খুঁজুন

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে মাসুদুজ্জামানের দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে মাসুদুজ্জামানের দোয়া মাহফিল

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করছেন। মা, মানুষ ও মাতৃভূমির টানে জনাব তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে বাংলাদেশে আসবেন। জাতীয় নেতা হিসেবে জনাব তারেক রহমান দেশ ও জনগনের জীবনমান উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পুণর্গঠনের যে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পেয়েছেন তা যেনো সফলভাবে পালন করতে পারেন সে লক্ষ্যে নারায়নগঞ্জ ৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।

আজ ২২ ডিসেম্বর (সোমবার),  নগরীর বরফকল ঘাট সংলগ্ন নির্বাচনী কার্যালয়ে মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

দোয়ার আয়োজনে মাসুদুজ্জামান বলেন,“আমাদের প্রাণপ্রিয় জাতীয় নেতা দীর্ঘ ১৮ বছর মাতৃভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছেন, দূরে ছিলেন। তিনি বিভিন্নভাবে ফ্যসিবাদ দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার পরিবার নিপীড়িত হয়েছে, দল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ফ্যাসিবাদিরা যতভাবে পেরেছে জনাব তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছে। কিন্তু মহান রাব্বুল আলামিনের মেহেরবানি- যে ফ্যসিবাদের শত অত্যাচারেও তারেক রহমান মাথা নত করেননি। আমরা তার স্বদেশ প্রত্যাববর্তনের জন্য গভীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি। ইনশাল্লাহ আগামী ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান হবে। আজকের এই দোয়া মাহফিল থেকে আমরা জনাব তারেক রহমান ও তার পরিবারের জন্য দোয়া করি। আল্লাহ যেনো দেশের জন্য তার সমস্ত ত্যাগ কবুল করেন।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য সচিব আবু ইউসুফ খান টিপু, মহানগর বিএনপি যুগ্ম- আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, ও আনোয়ার হোসেন আনু, মহানগর বিএনপি সদস্য মনোয়ার হোসেন শোখন, আলমগীর হোসেন, শরীফুল ইসলাম শিপলু, সাবেক চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী নুরুদ্দীন, সাবেক কাউন্সিলর খোরশেদ আলম খন্দকার। এছাড়াও দোয়ার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, দল, মহিলাদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

অনুষ্ঠান শেষে নেতাকর্মী ও উপস্থিত সকল মানুষ দোয়া মাহফিলের মূল উদ্দেশ্য পুরণের জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করেন। দেশের প্রাণপ্রিয় জাতীয় নেতা দীর্ঘদিন পরে দেশে ফিরবেন এ লক্ষে দল-মত নির্বিশেষে সবাই যেনো ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে কাজ করতে পারে তা প্রার্থনা করেন। দোয়া মাহফিলে বক্তারা উল্লেখ করেন যে ঐক্যবদ্ধতাই জাতীয়তাবাদী আদর্শকে দেশ ও দশের কল্যাণে কাজে লাগানো যাবে এবং এর মাধ্যমেই তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করা সম্ভব হবে। দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে একে অপরের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, যা সমাজে একটি ইতিবাচক ও গঠনমূলক উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে। দোয়া মাহফিল শেষে মাসুদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি সংক্ষিপ্ত মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে বিএনপির একাংশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুনকা পাঠাগার মিলনায়তনে বিএনপির এক সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সভায় আতাউর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, যাকে তিনি একসময় পিতৃতুল্য ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেছেন এবং যার সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষে ওসমান পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনীতি করেছেন, সেই ব্যক্তি সুদিনে তাকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

মুকুলের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন আজ তাদের মধ্যে এমন দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টি হলো?

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আতাউর রহমান মুকুল দীর্ঘদিন আবুল কালামের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আবুল কালামের হাত ধরেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তাদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন, আবুল কালাম রাজনৈতিকভাবে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করলেও প্রয়োজন ও স্বার্থের পরিবর্তনে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও আবুল কালামের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক ছিল। প্রকাশ্যে এক পক্ষের পক্ষে অবস্থান দেখালেও আড়ালে অন্য পক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। একই ধরনের রাজনৈতিক কৌশল ও দ্বিমুখী অবস্থানের অভিযোগ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনায় উঠেছে বলে দাবি করছেন তার সমালোচকরা।

তাদের ভাষ্য, আবুল কালাম বাইরে থেকে অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কোন্দল এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুকুলের মতো দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে একসময় যারা একই রাজনৈতিক বলয়ে ছিলেন, তাদের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে দলীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ধারাবাহিক নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দলের নীতি-নির্ধারকেরা সর্বসম্মতভাবে তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের জন্য মনোনীত করেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারক ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নের খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রবীণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিককে এই পদে বেছে নেওয়া বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ