বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৫ সালে। দুই দশক পর দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বা জেইসি’র নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই বৈঠকে ঢাকা ও ইসলামাবাদ বাণিজ্য, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে বলে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বা বাসসের খবরে বলা হয়েছে।
সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশের অর্থ উপদেষ্টা মি. আহমেদ বলেন, “২০ বছর পর আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংলাপ পুনরায় শুরু করেছি এবং এটি অত্যন্ত সফল হয়েছে। কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, সামুদ্রিক পরিবহন ও অন্যান্য খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে। পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী বলেন, আমরা এই সহযোগিতা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব এবং পরবর্তী জেইসি বৈঠকে মিলিত হলে যেন উভয় দেশের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোয় দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করতে পারি।
আজ ১১ মার্চ (বুধবার) নারায়ণগঞ্জ ক্লাব অডিটোরিয়ামে মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে “আমার নারায়ণগঞ্জ” প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জে জনজীবনের সংকট ও সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। নগর ও বন্দরের সামগ্রিক উন্নয়ন, জনজীবনের বিভিন্ন সংকট নিরসন এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এই আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মাসুদুজ্জামান। বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ নারায়ণগঞ্জ বাংলাদেশের শিল্প, বাণিজ্য ও নৌ যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। তিনি বলেন, “সারা পৃথিবীর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের সুনাম রয়েছে। অথচ এই শহর আজ খুন, সন্ত্রাস ও মাদকের ভয়াবহ সমস্যায় আক্রান্ত।” তিনি অভিযোগ করে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হলেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা দেখা যায় না।
তিনি বলেন, “কোনো এক অজানা কারণে পুলিশ প্রশাসন অনেক সময় অপরাধীদের ধরে না। এতে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এমনটাও হতে পারে যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপরাধের সঙ্গে পুলিশ নিজেই জড়িত থাকতে পারে, যার কারণে চিহ্নিত আসামিকেও গ্রেপ্তার করা হয় না।” এ সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি তাদের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
বক্তব্যে তিনি নারায়ণগঞ্জ নগর ও বন্দরের যোগাযোগ ব্যবস্থা, যানজট এবং নগর ব্যবস্থাপনার নানা সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন যানজট ও অপরিকল্পিত অবকাঠামোর কারণে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, সমন্বিত উদ্যোগ এবং প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।
“আমার নারায়ণগঞ্জ” প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে মাসুদুজ্জামান বলেন, “নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এখানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। কিন্তু দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার জন্য একটি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।” তিনি বলেন, “আমার নারায়ণগঞ্জ সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করতে চায়। এই প্ল্যাটফর্মের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একত্রিত করে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা।
জাহিদুল হক দিপুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আব্দুল্লাহ আল আমিন, সন্ত্রাসবিরোধী ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সেক্রেটারি দিনা তাজরিন, বিশিষ্ট শিল্পপতি ফজলুল হক, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ এনসিপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলন এবং জমিয়তে ইসলামের বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং নারায়ণগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক নিরাপত্তা ও জনজীবনের সমস্যাগুলো সমাধানে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি এবং নারায়ণগঞ্জের শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের সম্মানে ইফতার পরিবেশন করা হয়।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি ইতিবাচক জনমত তৈরি হবে এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি উন্নত, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে মানবিক সহমর্মিতার অংশ হিসেবে সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দরিদ্র মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। রমজানের তৃতীয় দিনের মতো এদিনও অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। তার উদ্যোগে নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড এবং বন্দরের ২১, ২২, ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৩০০ দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত প্রতি পরিবারের হাতে পরিবারকে এক কেজি করে মাংস দেওয়া হয়, যাতে রমজানের সময়ে তাদের খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা কিছুটা হলেও পূরণ হয়।
রমজানের মূল শিক্ষা—সংযম, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে সমাজে আরও জাগ্রত করার লক্ষ্য থেকেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে মাসুদুজ্জামান প্রতি বছরই পবিত্র রমজান মাসে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। পূর্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলতি বছরও পুরো রমজান জুড়ে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে একটি তদারকি টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের প্রস্তুত করা তালিকার ভিত্তিতে নির্ধারিত পরিবারের মাঝে সুশৃঙ্খল পরিবেশে মাংস বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়, যাতে সহায়তা বণ্টনে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
সমাজসেবক মাসুদুজ্জামান বলেন, রমজান আমাদের আত্মসংযম ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাস মানুষকে অন্যের কষ্ট উপলব্ধি করার সুযোগ করে দেয়। তিনি মনে করেন, সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবানরা যদি সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসেন, তাহলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো অনেক সহজ হয়ে যাবে। তার প্রত্যাশা—রমজানের সময় অন্তত কোনো পরিবার যেন ইফতার বা সেহরিতে খাদ্য ও পুষ্টির অভাবে কষ্ট না পায়। এ ধরনের ছোট ছোট মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মাংস বিতরণ কর্মসূচিতে সহায়তা পাওয়া পরিবারগুলো আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে অনেক পরিবারের পক্ষেই মাংস কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন সময়ে এই সহায়তা তাদের জন্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে এবং রমজানের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ তৈরি করেছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির, সদস্য অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, আতাউর রহমান মুকুল,মম হাজী মো. মনির হোসেন সরদার, এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, সমাজসেবক মাসুদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রমজান উপলক্ষে চলমান এই মাংস বিতরণ কর্মসূচিও মাসব্যাপী অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্যকে সামনে রেখে মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে তৃতীয় দিনের মতো অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক মাসুদুজ্জামান। তার উদ্যোগে নগরীর ১৪, ১৫ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডসহ কালী বাজার এলাকায় প্রায় এক হাজার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে মাংস বিতরণ করা হয়, যাতে রমজানের এই সময়টাতে তাদের খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা কিছুটা হলেও পূরণ হয়।
রমজানের শিক্ষা অনুযায়ী সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার লক্ষ্য থেকেই এই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে মাসুদুজ্জামান প্রতি বছরই রমজান মাসে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকেন। বিগত বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও পুরো রমজান জুড়ে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সহায়তা যেন প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছেই পৌঁছে যায় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের প্রস্তুতকৃত তালিকা অনুযায়ী নির্ধারিত পরিবারের হাতে সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই মাংস বিতরণ করা হয়।
সমাজসেবক মাসুদুজ্জামান বিশ্বাস করেন, রমজান আমাদেরকে সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাসে মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করার সুযোগ তৈরি হয়। তিনি মনে করেন, সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবানরা যদি সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসেন, তাহলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আরও সহজ হবে। তার লক্ষ্য হলো—রমজান মাসে অন্তত কোনো পরিবার যেন ইফতার কিংবা সেহরির সময় খাদ্য ও পুষ্টির অভাবে কষ্ট না পায়। এই ধরনের ছোট ছোট উদ্যোগ সমাজে মানবিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মাংস বিতরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা সুবিধাভোগীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে মাংস কেনা অনেক পরিবারের পক্ষেই কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন সময় এই ধরনের সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে এবং রমজানের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, সদস্য অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, শহীদুল ইসলাম রিপন, আলমগীর হোসেন, মনোয়ার হোসেন শোখন, সাবেক প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর আফসানা আফরোজ বিভা হাসান, সাবেক কাউন্সিলর দিলারা মাসুদ ময়না, স্বেচ্ছাসেবা সংগঠক তাসলিমা মাজহার জলি, হাজী মো. মনির হোসেন সরদার, মো: দিদার খন্দকার এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, সমাজসেবক মাসুদুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণসহ নানা ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রমজান মাস উপলক্ষে চলমান এই মাংস বিতরণ কার্যক্রমও মাসব্যাপী অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন