খুঁজুন
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

নাঃগঞ্জে ২০ প্রার্থী সংগ্রহ করলেন মনোনয়নপত্র।

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২০ অপরাহ্ণ
নাঃগঞ্জে ২০ প্রার্থী সংগ্রহ করলেন মনোনয়নপত্র।

 

 

তফসিল ঘোষণার পর নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে এখন পর্যন্ত ২০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দুলাল এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. রেহান আফজাল মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মো. রেহান আফজাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা এবং বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. আবু হানিফ হৃদয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম।এছাড়া একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ মমিনুল হক, কাজী মো. জহিরুল ইসলাম ও মো. সেলিম রেজা শাওন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।এই আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন খেলাফত মজলিসের ইলিয়াস আহম্মেদ, বাসদের সেলিম মাহমুদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন, জাসদের সুরাইয়া তাবাসসুম এবং বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. আবু হানিফ হৃদয়।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন ও তার স্ত্রী নারগিস আক্তার। জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত এই নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।এছাড়া এই আসনে মুক্তিজোটের এইচ এম আমজাদ হোসেন মোল্লা, খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুন, বাসদের আবু নাঈম খান বিপ্লব এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মাহমুদ হোসেন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

 

 

 

শাখাওয়াতের সফলতায় আশাবাদী বন্দরবাসীঃ নজর কালামের দিকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
শাখাওয়াতের সফলতায় আশাবাদী বন্দরবাসীঃ নজর কালামের দিকে

 

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক হিসেবে অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান দায়িত্ব নেওয়ার পর শহরের চিরচেনা যানজট ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে রীতিমতো ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছেন। দীর্ঘ দুই দশকে যা অসম্ভব মনে হয়েছিল, সেই বিবি রোড ও কালীরবাজারসহ শহরের প্রধান সড়কগুলো এখন হকারমুক্ত। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে শুরু করেছে নগরবাসী। আর এই সাফল্যের পর এখন বন্দরের সাধারণ মানুষের নজর আটকে আছে বন্দর ঘাট ও বাজার এলাকার ওপর।

বিগত সময়ে সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বারবার হকার উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলেও রাজনৈতিক জটিলতায় তা সফল হতে পারেনি। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন প্রভাবশালী সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের অসহযোগিতা ও নানা নেপথ্য কৌশলের কারণে বারবার ভেস্তে গেছে উচ্ছেদ অভিযান। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপট ভিন্ন। প্রশাসক শাখাওয়াত হোসেন খানের পাশে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। মূলত এই দুই নেতার দৃঢ় সমন্বয় ও সদিচ্ছার কারণেই শহরের প্রধান সড়কগুলো এখন দখলমুক্ত।

শহর এলাকা অনেকটা পরিচ্ছন্ন হলেও বন্দর ঘাটের চিত্র এখনো ভয়াবহ ‘নরক’। সরেজমিনে দেখা যায়; দখলকৃত বন্দর ঘাটের যাত্রীছাউনি হকার, মুরগির দোকান ও মনিহারি পণ্যের দখলে চলে গেছে।বন্দর ঘাট থেকে বাজার পর্যন্ত মূল সড়কের ওপর কয়েক স্তরে নিয়মিত সকাল বিকাল বসছে অবৈধ দোকানপাট। ফলে লাখো মানুষের চলাচলের পথ সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

যেনো চাঁদাবাজির মহোৎসব। অভিযোগ রয়েছে, এই অবৈধ ফুটপাত ও দোকান থেকে মাসে কোটি টাকার চাঁদাবাজি হয়। বিগত ‘ফ্যাসিস্ট’ আমলে এই চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ ছিল যুবলীগ নেতা খান মাসুদের হাতে। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এখন এর নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে বিএনপি নামধারী কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসীর হাতে।

অপরাধের সূতিকাগার ‘ঘাট এলাকা’ স্থানীয়দের মতে, গত দুই দশকের অভিজ্ঞতা বলে—বন্দরের অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ থাকে তাদের হাতেই, যাদের দখলে থাকে বন্দর ঘাটের এই চাঁদাবাজি। এই অবৈধ আয়ের ওপর ভিত্তি করেই এলাকায় একাধিক কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী চক্র গড়ে উঠেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর এলাকার সফল উচ্ছেদ অভিযানের পর এখন বন্দরবাসীর একটি চাওয়া—ঘাট এলাকা দখলমুক্ত করা। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন ও এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম যদি সমন্বিত উদ্যোগ নেন, তবে মাত্র এক ঘণ্টার অভিযানেই বন্দর ঘাট ও বাজারের রাস্তা উন্মুক্ত করা সম্ভব।

ফুটপাত ও রাস্তা সন্ত্রাসমুক্ত করে সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকার ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন বন্দরের সচেতন নাগরিক সমাজ।

প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ!

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ
প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ!

 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রক্ষাকারী, সাংগঠনিক দক্ষতা সম্পন্ন রাজনীতিবিদ ও ক্লিন ইমেজ খ্যাত যুবদল নেতা হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলি উল্লাহ।

জানা গেছে, অলি উল্লাহ বিগতদিনে আন্দলোনের সংগ্রামের প্রতিটি স্তরে সক্রিয় ভূমিকা রেখছিলেন। মাঠপর্যায়ে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার সরব উপস্থিতি তাকে দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।

রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ-এর একজন ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবেও পরিচিত অলি উল্লাহ। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক এবং নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করার সক্ষমতা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় তাকে আরও এগিয়ে রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার নিয়মিত অংশগ্রহণ, দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকার কারণে ইতোমধ্যে তিনি হাইজাদী ইউনিয়নের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজের কাছে তিনি একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। পাশাপাশি বয়োজ্যেষ্ঠদের মাঝেও তার ভদ্রতা ও আচরণ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নতুন নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তৃণমূলের রাজনীতি জানা, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং দলীয় কাঠামোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাকে একজন শক্ত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করছে।

এদিকে অলি উল্লাহ বলেন, আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য। ছোটবেলা থেকেই হাইজাদী ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গে জড়িয়ে আছি। সব সময় চেষ্টা করেছি সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে। যদি এলাকার মানুষ আমাকে যোগ্য মনে করে এবং দায়িত্ব দেয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ হাইজাদী ইউনিয়নকে একটি সুশাসনভিত্তিক, উন্নয়নমুখী ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। তরুণ সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক ও সাধারণ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাইজাদী ইউনিয়নে অলি উল্লাহকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা ও প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে। এখন দেখার বিষয়, ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে এই আলোচনা কতটা বাস্তব রূপ পায়।

 

বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর।

 

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে সারা দেশের ন্যায় পুরো আড়াইহাজার জুড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থীর অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও ছোট বড় বিভিন্ন অনুষ্টানমালায় উপস্থিত হয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।

তাদের সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা করতেও দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীনদল বিএনপির হয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন এমন সম্ভাব্য অনেক প্রার্থীর নাম বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে। তবে বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে একাধিক নেতার প্রার্থীতার নাম গুঞ্জুন থাকলেও সাধারণ ভোটাররা আস্থায় রাখছেন বিশনন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা ডা: মো: মজিবুর রহমানকে।
কারণ হিসেবে তৃণমূল বলছেন, একটি আধুনিক নিরাপদ মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মাণ লক্ষ্যে ও একটি আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন মজিবুর রহমান। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে, প্রতিটি পরিবারকে নিরাপদ রাখতে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উন্নত ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বিশনন্দী ইউনিয়ন গড়ার ব্যত্যয় নিয়ে কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য। এছাড়াও মজিবুর রহমান বিএনপির দুঃসময়ে করেছেন একাধিকবার কারাবরণ। তার পরিবারের প্রত্যেকটা ভাই আওয়ামী লীগের শাসন আমলে কারাবরণ করেছেন একাধিকবার। কারানির্যাতিত নেতাদের জামিন করানো, অসহায় নেতাদের আর্থিক সহযোগিতা, বিশেষ দিবসে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ত্রান-সাহায্য সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে। যার ফলে একাধিক নেতা আলোচনায় থাকলেও বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে তৃণমূলের আস্থায় আছেন এক ডা: মো: মজিবুর রহমান । যার রয়েছে পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বিশাল কর্মী বাহিনী। যাকে দেখলে এগিয়ে আসেন যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেনিপেশার মানুষ।
তৃণমূল এর ভাষ্যমতে, মজিবুর রহমান এর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। তবে রয়েছে সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলার ও বুকে টেনে নেওয়ার সক্ষমতা। যিনি তরুন সমাজকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় মাতিয়ে রাখতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় খেলার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন নিরবে। আল্লাহর নৈকট্যলাভের আশায় মসজিদ মাদ্রাসায়ও তার দানের হাত কমতি নয়।এমন সব কর্মকান্ডে তাকেই এগিয়ে রাখছেন আগামীদিনে বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে। রাখতে চান একমাত্র মুজিবুর এর উপর আস্থা।দেখতে চান চেয়ারম্যান পদে।

 

 

শাখাওয়াতের সফলতায় আশাবাদী বন্দরবাসীঃ নজর কালামের দিকে প্রসঙ্গ যখন চেয়ারম্যান, আলোচনায় অলিউল্লাহ! বিশনন্দী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় ডা: মজিবুর। আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক! সিটি নির্বাচন, কেন আলোচনায় রাকিব?