খুঁজুন

আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:০১ অপরাহ্ণ
আলোচনায় একাধিক, আস্থায় এক!

দেশবাণীঃ নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্তর রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন নেতৃত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। আসন্ন নতুন কমিটিকে ঘিরে ছাত্রদলের পদ প্রত্যাশীদের মধ্যে কাজ করছে নানা উৎসাহ উদ্দীপনা। গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে এরমধ্যে অনেকেই কেন্দ্রের দায়িত্বশীলদের কাছে করছেন লবিং, তদবির ও দৌড়ঝাঁপ । তবে পদ প্রত্যাশীদের ভাষ্য, যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিদের হাতেই ছাত্রদলের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হবে। সংগঠনটির একাধিক পদ প্রত্যাশীর সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানা যায়।

তবে সভাপতি পদে পদ প্রত্যাশীর তালিকা সবচেয়ে বেশি। অধিকাংশ সাবেক ছাত্রদল নেতা সভাপতি হতে চান। গুটি কয়েকজন নেতা সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে তাদের মতে, সভাপতি পদে একজনকে বাছাই করলেও প্রার্থী হতে কোনো দোষ নেই।

জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করেন। পাশাপাশি অধীনস্থ সকল উপজেলা-থানা, পৌর, কলেজ, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাত্রদলের কমিটিও বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শীঘ্রই উক্ত ইউনিটগুলোর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।

এদিকে কমিটি বিলুপ্তের পর তৎপরতা শুরু করেছেন পদ প্রত্যাশীরা। সভাপতি পদে এখন পর্যন্ত ৮ জনের নাম শোনা গেছে। তবে এ পদে একাধিক নেতার নাম শোনা গেলেও বেশ আলোচনায় আছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের রহমান জিকু।

তার কারণও আছে বেশ। কারণ হিসেবে তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন,আওয়ামী লীগের সময় তিনি ছাত্রলীগ দ্বারা অনেক নির্যাতনের শিকার হোন। একবার প্রাণহানীর ঘটনা ঘটার উপক্রম হয়েছিল। এছাড়া তিনি নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজপথে শিক্ষার্থীদের পাশে নেতাকর্মীদের নিয়ে থেকে দলের ভিতর ও বাহিরে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত ছিলেন।শিক্ষার্থীদের সাথে এক কাতারে মাঠে থেকে ছাত্র জনতার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে তিনি অবস্থান নেন নেতাকর্মী নিয়ে সাইনবোর্ড, চিটাগাং রোডের মত ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ গুলিতে।১৮ জুলাই থেকে ৫ই আগস্ট পর্যন্ত সাইনবোর্ড ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থান নেন তিনি ও তার নেতৃত্বের নেতাকর্মীরা।

গত ৪ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নানা হুমকি ধামকি দিতে থাকলে শত শত নেতাকর্মী নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন দিক থেকে নারায়ণগঞ্জ প্রবেশ করেন তিনি।এসময় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি তাদের জন্য খাবার ও পানির ব্যবস্থা করেন তিনি।

সরকার পতনের দিন ৫ আগস্ট মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচীতেও জিকুর ও তার নেতাকর্মীদের ব্যাপক ভাবে অংশগ্রহন করতে দেখা গেছে।এসময় সকাল থেকে ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকার নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেন জিকু ও তার সমর্থকরা। যার ফলে তৃণমূলের দাবি উঠেছে রাজপথের পোড়খাওয়া, একাধিকবার কারা নির্যাতিত, হরতালের অগ্রভাগের প্রতিক, ছাত্র আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ এর রুপকার ,কর্মীবান্ধব জিকুই যেন হয় আগামীর নারায়নগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি।তাহলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদল পাবে যোগ্য নেতৃত্ব ও সংগঠন হবে সুসংগঠিত ও প্রসারিত।এমনটাই দাবি করছেন তৃণমূল ।

সাংবাদিক সমাজকে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক সমাজকে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমাজকে উদ্দেশ্য করে ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মীরা’ এমন অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) কেন্দ্রীয় কমিটি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. গোলাম ফারুক মজনু ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা ও চিকিৎসকের মুখ থেকে সাংবাদিক সমাজকে নিয়ে এমন অবমাননাকর মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত এবং পেশাগত শিষ্টাচারের পরিপন্থী। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা, অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরা এবং সমাজে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মিলিতভাবে হেয় করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকতার গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। কিন্তু সমালোচনার নামে একটি পেশাজীবী সম্প্রদায়কে ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে জড়িয়ে অপমান করা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় বহন করে না। কে জান্নাতে যাবে আর কে জাহান্নামে যাবে, এমন চূড়ান্ত বিচার করার অধিকার কোনো মানুষের নেই। ধর্মীয় বিশ্বাসকে ব্যবহার করে সাংবাদিক সমাজের প্রতি বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিপন্থী।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত সাংবাদিকরা নানা প্রতিকূলতা, হুমকি ও ঝুঁকি মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের অধিকার, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছেন। তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার যেকোনো প্রচেষ্টা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) অবিলম্বে ডা. মিজানুর রহমানের উক্ত বক্তব্যের প্রকাশ্য ব্যাখ্যা ও সাংবাদিক সমাজের কাছে দুঃখ প্রকাশের দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।

এসএসপি নেতৃবৃন্দ বলেন, চিকিৎসক ও সাংবাদিক উভয় পেশাই মানুষের কল্যাণ এবং সমাজের উন্নয়নের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাগত সৌহার্দ্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোনো ব্যক্তির দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের কারণে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পেশার মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত দূরত্ব সৃষ্টি হোক, তা আমরা চাই না।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের অবমাননা করে, ভয় দেখিয়ে কিংবা তাঁদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা চালিয়ে সত্য প্রকাশের পথ বন্ধ করা যাবে না। স্বাধীন সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সোচ্চার থাকবে।

নানা অভিযোগ ও বিতর্কের মধ্যে ফেনী সদর যুবদলের নিজাম পাটোয়ারী ও শাহাদাতকে অব্যাহতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ
নানা অভিযোগ ও বিতর্কের মধ্যে ফেনী সদর যুবদলের নিজাম পাটোয়ারী ও শাহাদাতকে অব্যাহতি

দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাস্টার নিজাম উদ্দিন পাটোয়ারী ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনকে নিজ নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা যুবদলের সঙ্গে সমন্বয় না করে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিনিধি মনোনীত করার মাধ্যমে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে অব্যাহতি পাওয়া মাস্টার নিজাম উদ্দিন পাটোয়ারীর নাম এর আগেও ফেনী সদর উপজেলার বিভিন্ন সাংগঠনিক বিতর্কে উঠে এসেছে। চাঁদাবাজি, জমি দখল, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, সালিশ বাণিজ্য ও দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, দখলদারিত্ব ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় পর্যায়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনায় উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক নেতৃত্ব ও কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নে চাঁদাবাজি, জমি দখল, সালিশ বাণিজ্য, অবৈধভাবে মাটি কাটা এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের বিভিন্ন অভিযোগ এর আগেও সামনে এসেছে। এসব অভিযোগ ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা, দলীয় পরিচয়ের ব্যবহার এবং সাংগঠনিক জবাবদিহির বিষয়টি আলোচনায় আসে। ধলিয়া ইউনিয়নের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিজাম উদ্দিন পাটোয়ারীর সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার বিষয়টিও আলোচিত হয়েছে।

অন্যদিকে ফেনী যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ নিয়েও এর আগে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিট কমিটি গঠন, নেতৃত্ব নির্বাচন এবং স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। কয়েকটি কমিটিতে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত উপেক্ষার অভিযোগও ওঠে। এসব ঘটনায় সংগঠনের অভ্যন্তরে অসন্তোষ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ২০২৬ সালের মে মাসে ফেনী জেলা যুবদলের কমিটি নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘটনাও আলোচনায় আসে।

সর্বশেষ অব্যাহতির ঘটনায় জেলা যুবদলের সঙ্গে সমন্বয় না করে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিনিধি মনোনয়নের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। অভিযোগ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব জেলা কমিটির সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই প্রতিনিধি দলের তালিকা প্রকাশ করেন। এ ঘটনাকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে কেন্দ্রীয় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চাঁদাবাজি, জমি দখল কিংবা পূর্ববর্তী অন্য কোনো অভিযোগকে অব্যাহতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ দুই নেতার অব্যাহতির ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন পর্যায়ে ওঠা চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও সাংগঠনিক অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে সর্বশেষ এই সিদ্ধান্ত দলীয় শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের দায়বদ্ধতা এবং সাংগঠনিক নির্দেশনা বাস্তবায়নের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে।

দূর্গা পূজায় বন্দরে কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাড. শিপলু’র কাপড় বিতরণ

বন্দর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
দূর্গা পূজায় বন্দরে কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাড. শিপলু’র কাপড় বিতরণ

 

 

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে নতুন পোশাক উপহার প্রদান করা হয়েছে।

১৭ই অক্টোবর (শনিবার) সকাল থেকে বন্দর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী, বিশিষ্ট আইনজীবী, সমাজকর্মী ও মহানগর বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. শরীফুল ইসলাম শিপলু’র উদ্যোগে এসব নতুন কাপড় ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়। বন্দর রেলি বাগান, বন্দর শ্রী শ্রী লালজী মন্দির এবং বন্দর বাজার মন্দিরসহ একাধিক স্থানে ঘুরে ঘুরে তিনি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হাতে এই উপহার তুলে দেন।

উপহার প্রদানকালে অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু উপস্থিত সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় তিনি বলেন, “ধর্ম যার যার, কিন্তু এই দেশটা আমাদের সবার। আমরা আবহমানকাল ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধনে একসাথে বসবাস করে আসছি। সব ভেদাভেদ ভুলে আমরা সকলে মিলে সম্প্রীতি বজায় রাখব এবং দেশ ও নিজ এলাকার উন্নয়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাব”।

পোশাক বিতরণকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন। এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে অ্যাডভোকেট শিপলু’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান উপস্থিত শুভানুধ্যায়ীরা।

সাংবাদিক সমাজকে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) নানা অভিযোগ ও বিতর্কের মধ্যে ফেনী সদর যুবদলের নিজাম পাটোয়ারী ও শাহাদাতকে অব্যাহতি দূর্গা পূজায় বন্দরে কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাড. শিপলু'র কাপড় বিতরণ ২২নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাড. শিপলু'র শুভেচ্ছা উপহার প্রদান। "প্রসঙ্গ যখন স্পেশাল (পিপি) আস্থায় খোরশেদ"