খুঁজুন

মাসুদুজ্জামানের পক্ষে মহানগর ছাত্রদলের গণসংযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
মাসুদুজ্জামানের পক্ষে মহানগর ছাত্রদলের গণসংযোগ

 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদল এর সদ্য সাবেক সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক রাহিদ ইসতিয়াক সিকদার এর নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মাসুদুজ্জামানের পক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রণীত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রচারণা কার্যক্রম করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষদের হাতে প্রচারণাপত্র বিতরণ করা হয় এবং মাসুদুজ্জামানের পক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ সরাসরি এলাকায় জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেন।

আজ শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫, আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ কলেজের সভাপতি আমিনুল ইসলাম সিফাত, তুলারাম কলেজের সেক্রেটারি সুজন দপ্তর, দপ্তর সম্পাদক রহিত, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক আলতাফ হৃদয়, সদর থানা ছাত্রদলের সাগর এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের শীর্ষস্থানীয় ছাত্রনেতৃবৃন্দ। সদস্যরা সক্রিয়ভাবে এলাকার মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন, প্রচারণাপত্র বিতরণ করেন এবং মাসুদুজ্জামানের পক্ষে সমর্থন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, যুবক, নারী ও প্রবীণরা দলে দলে অংশ নেন, এবং দেখা যায় যে জনমত গঠনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি হয় এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে সক্রিয় আলোচনা সম্পন্ন হয়।

গণসংযোগে অংশ নেয়া নেতৃবৃন্দরা বলেন,”আজকের কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং তাদের সচেতন করা। ৩১ দফা কর্মসূচি সম্পর্কে জনসাধারণের ধারণা তৈরি করা এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এই প্রচেষ্টার মূল বিষয়। এবং কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা জানান, এই ধরনের সরাসরি সংযোগ এবং সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম তাদের জন্য নতুন উদ্দীপনা যোগ করেছে। বিশেষ করে, যুব সমাজের মধ্যে এ ধরনের প্রচারণা তাদের রাজনৈতিক সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ।”

এ ধরনের কর্মসূচি প্রমাণ করে যে, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদল এবং তার নেতৃবৃন্দ শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন ও সেবামনোভাব প্রসারের মধ্য দিয়ে সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে বিএনপির একাংশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুনকা পাঠাগার মিলনায়তনে বিএনপির এক সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সভায় আতাউর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, যাকে তিনি একসময় পিতৃতুল্য ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেছেন এবং যার সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষে ওসমান পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনীতি করেছেন, সেই ব্যক্তি সুদিনে তাকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

মুকুলের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন আজ তাদের মধ্যে এমন দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টি হলো?

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আতাউর রহমান মুকুল দীর্ঘদিন আবুল কালামের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আবুল কালামের হাত ধরেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তাদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন, আবুল কালাম রাজনৈতিকভাবে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করলেও প্রয়োজন ও স্বার্থের পরিবর্তনে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও আবুল কালামের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক ছিল। প্রকাশ্যে এক পক্ষের পক্ষে অবস্থান দেখালেও আড়ালে অন্য পক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। একই ধরনের রাজনৈতিক কৌশল ও দ্বিমুখী অবস্থানের অভিযোগ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনায় উঠেছে বলে দাবি করছেন তার সমালোচকরা।

তাদের ভাষ্য, আবুল কালাম বাইরে থেকে অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কোন্দল এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুকুলের মতো দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে একসময় যারা একই রাজনৈতিক বলয়ে ছিলেন, তাদের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে দলীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ধারাবাহিক নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দলের নীতি-নির্ধারকেরা সর্বসম্মতভাবে তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের জন্য মনোনীত করেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারক ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নের খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রবীণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিককে এই পদে বেছে নেওয়া বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ