খুঁজুন

খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দোয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দোয়া

 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি নেতা, সমাজসেবক ও ক্রীড়া সংগঠক মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন গণতন্ত্রের অতন্দ্রপ্রহরী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় আজ ৪ জানুয়ারি ২০২৬ নারায়ণগঞ্জের বরফকল মাঠে দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজসেবক, ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও খাতমের মাধ্যমে মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিতদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। দোয়া মাহফিলে মরহুমার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর আপসহীন ভূমিকা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

এসময় মাসুদুজ্জামান বলেন, “দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নির্যাতিত, আপসহীন ও সাহসী জননেত্রী, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকাল জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি ছিলেন এমন একজন নেতৃত্বের প্রতীক, যিনি স্বামী, সন্তান ও নিজের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হারানোর গভীর বেদনা বুকে ধারণ করেও কখনো স্বৈরাচারী শক্তির কাছে মাথা নত করেননি। নির্যাতন, শোষণ ও সীমাহীন বাধার মধ্যেও তিনি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে আজীবন ছিলেন অবিচল। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল ত্যাগ, সংগ্রাম ও আপসহীনতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজ শুধু বিএনপির নেতাকর্মীরাই নয়, দেশের সর্বস্তরের মানুষ গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করছে এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে। আমরা মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন এবং তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা সবাই যেন দেশের গণতান্ত্রিক মুক্তি, ন্যায় ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে পারি। পাশাপাশি আমি ব্যক্তিগতভাবে বলছি, আমার জীবনের প্রথম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং আমৃত্যু এই দলের সাথেই আছি। অনুরোধ রইল, আমার নির্বাচন করা থেকে দল ও দেশের স্বার্থে সরে দাঁড়ানো নিয়ে কেউ আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি আগে যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব।”

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মাহানগর বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, আনোয়ার হোসেন আনু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য হাজী ফারুক হোসেন, মোঃ আলমগীর হোসেন, মনোয়ার হোসেন শোখন, সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু, মাহাবুব উল্লাহ তপন, সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, বন্দর উপজেলা বিএনপি সভাপতি হিরণ, যুবদল সভাপতি মনিরুল ইসলাম সজল, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহেদ আহম্মেদ, কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বান, আমলাপাড়া পঞ্চায়েত কামিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম সরদার, মহিলা দলের সভাপতি দিলারা মাসুদ ময়নাসহ সকল বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দরা। এছাড়াও আজকের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মহিলদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

আয়োজনটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। শেষে মরহুমা কোম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকার জন্য দোয়া করা হয়।

আয়োজকরা জানান, দেশনেত্রীর আদর্শ ও ত্যাগকে ধারণ করে ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র, ন্যায় ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

 

এ বছরেই অনুষ্ঠিত হতে পারে স্থানীয় নির্বাচন। এমন খবরে গিরগিটির মতো রং বদলে ফ্যাসিস্ট খ্যাত আওয়ামীলীগ’ কে পল্টি মেরে চেয়ারম্যান হওয়ার খায়েশে হঠাৎ আত্বঃপ্রকাশ করল এখলাস উদ্দিন লিটন নামে এক আওয়ামীলীগ দোসর।আর এমন খবরে তৃণমূলে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা।

জানাগেছে, আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হাইজাদী ইউনিয়নের ধন্দী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাইজাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যকরী সসদ্য ছিলেন।ছিলেন স্থানীয় সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ঘনিষ্ঠজন হিসেবে সুপরিচিত । আওয়ামীলীগের একাধিক নেতার সঙ্গে তার বেশ সঙ্গতা থাকলেও বিএনপি ক্ষমতা আসার পর স্থানীয় বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতাকে ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে আছেন নিজ গ্রামে।দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের স্বাদ গ্রহন করে আসলেও সম্প্রতি বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ও বিএনপি নামধারী কিছু নেতার প্রশ্রয়ে এই লিটন বিএনপির সুরে কথা বলছেন। আসলে তিনি হয়তো জানেন না কাক কখনো ময়ূর হতে পারেনা।

তৃণমূল জানায়, লিটনকে মাঠে নামিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন একটি কুচক্রীমহল। তিনি হয়তো শিক্ষিত হতে পারেন কিন্তু অনেকটা গর্দব টাইপের।নতুবা সারা বিশ্ব যেখানে জানেন আওয়ামীলীগ একটি নিষিদ্ধদল। আওয়ামীলীগের দলীয় কোন পদ থাকাকালীন তিনি কোন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না এটা তার বোধগম্য থাকা জরুরী ছিল।লিটনকে কোরবানি দেয়ার জন্যই হয়তো কুচক্রীমহল তাকে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে ওঠেছেন।তৃণমূল বলেন লিটন যদি গর্দব না হতেন, তাহলে আওয়ামীলীগ আমলে লিটনের নিজ গ্রাম ধন্দী হতে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর আত্বঃপ্রকাশের শেষ পরিনিতি কি ছিল তা থেকে তার শিক্ষা নেয়া উচিৎ ছিল। সাবেক এমপি বাবু প্রিন্সকে বলির পাঠা বানিয়ে চড়া দাম তুলে পকেট ভারী করেন।সবশেষ প্রিন্স হয়ে যান টিস্যু পেপারের ন্যায়।তৃণমূল বলেন আমরা মূলত চাই না লিটন তেমন হউক কিছু অতি উৎসাহী ও বিএনপি নামধারী নেতার মিষ্টি মধুর কথায়।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, যদি কোন বিএনপি নামধারী নেতা আওয়ামীলীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে আমরা তৃণমূল বিএনপি তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিব।কোন আওয়ামী লীগের দোসর হাইজাদীর মাঠে গর্জে ওঠার চেষ্টা করলে ধুমরে মুচড়ে দেয়া হবে।বিএনপির দুঃসময়ে একদিনের জন্য যাকে দেখা যায়নি রাজপথে। ছিলেন বিএনপিকে দমন করার জন্য আওয়ামীলীগের দোসরদের সঙ্গী হয়ে।রাজনীতির মাঠে অপরিচিত মুখ হিসেবে খ্যাত ফ্যাসিস্ট আমলের এই কথিত নেতা ভোটের মাঠে জিরো ট্রলারেন্সে থাকলেও সাজতে চাচ্ছেন হিরু।আমরা এমনটা হতে দিব না।

এদিকে বিএনপির দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেখানে আওয়ামী লীগের কোনো দোসর বা সুবিধাভোগী যাতে স্থানীয় সরকারসহ (ইউনিয়ন বা উপজেলা) কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টা না করতে পারে, সে বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে এখন থেকেই চরম সতর্ক অবস্থানে থাকার আহব্বান জানিয়ে যাচ্ছেন। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলের দোসরদের যেকোনো মূল্যে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিহত করার আহব্বান জানান।অথচ সেখানে বিএনপির নামধারী গুটিকয়েক নেতা আওয়ামী লীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নোংরা খেলায় মেতে ওঠার চেষ্টা করছেন।এবিষয়ে আমরা অবশ্যই তারেক রহমানকে লিখিতভাবে অবগত করব বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা।

 

 

দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

 

আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: সুমন মিয়া। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা, কারানির্যাতিত এই রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সফল সভাপতি আড়াইহাজার উপজেলা তারেক জিয়া প্রজন্মদল ও সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক দুপ্তারা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকদল মো: সুমন মিয়া জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার দুপ্তারা ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৩নং ওয়ার্ডের সত্যবান্দী গ্রামের কৃতি সন্তান মো: সুমন মিয়া। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি & নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৩নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা।বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: সুমন মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মেম্বার পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বেশ আলোচনায় রয়েছেন মাহমুদপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও শ্রীনিবারদী গ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ রুবেল শিকারী।

রুবেল শিকারী আগামী ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং তাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনছেন। পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষা ও জনসেবার মানোন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে যাচ্ছেন।

মোঃ রুবেল শিকারী বলেন, জনগণের সমর্থন ও দোয়া পেলে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। আগামী নির্বাচনে ওয়ার্ডবাসী আমার উপর আস্থা রাখলে উন্নয়ন ও সেবাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ সময় তিনি ওয়ার্ডবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

 

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ। দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী। ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।। আল আমিন মোল্লা হাইজাদী ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় মোঃ শাহজালাল মিয়া।