খুঁজুন
সোমবার, ৩১ মার্চ, ২০২৫, ১৭ চৈত্র, ১৪৩১

এক খন্ড জমির, একাধিক অংশীদার!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৪, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
এক খন্ড জমির, একাধিক অংশীদার!

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বেশ কয়েকদিন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে।সরকার পতনের পট পরিবর্তনে অনেকেই স্বপ্ন দেখছেন জনপ্রতিনিধি হবেন।কেউ দেখছেন মেম্বার হবেন,আবার কেউ দেখছেন চেয়ারম্যান হবেন।এমন প্রত্যাশা কে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে যাচ্ছেন অনেকেই।সম্প্রতি আড়াইহাজার উপজেলার প্রত্যেকটা ইউনিয়নে দেখা যায় এমন সরব চিত্র। তবে বিএনপি খ্যাত হাইজাদী ইউনিয়নে দেখা গিয়েছে একটু ভিন্ন চিত্র।এই এলাকায় একাধিক চেয়ারম্যান প্রত্যাশি থাকলেও মাঠের রাজনীতিতে অনেকের নেই কোন বিচরণ। বিপরীতে অনেকে আবার আগ থেকেই তৈরি করে রেখেছেন বিশাল কর্মী বাহিনী।

এমনই একজন ব্যক্তি হলেন, হাইজাদী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি অলি উল্লাহ অলি।তিনি রাজনীতির শুরু থেকেই দেখা গেছে নিজ ইউনিয়ন এর কর্মী ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে কাজ করতে।নিজের ইউনিয়ন এর বাহিরে তার কোন মাথাব্যথা ছিল না।ইউনিয়ন এর প্রত্যেকটা গ্রামে রয়েছে তার বিশাল কর্মী বাহিনী ও সুপরিচিতি।ছোট বড় সব শ্রেণীর লোকজন তাকে এক নামে চিনেন।তার বাবা দেলোয়ার হোসেনেরও রয়েছে নিজ ইউনিয়নে ব্যাপক পরিচিতি।সম্প্রতি সরকার পতনের পর কর্ম সময় বাদে অলি দিয়ে যাচ্ছেন গ্রামে গ্রামে সময়।সময় কাটাচ্ছেন চায়ের আড্ডায় ও গল্পে। কথার ছলে স্বপ্নের ইউনিয়নকে সাজানোর রুপরেখা দিচ্ছেন। যেখানেই তার বিচরণ সেখানেই যেন তৈরি হচ্ছে অলির সঙ্গে জনসাধারণের মধুর সঙ্গতা।এ যেন দীর্ঘদনের মেলবন্ধন।

মীর রেজাউল। সদা হাস্যমুখ ও সাদা মনের মানুষ।শিক্ষানুরাগী ও মানবসেবায় ব্রত এই রাজনীতিবিদ রাজনীতির মাঠে তেমন সরব নেই।তবে রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড।অনেকটা কৌশল অবলম্বন করে চালিয়ে যাচ্ছেন রাজনীতি। ক্লিন ইমেজ খ্যাত এই রাজনীতিবিদকেও সময় মতো হয়তো ঢাকঢোল বাজিয়ে দেখা যেতে পারে জাগানিয়া দিতে।কিন্তু ঐসময় জনসাধারণ তাকে কতটা বুকে টেনে নিবেন দেখার বিষয়।

জহিরুল ইসলাম জহির। তিনি রাজনীতিতে একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ।একবাক্যে শিকার করেন ব্যাপক থানা ব্যাপী বিএনপির কর্মী সমর্থকরা।তবে নিজ ইউনিয়নে তেমন কোন কর্মীবলয় তৈরি করতে পারেননি তিনি।কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন বলয়ের যে কজন একনিষ্ঠ কর্মী আছেন তার মধ্যে অন্যতম তিনি।বিএনপির দু:সময়ে অনেকটা ধরাকে সরা করে বেশ ভালই ছিলেন এখনো বেশ আছেন তিনি।হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতিতে তার তেমন কর্মী না থাকলেও থানা ব্যাপী রয়েছে বিশাল কর্মী ও সমর্থক।অনেকের চোখে তিনি জিরো থেকে হিরো বনে গেছেন নেতার ছত্রছায়ায়। তবে একথাও সত্যি সুমন বলয়ের কেউ তার মতো রাজনীতিতে এতটা সুবিধা করতে পারেনি।বিএনপির রাজনীতিতে ও অনেক কর্মীদের রোষানলে থাকেন তিনি প্রত্যেকটা সময়।যার ফলে আগামী দিনে প্রত্যাশার লক্ষে পৌঁছাতে মসৃণ নাও হতে পারে তার পথ।

সফিউল আলম সবুজ। একজন প্রবীন রাজনীতিবিদ।তিনি নিজেকে হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দাবি করলেও ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ এর বলয়ের লোকজন তা মানতে নারাজ। মফিজুলকে তারা দাবি করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। তার কারন ও আছে বেশ।কারন সবুজের অবস্থান অনেকটা সুবিধাবাদীদের মতো।পদ লেহনের লোভে মাঝে আজাদ বলয়ে থাকলেও মূলত তিনি এখন সুমন বলয়ের কর্মী।তবে সবুজ প্রয়াত বিএনপি নেতা খসরু’র একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন।আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রত্যাশিত নেতাদের মধ্যে তিনি সিনিয়র রাজনীতিবিদ হলেও বলয় ছুট হিসেবে খ্যাত পদবীটা তাকে অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে।কারণ রাজনীতিতে নেতার বা নীতিনির্ধারকদের আর্শীবাদ না থাকলে বেশ দূর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়না।তাছাড়া সরকার পতনের আগে কিংবা পরে তেমন কোন চমক দেখাতে পারেনি সবুজ।যা নেতার সুদৃষ্টিতে আসার মতো বলে মনে করছেন না তৃণমূল বিএনপি।

জাকির হোসেন।তিনি বিগত দিনে জনপ্রতিনিধির স্বাদ গ্রহন করতে সক্ষম হলেও এবার একটু ভিন্ন রকম স্বাদ গ্রহন করার আয়েশ দেখা যাচ্ছে।তবে সত্যিকার অর্থে তিনি একজন সাদা মনের মানুষ।বিগত দিনে তিনি নির্বাচন নিয়ে আছে বেশ অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতাকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগিয়ে হতে পারেন ভবিষ্যতে চেয়ারম্যান এটা সম্ভব কিছু নয়।

অন্যদিকে, হাইজাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিব আহমেদ, যুবদল সদস্য সচিব মেহেদী হাসান রানার তেমন কর্মী বাহিনী না থাকলেও আছেন দুষ্ট প্রকৃতি গুটি কয়েক লোক।সম্প্রতি রানার বেশ কয়েকজন কর্মী ও সমর্থক গ্রেফতার হয়েছেন।তিনি নিজেও হয়েছেন দলীয় পদ থেকে অব্যবতি যদিও পরে তিনি রাতের আধারে উঠিয়ে নিতে সক্ষম হন।তারাও স্বপ্ন বুনছেন জনপ্রতিনিধি হবেন।

এদিকে তৃণমূলের দাবি, দীর্ঘদিন পর বিএনপি নেতা ক্ষমতার স্বাদ নিতে পারচ্ছেন। একজন রাজনীতিবিদ তার ক্ষমতার সর্বস্ব ব্যবহার করবেন এমন প্রত্যাশা করা দোষের কিছু নয়।তবে আমরা এমন কোন সুবিধাবাদী, সুযোগ সন্ধানী নেতাকে চাই না যার হাতে আমাদের প্রাণের ইউনিয়ন নিরাপদ নয়।যিনি নিজের পেটভুড়ি ভর্তি করতে ক্ষমতায় যেতে চান।আমরা চাই একজন সৎ, ধার্মিক,মানবিক, শিক্ষানুরাগী ও আদর্শিক গুনাবলী সম্পন্ন জনবান্ধব ও কর্মীবান্ধব নেতা।যার ক্লিন ইমেজই হবে তার ভোট ব্যাংক।

দেশ ও মানুষের কল্যাণে সুন্দর আড়াইহাজার গড়ার লক্ষ্যে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।।আজাদ

দেশবাণী ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
দেশ ও মানুষের কল্যাণে সুন্দর আড়াইহাজার গড়ার লক্ষ্যে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।।আজাদ

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ বলেছেন, দেশ ও মানুষের কল্যাণে সুন্দর আড়াইহাজার গড়ার লক্ষ্যে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব। যেখানে থাকবে না কোন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী। আসুন ইফতারের আগ মুহূর্তে আমরা আজকে এই শপথ গ্রহণ করি।

বৃহস্পতিবার ( ২০ মার্চ) বিকেলে আড়াইহাজারের পাচরুখীতে বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় সতগ্ৰাম ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিল পূর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথাগুলো বলেন।

তিনি আরও বলেন, আজকের ইফতার মাহফিল থেকে আপনারা বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করবেন। তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে রয়েছেন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যেনো আমাদের মাঝে ফিরে আসেন। দোয়া করবেন প্রয়াত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার কনিষ্ঠ পুত্র প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর জন্য আল্লাহ যেন তাদেরকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন। এবং সর্বোপরি আপনারা দোয়া করবেন জিয়া পরিবার ও দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন সেই সকল শহীদদের জন্য। দোয়া করবেন আমাদের সকলের পছন্দের নেতা ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জনাব তারেক রহমানের জন্য। তিনি যেভাবে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ ও দীর্ঘায়ু দান করেন আমিন।

সাতগ্ৰাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান মোল্লার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন আতাউর মেম্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান আব্দু, আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মতিউর রহমান মতিন, বিএনপির সহ-সভাপতি শাকিল মিয়া, আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব খোরশেদ আলম ভূঁইয়াসহ আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

“ধর্ষনকারীদের প্রকাশ্যে বিচার করতে হবে।। পারভীন”

দেশবাণী ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
“ধর্ষনকারীদের প্রকাশ্যে বিচার করতে হবে।। পারভীন”

আজ ১৯ মার্চ রোজ বুধবার আড়াইহাজার উপজেলা মহিলা দলের উদ্যোগে আড়াইহাজার আশিক সুপার মার্কেটে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সম্ভাব্য এম.পি প্রার্থী পারভীন আক্তার বলেন, ধর্ষন মহামারী রুপ নেওয়ায় ধর্ষনকারীদের সনাক্ত করে প্রকাশ্যে বিচারের দাবী জানান বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে। বর্তমানে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিভিন্ন অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, গণতন্ত্র হুমকীর মুখে পড়ছে। দেশে বিদেশে গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে গণতহ্যাকারী শেখ হাসিনাসহ তার দোসররা। পারভীন আক্তার আরও বলেন নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় আছেন দেশবাসী, আমরা আওয়ামীলীগ ফ্যাসিবাদের মতো পুলিশী রাষ্ট্র চাই না। আমরা চাই রাষ্ট্রের মালিক থাকবেন দেশের জনগন। আমাদের নেতা বি.এন.পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে সেই ভাবেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দলের নাম ভাঙিয়ে যারা চাদাবাজী সন্ত্রাসী ও নৈরাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদের তালিকা প্রস্তুতের মাধ্যমে ইতিমধ্যে দলীয়ভাবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান। পারভীন আক্তার তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন। উক্ত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শিরিন সুলতানা মেম্বার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বি.এন.পির সাবেক সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ মিয়া চেয়ারম্যান, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন অনু, নারায়ণগঞ্জ জেলা আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতিসংদের আহবায়ক ও যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাসাস এর সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব মোল্লা, আড়াইহাজার উপজেলার আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতিসংদের সভাপতি তসলিম উদ্দিন লিটন, জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম খোকন, আড়াইহাজার উপজেলা তাঁতী দলের সাবেক সভাপতি সফিকুল ইসলাম সফিক, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম মিয়া, আড়াইহাজার পৌর বি.এন.পির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলজার হোসেন আলাবক্স, বিশনন্দী ইউনিয়ন বি.এন.পির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সরোয়ার্দী মিয়া, আড়াইহাজার উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক পিয়ারা বেগম মেম্বার, আড়াইহাজার পৌর মহিলা দলের সভাপতি মাসুদা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক মাছুমা বেগম, সরকারি সফর আলী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক খোরশেদ আলম, আড়াইহাজার উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাহজালাল, নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামা দলের প্রচার সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ, আড়াইহাজার উপজেলা জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত জিকু, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাসাসের মহিলা সম্পাদিকা সুফিয়া বেগম, আড়াইহাজার পৌর জাসাস এর সিনিয়র সহ সভাপতি তাহের আলী, আড়াইহাজার উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাবেক আহবায়ক শিকদার আলী, নারায়ণগঞ্জ জেলা জিয়া মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত সিদ্দিক, আড়াইহাজার উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, আড়াইহাজার উপজেলা জিসাস এর সভাপতি শাহাদাত হোসেন বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মিয়া ও বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উক্ত ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিকামনায় মোনাজাত করা হয়।

তালতলা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ ফেরদৌস ও এ এস আই আলামিন এর বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার বরাবর অভিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
তালতলা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ ফেরদৌস ও এ এস আই আলামিন এর বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার বরাবর অভিয়োগ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার তালতলা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মোঃ ফেরদৌস ও এ এস আই মোঃ আলামিন এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মাসুম।গত (২ই ফেব্রুয়ারি)রোজ বৃহস্পতিবার এ অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, জনাব, যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মাসুম (৩০), পিতা- আলী, মাতা- মোসাঃ বেবী বেগম, সাং- ব্রাহ্মন বাওগাঁ, ডাকঘর- মহজমপুর- ১৪৪০, থানা- সোনারগাঁও, জেলা- নারায়ণগঞ্জ আপনার কার্যালয়ে উপস্থিত হইয়া বিবাদী ১) মোঃ ফেরদৌস, তালতলা পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ, ২) মোঃ আলামিন, তালতলা পুলিশ ফাড়ীর এ.এস.আই-দের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সহিত ব্যবসা পরিচালনা করিয়া আসিতেছি এবং জামপুর ইউনিয়নের যুবদলের ইউনিয়ন সেক্রেটারী পদপ্রার্থী। গত ১৭/০২/২০২৫ ইং তারিখে একটি ব্যাটারী চুরিকে কেন্দ্র করে তালতলা পুলিশ ফাঁড়ীর এ.এস.আই আলামিন রাত্র আনুমানিক ১১.০০ ঘটিকার সময় ১ জনকে হাতেনাতে বাটারী সহ ধৃত করেন এবং তাহার সঙ্গীয় আরও ২ জনকে পরবর্তীতে গ্রেফতার করিয়া ফাঁড়িতে নিলে, আমি উক্ত ঘটনার বিষয়ে অবগত হইয়া থানায় উপরোক্ত বিষয়ে উক্ত বিবাদীদ্বয়কে শুধু জিজ্ঞাসা করেছি যে, মামলার আসামী কয়জন তখন বিবাদীদ্বয় বলে যে, আসামী ৩ জন।

পরবর্তীতে আমি আসামীর লিষ্ট গুলো দেখিয়া বলি যে, আপনারা শুধু ২ জন আসামী রেখেছেন আরেক জন আসামী কোথায়? তখন উক্ত ১নং বিবাদী আমার কথায় কোন প্রকার জবাব প্রদান না করিয়া আমাকে হুমকি ধমকি প্রদান করে। তখন আমি খোঁজ নিয়া জানিতে পারি যে, উক্ত ১ ও ২ বা পরস্পর যোগসাজসে আওয়ামী দালাল চক্রের লোকদের নিকট হইতে ৭০,০০০/- (সত্তর হাজার) টাকা গ্রহণ করে উক্ত ব্যাটারী চুরির মূল আসামীকে ছেড়ে দেয়। তখন আমি এই বিষয়ে বিবাদীদেরকে বলি যে, আপনারা উক্ত ব্যাটারী চুরির মূল আসামীকে কেন ছেড়ে দিলেন? তখন এই কথা বলার পর উক্ত বিবাদীদ্বয় আমাকে উপস্থিত সকলের সামনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিয়া হুমকি দেয় যে, আমাকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলের ভাত খাওয়াইবে।

তখন আমি উক্ত ফাঁড়ি ত্যাগ করে চলে আসি। পরবর্তীতে উক্ত ব্যাটারী চুরির ঘটনায় ২ জন আসামীকে কোর্টে প্রেরণ করিলে, অত্র ব্যাটারী চুরির অভিযোগকারী/বাদী কোর্টে এসে দেখিতে পায় যে, ৩নং আসামী আমাকে করা হইয়াছে। তখন বাদী/অভিযোগকারী আমার সাথে যোগাযোগ করিয়া আমাকে উক্ত বিষয়ে অবগত করান এবং বলে যে, তাহার স্বাক্ষর এজাহার দায়েরের পূর্বে সাদা কাগজে নিয়েছে এবং স্বাক্ষর না দিলে ব্যাটারী ফেরৎ দিবে না বলিয়া উক্ত অভিযোগকারী/বাদীকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করাতে বাধ্য করেন এবং উক্ত এজাহারে উক্ত বিবাদীয় সুকৌশলে অভিযোগকারী/বাদীর অজ্ঞাতসারে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করিয়া দিয়াছে। মূলত উক্ত ব্যাটারী চুরির অভিযোগকারী/বাদী আমাকে চিনেন না এবং সে আমার বিরুদ্ধে কোন প্রকার অভিযোগ দায়ের করেন নাই। যাহা অভিযোগকারী/বাদীর অডিও রেকর্ডীং রহিয়াছে এবং প্রয়োজনে সে সাক্ষাতেও যেখানে যাওয়ার প্রয়োজন তাহা করিতে ইচ্ছুক রহিয়াছে এবং অত্র বিবাদীদ্বয় প্রতিনিয়ত আমাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।অতএব মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন মহোদয় যেন, আমার উক্ত অভিযোগ আমলে নিয়ে উক্ত বিবাদীদ্বয়ের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিয়া আমাকে সোনারগাঁও থানার মামলা – ২২ (২) ২০২৫ মামলা হইতে অব্যাহতি/খালাস প্রদানের আদেশ দিলে, মহোদয়ের নিকট চির কৃতজ্ঞ ।