খুঁজুন

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাইজাদী ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অলি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাইজাদী ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অলি।

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ অলি উল্লাহ।

তিনি বলেন, “ঈদ আমাদের ত্যাগ, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। এই পবিত্র দিনে আমি হাইজাদী ইউনিয়নের সকল মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ শাসনামলে দীর্ঘ ১৭ বছর দলের হয়ে কাজ করেছি। হামলা-মামলা জেল জুলুম নির্যাতন ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। অনেক সময় ঘরে ঘুমাতে পারিনি। দলের প্রয়োজনে যখনই ডাক এসেছে, আমি ও আমার নেতাকর্মীরা মিছিল-মিটিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচি সফল করতে কাজ করেছি।

তিনি আরও বলেন, আড়াইহাজারের মা-মাটি ও জনগণের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের নেতৃত্বে আমরা সবসময় ঐক্যবদ্ধ ছিলাম।আমি আমার নেতা মাননীয় এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের মতো জনগণের সেবা করতে চাই। একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত, শিক্ষাবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন গড়াই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।

এ সময় তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

যুবদল নেতা জহির হত্যা: অভিযোগের তীর কেন মোবারক এর দিকে?

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
যুবদল নেতা জহির হত্যা: অভিযোগের তীর কেন মোবারক এর দিকে?

​

​নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে যুবদল নেতা জহির হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জহিরের মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতি ও অপরাধের নানা গোপন বিষয় নতুন করে সামনে আসছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে, বালুমহল নিয়ন্ত্রণ, চরদখল ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই জহিরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আড়াইহাজার থানা ছাত্রদলের সাবেক এক সাধারণ সম্পাদকের দিকে আঙ্গুল তুলেছে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে পরিচিত এই রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও নানা গুরুতর অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠছে।

নিহত জহিরের পরিবারের দাবি, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীতা সহ মেঘনা নদীর বালুমহল ও চরাঞ্চলের আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল তার সঙ্গে। জহির এতে বাধা সৃষ্টি করায় তাকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, “জহিরকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের মেঘনা নদীর বালুমহল নিয়ন্ত্রণ ও চরদখল ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং গ্রুপের তৎপরতা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত ওই সাবেক ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেন বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের সাথে সখ্য বজায় রেখে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্যের (এমপি) ঘনিষ্ঠতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি চরাঞ্চলে নিজস্ব বলয় তৈরি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

​সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার বাসভবনে অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে বলেও সূত্রে জানা গেছে। কোনো বৈধ ব্যবসা না থাকা সত্ত্বেও স্বল্প সময়ে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হওয়া এবং এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদক চক্রকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চরদখল, বালুমহল নিয়ন্ত্রণ এবং মাদক সিন্ডিকেটের পেছনে আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতার ভূমিকা পালন করে আসছেন মোবারক হোসেন। তাঁর প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, দলের সুনাম রক্ষা এবং কালাপাহাড়িয়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকে ফেরাতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নীতি-নির্ধারকদের অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা এলাকায় মোবারকের এই কায়েমী রাজত্ব ও সন্ত্রাস থেকে স্থায়ী মুক্তি চাই। দলীয় পরিচয়ের আড়ালে অপরাধ করে যেন কেউ ছাড় না পায়, সে বিষয়ে বিএনপির হাইকমান্ডের কঠোর পদক্ষেপ ও হস্তক্ষেপ জরুরি।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দৃশ্যমান কোনো বৈধ আয়ের উৎস বা নির্দিষ্ট ব্যবসা না থাকা সত্ত্বেও স্বল্প সময়ের মধ্যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক বনে গেছেন মোবারক। আওয়ামী লীগ আমলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সঙ্গে সখ্য বজায় রেখে বালুমহল পরিচালনা, চরাঞ্চলে বালু উত্তোলন এবং অবৈধ চক্র পরিচালনার মাধ্যমে এই বিপুল অর্থ অর্জিত হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

নিহতের স্বজন ও ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাজস্ব কর্তৃপক্ষের (দুদক/এনবিআর) মাধ্যমে মোবারকের আয়ের উৎস এবং বিপুল সম্পদের সঠিক অনুসন্ধান করা হোক। অপরাধ থেকে অর্জিত অর্থের মাধ্যমে যাতে কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী লালন-পালন হতে না পারে, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে, অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, “যুবদল নেতা জহির হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধী যে দলেরই হোক বা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়েও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

 

সাংবাদিক সমাজকে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক সমাজকে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি)

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমাজকে উদ্দেশ্য করে ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মীরা’ এমন অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) কেন্দ্রীয় কমিটি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. গোলাম ফারুক মজনু ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা ও চিকিৎসকের মুখ থেকে সাংবাদিক সমাজকে নিয়ে এমন অবমাননাকর মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত এবং পেশাগত শিষ্টাচারের পরিপন্থী। গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা, অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরা এবং সমাজে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মিলিতভাবে হেয় করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকতার গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। কিন্তু সমালোচনার নামে একটি পেশাজীবী সম্প্রদায়কে ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে জড়িয়ে অপমান করা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় বহন করে না। কে জান্নাতে যাবে আর কে জাহান্নামে যাবে, এমন চূড়ান্ত বিচার করার অধিকার কোনো মানুষের নেই। ধর্মীয় বিশ্বাসকে ব্যবহার করে সাংবাদিক সমাজের প্রতি বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিপন্থী।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত সাংবাদিকরা নানা প্রতিকূলতা, হুমকি ও ঝুঁকি মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের অধিকার, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছেন। তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার যেকোনো প্রচেষ্টা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) অবিলম্বে ডা. মিজানুর রহমানের উক্ত বক্তব্যের প্রকাশ্য ব্যাখ্যা ও সাংবাদিক সমাজের কাছে দুঃখ প্রকাশের দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।

এসএসপি নেতৃবৃন্দ বলেন, চিকিৎসক ও সাংবাদিক উভয় পেশাই মানুষের কল্যাণ এবং সমাজের উন্নয়নের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাগত সৌহার্দ্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোনো ব্যক্তির দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের কারণে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পেশার মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত দূরত্ব সৃষ্টি হোক, তা আমরা চাই না।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের অবমাননা করে, ভয় দেখিয়ে কিংবা তাঁদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা চালিয়ে সত্য প্রকাশের পথ বন্ধ করা যাবে না। স্বাধীন সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সোচ্চার থাকবে।

নানা অভিযোগ ও বিতর্কের মধ্যে ফেনী সদর যুবদলের নিজাম পাটোয়ারী ও শাহাদাতকে অব্যাহতি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ
নানা অভিযোগ ও বিতর্কের মধ্যে ফেনী সদর যুবদলের নিজাম পাটোয়ারী ও শাহাদাতকে অব্যাহতি

দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাস্টার নিজাম উদ্দিন পাটোয়ারী ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনকে নিজ নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা যুবদলের সঙ্গে সমন্বয় না করে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিনিধি মনোনীত করার মাধ্যমে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে অব্যাহতি পাওয়া মাস্টার নিজাম উদ্দিন পাটোয়ারীর নাম এর আগেও ফেনী সদর উপজেলার বিভিন্ন সাংগঠনিক বিতর্কে উঠে এসেছে। চাঁদাবাজি, জমি দখল, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, সালিশ বাণিজ্য ও দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারসহ নানা অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, দখলদারিত্ব ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় পর্যায়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনায় উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক নেতৃত্ব ও কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নে চাঁদাবাজি, জমি দখল, সালিশ বাণিজ্য, অবৈধভাবে মাটি কাটা এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের বিভিন্ন অভিযোগ এর আগেও সামনে এসেছে। এসব অভিযোগ ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা, দলীয় পরিচয়ের ব্যবহার এবং সাংগঠনিক জবাবদিহির বিষয়টি আলোচনায় আসে। ধলিয়া ইউনিয়নের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিজাম উদ্দিন পাটোয়ারীর সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার বিষয়টিও আলোচিত হয়েছে।

অন্যদিকে ফেনী যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ নিয়েও এর আগে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিট কমিটি গঠন, নেতৃত্ব নির্বাচন এবং স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। কয়েকটি কমিটিতে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত উপেক্ষার অভিযোগও ওঠে। এসব ঘটনায় সংগঠনের অভ্যন্তরে অসন্তোষ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ২০২৬ সালের মে মাসে ফেনী জেলা যুবদলের কমিটি নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘটনাও আলোচনায় আসে।

সর্বশেষ অব্যাহতির ঘটনায় জেলা যুবদলের সঙ্গে সমন্বয় না করে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিনিধি মনোনয়নের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। অভিযোগ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব জেলা কমিটির সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই প্রতিনিধি দলের তালিকা প্রকাশ করেন। এ ঘটনাকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে কেন্দ্রীয় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চাঁদাবাজি, জমি দখল কিংবা পূর্ববর্তী অন্য কোনো অভিযোগকে অব্যাহতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ দুই নেতার অব্যাহতির ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন পর্যায়ে ওঠা চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও সাংগঠনিক অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে সর্বশেষ এই সিদ্ধান্ত দলীয় শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের দায়বদ্ধতা এবং সাংগঠনিক নির্দেশনা বাস্তবায়নের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে।

যুবদল নেতা জহির হত্যা: অভিযোগের তীর কেন মোবারক এর দিকে? সাংবাদিক সমাজকে অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ (এসএসপি) নানা অভিযোগ ও বিতর্কের মধ্যে ফেনী সদর যুবদলের নিজাম পাটোয়ারী ও শাহাদাতকে অব্যাহতি দূর্গা পূজায় বন্দরে কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাড. শিপলু'র কাপড় বিতরণ ২২নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী অ্যাড. শিপলু'র শুভেচ্ছা উপহার প্রদান।