খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নতুন কৌশলে জামায়াতে ইসলামী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
নতুন কৌশলে জামায়াতে ইসলামী

 

 

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সমমনা ইসলামি দলগুলোর যে জোট হওয়ার কথা ছিল তা হচ্ছে না। সমমনা দল ও ব্যক্তিদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে তারা নির্বাচন করবে। ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন চালুর বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় আসনভিত্তিক সমঝোতা হবে, নির্বাচনি জোট হবে না। তাছাড়াও আওয়ামী লীগ বিহীন নির্বাচনে অধিক সংখ্যক দলের অংশগ্রহণ দেখাতেও এটা একটা কৌশল হিসাবে কাজ করবে।

 

 

বুধবার সিলেটে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো জোট করছি না। নির্বাচনি সমঝোতার ভিত্তিতে এগোব। প্রতিটি জায়গায় একটি বাক্স থাকবে এই নীতিতেই আমরা কাজ করছি। এ বিষয়ে অবশ্য তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

 

 

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবিসিকে বলেছেন, আমরা প্রচলিত কাঠামোগত জোট করছি না। সমমনা দলগুলোর সঙ্গে বসে নিশ্চিত করব-যেন একই আসনে একাধিক প্রার্থী না থাকে। জামায়াত ও সমমনাদের মধ্যে আসনভিত্তিক সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে সাম্প্রতিক সময়ে একযোগে কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াত ও আরও সাতটি সমমনা দল। তাই ধারণা করা হচ্ছিল, এসব দল নিয়ে নির্বাচনি জোট গঠনের ঘোষণা আসবে।

 

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ইসলামপন্থি দলগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার চেষ্টা করছিল জামায়াত। বরিশালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঙ্গে ডা. শফিকুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাতের পর সেই আলোচনা নতুন মাত্রা পায়। এ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসে ছাড়াও সমমনা ইসলামী দলগুলোর অফিসে অনেক বৈঠক হয়েছে, সাংবাদিক সম্মেলনও হয়েছে। দুদিন আগে খেলাফত মজলিসের অফিসে ৮ দলের বৈঠক এবং পরে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটসহ ৫ দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে বুধবার সিলেটে জামায়াত আমির জোটের পরিবর্তে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনের এই ঘোষণা দিলেন।

 

 

২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের অংশ ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সেই নির্বাচনে জোট সরকার গঠনের পর জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা মন্ত্রী হয়েছিলেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিএনপি-জামায়াত জোট কার্যত ভেঙে যাওয়ার পর থেকে দুই দলের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। তবে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে উভয় দলই সক্রিয় ছিল।

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর।।
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪২ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আগামী দুই বছরের পথচলা শুরু হলো।

 

গতকাল ১৫ মে (শুক্রবার) বিকেলে মদনগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

নবগঠিত এই কমিটিতে সংগঠনের সবার প্রিয়ভাজন, সমাজকর্মী আলমগীর আজাদ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত কমিটির সফল সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোরশেদ রতন। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. জিয়াউদ্দিন ভুইয়া।

 

কমিটি ঘোষণার পর নবাগত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, তারা অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করবেন। একই সাথে আগামী দিনে সিনিয়র সিটিজেনদের অধিকার রক্ষা, সংগঠনের অগ্রগতি এবং সামগ্রিক সমাজ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ডকইয়ার্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে উল্টো বিপাকে পড়েছেন মহিউদ্দিন সাউদ নামে এক ব্যবসায়ী। থানা ও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে অভিযুক্তদের হুমকি এবং পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ঘাট সংলগ্ন শেফা ডকইয়ার্ডের মালিক মহিউদ্দিন সাউদের কাছে লোহা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা পরিচয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে স্থানীয় একটি চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত কয়েকদিন আগে অভিযুক্তরা ডকইয়ার্ডে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, শত শত মানুষের সামনে ডকইয়ার্ড থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের লোহা লুট করে নিয়ে যায় তারা।

 

এই ঘটনায় মহিউদ্দিন সাউদ স্থানীয় মৃত শামছুলের ছেলে সৈকতকে (৪০) প্রধান আসামি করে সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‍্যাব কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, “অভিযুক্তরা নিজেদের যুবদল ও বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তারা আমার কাছে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুট করেছে। এখন আমি জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি।”

 

এদিকে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে প্রধান অভিযুক্ত সৈকত হাসান বাদী হয়ে মহিউদ্দিন সাউদের বিরুদ্ধে থানায় একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ডকইয়ার্ডের স্ক্র্যাপ লোহা কেনার জন্য তিনি মহিউদ্দিনকে ৫ লাখ টাকা বায়না দিয়েছিলেন এবং মহিউদ্দিন সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের স্বপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী খান মাসুদ পালিয়ে গেলে বন্দর ঘাট এলাকার স্ট্যান্ড বাজার ও ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেন এই সৈকত। তিনি নিজেকে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) ভাতিজা পরিচয় দিয়ে থানা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনার মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

চাঁদাবাজির শিকার হয়েও প্রতিকার না পেয়ে মহিউদ্দিন সাউদ এখন আতঙ্কিত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ এখনো তার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের ভয়ে এবং পুলিশের অসহযোগিতায় তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের একটি ডকইয়ার্ডে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুটপাটের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মহিউদ্দিন সাউদ। তিনি এ ঘটনায় বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, র‌্যাব বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

অভিযোগে ডকইয়ার্ড মালিক স্থানীয় মৃত শামছুল এর পুত্র সৈকত (৪০) কে প্রধান করে, সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করেছেন।

 

অভিযোগে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এরা নিজেদের বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, স্কুল কলেজের ছাত্রীদের রাস্তায় উত্যক্ত ও অসালীন আচরণ করা সহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে আসছে।

 

গত সোমবার (৪ মে) চাঁদা না পেয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দেন।

 

“অভিযোগকারী মহিউদ্দিন দাবি করেন ওরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে হইব। কিন্তু আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওরা আমারে বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করসে। পরবর্তীতে আমার ডকইয়ার্ড থেকে শত শত মানুষের সামনে প্রায় ৭০ হাজার টাকার লোহা নিয়া চলে গেছে। ওরা সবাই যুবদল করে। আমি এখন আমার জীবন নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি সেখানে। রিপোর্ট পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। অভিযোগকারীর সাথে যদি ঘটনা মিলে যায় তাহলে অপরাধী যে দলেরই হোক আমি ব্যবস্থা নেবো। আইন সবার জন্যই সমান।”

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’ বিএনপিতে ‘অল-আউট রিসেট’: ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল বগুড়া হচ্ছে সিটি করপোরেশন, দেশে নতুন পাঁচ উপজেলা