খুঁজুন

আইভীর ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার কালামের দাপট: নাশকতার আশঙ্কায় স্থানীয়রা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
আইভীর ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার কালামের দাপট: নাশকতার আশঙ্কায় স্থানীয়রা

 

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সাবেক মেয়রের ছত্রছায়ায় আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়া বন্দর থানার বাগবাড়ি এলাকার বিতর্কিত ঠিকাদার ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালামকে নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধিকাংশ নেতাকর্মী আত্মগোপনে থাকলেও কালাম এখনো বেপরোয়া। তার বিরুদ্ধে এলাকায় সহিংসতা উসকে দেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, নাসিকের সাবেক মেয়রের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এই আবুল কালাম গত ১৫ বছরে সিন্ডিকেট ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বন্দরের অসংখ্য উন্নয়নমূলক কাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। কোনো প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন তিনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, মেয়রের বিশেষ আশীর্বাদ থাকায় এলাকায় তাকে কেউ চ্যালেঞ্জ করার সাহস পেত না।

​অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও আবুল কালাম তার ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদী পোস্ট দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পক্ষের ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং পরোক্ষভাবে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এই ধরনের সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে তিনি এলাকায় আবারও ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করতে চাচ্ছেন।

​স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, আবুল কালাম আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত গোপন বৈঠক করছেন। রাতের আঁধারে বিভিন্ন স্থানে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যার মূল উদ্দেশ্য বন্দরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা। গত ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের তৃণমূলের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কোনো বড় ধরনের সহিংসতা ঘটানোর নীল নকশা করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসী আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

​বাগবাড়ি এলাকার বাসিন্দারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “সরকার বদল হলেও কালামের দাপট কমেনি। তিনি এখনো আগের মতোই প্রভাব খাটিয়ে চলছেন এবং সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করছেন। তাকে আইনের আওতায় না আনলে এলাকায় যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।”

​এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বন্দর থানার সাধারণ মানুষ।

 

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

 

এ বছরেই অনুষ্ঠিত হতে পারে স্থানীয় নির্বাচন। এমন খবরে গিরগিটির মতো রং বদলে ফ্যাসিস্ট খ্যাত আওয়ামীলীগ’ কে পল্টি মেরে চেয়ারম্যান হওয়ার খায়েশে হঠাৎ আত্বঃপ্রকাশ করল এখলাস উদ্দিন লিটন নামে এক আওয়ামীলীগ দোসর।আর এমন খবরে তৃণমূলে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা।

জানাগেছে, আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হাইজাদী ইউনিয়নের ধন্দী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাইজাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যকরী সসদ্য ছিলেন।ছিলেন স্থানীয় সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ঘনিষ্ঠজন হিসেবে সুপরিচিত । আওয়ামীলীগের একাধিক নেতার সঙ্গে তার বেশ সঙ্গতা থাকলেও বিএনপি ক্ষমতা আসার পর স্থানীয় বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতাকে ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে আছেন নিজ গ্রামে।দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের স্বাদ গ্রহন করে আসলেও সম্প্রতি বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ও বিএনপি নামধারী কিছু নেতার প্রশ্রয়ে এই লিটন বিএনপির সুরে কথা বলছেন। আসলে তিনি হয়তো জানেন না কাক কখনো ময়ূর হতে পারেনা।

তৃণমূল জানায়, লিটনকে মাঠে নামিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন একটি কুচক্রীমহল। তিনি হয়তো শিক্ষিত হতে পারেন কিন্তু অনেকটা গর্দব টাইপের।নতুবা সারা বিশ্ব যেখানে জানেন আওয়ামীলীগ একটি নিষিদ্ধদল। আওয়ামীলীগের দলীয় কোন পদ থাকাকালীন তিনি কোন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না এটা তার বোধগম্য থাকা জরুরী ছিল।লিটনকে কোরবানি দেয়ার জন্যই হয়তো কুচক্রীমহল তাকে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে ওঠেছেন।তৃণমূল বলেন লিটন যদি গর্দব না হতেন, তাহলে আওয়ামীলীগ আমলে লিটনের নিজ গ্রাম ধন্দী হতে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর আত্বঃপ্রকাশের শেষ পরিনিতি কি ছিল তা থেকে তার শিক্ষা নেয়া উচিৎ ছিল। সাবেক এমপি বাবু প্রিন্সকে বলির পাঠা বানিয়ে চড়া দাম তুলে পকেট ভারী করেন।সবশেষ প্রিন্স হয়ে যান টিস্যু পেপারের ন্যায়।তৃণমূল বলেন আমরা মূলত চাই না লিটন তেমন হউক কিছু অতি উৎসাহী ও বিএনপি নামধারী নেতার মিষ্টি মধুর কথায়।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, যদি কোন বিএনপি নামধারী নেতা আওয়ামীলীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে আমরা তৃণমূল বিএনপি তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিব।কোন আওয়ামী লীগের দোসর হাইজাদীর মাঠে গর্জে ওঠার চেষ্টা করলে ধুমরে মুচড়ে দেয়া হবে।বিএনপির দুঃসময়ে একদিনের জন্য যাকে দেখা যায়নি রাজপথে। ছিলেন বিএনপিকে দমন করার জন্য আওয়ামীলীগের দোসরদের সঙ্গী হয়ে।রাজনীতির মাঠে অপরিচিত মুখ হিসেবে খ্যাত ফ্যাসিস্ট আমলের এই কথিত নেতা ভোটের মাঠে জিরো ট্রলারেন্সে থাকলেও সাজতে চাচ্ছেন হিরু।আমরা এমনটা হতে দিব না।

এদিকে বিএনপির দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেখানে আওয়ামী লীগের কোনো দোসর বা সুবিধাভোগী যাতে স্থানীয় সরকারসহ (ইউনিয়ন বা উপজেলা) কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টা না করতে পারে, সে বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে এখন থেকেই চরম সতর্ক অবস্থানে থাকার আহব্বান জানিয়ে যাচ্ছেন। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলের দোসরদের যেকোনো মূল্যে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিহত করার আহব্বান জানান।অথচ সেখানে বিএনপির নামধারী গুটিকয়েক নেতা আওয়ামী লীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নোংরা খেলায় মেতে ওঠার চেষ্টা করছেন।এবিষয়ে আমরা অবশ্যই তারেক রহমানকে লিখিতভাবে অবগত করব বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা।

 

 

দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

 

আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: সুমন মিয়া। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা, কারানির্যাতিত এই রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সফল সভাপতি আড়াইহাজার উপজেলা তারেক জিয়া প্রজন্মদল ও সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক দুপ্তারা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকদল মো: সুমন মিয়া জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার দুপ্তারা ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৩নং ওয়ার্ডের সত্যবান্দী গ্রামের কৃতি সন্তান মো: সুমন মিয়া। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি & নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৩নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা।বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: সুমন মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মেম্বার পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বেশ আলোচনায় রয়েছেন মাহমুদপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও শ্রীনিবারদী গ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ রুবেল শিকারী।

রুবেল শিকারী আগামী ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং তাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনছেন। পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষা ও জনসেবার মানোন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে যাচ্ছেন।

মোঃ রুবেল শিকারী বলেন, জনগণের সমর্থন ও দোয়া পেলে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। আগামী নির্বাচনে ওয়ার্ডবাসী আমার উপর আস্থা রাখলে উন্নয়ন ও সেবাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ সময় তিনি ওয়ার্ডবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

 

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ। দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী। ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।। আল আমিন মোল্লা হাইজাদী ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় মোঃ শাহজালাল মিয়া।