খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

বাংলাদেরে প্রথম সেনাপ্রধান কেএম সপিউল্লাহ আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেরে প্রথম সেনাপ্রধান কেএম সপিউল্লাহ আর নেই

বাংলাদেশের প্রথম ও সাবেক সেনাপ্রধান, সাবেক সংসদ সদস্য, ৩নম্বর সেক্টর কমান্ডার ও মুক্তিযুদ্ধ কালীন এস ফোর্সের অধিনায়ক মেজর জেনারেল(অব:) কেএম সফিউল্লাহ বীরউত্তম ইন্তেকাল করেছেন। আজ ২৬জানুয়ারি রোববার সকাল ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতলে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৯০ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানা গছে, ১৯৩৪সালের ২সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫০ সালে রূপগঞ্জের মুড়াপাড়া হাইস্কুল থেকে তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। মুন্সিগঞ্জের হরগঙ্গা কলেজে পড়া অবস্থাতেই যোগ দেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে। ১৯৫৫ সালে কমিশন পান। ১৯৬৮ সালে ডিফেন্স স্টাফ কলেজ থেকে পিএসসি করেন। তিনি স্কুল অব ইনফেন্টিতে প্রশিক্ষক ছিলেন। ১৯৭০ সালে পদোন্নতি পেয়ে আবার ব্যাটেলিয়নে ফিরে আসেন কেএম সফিউল্লাহ।

১৯৭১সালে মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তিনি বীরউত্তম খেতাব পেয়েছেন। তাঁর খেতাবের সনদ নম্বর দুই। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন ৩নম্বর সেক্টর কমান্ডার। পরে তাঁর নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে তৈরি করা এস ফোর্সের প্রধান হন।

মুক্তিযুদ্ধের আগে কেএম সফিউল্লাহ ছিলেন দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড ইন কমান্ড। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে কেএম সফিউল্লাহর নেতৃত্বে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মুক্তিযোদ্ধারা বিদ্রোহ ঘোষণা করেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১০ এপ্রিল থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত ৩নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন কেএম সফিউল্লাহর। তাঁর অধীনে থাকা ৩ নম্বর সেক্টরের আওতাধীন এলাকা ছিল হবিগঞ্জ মহকুমা, কিশোরগঞ্জ মহকুমা, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে কুমিল্লা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ। মুক্তিযুদ্ধের অক্টোবর মাসে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে তোলা হয় এস ফোর্স। এই ফোর্সের অধীনে ছিল দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং ১১নম্বর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। কেএম সফিউল্লাহর নির্দেশে ও নেতৃত্বে অসংখ্য দুর্ধর্ষ ও সফল অপারেশন পরিচালিত হয়। তিনি এসব অপারেশনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা পালন করেন।

কেএম সফিউল্লাহর পরিকল্পনায় সিলেটের একাংশ, আশুগঞ্জ, ভৈরব ও মাধবপুর হানাদারমুক্ত হয়। তাঁর নেতৃত্বে হানাদারমুক্ত হয় আশুগঞ্জ, ভৈরব, লালপুর, আজবপুর, সরাইল, শাহবাজপুর, মাধবপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর।

৬ডিসেম্বর হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া থেকে কেএম সফিউল্লাহ আশুগঞ্জ যাচ্ছিলেন। পাকিস্তানি বাহিনীর এক জেসিও প্রায় লাফিয়ে কেএম সফিউল্লাহকে জাপটে ধরে তীব্র ধস্তাধস্তি করেন। একপর্যায়ে কেএম সফিউল্লাহকে লক্ষ্য করে তিনি স্টেনগানের ট্রিগার চাপেন। এসময় কেএম সফিউল্লাহর কোমরে বাঁধা পিস্তলে গুলি লাগে। কেএম সফিউল্লাহর জেসিওর মাথায় কয়েক দফা আঘাত করতেই নিস্তেজ হয়ে পড়ে যান জেসিও। কেএম সফিউল্লাহ রাইফেল নিয়ে তাদের গুলি করতে গিয়ে দেখেন রাইফেল ভাঙা। কোমরে থাকা পিস্তলও বিধ্বস্ত। এ সময় কেএম সফিউল্লাহ কচুরিপানা আর কাদাপানিতে ডুবে প্রাণে বেঁচে যান।

মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ৫ এপ্রিল সেনাপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন কেএম সফিউল্লাহ। ১৯৭৩ সালের তিনি ব্রিগেডিয়ার এবং একই বছরের ১০ অক্টোবর মেজর জেনারেল পদ লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত তিনি সেনাপ্রধান ছিলেন। ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত টানা ১৬ বছর তিনি বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯১ সালে দেশে ফিরে আসলে তাঁকে ১ বছরের জন্য ওএসডি করে রাখা হয়। ১৯৯২ সালে তিনি স্বেচ্ছায় অবসরে জান। ১৯৯৪ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-১(রূপগঞ্জ) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৩সালে রূপগঞ্জ গ্রামে তাঁর পিতার নামানুসারে কাজী আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করেন।

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর।।
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪২ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আগামী দুই বছরের পথচলা শুরু হলো।

 

গতকাল ১৫ মে (শুক্রবার) বিকেলে মদনগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

নবগঠিত এই কমিটিতে সংগঠনের সবার প্রিয়ভাজন, সমাজকর্মী আলমগীর আজাদ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত কমিটির সফল সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোরশেদ রতন। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. জিয়াউদ্দিন ভুইয়া।

 

কমিটি ঘোষণার পর নবাগত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, তারা অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করবেন। একই সাথে আগামী দিনে সিনিয়র সিটিজেনদের অধিকার রক্ষা, সংগঠনের অগ্রগতি এবং সামগ্রিক সমাজ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ডকইয়ার্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে উল্টো বিপাকে পড়েছেন মহিউদ্দিন সাউদ নামে এক ব্যবসায়ী। থানা ও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে অভিযুক্তদের হুমকি এবং পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ঘাট সংলগ্ন শেফা ডকইয়ার্ডের মালিক মহিউদ্দিন সাউদের কাছে লোহা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা পরিচয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে স্থানীয় একটি চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত কয়েকদিন আগে অভিযুক্তরা ডকইয়ার্ডে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, শত শত মানুষের সামনে ডকইয়ার্ড থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের লোহা লুট করে নিয়ে যায় তারা।

 

এই ঘটনায় মহিউদ্দিন সাউদ স্থানীয় মৃত শামছুলের ছেলে সৈকতকে (৪০) প্রধান আসামি করে সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‍্যাব কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, “অভিযুক্তরা নিজেদের যুবদল ও বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তারা আমার কাছে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুট করেছে। এখন আমি জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি।”

 

এদিকে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে প্রধান অভিযুক্ত সৈকত হাসান বাদী হয়ে মহিউদ্দিন সাউদের বিরুদ্ধে থানায় একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ডকইয়ার্ডের স্ক্র্যাপ লোহা কেনার জন্য তিনি মহিউদ্দিনকে ৫ লাখ টাকা বায়না দিয়েছিলেন এবং মহিউদ্দিন সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের স্বপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী খান মাসুদ পালিয়ে গেলে বন্দর ঘাট এলাকার স্ট্যান্ড বাজার ও ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেন এই সৈকত। তিনি নিজেকে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) ভাতিজা পরিচয় দিয়ে থানা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনার মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

চাঁদাবাজির শিকার হয়েও প্রতিকার না পেয়ে মহিউদ্দিন সাউদ এখন আতঙ্কিত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ এখনো তার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের ভয়ে এবং পুলিশের অসহযোগিতায় তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের একটি ডকইয়ার্ডে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুটপাটের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মহিউদ্দিন সাউদ। তিনি এ ঘটনায় বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, র‌্যাব বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

অভিযোগে ডকইয়ার্ড মালিক স্থানীয় মৃত শামছুল এর পুত্র সৈকত (৪০) কে প্রধান করে, সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করেছেন।

 

অভিযোগে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এরা নিজেদের বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, স্কুল কলেজের ছাত্রীদের রাস্তায় উত্যক্ত ও অসালীন আচরণ করা সহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে আসছে।

 

গত সোমবার (৪ মে) চাঁদা না পেয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দেন।

 

“অভিযোগকারী মহিউদ্দিন দাবি করেন ওরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে হইব। কিন্তু আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওরা আমারে বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করসে। পরবর্তীতে আমার ডকইয়ার্ড থেকে শত শত মানুষের সামনে প্রায় ৭০ হাজার টাকার লোহা নিয়া চলে গেছে। ওরা সবাই যুবদল করে। আমি এখন আমার জীবন নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি সেখানে। রিপোর্ট পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। অভিযোগকারীর সাথে যদি ঘটনা মিলে যায় তাহলে অপরাধী যে দলেরই হোক আমি ব্যবস্থা নেবো। আইন সবার জন্যই সমান।”

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’ বিএনপিতে ‘অল-আউট রিসেট’: ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল বগুড়া হচ্ছে সিটি করপোরেশন, দেশে নতুন পাঁচ উপজেলা