খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সাখাওয়াতের বিতর্কিত কার্মকান্ডে বিব্রত নারায়ণগঞ্জ বিএনপি।

সূত্র: জনমত
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
সাখাওয়াতের বিতর্কিত কার্মকান্ডে বিব্রত নারায়ণগঞ্জ বিএনপি।

 

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রভাব বাড়ে কয়েকজন বিএনপি নেতার। তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান অন্যতম।

হঠাৎ করে বড় নেতা বনে যাওয়া সাখাওয়াত ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বিতর্কে জড়িয়েছেন। আদালতপাড়ায় তার নেতৃত্বে ভাঙচুর, আসামিকে মারধর ও বায়তুল আমান গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ঘটেছে।

বন্দরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদ ও বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রশিদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা খেয়ে তাদের পক্ষে মামলা লড়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সেই সাখাওয়াত আবার আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির হয়ে নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু করেছেন। নিজেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দাবি করে তৃনমূলে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনে এরিমধ্যে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে মাসুদ নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনের প্রতিটি ভোটারে কাছে ছুটে যাচ্ছেন।

সাখাওয়াত হোসেন খান প্রথম আলোচনায় আসেন সাত খুন হত্যাকাণ্ডের সময়। তিনি বাদীপক্ষের আইনজীবী হওয়ার সুবাদে সারাদেশে আলাদা পরিচিতি পান। এ পরিচিতির সূত্রেই মুন্সিগঞ্জের সন্তান সাখাওয়াত ২০১৬ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হন। যদিও ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর কাছে পরাজিত হন।

ওই নির্বাচনে আওয়ামীলের তৎকালিন এমপি শামীম ওসমানের কাছ থেকে ২ কোটি টাকা নিয়ে নির্বাচন করার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগটি করেছিলেন বর্তমান মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু। এছাড়া বিএনপি নির্বাচন করতে সাখাওয়াতকে যে টাকা দিয়েছিল সেটা টাকাও আত্মসাৎ করার অভিযোগ করেছিলেন বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকা এই নেতা। সাবেক এমপি আবুল কালামের ছেলে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কায়সার আশাও বিভিন্ন গনমাধ্যমে সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে বার বার এই অভিযোগ করেছেন।

সবশেষ বারের নির্বাচনের আগে শামীম ওসমানের দুই কোটি টাকার বিষটি সামনে নিয়ে আসেন অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ গোলাম মোর্শেদ গালিব। অভিযোগ আছে সাখাওয়াত হোসেন খানের স্ত্রী অ্যাডভোকেট শামীমা সাবেক পতিত সরকারের এমপি সেলিম ওসমানের পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই ফ্রন্টলাইনে চলে আসা বিএনপির এ নেতার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের লোকজনকে আশ্রয় দেওয়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার আসামিদের জামিনে সহযোগিতা, মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ আছে। মহানগর বিএনপির একটি সূত্র জানায় সাখাওয়াত ৫ আগস্টের পর মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

সর্বশেষ আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছেন শামীম ওসমানের বাড়ি ভাঙ্গায় নেতৃত্ব দিয়ে। রাজধানীতে শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িটি গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার পর বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে ‘মব কালচারের’ বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি তারা সারাদেশের ভাঙচুরের ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করে এতে উদ্বেগও প্রকাশ করেন এবং সকলকে এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

যেদিন বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে এই বিবৃতি দেন ওইদিনই নারায়ণগঞ্জে আদালতপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের কয়েকটি ম্যুরাল ও ভাস্কর্য ভাঙচুর করা হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচতলায় থাকা বঙ্গবন্ধু কর্নারেও ভাঙচুর করা হয়। এই পুরো কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকরা জানান, ওইদিন বেলা সাড়ে এগারোটর দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। পরে তারা নির্মাণ শ্রমিকদের খবর দেন। বেলা বারোটার দিকে বড় আকারের হাতুড়ি, শাবল নিয়ে নির্মাণ শ্রমিকরা পৌঁছালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থাকা শেখ মুজিবরের ম্যুরালটি ভাঙা শুরু করেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হেসেন খান ও আবু আল ইউসুফ টিপু নিজেও শাবল ও হাতুড়ি দিয়ে ম্যুরাল ভাঙা কার্যক্রমে অংশ নেন।

এসময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আবক্ষ ভাস্কর্যটিও ভাঙা হয়। পরে পাশে জেলা পুলিশ সুপার এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনের দুটি ম্যুরালও একইভাবে ভাঙা হয়। যদিও এ ম্যুরালগুলো গত ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কালো কালি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। এক দফায় ভাঙচুরও চলে তখন। আদালতপাড়ায় ভাঙচুরের সময় শহরের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের দাদাবাড়ি বায়তুল আমান ভাঙার কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির এ নেতা। পরে সন্ধ্যায় বায়তুল আমান এক্সাভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় মাগরিবের আযানের কিছুক্ষণ পর শহরের মিশনপাড়া এলাকা থেকে সাখাওয়াত ও টিপুর নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বায়তুল আমানের সামনে গিয়ে থামে। এই সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের হাতে থাকা বড় আকারের হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে দেয়াল ভাঙার চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণ পরই একটি এক্সাভেটর আনা হয় এবং ভবনটি পরে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই সময় বিএনপি নেতাকর্মী ও উৎসুক জনতাকে উল্লাস করতে দেখা যায়। সেই সাখাওয়াত বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দাবি করে বির্তকিত ব্যক্তিদের নিয়ে সভা সমাবেশ করছেন।

রোববার রাতে তাকে দেখা গেছে, বির্তকিত বিএনপি নেতা জাকির খানের বাসভবনে। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে চারদিকে। সন্ত্রাসী শামীম ওসমানের ক্যাডারদেরও তার আশপাশে ঘুরঘুর করতে দেখা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় সাখাওয়াত নিজেকে বিএনপির প্রার্থী দাবি করে চারদিকে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিএনপি যদি তাকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী করে তাহলে ভরাডুবি নিশ্চিতই বলা যায়।

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর।।
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪২ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আগামী দুই বছরের পথচলা শুরু হলো।

 

গতকাল ১৫ মে (শুক্রবার) বিকেলে মদনগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

নবগঠিত এই কমিটিতে সংগঠনের সবার প্রিয়ভাজন, সমাজকর্মী আলমগীর আজাদ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত কমিটির সফল সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোরশেদ রতন। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. জিয়াউদ্দিন ভুইয়া।

 

কমিটি ঘোষণার পর নবাগত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, তারা অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করবেন। একই সাথে আগামী দিনে সিনিয়র সিটিজেনদের অধিকার রক্ষা, সংগঠনের অগ্রগতি এবং সামগ্রিক সমাজ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ডকইয়ার্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে উল্টো বিপাকে পড়েছেন মহিউদ্দিন সাউদ নামে এক ব্যবসায়ী। থানা ও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে অভিযুক্তদের হুমকি এবং পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ঘাট সংলগ্ন শেফা ডকইয়ার্ডের মালিক মহিউদ্দিন সাউদের কাছে লোহা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা পরিচয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে স্থানীয় একটি চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত কয়েকদিন আগে অভিযুক্তরা ডকইয়ার্ডে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, শত শত মানুষের সামনে ডকইয়ার্ড থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের লোহা লুট করে নিয়ে যায় তারা।

 

এই ঘটনায় মহিউদ্দিন সাউদ স্থানীয় মৃত শামছুলের ছেলে সৈকতকে (৪০) প্রধান আসামি করে সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‍্যাব কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, “অভিযুক্তরা নিজেদের যুবদল ও বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তারা আমার কাছে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুট করেছে। এখন আমি জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি।”

 

এদিকে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে প্রধান অভিযুক্ত সৈকত হাসান বাদী হয়ে মহিউদ্দিন সাউদের বিরুদ্ধে থানায় একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ডকইয়ার্ডের স্ক্র্যাপ লোহা কেনার জন্য তিনি মহিউদ্দিনকে ৫ লাখ টাকা বায়না দিয়েছিলেন এবং মহিউদ্দিন সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের স্বপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী খান মাসুদ পালিয়ে গেলে বন্দর ঘাট এলাকার স্ট্যান্ড বাজার ও ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেন এই সৈকত। তিনি নিজেকে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) ভাতিজা পরিচয় দিয়ে থানা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনার মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

চাঁদাবাজির শিকার হয়েও প্রতিকার না পেয়ে মহিউদ্দিন সাউদ এখন আতঙ্কিত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ এখনো তার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের ভয়ে এবং পুলিশের অসহযোগিতায় তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের একটি ডকইয়ার্ডে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুটপাটের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মহিউদ্দিন সাউদ। তিনি এ ঘটনায় বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, র‌্যাব বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

অভিযোগে ডকইয়ার্ড মালিক স্থানীয় মৃত শামছুল এর পুত্র সৈকত (৪০) কে প্রধান করে, সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করেছেন।

 

অভিযোগে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এরা নিজেদের বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, স্কুল কলেজের ছাত্রীদের রাস্তায় উত্যক্ত ও অসালীন আচরণ করা সহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে আসছে।

 

গত সোমবার (৪ মে) চাঁদা না পেয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দেন।

 

“অভিযোগকারী মহিউদ্দিন দাবি করেন ওরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে হইব। কিন্তু আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওরা আমারে বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করসে। পরবর্তীতে আমার ডকইয়ার্ড থেকে শত শত মানুষের সামনে প্রায় ৭০ হাজার টাকার লোহা নিয়া চলে গেছে। ওরা সবাই যুবদল করে। আমি এখন আমার জীবন নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি সেখানে। রিপোর্ট পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। অভিযোগকারীর সাথে যদি ঘটনা মিলে যায় তাহলে অপরাধী যে দলেরই হোক আমি ব্যবস্থা নেবো। আইন সবার জন্যই সমান।”

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’ বিএনপিতে ‘অল-আউট রিসেট’: ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল বগুড়া হচ্ছে সিটি করপোরেশন, দেশে নতুন পাঁচ উপজেলা