খুঁজুন

বিক্ষোভের মুখে পুনরায় নির্বাচনে ফিরলেন মাসুদুজ্জামান

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
বিক্ষোভের মুখে পুনরায় নির্বাচনে ফিরলেন মাসুদুজ্জামান

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির অকাল ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান বলেন, “মরহুম শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন সাহসী ও আপসহীন কন্ঠস্বর। আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁর এই অকাল মৃত্যুকে শহীদি মর্যাদা দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করেন। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং হাদির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

আজ ১৯ ডিসেম্বর,  (শুক্রবার) বিকালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মাসুদুজ্জামান বলেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলীয় আস্থা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতেই। তিনি আরো বলেন “দল এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, কারন তারা আমাকে যোগ্য মনে করেই এই দায়িত্ব অর্পণ করেছেন”।

তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তার আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যদি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দলের স্থায়ী কমিটির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ কোনোভাবে বিব্রত হয়ে থাকলে, তিনি সে জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। দলীয় শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের প্রতি তার সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক আবেগঘন বক্তব্যে মাসুদুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন পারিপার্শ্বিকতা ও বাস্তবতার কারণে তিনি এক পর্যায়ে মনোনয়ন না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। তবে নেতাকর্মীদের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশা তাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তাই আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আমি নির্বাচন করবো এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় সকল সিদ্ধান্ত মেনে নিব।”

তবে এই পুনর্বিবেচনার পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি দলীয় ঐক্য ও সংগঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ, আপনারা কথা দিন, আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন, সংগঠিত থাকবেন। কারণ দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্র চলছে, আর ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।” তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ রাখা সময়ের অপরিহার্য দাবি। ব্যক্তির চেয়ে দল, দলের চেয়েও দেশ বড়; আমার আগে আমরা, ক্ষমতার আগে জনতা – সবার আগে বাংলাদেশ”-এই আদর্শকে সামনে রেখে সবাইকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

নারায়ণগঞ্জের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণ প্রথমে খানপুর হাসপাতাল রোডে সমবেত হয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সমাবেশ শেষে সেখান থেকে একটি মিছিল বের করা হয়, যা নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া এলাকা প্রদক্ষিণ করে মাসুদুজ্জামানের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করে এবং বিভিন্ন রকমের স্লোগান দিতে থাকে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে মাসুদুজ্জামানের নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়।

এসময় মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মাহানগর বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি যুগ্ম-আহ্বায়ক: আব্দুস সবুর খান সেন্টু, আনোয়ার হোসেন আনু, ফতেহ মো. রেজা রিপন, সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, যুবদল সভাপতি মনিরুল ইসলাম সজল, কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বপন, সেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শাখাওয়াতুল ইসলাম রানা, সাবেক চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল, বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী নুরুদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য এড. মোঃ শরীফুল ইসলাম শিপলু। এছাড়াও বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সর্বস্তরের স্থানীয় জনগণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ।

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ।

 

আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়নে একঝাঁক চেয়ারম্যান প্রত্যাশী প্রার্থী আলোচনা থাকলেও তৃণমূলের আস্থায় আছেন ক্লিন ইমেজ খ্যাত মাত্র একজন।কিন্তু কে সেই ক্লিন ইমেজ খ্যাত নেতা? এমন প্রশ্নের উত্তর খুজতে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে তৃণমূলের সেই প্রাত্যাশিত নেতার নাম।

তৃণমূল জানান, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়নের একাধিক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আলোচনায় থাকলেও মোঃ অলি উল্লাহ একজন সৎ, আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠক, বিশিষ্ট সমাজসেবক। আড়াইহাজার তথা হাইজাদী ইউনিয়ন রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে হাইজাদী ইউনিয়ন এর স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এই অলি উল্লাহ।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন এই অলি উল্লাহ । রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে ধমিয়ে রাখতে পারেনি।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে অলি’র বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

চেয়ারম্যান প্রত্যাশি এই নেতা একান্ত আলাপচারিতায় প্রতিবেদক’ কে বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতা নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে হাইজাদী ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।

স্থানীয়দের ভাষ্য, তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে অলি ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইজাদী ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম অলি উল্লাহ এমনটাই উঠে আসে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানী রিপোর্টে। তবে এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততা এই পথচলা তাকে কতটা জনপ্রতিধি হওয়ার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় প্রায় ২১ লাখ টাকার ড্রেজারের পাইপ ও যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক যুবদল নেতা কাজল প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া কাজল প্রধান বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সদস্য এবং বন্দর থানা যুবদলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে। বন্দর থানা তার বিরুদ্ধে হত্যা সহ একাধীক মামলা রয়েছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী শিমন হাসানের বাবা মরহুম হাজী মো. আতিকুর রহমান আতিক একজন ড্রেজার ব্যবসায়ী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর শিমন হাসান ব্যবসার দায়িত্ব নেন। ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ড্রেজারের মালামাল বন্দর উপজেলার সালেহনগর এলাকার রূপালী গেট বাগানসংলগ্ন কাইল্লাহ মিয়ার বাড়ির সামনে রাখা ছিল।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৫ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে কোনো এক সময় কাজল প্রধান ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন পরিকল্পিতভাবে ড্রেজারের মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ১২ ইঞ্চি ড্রেজার পাইপ ৮৫টি, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ টাকা এবং বুস্টার মেশিনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, যার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। এতে মোট প্রায় ২১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী শিমন হাসান জানান, ২৭ জুলাই ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ড্রেজারের পাইপ ও যন্ত্রাংশ খুঁজে না পেয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। পরে গোপন সূত্রে জানতে পারেন, চুরি হওয়া পাইপ ও যন্ত্রাংশ নবীগঞ্জ ও মাহমুদনগর এলাকার বিভিন্ন ভাঙারি (স্ক্র্যাপ) দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। এরপর আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি কাজল প্রধানকে গ্রেপ্তার করে। তবে মামলার অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন।
বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।

কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির

 

 

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন একজন সৎ, আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠক,বিশিষ্ট সমাজসেবক ফকির জহির রহমান । আড়াইহাজার তথা কালাপাহাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে কালাপাহাড়িয়ার স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এই জহির। অপরদিকে জহিরের রাজনৈতিক দল বিএনপির জন্য একনিষ্ঠতার সাথে বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন এবং দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে মুখ্য ভূমিকা পালন করে বিএনপির নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে কান্ডারী হয়ে উঠেছিলেন।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন জহির। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে ধমিয়ে রাখতে পারেনি।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে জহিরের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

জহির বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে জহির ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম জহির। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততা এই পথচলা তাকে কতটা জনপ্রতিধি হওয়ার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

 

 

আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ। বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির বন্দর থানায় সাংবাদিকদের সঙ্গে ওসির অসদাচরণ আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।