে পারদর্শী হলেও ভোটের মাঠেও তারও অবস্থান শূণ্য। এই অবস্থায় কাসেমীর পরাজয় সন্নিকটে।

আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ।

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ।

 

আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়নে একঝাঁক চেয়ারম্যান প্রত্যাশী প্রার্থী আলোচনা থাকলেও তৃণমূলের আস্থায় আছেন ক্লিন ইমেজ খ্যাত মাত্র একজন।কিন্তু কে সেই ক্লিন ইমেজ খ্যাত নেতা? এমন প্রশ্নের উত্তর খুজতে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে তৃণমূলের সেই প্রাত্যাশিত নেতার নাম।

তৃণমূল জানান, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়নের একাধিক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আলোচনায় থাকলেও মোঃ অলি উল্লাহ একজন সৎ, আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠক, বিশিষ্ট সমাজসেবক। আড়াইহাজার তথা হাইজাদী ইউনিয়ন রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে হাইজাদী ইউনিয়ন এর স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এই অলি উল্লাহ।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন এই অলি উল্লাহ । রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে ধমিয়ে রাখতে পারেনি।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে অলি’র বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

চেয়ারম্যান প্রত্যাশি এই নেতা একান্ত আলাপচারিতায় প্রতিবেদক’ কে বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতা নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে হাইজাদী ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।

স্থানীয়দের ভাষ্য, তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে অলি ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইজাদী ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম অলি উল্লাহ এমনটাই উঠে আসে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানী রিপোর্টে। তবে এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততা এই পথচলা তাকে কতটা জনপ্রতিধি হওয়ার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় প্রায় ২১ লাখ টাকার ড্রেজারের পাইপ ও যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক যুবদল নেতা কাজল প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া কাজল প্রধান বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সদস্য এবং বন্দর থানা যুবদলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে। বন্দর থানা তার বিরুদ্ধে হত্যা সহ একাধীক মামলা রয়েছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী শিমন হাসানের বাবা মরহুম হাজী মো. আতিকুর রহমান আতিক একজন ড্রেজার ব্যবসায়ী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর শিমন হাসান ব্যবসার দায়িত্ব নেন। ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ড্রেজারের মালামাল বন্দর উপজেলার সালেহনগর এলাকার রূপালী গেট বাগানসংলগ্ন কাইল্লাহ মিয়ার বাড়ির সামনে রাখা ছিল।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৫ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে কোনো এক সময় কাজল প্রধান ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন পরিকল্পিতভাবে ড্রেজারের মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ১২ ইঞ্চি ড্রেজার পাইপ ৮৫টি, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ টাকা এবং বুস্টার মেশিনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, যার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। এতে মোট প্রায় ২১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী শিমন হাসান জানান, ২৭ জুলাই ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ড্রেজারের পাইপ ও যন্ত্রাংশ খুঁজে না পেয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। পরে গোপন সূত্রে জানতে পারেন, চুরি হওয়া পাইপ ও যন্ত্রাংশ নবীগঞ্জ ও মাহমুদনগর এলাকার বিভিন্ন ভাঙারি (স্ক্র্যাপ) দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। এরপর আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি কাজল প্রধানকে গ্রেপ্তার করে। তবে মামলার অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন।
বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।

কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির

 

 

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন একজন সৎ, আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠক,বিশিষ্ট সমাজসেবক ফকির জহির রহমান । আড়াইহাজার তথা কালাপাহাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে কালাপাহাড়িয়ার স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এই জহির। অপরদিকে জহিরের রাজনৈতিক দল বিএনপির জন্য একনিষ্ঠতার সাথে বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন এবং দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে মুখ্য ভূমিকা পালন করে বিএনপির নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে কান্ডারী হয়ে উঠেছিলেন।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন জহির। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে ধমিয়ে রাখতে পারেনি।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে জহিরের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

জহির বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে জহির ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম জহির। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততা এই পথচলা তাকে কতটা জনপ্রতিধি হওয়ার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

 

 

আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ। বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির বন্দর থানায় সাংবাদিকদের সঙ্গে ওসির অসদাচরণ আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।