খুঁজুন

নারায়ণগঞ্জে জনজীবনের সংকট ও সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
নারায়ণগঞ্জে জনজীবনের সংকট ও সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার।

 

আজ ১১ মার্চ (বুধবার) নারায়ণগঞ্জ ক্লাব অডিটোরিয়ামে মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে “আমার নারায়ণগঞ্জ” প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জে জনজীবনের সংকট ও সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। নগর ও বন্দরের সামগ্রিক উন্নয়ন, জনজীবনের বিভিন্ন সংকট নিরসন এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এই আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মাসুদুজ্জামান। বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ নারায়ণগঞ্জ বাংলাদেশের শিল্প, বাণিজ্য ও নৌ যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। তিনি বলেন, “সারা পৃথিবীর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের সুনাম রয়েছে। অথচ এই শহর আজ খুন, সন্ত্রাস ও মাদকের ভয়াবহ সমস্যায় আক্রান্ত।” তিনি অভিযোগ করে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হলেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা দেখা যায় না।
তিনি বলেন, “কোনো এক অজানা কারণে পুলিশ প্রশাসন অনেক সময় অপরাধীদের ধরে না। এতে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এমনটাও হতে পারে যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপরাধের সঙ্গে পুলিশ নিজেই জড়িত থাকতে পারে, যার কারণে চিহ্নিত আসামিকেও গ্রেপ্তার করা হয় না।” এ সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি তাদের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বক্তব্যে তিনি নারায়ণগঞ্জ নগর ও বন্দরের যোগাযোগ ব্যবস্থা, যানজট এবং নগর ব্যবস্থাপনার নানা সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন যানজট ও অপরিকল্পিত অবকাঠামোর কারণে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, সমন্বিত উদ্যোগ এবং প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।
“আমার নারায়ণগঞ্জ” প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে মাসুদুজ্জামান বলেন, “নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এখানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। কিন্তু দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার জন্য একটি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।” তিনি বলেন, “আমার নারায়ণগঞ্জ সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করতে চায়। এই প্ল্যাটফর্মের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একত্রিত করে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা।

জাহিদুল হক দিপুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আব্দুল্লাহ আল আমিন, সন্ত্রাসবিরোধী ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সেক্রেটারি দিনা তাজরিন, বিশিষ্ট শিল্পপতি ফজলুল হক, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ এনসিপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলন এবং জমিয়তে ইসলামের বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং নারায়ণগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক নিরাপত্তা ও জনজীবনের সমস্যাগুলো সমাধানে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি এবং নারায়ণগঞ্জের শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের সম্মানে ইফতার পরিবেশন করা হয়।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি ইতিবাচক জনমত তৈরি হবে এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি উন্নত, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

 

এ বছরেই অনুষ্ঠিত হতে পারে স্থানীয় নির্বাচন। এমন খবরে গিরগিটির মতো রং বদলে ফ্যাসিস্ট খ্যাত আওয়ামীলীগ’ কে পল্টি মেরে চেয়ারম্যান হওয়ার খায়েশে হঠাৎ আত্বঃপ্রকাশ করল এখলাস উদ্দিন লিটন নামে এক আওয়ামীলীগ দোসর।আর এমন খবরে তৃণমূলে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা।

জানাগেছে, আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হাইজাদী ইউনিয়নের ধন্দী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাইজাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যকরী সসদ্য ছিলেন।ছিলেন স্থানীয় সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ঘনিষ্ঠজন হিসেবে সুপরিচিত । আওয়ামীলীগের একাধিক নেতার সঙ্গে তার বেশ সঙ্গতা থাকলেও বিএনপি ক্ষমতা আসার পর স্থানীয় বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতাকে ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে আছেন নিজ গ্রামে।দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের স্বাদ গ্রহন করে আসলেও সম্প্রতি বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ও বিএনপি নামধারী কিছু নেতার প্রশ্রয়ে এই লিটন বিএনপির সুরে কথা বলছেন। আসলে তিনি হয়তো জানেন না কাক কখনো ময়ূর হতে পারেনা।

তৃণমূল জানায়, লিটনকে মাঠে নামিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন একটি কুচক্রীমহল। তিনি হয়তো শিক্ষিত হতে পারেন কিন্তু অনেকটা গর্দব টাইপের।নতুবা সারা বিশ্ব যেখানে জানেন আওয়ামীলীগ একটি নিষিদ্ধদল। আওয়ামীলীগের দলীয় কোন পদ থাকাকালীন তিনি কোন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না এটা তার বোধগম্য থাকা জরুরী ছিল।লিটনকে কোরবানি দেয়ার জন্যই হয়তো কুচক্রীমহল তাকে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে ওঠেছেন।তৃণমূল বলেন লিটন যদি গর্দব না হতেন, তাহলে আওয়ামীলীগ আমলে লিটনের নিজ গ্রাম ধন্দী হতে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর আত্বঃপ্রকাশের শেষ পরিনিতি কি ছিল তা থেকে তার শিক্ষা নেয়া উচিৎ ছিল। সাবেক এমপি বাবু প্রিন্সকে বলির পাঠা বানিয়ে চড়া দাম তুলে পকেট ভারী করেন।সবশেষ প্রিন্স হয়ে যান টিস্যু পেপারের ন্যায়।তৃণমূল বলেন আমরা মূলত চাই না লিটন তেমন হউক কিছু অতি উৎসাহী ও বিএনপি নামধারী নেতার মিষ্টি মধুর কথায়।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, যদি কোন বিএনপি নামধারী নেতা আওয়ামীলীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে আমরা তৃণমূল বিএনপি তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিব।কোন আওয়ামী লীগের দোসর হাইজাদীর মাঠে গর্জে ওঠার চেষ্টা করলে ধুমরে মুচড়ে দেয়া হবে।বিএনপির দুঃসময়ে একদিনের জন্য যাকে দেখা যায়নি রাজপথে। ছিলেন বিএনপিকে দমন করার জন্য আওয়ামীলীগের দোসরদের সঙ্গী হয়ে।রাজনীতির মাঠে অপরিচিত মুখ হিসেবে খ্যাত ফ্যাসিস্ট আমলের এই কথিত নেতা ভোটের মাঠে জিরো ট্রলারেন্সে থাকলেও সাজতে চাচ্ছেন হিরু।আমরা এমনটা হতে দিব না।

এদিকে বিএনপির দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেখানে আওয়ামী লীগের কোনো দোসর বা সুবিধাভোগী যাতে স্থানীয় সরকারসহ (ইউনিয়ন বা উপজেলা) কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টা না করতে পারে, সে বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে এখন থেকেই চরম সতর্ক অবস্থানে থাকার আহব্বান জানিয়ে যাচ্ছেন। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলের দোসরদের যেকোনো মূল্যে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিহত করার আহব্বান জানান।অথচ সেখানে বিএনপির নামধারী গুটিকয়েক নেতা আওয়ামী লীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নোংরা খেলায় মেতে ওঠার চেষ্টা করছেন।এবিষয়ে আমরা অবশ্যই তারেক রহমানকে লিখিতভাবে অবগত করব বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা।

 

 

দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

 

আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: সুমন মিয়া। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা, কারানির্যাতিত এই রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সফল সভাপতি আড়াইহাজার উপজেলা তারেক জিয়া প্রজন্মদল ও সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক দুপ্তারা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকদল মো: সুমন মিয়া জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার দুপ্তারা ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৩নং ওয়ার্ডের সত্যবান্দী গ্রামের কৃতি সন্তান মো: সুমন মিয়া। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি & নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৩নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা।বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: সুমন মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মেম্বার পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বেশ আলোচনায় রয়েছেন মাহমুদপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও শ্রীনিবারদী গ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ রুবেল শিকারী।

রুবেল শিকারী আগামী ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং তাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনছেন। পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষা ও জনসেবার মানোন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে যাচ্ছেন।

মোঃ রুবেল শিকারী বলেন, জনগণের সমর্থন ও দোয়া পেলে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। আগামী নির্বাচনে ওয়ার্ডবাসী আমার উপর আস্থা রাখলে উন্নয়ন ও সেবাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ সময় তিনি ওয়ার্ডবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

 

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ। দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী। ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।। আল আমিন মোল্লা হাইজাদী ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় মোঃ শাহজালাল মিয়া।