রাকিবের কারিশমায় ঐক্যবদ্ধ আড়াইহাজার বিএনপি।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ কোন্দল ক্রমেই প্রখর আকার ধারণ করছিল।এমন সময় চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার পর দেবদূতের ন্যায় মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের ক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকদের এক মোহনায় ভিড়তে ও ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে মিশনে নামেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদের সহোদর রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন চারজন নেতা। শেষ পর্যন্ত বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদকে মনোনয়ন দেওয়া হলে বাকি তিন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এ নিয়ে একাধিক কর্মসূচিও পালিত হয়।দেখা দেয় দলের মধ্যে অনৈক্য। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের কর্মী, সমর্থকদের ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামাতে কাজ হাতে নেন রাকিব।
জানা যায় রাকিবুল ইসলাম রাকিব সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এলাকায় অবস্থান করে মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ শুরু করেন। ব্যক্তিগতভাবে তাদের বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন এবং দীর্ঘদিনের জমে থাকা মান-অভিমান দূর করার চেষ্টা করেন। তার ভদ্র আচরণ, ধৈর্য ও আন্তরিকতায় ক্রমেই বিভিন্ন বলয়ের নেতাকর্মীরা ধীরে ধীরে এক মোহনায় ভিড়তে শুরু করেছেন এবং ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করার অঙ্গীকার করছেন।
মনোনয়নবঞ্চিত বিভিন্ন বলয়ের নেতারাও জানান, আগে মতভেদ থাকলেও এখন দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন। মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, মনোনয়নকে কেন্দ্র করে মতভেদ থাকাটা বড় দলে স্বাভাবিক। তবে শেষ পর্যন্ত সবাই দলের প্রতীক ধানের শীষের পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ থাকে। ঐক্যবদ্ধ বিএনপিকে এই আসনে পরাজিত করা কঠিন।
রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, সাময়িক মান-অভিমান ভুলে নেতাকর্মীরা আবার একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে তৃণমূল পর্যায়ে দলের শক্তি আরও বেড়েছে এবং ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয়ের লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন।


আপনার মতামত লিখুন