খুঁজুন

মাকসুদের প্রচারণায় কালাম সমর্থকদের বাধা।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ
মাকসুদের প্রচারণায় কালাম সমর্থকদের বাধা।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের সমর্থকদের বিরুদ্ধে প্রচারণা কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন।

মাকসুদের অভিযোগ, তার কর্মীরা প্রচারণার জন্য বিলবোর্ড লাগাতে গেলে কালাম সমর্থকরা বাধা দেন। গণসংযোগে ‘সন্ত্রাসী কায়দায়’ বাধা দিয়ে প্রচারপত্র বিলি করতে দেয়নি। এমনকি ভবিষ্যতেও গণসংযোগ করতে দিবে না বলে হুমকি দেয়।

এ বিষয়ে মাকসুদের স্ত্রী ও নির্বাচনি এজেন্ট মোসা. নার্গিস আক্তার সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন।

অভিযোগে নার্গিস বলেন, গত ২৩ জানুয়ারি ভোরে বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিলবোর্ড স্থাপন করতে গেলে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আবুল কালামের লোকজন বাধা দেয় এবং মারমুখী আচরণ করে। এতে সেখানে বিলবোর্ড স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

পরে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ২২ নম্বর ওয়ার্ডের আমিন আবাসিক এলাকাতেও গণসংযোগকালে একই প্রার্থীর সমর্থকদের বাধার মুখে পড়েন নার্গিস।

“আমি পথচারীদের মাঝে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে গণসংযোগ করতে গেলে আমাকে প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের লোকজন সন্ত্রাসী কায়দায় বাধা দিয়ে কর্মসূচি পন্ড করে দেয়। এবং সেখানে আর কোনোদিন গণসংযোগ করতে দিবে বলেও হুমকি দেয়”, উল্লেখ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর স্ত্রী।

শুক্রবার প্রচারণায় বাধা দেওয়া একটি ভিডিও-ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণার সময় রিকশায় বসা মো. সজীব নামে এক যুবক তার অনুসারীদের গণসংযোগ বন্ধ করে দিতে নির্দেশনা দিতে শোনা যায়।

এ সময় হুমায়ূন কবির নামে এক যুবক গাড়িতে বসা নার্গিস আক্তারকে হুমকি দিয়ে বলেন, “এই এরিয়াতে ঢুকছেন কেন? এদিকে আর ঢুকবেন না। একেবারে খাইয়া লামু শালারা, যাহ!”

নার্গিস বলেন, হুমায়ূন কবির বন্দর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সজীবও যুবদলের কর্মী। তারা দু’জনই আবুল কালামের অনুসারী।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে আবুল কালামের ছেলে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা বলেন, “মাকসুদ হোসেনের পতিত ফ্যাসিস্টের সহযোগী। তার প্রতি স্থানীয় মানুষের অনেক ক্ষোভ রয়েছে, সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কিন্তু এই ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে বিএনপি প্রার্থীর কোনো যোগাযোগ নেই। এটা যারা করেছেন তা তাদের নিজস্ব ব্যক্তিগত জায়গা থেকে করেছেন।”

জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিবানি সরকার বলেন, “আমার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে। যদিও যে ওয়ার্ডে ঘটনাটি ঘটেছে তা আমার দায়িত্বে না। কিন্তু আমি বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অফিসিয়ালি জানিয়েছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে বিএনপির একাংশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুনকা পাঠাগার মিলনায়তনে বিএনপির এক সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সভায় আতাউর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, যাকে তিনি একসময় পিতৃতুল্য ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেছেন এবং যার সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষে ওসমান পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনীতি করেছেন, সেই ব্যক্তি সুদিনে তাকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

মুকুলের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন আজ তাদের মধ্যে এমন দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টি হলো?

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আতাউর রহমান মুকুল দীর্ঘদিন আবুল কালামের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আবুল কালামের হাত ধরেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তাদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন, আবুল কালাম রাজনৈতিকভাবে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করলেও প্রয়োজন ও স্বার্থের পরিবর্তনে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও আবুল কালামের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক ছিল। প্রকাশ্যে এক পক্ষের পক্ষে অবস্থান দেখালেও আড়ালে অন্য পক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। একই ধরনের রাজনৈতিক কৌশল ও দ্বিমুখী অবস্থানের অভিযোগ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনায় উঠেছে বলে দাবি করছেন তার সমালোচকরা।

তাদের ভাষ্য, আবুল কালাম বাইরে থেকে অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কোন্দল এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুকুলের মতো দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে একসময় যারা একই রাজনৈতিক বলয়ে ছিলেন, তাদের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে দলীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ধারাবাহিক নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দলের নীতি-নির্ধারকেরা সর্বসম্মতভাবে তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের জন্য মনোনীত করেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারক ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নের খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রবীণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিককে এই পদে বেছে নেওয়া বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ