খুঁজুন

“কোর্টপাড়ার রাজনীতিতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের আভাস”

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৯ পূর্বাহ্ণ
“কোর্টপাড়ার রাজনীতিতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের আভাস”

 

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী অঙ্গন ও স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ এবং সমীকরণ নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নতুন নেতৃত্বের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। আইনি ও রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন চলছে, অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী মুখ অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মোল্লা এবং জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক ও পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকিরের নেতৃত্বে আসছে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী ফোরামের নতুন কমিটি।

সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন এবং বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের অভ্যন্তরীণ নানা মতবিরোধ ও দূরত্বের জেরে ফোরামের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আইনজীবীদের একটি বড় অংশের মতে, আদালতের দীর্ঘদিনের পেশাদার পরিবেশ রক্ষা এবং দলের ভেতরে সব পক্ষের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখতে অ্যাডভোকেট খোরশেদ মোল্লা ও অ্যাডভোকেট জাকিরের মতো পরীক্ষিত ও অভিজ্ঞ নেতাদের বিকল্প নেই। আন্দোলন-সংগ্রাম ও পেশাগত ক্ষেত্রে তাদের দীর্ঘদিনের নেতৃত্বসুলভ ভূমিকা আইনজীবীদের মাঝে বেশ গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে।

গত কিছুদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ বারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে প্রার্থিতা ও নেতৃত্ব নিয়ে নানা আলোচনা ও দূরত্ব তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশীদের হিসাব-নিকাশ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের নিয়োগ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা কাটাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও নড়েচড়ে বসেছে। এই পরিস্থিতিতে সব পক্ষকে আস্থায় নিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী প্যানেল বা কমিটি উপহার দিতে শীর্ষ এই দুই নেতার কাঁধে দায়িত্ব অর্পিত হতে পারে বলে গুঞ্জন জোরালো হচ্ছে।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি নারায়ণগঞ্জের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বারের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং আসন্ন নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে বিজয় ছিনিয়ে আনতে শেষ পর্যন্ত অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মোল্লা ও অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকিরের নেতৃত্বে কোনো নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয় কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ার সাধারণ আইনজীবীরা।

 

সামারি ট্রায়ালে ছাড় পাচ্ছে অপরাধীরা: নারায়ণগঞ্জ জুড়ে উদ্বেগ

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ
সামারি ট্রায়ালে ছাড় পাচ্ছে অপরাধীরা: নারায়ণগঞ্জ জুড়ে উদ্বেগ

 

​নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ইদানীং অপরাধ দমনে ব্যবহৃত ‘সামারি ট্রায়াল’ (সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়া) ব্যবস্থা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জটিল ও গুরুতর অপরাধে অভিযুক্তরাও এই সংক্ষিপ্ত বিচার ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে স্বল্প শাস্তিতে সহজেই রেহাই পেয়ে যাচ্ছে। ফলে নারায়ণগঞ্জ সদর, সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা, রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁসহ জেলার প্রায় প্রতিটি থানাতেই অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

স্থানীয় অধিবাসী ও আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সামারি ট্রায়াল মূলত ছোটখাটো ও লঘু অপরাধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ইদানীং ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার এবং মারামারির মতো ঘটনাগুলোতেও নিয়মিত সামারি ট্রায়ালের প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে। এর ফলে অপরাধীরা গুরুতর মামলার বিচার ও দীর্ঘমেয়াদি সাজা এড়িয়ে নামমাত্র জরিমানা বা স্বল্প সময়ের সাজার বিনিময়ে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে।থানাগুলোতে সামারি ট্রায়ালের আধিক্যের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে।

আইনজীবীরা সতর্ক করে বলছেন, অপরাধের ধরণ না দেখে ঢালাওভাবে সামারি ট্রায়াল ব্যবহার করা হলে বিচার ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ বিচার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা না হলে ভুক্তভোগীরা সঠিক বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন।

নারায়ণগঞ্জের সুশীল সমাজ ও সাধারণ নাগরিকরা জেলা পুলিশ প্রশাসন এবং আদালত কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ছোটখাটো অপরাধ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই যেন চিহ্নিত বা পেশাদার অপরাধীদের সামারি ট্রায়ালের সুযোগ না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে থানাগুলোতে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

“প্রিন্সের পথেই হাটছেন লিটন”

নিজস্ব প্রতিবেদক, আড়াইহাজার।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০২ পূর্বাহ্ণ
“প্রিন্সের পথেই হাটছেন লিটন”

 

 

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ৯ নম্বর হাইজাদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আবারও এক জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে চণ্ডিবরদী গ্রামের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইতিহাস যেন আবার নতুন রূপে ফিরে আসছে। এক গ্রাম থেকেই অতীতে রাজনীতির দাবাখেলায় বলি হতে হয়েছিল সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রিন্সকে, আর এবার সেই একই পথ ধরে রাজনৈতিক ‘বলির পাঠা’ হওয়ার দিকে এগোচ্ছেন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা মো. এখলাস উদ্দিন লিটন ভূঁইয়া—এমনটাই চর্চা হচ্ছে স্থানীয় রাজনীতিতে।

এলাকার প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গত নির্বাচনে সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর সমর্থন ও আশ্বাসে বিপুল অর্থ ও শ্রম ঢেলে মাঠে নেমেছিলেন প্রিন্স। কিন্তু নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে পর্দার অন্তরালে চড়া দামে সমঝোতা করে দলীয় প্রার্থিতা অন্য একজনের (আলী) ঝুলিতে তুলে দেন বাবু। মাঠ কাঁপানো প্রিন্স শেষ পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়ে ক্ষমতার রাজনীতির শিকার হন। প্রিন্সের এই করুণ পরিণতি হাইজাদী ইউনিয়নের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘রাজনৈতিক ব্যবহার ও বর্জনের’ এক বড় উদাহরণ হয়ে আছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হাইজাদী ইউনিয়নে খেলাটির ধরন বদলালেও কৌশল একই রয়ে গেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বর্তমানে বিএনপি সমর্থিত প্রভাবশালী মহল এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠ মহলের সাথে যোগাযোগ রেখে ইউপি চেয়ারম্যান পদে লিটনকে কেন্দ্র করে নতুন করে ঘুঁটি চালনা শুরু হয়েছে।

তবে এই খেলার সবচেয়ে চমকপ্রদ ও বিতর্কিত দিক হলো দলের রাজনৈতিক পরিচয়। প্রিন্স ও বাবু দুজনেই ছিলেন একই রাজনৈতিক দলের (আওয়ামী লীগ)। অন্যদিকে বর্তমান স্থানীয় রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রক দল হলো বিএনপি, আর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে যাওয়া লিটন প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এবং দলীয় পদ থাকা সত্ত্বেও লিটন কীভাবে পার পাচ্ছেন—তা নিয়ে তৃণমূলের বিএনপির প্রবীণ নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, লিটন নিজের আওয়ামী লীগের পরিচয় আড়াল করে ‘নব্য বিএনপি নেতা’ হিসেবে আত্মপ্রকাশের চেষ্টা করছেন। এমনকি স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের ছবি ব্যবহার করে ব্যানার-পোস্টার ছাপানো, তাদের পাশে বসে সভা-সমাবেশ করা এবং দলীয় প্রোগ্রামে খোলামেলা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

স্থানীয়দের অভিমত, আওয়ামী লীগ আমলের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও সুবিধাভোগী রাজনীতির কারণে হাইজাদীর সাধারণ ভোটাররা লিটনকে কোনোভাবেই সহজভাবে গ্রহণ করছেন না। তৃণমূল থেকে তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, অতীতে যেমন সাবেক এমপি বাবু টাকার রাজনীতি ও ক্ষমতার হিসাব-নিকাশে প্রিন্সকে মাঠে নামিয়ে রাজনৈতিক বলির পাঠা বানিয়েছিলেন, ঠিক তেমনি বর্তমান প্রভাবশালী মহলও লিটনের আওয়ামী পরিচয় ও অর্থকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। নির্বাচন ঘনিয়ে এলে কিংবা রাজনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হলে লিটনকেও প্রিন্সের মতোই পথ ছেড়ে দিতে হতে পারে।

আওয়ামী লীগের খোলস ছেড়ে বিএনপির নতুন আশ্রয় খোঁজা লিটন শেষ পর্যন্ত রাজনীতির এই জটিল চাল থেকে লাভবান হবেন, নাকি প্রিন্সের মতোই রাজনৈতিক বলির পাঠা হয়ে মাঠ থেকে ছিটকে পড়বেন—হাইজাদীর বাতাসে এখন সেই উত্তরই খুঁজছেন সাধারণ মানুষ।

 

“প্রবাসীর ছদ্মবেশে আলামিনের হুন্ডি ব্যবসার গোপন নেটওয়ার্ক”

নিজস্ব প্রতিবেদক, আড়াইহাজার।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৯ পূর্বাহ্ণ
“প্রবাসীর ছদ্মবেশে আলামিনের হুন্ডি ব্যবসার গোপন নেটওয়ার্ক”

 

​বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলকে পাশ কাটিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লেনদেন এবং এর মাধ্যমে গড়ে ওঠা অঢেল সম্পত্তির বিষয়টি এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে। সাধারণ প্রবাসীর ছদ্মবেশে কিংবা প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের আড়ালে যারা অবৈধ হুন্ডি ব্যবসার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষ করে আলোচিত ব্যক্তি আড়াইহাজার উপজেলার নদীবেষ্টিত কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন এর অজোপাড়া গায়ের দূরন্ত ছেলে গাজী আলামিনের হুন্ডি সাম্রাজ্য ও এর নেপথ্য সহযোগীদের অবিলম্বে গভীরে গিয়ে তদন্ত করার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, হুন্ডি একটি সম্পূর্ণ বেআইনি ও অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থ লেনদেন পদ্ধতি, যার মাধ্যমে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাচার হয়ে যায়। আলামিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি প্রবাস জীবন বা স্থানীয় ব্যবসার আড়ালে মূলত একটি শক্তিশালী হুন্ডি সিন্ডিকেট পরিচালনা করে আসছেন। এই চক্রের মাধ্যমে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা অবৈধ পন্থায় হাতবদল করে দেশীয় মুদ্রায় রূপান্তর করা হতো এবং এর একটি বড় অংশ দিয়ে নিজের ও পরিবারের নামে বেনামে কেনা হয়েছে শত শত বিঘা জমি, রাজকীয় বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনা।

গোয়েন্দা সূত্র ও অর্থনীতির বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমান সময়ের হুন্ডি ব্যবসায়ীরা আগের মতো সনাতন পদ্ধতি বাদ দিয়ে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস), মানি এক্সচেঞ্জ এবং বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড অ্যাপ (যেমন— হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো বা টেলিগ্রাম) ব্যবহার করে অত্যন্ত সুকৌশলে লেনদেন চালিয়ে যাচ্ছে। আলামিনের চক্রটিও ঠিক একই কায়দায় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এজেন্টের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং ও হুন্ডির ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বৈধ কোনো আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও তার এই রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার পেছনে এই হুন্ডি নেটওয়ার্কই প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।

অর্থনীতিবিদ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হুন্ডি ব্যবসা কেবল ব্যক্তিবিশেষকে ধনীই করে না, এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের ধস নামায়। এছাড়া এই অবৈধ অর্থের বড় অংশ মাদক চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়। আলামিনের মতো ব্যক্তিরা যদি আইনের আওতার বাইরে থেকে যান, তবে তা অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করবে।

আলামিনের হুন্ডি ব্যবসা এবং এর সঙ্গে জড়িত দেশি-বিদেশি চক্রের শিকড় কোথায় তা উদঘাটন করতে এখনই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) যৌথ ও জোরালো তদন্ত শুরু করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ, সম্পদের উৎস অনুসন্ধান এবং তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনা না হলে দেশের আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরানো কঠিন হবে।

 

সামারি ট্রায়ালে ছাড় পাচ্ছে অপরাধীরা: নারায়ণগঞ্জ জুড়ে উদ্বেগ "প্রিন্সের পথেই হাটছেন লিটন" "কোর্টপাড়ার রাজনীতিতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের আভাস" "প্রবাসীর ছদ্মবেশে আলামিনের হুন্ডি ব্যবসার গোপন নেটওয়ার্ক" "কোর্টপাড়ার রাজনীতিতে তাদের হাতেই সাখাওয়াতের ঝান্ডা"