খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

নাঃগঞ্জে ২০ প্রার্থী সংগ্রহ করলেন মনোনয়নপত্র।

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২০ অপরাহ্ণ
নাঃগঞ্জে ২০ প্রার্থী সংগ্রহ করলেন মনোনয়নপত্র।

 

 

তফসিল ঘোষণার পর নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে এখন পর্যন্ত ২০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দুলাল এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. রেহান আফজাল মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মো. রেহান আফজাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা এবং বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. আবু হানিফ হৃদয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম।এছাড়া একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ মমিনুল হক, কাজী মো. জহিরুল ইসলাম ও মো. সেলিম রেজা শাওন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।এই আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন খেলাফত মজলিসের ইলিয়াস আহম্মেদ, বাসদের সেলিম মাহমুদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন, জাসদের সুরাইয়া তাবাসসুম এবং বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. আবু হানিফ হৃদয়।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন ও তার স্ত্রী নারগিস আক্তার। জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত এই নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।এছাড়া এই আসনে মুক্তিজোটের এইচ এম আমজাদ হোসেন মোল্লা, খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুন, বাসদের আবু নাঈম খান বিপ্লব এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মাহমুদ হোসেন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

 

 

 

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

ফতুল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

 

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ–৪ (ফতুল্লা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যকর আলোচনা চলছে। বিএনপির দুই হেভিওয়েট বহিষ্কৃত নেতা গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমকে ঘিরে নির্বাচনী সমঝোতার গুঞ্জনে সরগরম হয়ে উঠেছে এলাকা।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে অতীতে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকলেও এবারের নির্বাচনে এই দুই নেতাকে নিয়ে ভিন্ন হিসাব-নিকাশ করছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমের মধ্যে যেকোনো একজন অপরজনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে থাকবেন। এতে করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্য মাঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা সহজ হবে বলে মনে করছেন তারা।

নেতাকর্মীদের দাবি, একই ঘরানার একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে ফতুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিভক্তি হলে বিএনপির জন্য তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। সে কারণে বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে একজনকে সামনে রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানাচ্ছেন তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকরা।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলম—উভয়েরই ফতুল্লায় নিজস্ব ভোটব্যাংক ও প্রভাব রয়েছে। সমঝোতার মাধ্যমে একজন সরে দাঁড়ালে বিএনপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন কিংবা শাহ আলমের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহল ধারণা করছে, নির্বাচনী প্রচারনা চলাকালীন সময়ে এই সমঝোতা নিয়ে আরও স্পষ্ট বার্তা আসতে পারে।

ফতুল্লার রাজনীতিতে এই গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত বাস্তবতায় রূপ নেয় কি না, সে দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক অঙ্গনের।

 

বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন রেজাউল করিম, আতাউর রহমান আঙ্গুর ও মো. দুলাল। নারায়ণগঞ্জের তিনটি আসনে দলীয় প্রার্থী থাকলেও তারা বিদ্রোহ করেছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তিন নেতাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো জানানো হয়।

গত বুধবার মনোনয়নপত্রের শেষদিনেও তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি জানিয়েছে, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার জন্য তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের এ তিন নেতা ছাড়াও টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদীরও ছয় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রেজাউল করিম বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও দুলাল হোসেন জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন।

আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

 

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রসঙ্গ- আওয়ামী লীগের ভোট।  বিগত নির্বাচনগুলোর পরিসংখ্যান বলছে, এ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের একটি বড় ভোটব্যাংক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে দলটির পতনের পর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে পারা- সব মিলিয়ে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অনুপস্থিতি এখন বাস্তবতা। শীর্ষ নেতাদের বেশিরভাগ আত্মগোপনে আছেন, অনেকে আবার জেলে আছেন। তবে এ আসনের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থক এখনো একটি বড় ফ্যাক্টর। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে- আওয়ামী লীগের এই ভোটগুলো কোথায় যাবে নাকি কর্মী-সমর্থকরা ভোট বর্জন করবেন?

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম বাবু জয় পান। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি সংসদ নির্বাচনেই এ আসনে  ধারাবাহিকতাভাবে জয় পান আওয়ামী লীগ।যদিও এ তিনটি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, ভোট জালিয়াতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের অভিযোগ ওঠে। এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হলেও প্রকৃত ভোটের পরিমাণ ও জনসমর্থনের হিসাব প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

বিপরীতে ১৯৯১ থেকে ২০০৭ সালের তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ন এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২ থেকে ৬৭ শতাংশের মধ্যে। ওই সময় আওয়ামী লীগ গড়ে ২০ থেকে ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যা থেকে বোঝা যায়- উপজেলায় দলটির একটি স্থায়ী ভোটব্যাংক বরাবরই বিদ্যমান ।

আওয়ামীলীগের দলের পতনের পর ভোটারদের একটি বড় অংশ রাজনৈতিকভাবে ‘নিরব অবস্থানে চলে গেছে। দলের নিষিদ্ধ অবস্থান ও নেতৃত্ব-শূণ্যতায় একটি বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও ধারণা করছেন কেউ কেউ।এ সমীকরণ নজরে রাখছেন আসনগুলোতে ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো প্রভাবশালী প্রার্থীরাও। তারা আওয়ামী লীগের ভোটগুলো নিজেদের পক্ষে নিতে নানা কৌশলও ইতোমধ্যে নিয়ে রেখেছেন। একাধিক প্রার্থীর ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে আওয়ামী লীগের কাউকে গ্রেপ্তার না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান সেই কৌশলের দিকেই আলোকপাত করে।সব মিলিয়ে  আওয়ামী লীগের ভোট একক কোনো রাজনৈতিক শক্তির দিকে একত্রে যাবে- এমন সম্ভাবনা কম। বরং এই ভোট ভাঙবে, ছড়িয়ে পড়বে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরব থাকবে। এই ছড়ানো ভোটই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল নির্ধারণে ‘নিরব নিয়ামক’ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

 

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস। বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল। আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?” ধানের শীষ প্রতীকে মাঠে নামছেন আজাদ। আড়াইহাজারে কলেজ ছাত্রকে বহিস্কার।