ফের আজমেরী আতংকে বন্দরবাসী!
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নারায়ণগঞ্জ -৫ (সদর- বন্দর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন এডভোকেট আবুল কালাম।তারই পুত্র আবুল কাউছার আশা।যিনি সদর- বন্দরবাসীর কাছে সাবেক এমপি সেলিম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে বেশি পরিচত।ওসমানদের সাথে ঘনিষ্টতার সুবাদে বিগতদিনে হয়েছিলেন কাউন্সিলর।কিন্তু ৫ আগষ্টের পর রাজনীতির পট পরিবর্তন হলে বিএনপির ব্যানারে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করে এই আশা। যার বিরুদ্ধে রয়েছে জমি দখল, বালুর জাহাজ থেকে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, শীর্ষ চাঁদাবাজদের নিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ। এমন কু-কর্মের কারনে দল থেকে বহিষ্কারও করা হয় এর আগে। বিভিন্ন তদবির বানিজ্য করে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করিয়ে নিলেও পিতার নমিনেশনকে কেন্দ্র করে গড়ে তুলেছে নব্যসন্ত্রাসী বাহিনী। সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর মিলাদ মাহফিলের নামে বিভিন্ন জায়গায় থেকে ব্যাবসায়ী এবং কর্মজীবীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে মোটা অংকের চাঁদা। তথাকথিত ইজারাদারের নামে অটোরিকশা ইজিবাইক থেকে প্রতিদিন চাঁদা তুলে আশার সন্ত্রাসী বাহিনীরা।স্থানীয় জনগণ বলছে ,এ যেনো আরেক ওসমান সাম্রাজ্য! ক্ষমতায় না আসতেই বন্দর ও সদর বাসীর মধ্যে আতংক বিরাজ করছে আশার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে।তৃণমূলের ভাষ্যমতে, কালাম যদি নির্বাচিত হয় তাহলে নারায়ণগঞ্জ সদর –বন্দরবাসী পাবে আরেক আজমেরী ওসমান।
এদিকে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সৎ ও আদর্শবান ব্যক্তিকে নির্বাচিত করবেন। এমন কাউকে নির্বাচন করবেন, যে জনপ্রতিনিধি জনগণের স্বার্থে কাজ করবে এবং কোন সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজি কর্মকান্ডের মাধ্যমে সদর ও বন্দরকে নরকে পরিনত করবে না।
অন্যদিকে, এমপি প্রার্থী আবুল কালামের ছেলে আশার কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জনগণের মাঝে বিরাজ করছে আতংক। বাবা এমপি হওয়ার আগেই ছেলে আশার এমন কর্মকান্ডে স্থানীয় সাধারন মানুষের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে সদর ও বন্দরে আরেক ওসমান সাম্রাজ্য গড়ার নিল নকশা।অনেকে মনে করছেন পিতা শুধু নামেই এমপি থাকবে মুলত সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে তার ছেলে আশা। বন্দরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন, ইতিমধ্যে আশার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুধু বন্দরবাসী দেখেছেন, সদরে গিয়ে এখনো পৌছেনি। তার পিতা নির্বাচিত হলে বুঝা যাবে কত ধানে কত চাল। শীর্ষ সন্ত্রাসী আজমীর ওসমানের পথেই হাঁটবে আশা এমনটাই স্বাভাবিকভাবে মনে করেছেন স্থানীয় ভোটাররা।তাছাড়া নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা আওয়ামীলীগের সকল সন্ত্রাসীদের নিয়ে আশার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী একত্রে হওয়ায় জনগণের মাঝে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ আতঙ্ক। তাই আগামী নির্বাচনে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোন সন্ত্রাসী বাহিনীকে নির্বাচিত করবে না বলেও জানান তৃণমূল।


আপনার মতামত লিখুন