খুঁজুন

সাখাওয়াতের বিতর্কিত কার্মকান্ডে বিব্রত নারায়ণগঞ্জ বিএনপি।

সূত্র: জনমত
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
সাখাওয়াতের বিতর্কিত কার্মকান্ডে বিব্রত নারায়ণগঞ্জ বিএনপি।

 

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রভাব বাড়ে কয়েকজন বিএনপি নেতার। তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান অন্যতম।

হঠাৎ করে বড় নেতা বনে যাওয়া সাখাওয়াত ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বিতর্কে জড়িয়েছেন। আদালতপাড়ায় তার নেতৃত্বে ভাঙচুর, আসামিকে মারধর ও বায়তুল আমান গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ঘটেছে।

বন্দরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদ ও বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রশিদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা খেয়ে তাদের পক্ষে মামলা লড়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সেই সাখাওয়াত আবার আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির হয়ে নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু করেছেন। নিজেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দাবি করে তৃনমূলে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনে এরিমধ্যে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে মাসুদ নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনের প্রতিটি ভোটারে কাছে ছুটে যাচ্ছেন।

সাখাওয়াত হোসেন খান প্রথম আলোচনায় আসেন সাত খুন হত্যাকাণ্ডের সময়। তিনি বাদীপক্ষের আইনজীবী হওয়ার সুবাদে সারাদেশে আলাদা পরিচিতি পান। এ পরিচিতির সূত্রেই মুন্সিগঞ্জের সন্তান সাখাওয়াত ২০১৬ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হন। যদিও ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর কাছে পরাজিত হন।

ওই নির্বাচনে আওয়ামীলের তৎকালিন এমপি শামীম ওসমানের কাছ থেকে ২ কোটি টাকা নিয়ে নির্বাচন করার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগটি করেছিলেন বর্তমান মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু। এছাড়া বিএনপি নির্বাচন করতে সাখাওয়াতকে যে টাকা দিয়েছিল সেটা টাকাও আত্মসাৎ করার অভিযোগ করেছিলেন বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকা এই নেতা। সাবেক এমপি আবুল কালামের ছেলে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কায়সার আশাও বিভিন্ন গনমাধ্যমে সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে বার বার এই অভিযোগ করেছেন।

সবশেষ বারের নির্বাচনের আগে শামীম ওসমানের দুই কোটি টাকার বিষটি সামনে নিয়ে আসেন অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ গোলাম মোর্শেদ গালিব। অভিযোগ আছে সাখাওয়াত হোসেন খানের স্ত্রী অ্যাডভোকেট শামীমা সাবেক পতিত সরকারের এমপি সেলিম ওসমানের পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই ফ্রন্টলাইনে চলে আসা বিএনপির এ নেতার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের লোকজনকে আশ্রয় দেওয়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার আসামিদের জামিনে সহযোগিতা, মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ আছে। মহানগর বিএনপির একটি সূত্র জানায় সাখাওয়াত ৫ আগস্টের পর মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

সর্বশেষ আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছেন শামীম ওসমানের বাড়ি ভাঙ্গায় নেতৃত্ব দিয়ে। রাজধানীতে শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িটি গুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার পর বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে ‘মব কালচারের’ বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি তারা সারাদেশের ভাঙচুরের ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করে এতে উদ্বেগও প্রকাশ করেন এবং সকলকে এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

যেদিন বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে এই বিবৃতি দেন ওইদিনই নারায়ণগঞ্জে আদালতপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের কয়েকটি ম্যুরাল ও ভাস্কর্য ভাঙচুর করা হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচতলায় থাকা বঙ্গবন্ধু কর্নারেও ভাঙচুর করা হয়। এই পুরো কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকরা জানান, ওইদিন বেলা সাড়ে এগারোটর দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। পরে তারা নির্মাণ শ্রমিকদের খবর দেন। বেলা বারোটার দিকে বড় আকারের হাতুড়ি, শাবল নিয়ে নির্মাণ শ্রমিকরা পৌঁছালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থাকা শেখ মুজিবরের ম্যুরালটি ভাঙা শুরু করেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হেসেন খান ও আবু আল ইউসুফ টিপু নিজেও শাবল ও হাতুড়ি দিয়ে ম্যুরাল ভাঙা কার্যক্রমে অংশ নেন।

এসময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আবক্ষ ভাস্কর্যটিও ভাঙা হয়। পরে পাশে জেলা পুলিশ সুপার এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনের দুটি ম্যুরালও একইভাবে ভাঙা হয়। যদিও এ ম্যুরালগুলো গত ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কালো কালি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল। এক দফায় ভাঙচুরও চলে তখন। আদালতপাড়ায় ভাঙচুরের সময় শহরের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের দাদাবাড়ি বায়তুল আমান ভাঙার কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির এ নেতা। পরে সন্ধ্যায় বায়তুল আমান এক্সাভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় মাগরিবের আযানের কিছুক্ষণ পর শহরের মিশনপাড়া এলাকা থেকে সাখাওয়াত ও টিপুর নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বায়তুল আমানের সামনে গিয়ে থামে। এই সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের হাতে থাকা বড় আকারের হাতুড়ি ও শাবল দিয়ে দেয়াল ভাঙার চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণ পরই একটি এক্সাভেটর আনা হয় এবং ভবনটি পরে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই সময় বিএনপি নেতাকর্মী ও উৎসুক জনতাকে উল্লাস করতে দেখা যায়। সেই সাখাওয়াত বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দাবি করে বির্তকিত ব্যক্তিদের নিয়ে সভা সমাবেশ করছেন।

রোববার রাতে তাকে দেখা গেছে, বির্তকিত বিএনপি নেতা জাকির খানের বাসভবনে। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে চারদিকে। সন্ত্রাসী শামীম ওসমানের ক্যাডারদেরও তার আশপাশে ঘুরঘুর করতে দেখা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় সাখাওয়াত নিজেকে বিএনপির প্রার্থী দাবি করে চারদিকে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিএনপি যদি তাকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী করে তাহলে ভরাডুবি নিশ্চিতই বলা যায়।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে বিএনপির একাংশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুনকা পাঠাগার মিলনায়তনে বিএনপির এক সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সভায় আতাউর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, যাকে তিনি একসময় পিতৃতুল্য ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেছেন এবং যার সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষে ওসমান পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনীতি করেছেন, সেই ব্যক্তি সুদিনে তাকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

মুকুলের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন আজ তাদের মধ্যে এমন দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টি হলো?

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আতাউর রহমান মুকুল দীর্ঘদিন আবুল কালামের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আবুল কালামের হাত ধরেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তাদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন, আবুল কালাম রাজনৈতিকভাবে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করলেও প্রয়োজন ও স্বার্থের পরিবর্তনে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও আবুল কালামের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক ছিল। প্রকাশ্যে এক পক্ষের পক্ষে অবস্থান দেখালেও আড়ালে অন্য পক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। একই ধরনের রাজনৈতিক কৌশল ও দ্বিমুখী অবস্থানের অভিযোগ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনায় উঠেছে বলে দাবি করছেন তার সমালোচকরা।

তাদের ভাষ্য, আবুল কালাম বাইরে থেকে অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কোন্দল এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুকুলের মতো দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে একসময় যারা একই রাজনৈতিক বলয়ে ছিলেন, তাদের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে দলীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ধারাবাহিক নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দলের নীতি-নির্ধারকেরা সর্বসম্মতভাবে তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের জন্য মনোনীত করেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারক ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নের খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রবীণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিককে এই পদে বেছে নেওয়া বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ