“অদৃশ্য ইশারায় মোবারক আউট”

সোনারগাঁও প্রতিনিধি।
প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ । ১০:২০ অপরাহ্ণ

 

চতুর্মুখী রাজনৈতিক কৌতূহল, ক্ষোভ আর গুঞ্জনের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি। যুবদল নেতা জহির হত্যা মামলায় চরম চাঞ্চল্য ও নাটকীয় মোড় দেখা দিয়েছে। ঘটনার পর পরই নিহতের স্বজন ও পরিবার থেকে সরাসরি মোবারকের নাম উত্থাপন করা হলেও, চূড়ান্তভাবে দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারে তার নাম উধাও হয়ে গেছে। কোনো এক ‘অদৃশ্য ইশারায়’ এজাহার থেকে মোবারকের নাম বাদ পড়ায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মী এবং সচেতন মহলের মাঝে।

জহির হত্যার পর স্বজনদের কান্না ও উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগে যার নাম সবচেয়ে জোরেসোরে উচ্চারিত হয়েছিল, সেই মোবারক কীভাবে মামলার প্রাথমিক আসামির তালিকা থেকেও বাদ পড়লেন—তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। দলীয় তৃণমূল কর্মী ও স্থানীয়দের মাঝে এখন বড় প্রশ্ন—দূর থেকে বসে এ নাটকের সুতা টানছেন কে? কার নির্দেশে এবং কিসের বিনিময়ে এ হত্যাকাণ্ড থেকে প্রধান অভিযুক্তকে ‘অব্যাহতি’ দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলো?

ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তৃণমূলের কর্মীদের দাবি, কোনো প্রকার বৈধ ভিত্তি না থাকা সত্ত্বেও মোবারকের মতো ব্যক্তিরা কীভাবে সবসময় পার পেয়ে যান? আসলে তার ‘খুঁটির জোর’ কোথায়? কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, কোনো প্রভাবশালী মহল বা সিন্ডিকেটের অশুভ আঁতাতের ফলেই মূল আসামিকে আড়াল করে মামলা হালকা করার পাঁয়তারা চলছে।

পরিবারের প্রাথমিক অভিযোগের পরও এজাহারে নাম না থাকায় বিচার পাওয়া নিয়ে মারাত্মক সংশয় প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। অবিলম্বে নেপথ্যের কলকাঠি নাড়ানো মূল খলনায়কদের মুখোশ উন্মোচন এবং মোবারকসহ জহির হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রকৃত আসামিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

প্রকাশক ও সম্পাদক : আবদুল্লাহ আল মামুন । বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃশিমুলতলীর বাজার,হাইজাদী, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ। মোবাইলঃ 01923708085, ইমেইল : alm97384@gmail.com, ওয়েব সাইট : www.deshbani24.com

প্রিন্ট করুন