আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে বইতে শুরু করেছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া।সিটি মেয়র হিসেবে নগরীর হাওয়ায় কার নাম?
আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে বইতে শুরু করেছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে আড্ডার টেবিলে এখন একটাই আলোচনা—কে হচ্ছেন নগরীর আগামী কাণ্ডারি? সাধারণ মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে একাধিক সম্ভাবনাময় নেতার নাম, যার মধ্যে সবচেয়ে জোরালো আলোচনা চলছে জনবান্ধব ও তরুণ সমাজসেবক রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে ঘিরে। তবে সেই সাথে স্থানীয় রাজনীতির মাঠে অন্যান্য প্রতিষ্ঠিত প্রার্থীদের সমীকরণ নিয়েও চলছে নানা বিশ্লেষণ।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম আজাদের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম রাকিব দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নগরবাসীর হৃদয় জয় করে নিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে ‘মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশন’-এর ব্যানার নিয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় ধারাবাহিক মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, কোনো প্রচার-প্রচারণার মোহে নয়, বরং খাঁটি মানবসেবার তাগিদ থেকেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
তার সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। সম্প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ও প্রয়োজনীয় আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন তিনি। একইভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় দুস্থ ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর মাঝে ঈদ সামগ্রী ও সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।
শুধু ধর্মীয় উৎসবই নয়, তীব্র খরতাপের মধ্যে শিক্ষার্থীরা যখন পরীক্ষায় অংশ নেয়, তখন পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর সামনে বিনামূল্যে ঠাণ্ডা সুপেয় পানি, স্যালাইন এবং শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করে সর্বস্তরের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি এখন এক মানবিক ও নির্ভরযোগ্য নাম। নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের একাংশ মনে করছেন, শহরকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও সবুজ হিসেবে গড়ে তুলতে তরুণ এই নেতৃত্বের ভূমিকা বেশ কার্যকর হতে পারে।
একদিকে তরুণ সমাজসেবক রাকিবুল ইসলাম রাকিবের ইতিবাচক ভাবমূর্তি যেমন আলোচনার কেন্দ্রে, অন্যদিকে নগরীর অন্যান্য পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অবস্থান নিয়েও শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জের রাজনীতির মাঠে বর্ষীয়ান মুখ হলেও সাম্প্রতিক সময়ের কিছু সমালোচনামূলক কর্মকাণ্ড ও বিতর্কের কারণে তার রাজনৈতিক অবস্থান এবং ভোটারদের মাঝে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ও নেতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
মডেল মাসুদ কোনো এক সময় মাঠে সরব উপস্থিতি থাকলেও বর্তমানে রাজনীতি ও মাঠের কর্মসূচিতে তাকে আর আগের মতো দেখা যায় না। মাঠপর্যায়ের বিশ্লেষণে তিনি বর্তমানে রাজনীতির মাঠ থেকে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় বা অনুপস্থিত বললেই চলে।
মাকসুদুল আলম খোরশেদ দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের একটি পরিচ্ছন্ন বা ‘ক্লিন’ ভাবমূর্তি বজায় রাখতে পেরেছেন তিনি। রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও সততা ও জনসেবামুখী কাজের কারণে আগামী সিটি নির্বাচনে একজন শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে আবারও নতুন করে উঠে আসতে পারে তার নাম।
সব মিলিয়ে, আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ নগরীর রাজনৈতিক হাওয়া প্রতিনিয়ত রূপ পাল্টাচ্ছে। এখন দেখার বিষয় আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নতুন ও তরুণ নেতৃত্বের প্রতি তৈরি হওয়া প্রত্যাশা থাকছে নাকি অভিজ্ঞ নেতাদের পুনর্মূল্যায়নের মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হবে আগামীর নারায়ণগঞ্জ নগরীর চূড়ান্ত রূপরেখা। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে আড্ডার টেবিলে এখন একটাই আলোচনা—কে হচ্ছেন নগরীর আগামী কাণ্ডারি? সাধারণ মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে একাধিক সম্ভাবনাময় নেতার নাম, যার মধ্যে সবচেয়ে জোরালো আলোচনা চলছে জনবান্ধব ও তরুণ সমাজসেবক রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে ঘিরে। তবে সেই সাথে স্থানীয় রাজনীতির মাঠে অন্যান্য প্রতিষ্ঠিত প্রার্থীদের সমীকরণ নিয়েও চলছে নানা বিশ্লেষণ।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম আজাদের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম রাকিব দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নগরবাসীর হৃদয় জয় করে নিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে ‘মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশন’-এর ব্যানার নিয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় ধারাবাহিক মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, কোনো প্রচার-প্রচারণার মোহে নয়, বরং খাঁটি মানবসেবার তাগিদ থেকেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
তার সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। সম্প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ও প্রয়োজনীয় আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন তিনি। একইভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় দুস্থ ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর মাঝে ঈদ সামগ্রী ও সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।
শুধু ধর্মীয় উৎসবই নয়, তীব্র খরতাপের মধ্যে শিক্ষার্থীরা যখন পরীক্ষায় অংশ নেয়, তখন পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর সামনে বিনামূল্যে ঠাণ্ডা সুপেয় পানি, স্যালাইন এবং শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করে সর্বস্তরের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি এখন এক মানবিক ও নির্ভরযোগ্য নাম। নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের একাংশ মনে করছেন, শহরকে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও সবুজ হিসেবে গড়ে তুলতে তরুণ এই নেতৃত্বের ভূমিকা বেশ কার্যকর হতে পারে।
একদিকে তরুণ সমাজসেবক রাকিবুল ইসলাম রাকিবের ইতিবাচক ভাবমূর্তি যেমন আলোচনার কেন্দ্রে, অন্যদিকে নগরীর অন্যান্য পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের অবস্থান নিয়েও শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জের রাজনীতির মাঠে বর্ষীয়ান মুখ হলেও সাম্প্রতিক সময়ের কিছু সমালোচনামূলক কর্মকাণ্ড ও বিতর্কের কারণে তার রাজনৈতিক অবস্থান এবং ভোটারদের মাঝে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ও নেতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
মডেল মাসুদ কোনো এক সময় মাঠে সরব উপস্থিতি থাকলেও বর্তমানে রাজনীতি ও মাঠের কর্মসূচিতে তাকে আর আগের মতো দেখা যায় না। মাঠপর্যায়ের বিশ্লেষণে তিনি বর্তমানে রাজনীতির মাঠ থেকে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় বা অনুপস্থিত বললেই চলে।মাকসুদুল আলম খোরশেদ দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের একটি পরিচ্ছন্ন বা ‘ক্লিন’ ভাবমূর্তি বজায় রাখতে পেরেছেন তিনি। রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও সততা ও জনসেবামুখী কাজের কারণে আগামী সিটি নির্বাচনে একজন শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে আবারও নতুন করে উঠে আসতে পারে তার নাম।
সব মিলিয়ে, আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ নগরীর রাজনৈতিক হাওয়া প্রতিনিয়ত রূপ পাল্টাচ্ছে। এখন দেখার বিষয় আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নতুন ও তরুণ নেতৃত্বের প্রতি তৈরি হওয়া প্রত্যাশা থাকছে নাকি অভিজ্ঞ নেতাদের পুনর্মূল্যায়নের মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হবে আগামীর নারায়ণগঞ্জ নগরীর চূড়ান্ত রূপরেখা।

বিশেষ প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ।
প্রকাশের সময়: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬ । ১২:১৮ অপরাহ্ণ