খুঁজুন

ফের আজমেরী আতংকে বন্দরবাসী!

বন্দর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
ফের আজমেরী আতংকে বন্দরবাসী!

 

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নারায়ণগঞ্জ -৫ (সদর- বন্দর)  আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন এডভোকেট আবুল কালাম।তারই পুত্র আবুল কাউছার আশা।যিনি সদর- বন্দরবাসীর কাছে সাবেক এমপি সেলিম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে বেশি পরিচত।ওসমানদের সাথে ঘনিষ্টতার সুবাদে বিগতদিনে হয়েছিলেন কাউন্সিলর।কিন্তু ৫ আগষ্টের পর রাজনীতির পট পরিবর্তন হলে বিএনপির ব্যানারে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করে এই আশা। যার বিরুদ্ধে রয়েছে জমি দখল, বালুর জাহাজ থেকে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, শীর্ষ চাঁদাবাজদের নিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ। এমন কু-কর্মের কারনে দল থেকে বহিষ্কারও করা হয় এর আগে। বিভিন্ন তদবির বানিজ্য করে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করিয়ে নিলেও পিতার নমিনেশনকে কেন্দ্র করে গড়ে তুলেছে নব্যসন্ত্রাসী বাহিনী। সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর মিলাদ মাহফিলের নামে বিভিন্ন জায়গায় থেকে ব্যাবসায়ী এবং কর্মজীবীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে মোটা অংকের চাঁদা। তথাকথিত ইজারাদারের নামে অটোরিকশা ইজিবাইক থেকে প্রতিদিন চাঁদা তুলে আশার সন্ত্রাসী বাহিনীরা।স্থানীয় জনগণ বলছে ,এ যেনো আরেক ওসমান সাম্রাজ্য! ক্ষমতায় না আসতেই বন্দর ও সদর বাসীর মধ্যে আতংক বিরাজ করছে আশার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে।তৃণমূলের ভাষ্যমতে, কালাম যদি নির্বাচিত হয় তাহলে নারায়ণগঞ্জ সদর –বন্দরবাসী পাবে আরেক আজমেরী ওসমান।

এদিকে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সৎ ও আদর্শবান ব্যক্তিকে নির্বাচিত করবেন। এমন কাউকে নির্বাচন করবেন, যে জনপ্রতিনিধি জনগণের স্বার্থে কাজ করবে এবং কোন সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজি কর্মকান্ডের মাধ্যমে সদর ও বন্দরকে নরকে পরিনত করবে না।

অন্যদিকে, এমপি প্রার্থী আবুল কালামের ছেলে আশার কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জনগণের মাঝে বিরাজ করছে আতংক। বাবা এমপি হওয়ার আগেই ছেলে আশার এমন কর্মকান্ডে স্থানীয় সাধারন মানুষের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে সদর ও বন্দরে আরেক ওসমান সাম্রাজ্য গড়ার নিল নকশা।অনেকে মনে করছেন পিতা শুধু নামেই এমপি থাকবে মুলত সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে তার ছেলে আশা। বন্দরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন, ইতিমধ্যে আশার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুধু বন্দরবাসী দেখেছেন, সদরে গিয়ে এখনো পৌছেনি। তার পিতা নির্বাচিত হলে বুঝা যাবে কত ধানে কত চাল। শীর্ষ সন্ত্রাসী আজমীর ওসমানের পথেই হাঁটবে আশা এমনটাই স্বাভাবিকভাবে মনে করেছেন স্থানীয় ভোটাররা।তাছাড়া  নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা আওয়ামীলীগের সকল সন্ত্রাসীদের নিয়ে আশার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী একত্রে হওয়ায় জনগণের মাঝে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ আতঙ্ক। তাই আগামী নির্বাচনে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোন সন্ত্রাসী বাহিনীকে নির্বাচিত করবে না বলেও জানান তৃণমূল।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে বিএনপির একাংশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুনকা পাঠাগার মিলনায়তনে বিএনপির এক সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সভায় আতাউর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, যাকে তিনি একসময় পিতৃতুল্য ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেছেন এবং যার সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষে ওসমান পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনীতি করেছেন, সেই ব্যক্তি সুদিনে তাকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

মুকুলের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন আজ তাদের মধ্যে এমন দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টি হলো?

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আতাউর রহমান মুকুল দীর্ঘদিন আবুল কালামের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আবুল কালামের হাত ধরেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তাদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন, আবুল কালাম রাজনৈতিকভাবে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করলেও প্রয়োজন ও স্বার্থের পরিবর্তনে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও আবুল কালামের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক ছিল। প্রকাশ্যে এক পক্ষের পক্ষে অবস্থান দেখালেও আড়ালে অন্য পক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। একই ধরনের রাজনৈতিক কৌশল ও দ্বিমুখী অবস্থানের অভিযোগ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনায় উঠেছে বলে দাবি করছেন তার সমালোচকরা।

তাদের ভাষ্য, আবুল কালাম বাইরে থেকে অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কোন্দল এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুকুলের মতো দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে একসময় যারা একই রাজনৈতিক বলয়ে ছিলেন, তাদের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে দলীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ধারাবাহিক নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দলের নীতি-নির্ধারকেরা সর্বসম্মতভাবে তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের জন্য মনোনীত করেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারক ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নের খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রবীণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিককে এই পদে বেছে নেওয়া বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ