খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দোয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দোয়া

 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি নেতা, সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন গণতন্ত্রের অতন্দ্রপ্রহরী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় আজ ৪ জানুয়ারি ২০২৬ নারায়ণগঞ্জের বরফকল মাঠে দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজসেবক, ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও খাতমের মাধ্যমে মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিতদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। দোয়া মাহফিলে মরহুমার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর আপসহীন ভূমিকা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

এসময় মাসুদুজ্জামান বলেন, “দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নির্যাতিত, আপসহীন ও সাহসী জননেত্রী, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকাল জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি ছিলেন এমন একজন নেতৃত্বের প্রতীক, যিনি স্বামী, সন্তান ও নিজের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হারানোর গভীর বেদনা বুকে ধারণ করেও কখনো স্বৈরাচারী শক্তির কাছে মাথা নত করেননি। নির্যাতন, শোষণ ও সীমাহীন বাধার মধ্যেও তিনি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে আজীবন ছিলেন অবিচল। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল ত্যাগ, সংগ্রাম ও আপসহীনতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজ শুধু বিএনপির নেতাকর্মীরাই নয়, দেশের সর্বস্তরের মানুষ গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করছে এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে। আমরা মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন এবং তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা সবাই যেন দেশের গণতান্ত্রিক মুক্তি, ন্যায় ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে পারি। পাশাপাশি আমি ব্যক্তিগতভাবে বলছি, আমার জীবনের প্রথম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং আমৃত্যু এই দলের সাথেই আছি। অনুরোধ রইল, আমার নির্বাচন করা থেকে দল ও দেশের স্বার্থে সরে দাঁড়ানো নিয়ে কেউ আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি আগে যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব।”

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মাহানগর বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, আনোয়ার হোসেন আনু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য হাজী ফারুক হোসেন, মোঃ আলমগীর হোসেন, মনোয়ার হোসেন শোখন, সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু, মাহাবুব উল্লাহ তপন, সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, বন্দর উপজেলা বিএনপি সভাপতি হিরণ, যুবদল সভাপতি মনিরুল ইসলাম সজল, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহেদ আহম্মেদ, কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বান, আমলাপাড়া পঞ্চায়েত কামিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম সরদার, মহিলা দলের সভাপতি দিলারা মাসুদ ময়নাসহ সকল বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দরা। এছাড়াও আজকের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মহিলদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

আয়োজনটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। শেষে মরহুমা কোম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকার জন্য দোয়া করা হয়।

আয়োজকরা জানান, দেশনেত্রীর আদর্শ ও ত্যাগকে ধারণ করে ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র, ন্যায় ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

ফতুল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

 

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ–৪ (ফতুল্লা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যকর আলোচনা চলছে। বিএনপির দুই হেভিওয়েট বহিষ্কৃত নেতা গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমকে ঘিরে নির্বাচনী সমঝোতার গুঞ্জনে সরগরম হয়ে উঠেছে এলাকা।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে অতীতে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকলেও এবারের নির্বাচনে এই দুই নেতাকে নিয়ে ভিন্ন হিসাব-নিকাশ করছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমের মধ্যে যেকোনো একজন অপরজনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে থাকবেন। এতে করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্য মাঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা সহজ হবে বলে মনে করছেন তারা।

নেতাকর্মীদের দাবি, একই ঘরানার একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে ফতুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিভক্তি হলে বিএনপির জন্য তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। সে কারণে বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে একজনকে সামনে রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানাচ্ছেন তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকরা।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলম—উভয়েরই ফতুল্লায় নিজস্ব ভোটব্যাংক ও প্রভাব রয়েছে। সমঝোতার মাধ্যমে একজন সরে দাঁড়ালে বিএনপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন কিংবা শাহ আলমের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহল ধারণা করছে, নির্বাচনী প্রচারনা চলাকালীন সময়ে এই সমঝোতা নিয়ে আরও স্পষ্ট বার্তা আসতে পারে।

ফতুল্লার রাজনীতিতে এই গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত বাস্তবতায় রূপ নেয় কি না, সে দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক অঙ্গনের।

 

বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন রেজাউল করিম, আতাউর রহমান আঙ্গুর ও মো. দুলাল। নারায়ণগঞ্জের তিনটি আসনে দলীয় প্রার্থী থাকলেও তারা বিদ্রোহ করেছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তিন নেতাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো জানানো হয়।

গত বুধবার মনোনয়নপত্রের শেষদিনেও তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি জানিয়েছে, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার জন্য তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের এ তিন নেতা ছাড়াও টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদীরও ছয় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রেজাউল করিম বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও দুলাল হোসেন জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন।

আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

 

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রসঙ্গ- আওয়ামী লীগের ভোট।  বিগত নির্বাচনগুলোর পরিসংখ্যান বলছে, এ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের একটি বড় ভোটব্যাংক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে দলটির পতনের পর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে পারা- সব মিলিয়ে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অনুপস্থিতি এখন বাস্তবতা। শীর্ষ নেতাদের বেশিরভাগ আত্মগোপনে আছেন, অনেকে আবার জেলে আছেন। তবে এ আসনের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থক এখনো একটি বড় ফ্যাক্টর। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে- আওয়ামী লীগের এই ভোটগুলো কোথায় যাবে নাকি কর্মী-সমর্থকরা ভোট বর্জন করবেন?

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম বাবু জয় পান। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি সংসদ নির্বাচনেই এ আসনে  ধারাবাহিকতাভাবে জয় পান আওয়ামী লীগ।যদিও এ তিনটি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, ভোট জালিয়াতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের অভিযোগ ওঠে। এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হলেও প্রকৃত ভোটের পরিমাণ ও জনসমর্থনের হিসাব প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

বিপরীতে ১৯৯১ থেকে ২০০৭ সালের তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ন এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২ থেকে ৬৭ শতাংশের মধ্যে। ওই সময় আওয়ামী লীগ গড়ে ২০ থেকে ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যা থেকে বোঝা যায়- উপজেলায় দলটির একটি স্থায়ী ভোটব্যাংক বরাবরই বিদ্যমান ।

আওয়ামীলীগের দলের পতনের পর ভোটারদের একটি বড় অংশ রাজনৈতিকভাবে ‘নিরব অবস্থানে চলে গেছে। দলের নিষিদ্ধ অবস্থান ও নেতৃত্ব-শূণ্যতায় একটি বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও ধারণা করছেন কেউ কেউ।এ সমীকরণ নজরে রাখছেন আসনগুলোতে ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো প্রভাবশালী প্রার্থীরাও। তারা আওয়ামী লীগের ভোটগুলো নিজেদের পক্ষে নিতে নানা কৌশলও ইতোমধ্যে নিয়ে রেখেছেন। একাধিক প্রার্থীর ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে আওয়ামী লীগের কাউকে গ্রেপ্তার না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান সেই কৌশলের দিকেই আলোকপাত করে।সব মিলিয়ে  আওয়ামী লীগের ভোট একক কোনো রাজনৈতিক শক্তির দিকে একত্রে যাবে- এমন সম্ভাবনা কম। বরং এই ভোট ভাঙবে, ছড়িয়ে পড়বে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরব থাকবে। এই ছড়ানো ভোটই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল নির্ধারণে ‘নিরব নিয়ামক’ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

 

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস। বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল। আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?” ধানের শীষ প্রতীকে মাঠে নামছেন আজাদ। আড়াইহাজারে কলেজ ছাত্রকে বহিস্কার।