২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৬ বছর ১০ মাসে দেশের বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। একই দুর্ঘটনায় পরিবারের একাধিক সদস্যের প্রাণহানির এমন চিত্র উঠে এসেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে।
রবিবার (৮ নভেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তৈরি করতে ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং সংস্থাটির নিজস্ব সংগৃহীত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়েছে।
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে স্বামী-স্ত্রীর
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহতের ঘটনা ঘটেছে ১৯৩টি। এসব ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৮৬ জন। এ ছাড়া পিতা-সন্তান নিহতের ঘটনা ঘটেছে ১৫৯টি। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩১৮ জন।
অটোরিকশা দুর্ঘটনায় একই পরিবারের একাধিক সদস্যের প্রাণহানির চিত্রও উদ্বেগজনক। এ ধরনের ৫২৫টি দুর্ঘটনায় মোট ১ হাজার ৭২৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ২১১টি, তিনজনের ১১৮টি, চারজনের ৯২টি, পাঁচজনের ৫৩টি, ছয়জনের ৩৮টি এবং সাতজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে ১৩টি।
মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় প্রাণহানি
মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ৪৮টি, তিনজনের ৪৬টি, চারজনের ৩৯টি, পাঁচজনের ২৮টি এবং ছয়জনের ২০টি। এ ছাড়া ১১ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে চারটি এবং ১৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনা একটি। সব মিলিয়ে ১৮৬টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭০৮ জন।
প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ৩৪টি, তিনজনের ৩১টি, চারজনের ২৪টি এবং পাঁচজনের ১৯টি। মোট ১০৮টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৫২ জন।
অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ১১টি, তিনজনের ১৫টি, চারজনের নয়টি, পাঁচজনের সাতটি এবং আটজনের তিনটি। এসব ঘটনায় মোট ৪৫টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬২ জন।
এ ছাড়া বাস দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ১৭টি, তিনজনের নয়টি এবং চারজনের ছয়টি। মোট ৩২টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮৫ জন। অন্যদিকে, পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার একটি ঘটনা ঘটেছে।
পরিবারের একসঙ্গে চলাচলসহ যেসব কারণ চিহ্নিত
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে পরিবারভিত্তিক প্রাণহানির কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে কাজে বা ঘুরতে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি, মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল, অধিকাংশ মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্সের ফিটনেস না থাকা এবং এসব যানবাহনের চালকদের অদক্ষতা।
এ ছাড়া চালকদের বিশ্রামহীনভাবে গাড়ি চালানো, মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতাকেও দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
দুর্ঘটনা কমাতে যেসব সুপারিশ
পরিবারভিত্তিক প্রাণহানি কমাতে মোটরসাইকেল আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার এবং ট্রাফিক আইন মেনে যানবাহন চালানোর পরামর্শ দিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
প্রতিবেদনে সব মহাসড়কে রোড ডিভাইডার ও সার্ভিস রোড নির্মাণ, গ্রামীণ সড়ক থেকে মহাসড়কে সরাসরি সংযোগ বন্ধ করে নিরাপদ সড়ক নকশা তৈরি এবং সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচল নজরদারির সুপারিশ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক কার্যকারিতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সড়ক ব্যবহারকারীদের সক্ষমতা বাড়াতে শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংস্থাটি।
স্টাফ রিপোর্টারঃ MTFE, ইউনিপে, যুবক, X-FUSION TAG MARKETS (এক্স ফিউশন ট্যাগ মার্কেটস) অতীতের বিতর্কের পর আবারও আলোচনায় avrixlabs.online অতিরিক্ত মুনাফার প্রলোভনে এই প্লাটফর্ম দিয়ে দেশের মানুষের নিকট থেকে হাতিয়ে নিয়েছে অন্তত
২, ১০০ (দুই হাজার একশত) কোটি টাকা।
দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে অনলাইনভিত্তিক উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম। avrixlabs.online , ফরেক্স ট্রেডিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-নির্ভর ট্রেডিং এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্লক চেইনের ( Binance, USDT, Bitcoin) মাধ্যমে লাখে ১২০০০-১৫০০০ টাকা আয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল অর্থ সংগ্রহের তথ্য উঠছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
কখনো ব্রটব্রো, কখনো ব্রটব্রো আলফা, কখনো ক্রস মার্কেট এআই, আবার কখনো avrixlabs.com সর্বশেষ প্রতিষ্ঠানটি avrixlabs.online নামে ওয়েবসাইট দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
এ কর্মকান্ডের মুল হোতা ইন্ডিয়ার সরকারের ৭০০ কোটি টাকার প্রতারণার রাষ্ট্র দ্রোহিতা মামলা আসামি লাভিস চৌধুরীর সহ বাংলাদেশের অন্তত ২০ জন প্রতারক চক্র পরিচালনা করে যাচ্ছে অনলাইন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম কথিত ফরেক্স নামীয় avrixlabs.online
সহযোগী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে মোঃ ইলিয়াস সরদার, নিজ জেলা শরীয়তপুর, বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন যিনি ইতঃপূর্বে রেভনেক্স নামক স্ক্যাম কোম্পানি হতে হাতিয়ে নিয়েছে অন্তত ৫০০ কোটি টাকা । ঐ সময়ে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করত পিন্টু বিশ্বাস যিনি বাংলাদেশ হতে ভারতে পালিয়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, আরো ছিল ইমতিয়াজ কাসেম রনি যিনি দুদুকের মামলা খেয়ে দেশ ত্যাগ করেছেন। কিন্তু ইলিয়াস সরদার তৎকালীন সরকারের শেল্টার নিয়ে দিব্যি দিনের আলোয় বছরের পর বছর বিভিন্ন স্ক্যাম কোম্পানি করে সর্বশেষ avrixlabs.online এ প্রায় ৫ বছর ধরে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৮০০ কোটি টাকা। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে ইলিয়াসের ছোট ভাই পুলিশ কর্মকর্তা সেই সুবাদে প্রশাসনের হাই কমান্ডে লিয়াজু করে কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্ক্যাম কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে এখন পর্যন্ত অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
এর পর avrixlabs.online এর ২য় এজেন্ট মহিউদ্দিন জামিলের কথা না বলেই নয়, বর্তমান ঠিকানা ঢাকা মগবাজার ইতঃপূর্বে হিলটন এপেক্স, MTFE, X-FUSION TAG MARKETS সহ একাধিক স্ক্যাম কোম্পানিতে ছিলেন। avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৮০ কোটি টাকা।
৩য় এজেন্ট মেহেদী হাসান যিনি বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে Binance, USDT, Bitcoin এর মাধ্যমে ডলার কেনা বেচা করে যাচ্ছেন এবং অনলাইন জুয়ার প্লাটফর্ম FOREX এর মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বেশি সময় দুবাই থাকেন এবং avrixlabs.online হতে অন্তত হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ২০০ কোটি টাকা। মেহেদী হাসান সাম্প্রতি এসআরবি’ র মহাপরিচালকের সাথে একটি ছবি তার ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। তিনি এই পোস্টের মাধ্যমে বুঝতে চেয়েছেন তার ব্যবসার জন্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ হাই কমান্ডের সাথে যোগাযোগ আছে! কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় জনমনে যে এসআরবির মহাপরিচালক কি জানতেন যে মেহেদী হাসান নিষিদ্ধ বিনিয়োগ অনলাইন প্লাটফর্ম avrixlabs.online, Binance, USDT, Bitcoin সহ ফরেক্স মার্কেটের সঙ্গে জড়িত? অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে মেহেদী হাসান প্রশাসনের হাই কমান্ডের সাথে যোগাযোগ রেখে অবৈধ ব্যবসা গুলোর পরিচালনা করে যাচ্ছেন। এমনকি অবৈধ ব্যবসা বছরের পর বছর সচল রাখার জন্য প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের দামি দামি আইফোন উপহার দিতেন।
৪র্থ এজেন্ট চায়না মামুন দেশের বাড়ি কুমিল্ল বর্তমানে দুবাই পালিয়ে আছেন। তিনি ও ইতঃপূর্বে একাধিক স্ক্যাম কোম্পানির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সর্বশেষ avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ২৫০ কোটি টাকা।
৫ম এজেন্ট কালা সবুজ ওরফে স্ক্যামার সবুজ, বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন, যিনি সারাজীবন ই বিভিন্ন নিষিদ্ধ কোম্পানিতে কাজ করে মানুষের সাথে প্রতারণা করে সর্বশেষ avrixlabs.online এর এজেন্ট হিসেবে কাজ করে অন্তত হাতিয়ে নিয়েছেন ৫০ কোটি টাকা।
৬ ষষ্ঠ এজেন্ট সোহেল রানা, বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন, যিনি avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৭০ কোটি টাকা।
৭ম এজেন্ট নিরব হোসেন মালেক, নিজ জেলা নারায়ণগঞ্জ। বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তিনি বিভিন্ন স্ক্যাম কোম্পানিতে ইতিপূর্বে কাজ করেছেন বর্তমানে avrixlabs.online কোম্পানির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ১৫০ কোটি টাকা।
৮ম এজেন্ট মোঃ মিজান যিনি tradelab.in এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৩৫০ কোটি টাকা এবং avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন ৭০ কোটি টাকা।
৯ম এজেন্ট মোঃ বাহার উদ্দিন যিনি ইতঃপূর্বে অনেক গুলো স্ক্যাম কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে কাজ করে হাজার হাজার মানুষকে নিঃস্ব করে বর্তমানে avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৯০ কোটি টাকা।
১০ম এজেন্ট মোঃ হাবিবুল্লাহ , নিজ জেলা নাটোর, ইতঃপূর্বে তিনি এএফসি কয়েন, ডিজিটাল ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৪০ কোটি টাকা বর্তমানে avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন আরো অন্তত ৭০ কোটি টাকা। এখন তিনি মামলা খেয়ে পালাতক অবস্থায় আছেন।
১১ম এজেন্ট নাজমুল ও আক্কাস নিজ জেলা রাজশাহী উভয় avrixlabs.online এর মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৫৫ কোটি টাকা।
এছাড়াও চট্টগ্রাম, ফেনী, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, পাবনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, আরো অন্তত ৪০ টি জেলার অঙ্গাতনামা বিভিন্ন লোকজন প্রতিনিধি হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি, দিনমজুর থেকে সাধারণ মানুষ অধিক মুনাফার লোভে ব্যাংক ডিপিএস, এফডিআর, পোষ্ট অফিসের সঞ্চয় পত্র, গরু ছাগল, জায়গা জমি বিক্রি করে বিনিয়োগ করে যাচ্ছেন avrixlabs.online এ। কারণ, ১০০০ মার্কিন ডলার প্রতি মাসে আয় ১২০-১৫০ মার্কিন ডলার আরো রয়েছে চোখ ধাঁধানো পুরস্কার। এমন ই অফার দিচ্ছে মানুষের কাছে থেকে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ব্লক চেইনের ( Binance, USDT, Bitcoin) মাধ্যমে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সব মিলিয়ে অনুসন্ধানে এ যাবৎ কালে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে।
ভয়ংকর মুনাফার প্রলোভনের
প্রচারণায় যদি ১ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে প্রতি মাসে ১২০ থেকে ১৫০ মার্কিন ডলার আয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তাহলে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। কারণ, এই হিসাবে মাসিক মুনাফার হার দাঁড়ায় ১২ থেকে ১৫ শতাংশ যা বাস্তবে অসম্ভব ।
একসময় MTFE, ইউনিপে, X-FUSION TAG MARKETS ও যুবককে ঘিরে ওঠা বিতর্ক এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা এখনো অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি করে।
অনলাইন বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্মে সংগৃহীত অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সি, ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক মাধ্যম ব্যবহার করে দেশের বাইরে টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। এই অনলাইন বিনিয়োগের প্ল্যাটফর্ম কথিত ফরেক্স কোম্পানি avrixlabs.online বাংলাদেশে পুলিশ প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে প্রায় ৫ বছর যাবৎ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এই প্রতারক চক্র। ৫ বছরের এই প্রতারক চক্র ৬ বার ওয়েবসাইট পরিবর্তন করে সর্বশেষ
avrixlabs.online নামে পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জনাব মোঃ মোস্তাকুর রহমান গনমাধ্যমের এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন,
” আমরা নিষিদ্ধ ফরেক্স মার্কেট, অনলাইন জুয়া ও ক্রিপ্টোকারেন্সি সহ প্রতারণা করতে পারে এমন ওয়েবসাইটে ও কোম্পানির বিষয়ে সতর্ক করে যাচ্ছি তার মধ্যে অন্যতম X-FUSION TAG MARKETS (এক্স ফিউশন ট্যাগ মার্কেটস) , ক্রস মার্কেট, ব্রটব্রো, আরবিক্সল্যাব, ট্রেড ল্যাব, অতিথি ডটকম সহ আরো অনেক কোম্পানি। আমরা ক্রস মার্কেটের বিষয়ে সচেতনতা মূলক বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছি যেহেতু ক্রস মার্কেট বর্তমানে avrixlabs.online নামে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে আমরা অতি শীঘ্রই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্ৰহন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করব। সাধারণ জনগণের উচিৎ অধিক মুনাফার প্রলোভনে অন্ধকারে টাকা বিনিয়োগ না করা এবং প্রতারক চক্রদের বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করা। এগুলোর কোন বৈধতা নেই। ”
অন্যদিকে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্তে বিভাগ (CID) সিআইডি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ গনমাধ্যমের বিভিন্ন প্রেসব্রিফিংয়ে এই সকল স্ক্যাম কোম্পানি, নিষিদ্ধ ফরেক্স, অনলাইন জুয়া , ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়ে তৎপর আছেন বলে জানিয়েছেন এবং প্রতিনিয়ত যেকোন প্রতারনা মূলক ওয়েবসাইট বন্ধ করতে বিটিআরসিকে অবগত করে যাচ্ছেন।
অন্য দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (DB) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম গনমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ” অপরাধী যেই হোক ;এসকল অপরাধীদের আটক করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত। ইতঃপূর্বেও ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে । আপনারা দেখতে পাচ্ছেন প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান হতে অপরাধীদের সনাক্ত করে গ্রেফতার করে সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে মামলা দায়ের করে বিচারের জন্য আদালতে প্রেরণ করে যাচ্ছি। তবে গনমাধ্যমে এবং সাধারণ জনগণ যদি এগিয়ে আসে, প্রতারক চক্রকে আরো দ্রুত আটক করতে পারবো বলে আশা করি । এজন্য আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করছি। ”
বিভিন্ন নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মহোদয় গন গনমাধ্যমের বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেন,
” মানুষ তাদের লোভের কারণে এবং অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বিভিন্ন নিষিদ্ধ কোম্পানিতে ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করে যাচ্ছে। এটা যদি অতি দ্রুত লাগাম টেনে না ধরা হয় তবে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এগুলোর বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। সাধারণ জনগণ , পুলিশ- প্রশাসন সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ”
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, মূলত এসকল কোম্পানি এবং অপরাধীদের কোন নির্দিষ্ট অফিস নেই। তারা বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের হোটেলে বিজনেস সেমিনার দেখায় যেন পুলিশ প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে পারে। এমনকি অপরাধীরা একেক দিন একেক হোটেলে বসে, লোকেশন পরিবর্তন করে, ভার্চুয়াল মিটিংয়ের মাধ্যমে তাদের চক্র এবং গ্ৰাহকদের সাথে যোগাযোগ করেন। এর সাথে হোটেল কর্তৃপক্ষ জড়িত আছেন, কারণ তারা জেনে এই সকল স্ক্যাম কোম্পানির প্রোগ্রাম বা সেমিনার করার সুযোগ করে দিচ্ছেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
মতামত জানতে চাইলে উপরোক্ত প্রতারক চক্রদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা কেউ ফোন রিসিভ করেন নাই। কারণ তারা অপরিচিত লোকের নম্বর রিসিভ করেন না। তাই তাদের মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি কি তারা যে মোবাইল সিম নম্বর ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের নামে রেজিষ্ট্রেশন করা নেই বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।
সাধারণ জনগণের দাবী অতিদ্রুত avrixlabs.online এর কার্যক্রম বন্ধ সহ প্রতারক চক্রদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা আরো বাড়ানো দরকার। যদি পুলিশ-প্রশাসন ব্যার্থ হয়, তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গভীরতা এবং বহুমুখী অংশীদারত্ব নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আগামী কাল সোমবার তিন দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে আসছেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিশিষ্ট ও প্রভাবশালী সদস্য ডাচেস অব এডিনবরা সোফি। তিনি যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের কনিষ্ঠ ভাই প্রিন্স এডওয়ার্ডের (এডিনবরার ডিউক) স্ত্রী। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামীকাল ৯ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ রাজকীয় সফর শেষ হবে আগামী ১১ নভেম্বর।
বাকিংহাম প্যালেসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে অবস্থানকালে প্রধানত নারী ও তরুণীদের কল্যাণ, তাদের সুরক্ষা এবং সর্বাঙ্গীন ক্ষমতায়নের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।
Nagad
বন্দি বিনিময় চুক্তিতে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আশা আইনমন্ত্রীর
সফরের সূচি অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকায় পৌঁছানোর পর রাজকীয় অতিথিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবেন বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি। এর পাশাপাশি অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করতে এবং শান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় নারীদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব অনুধাবন করতে রাজকীয় এই সফরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট) পরিদর্শন করবেন ডাচেস সোফি।
সফরের দ্বিতীয় অংশে তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) পরিদর্শন করবেন। সেখানে উদীয়মান তরুণ অ্যাথলেট ও নারী হকি খেলোয়াড়দের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করবেন তিনি। এই আয়োজন মূলত নারী ও মেয়েদের জীবনে আত্মবিশ্বাস ও নতুন সম্ভাবনা তৈরিতে খেলাধুলার প্রভাবকে বৈশ্বিক দরবারে তুলে ধরবে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ উদযাপনেও তিনি অংশ নেবেন এবং তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়ন বিষয়ে জোরালো বক্তব্য রাখবেন।
হুতিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাল সৌদি আরব
রাজধানী ঢাকার আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি সম্পন্ন করে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন ডাচেস সোফি। সেখানে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে নিয়োজিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংস্থার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন তিনি। কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থানকালে নারী, শিশু ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সার্বিক সুরক্ষা সেবা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি তাদের মানসিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়াতে মাঠে পরিচালিত উদ্যোগসমূহ নিবিড়ভাবে মূল্যায়ন করবেন তিনি।
দুর্নীতি ও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে দেশের সমবায় সমিতিগুলো তাদের অতীত অবস্থান হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সমবায় খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে বিদ্যমান বাধা দূর করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইন ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সমবায় সমিতির উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ সহজ করা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
Nagad
President 7th Nov
বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
সমবায় আন্দোলনের অতীত চিত্র তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ছোটবেলায় ঠাকুরগাঁওয়ের মতো একটি ছোট মহকুমা শহরেও সমবায় কার্যক্রমের বেশ প্রাণবন্ত উপস্থিতি ছিল। সেখানে সমবায় ভবন, কোল্ড স্টোরেজ ও সমবায়ীদের মার্কেট ছিল। শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই চিত্র অনেকটাই পাল্টে গেছে। একসময় সমবায় আন্দোলন ঘিরে মানুষের মধ্যে যে আগ্রহ ও কর্মচাঞ্চল্য ছিল, বর্তমানে তা আর দেখা যাচ্ছে না।
সমবায় খাতের এই অবনতির পেছনে দুর্নীতিকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সমবায় সংগঠনগুলোর অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির কারণে অধিকাংশ সমিতি নষ্ট হয়ে গেছে। এখন হাতে গোনা কয়েকটি সমিতি সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে। অথচ দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সমবায় আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।
President-Mirza-Fakhrul
মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
সমবায় খাতের অগ্রগতিতে আইনি ও নীতিগত বাধা দূর করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কিছু আইন সমবায়ের স্বাভাবিক বিকাশে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রণালয় ও সংসদ সদস্যদের গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগুলো সংশোধন ও সময়োপযোগী করে সমবায় আন্দোলনের বিকাশের পথ তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে এনজিও কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে যাওয়ায় সমবায় খাতকে প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হয়েছে। এ অবস্থায় সমবায় সমিতিগুলোকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা এনজিওগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারে এবং কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়।
President AI Summit
এআই যেন বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক থাকতে হবে: রাষ্ট্রপতি
সমবায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে মিল্ক ভিটার কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, একসময় প্রতিষ্ঠানটি সংশ্লিষ্ট এলাকায় গবাদিপশু পালন ও দুগ্ধ উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি লাভ করছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে এর মুনাফা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। মিল্ক ভিটার পাস্তুরিত দুধ, মাখন, চিজ ও আইসক্রিমের মতো পণ্য আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
সমবায় পণ্যের বাজারজাতকরণকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু উৎপাদন করলেই হবে না, পণ্য যথাযথভাবে বাজারে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সমবায় অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে। সমবায়ভিত্তিক কোম্পানি বা কমিটি গঠন করে উৎপাদকদের পণ্য বাজারজাতকরণে সহায়তা করা যেতে পারে। দেশে এ ধরনের কার্যকর বিপণনব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ ছাড়া ডিজিটাল বিপণন ও ই-কমার্সের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে স্টার্টআপ ও সুনীল অর্থনীতির মতো আধুনিক এবং সম্ভাবনাময় খাতে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
আপনার মতামত লিখুন