খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

বিক্ষোভের মুখে পুনরায় নির্বাচনে ফিরলেন মাসুদুজ্জামান

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
বিক্ষোভের মুখে পুনরায় নির্বাচনে ফিরলেন মাসুদুজ্জামান

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির অকাল ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান বলেন, “মরহুম শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন সাহসী ও আপসহীন কন্ঠস্বর। আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁর এই অকাল মৃত্যুকে শহীদি মর্যাদা দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করেন। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং হাদির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

আজ ১৯ ডিসেম্বর,  (শুক্রবার) বিকালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মাসুদুজ্জামান বলেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলীয় আস্থা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতেই। তিনি আরো বলেন “দল এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, কারন তারা আমাকে যোগ্য মনে করেই এই দায়িত্ব অর্পণ করেছেন”।

তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তার আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যদি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দলের স্থায়ী কমিটির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ কোনোভাবে বিব্রত হয়ে থাকলে, তিনি সে জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। দলীয় শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের প্রতি তার সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক আবেগঘন বক্তব্যে মাসুদুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন পারিপার্শ্বিকতা ও বাস্তবতার কারণে তিনি এক পর্যায়ে মনোনয়ন না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। তবে নেতাকর্মীদের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশা তাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। তাই আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আমি নির্বাচন করবো এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় সকল সিদ্ধান্ত মেনে নিব।”

তবে এই পুনর্বিবেচনার পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি দলীয় ঐক্য ও সংগঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ, আপনারা কথা দিন, আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন, সংগঠিত থাকবেন। কারণ দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্র চলছে, আর ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।” তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ রাখা সময়ের অপরিহার্য দাবি। ব্যক্তির চেয়ে দল, দলের চেয়েও দেশ বড়; আমার আগে আমরা, ক্ষমতার আগে জনতা – সবার আগে বাংলাদেশ”-এই আদর্শকে সামনে রেখে সবাইকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

নারায়ণগঞ্জের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণ প্রথমে খানপুর হাসপাতাল রোডে সমবেত হয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সমাবেশ শেষে সেখান থেকে একটি মিছিল বের করা হয়, যা নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া এলাকা প্রদক্ষিণ করে মাসুদুজ্জামানের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করে এবং বিভিন্ন রকমের স্লোগান দিতে থাকে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে মাসুদুজ্জামানের নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি জানানো হয়।

এসময় মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মাহানগর বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি যুগ্ম-আহ্বায়ক: আব্দুস সবুর খান সেন্টু, আনোয়ার হোসেন আনু, ফতেহ মো. রেজা রিপন, সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, যুবদল সভাপতি মনিরুল ইসলাম সজল, কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বপন, সেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শাখাওয়াতুল ইসলাম রানা, সাবেক চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল, বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী নুরুদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য এড. মোঃ শরীফুল ইসলাম শিপলু। এছাড়াও বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সর্বস্তরের স্থানীয় জনগণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

ফতুল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

 

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ–৪ (ফতুল্লা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যকর আলোচনা চলছে। বিএনপির দুই হেভিওয়েট বহিষ্কৃত নেতা গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমকে ঘিরে নির্বাচনী সমঝোতার গুঞ্জনে সরগরম হয়ে উঠেছে এলাকা।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে অতীতে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকলেও এবারের নির্বাচনে এই দুই নেতাকে নিয়ে ভিন্ন হিসাব-নিকাশ করছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমের মধ্যে যেকোনো একজন অপরজনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে থাকবেন। এতে করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্য মাঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা সহজ হবে বলে মনে করছেন তারা।

নেতাকর্মীদের দাবি, একই ঘরানার একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে ফতুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিভক্তি হলে বিএনপির জন্য তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। সে কারণে বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে একজনকে সামনে রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানাচ্ছেন তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকরা।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলম—উভয়েরই ফতুল্লায় নিজস্ব ভোটব্যাংক ও প্রভাব রয়েছে। সমঝোতার মাধ্যমে একজন সরে দাঁড়ালে বিএনপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন কিংবা শাহ আলমের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহল ধারণা করছে, নির্বাচনী প্রচারনা চলাকালীন সময়ে এই সমঝোতা নিয়ে আরও স্পষ্ট বার্তা আসতে পারে।

ফতুল্লার রাজনীতিতে এই গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত বাস্তবতায় রূপ নেয় কি না, সে দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক অঙ্গনের।

 

বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন রেজাউল করিম, আতাউর রহমান আঙ্গুর ও মো. দুলাল। নারায়ণগঞ্জের তিনটি আসনে দলীয় প্রার্থী থাকলেও তারা বিদ্রোহ করেছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তিন নেতাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো জানানো হয়।

গত বুধবার মনোনয়নপত্রের শেষদিনেও তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি জানিয়েছে, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার জন্য তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের এ তিন নেতা ছাড়াও টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদীরও ছয় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রেজাউল করিম বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও দুলাল হোসেন জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন।

আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

 

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রসঙ্গ- আওয়ামী লীগের ভোট।  বিগত নির্বাচনগুলোর পরিসংখ্যান বলছে, এ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের একটি বড় ভোটব্যাংক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে দলটির পতনের পর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে পারা- সব মিলিয়ে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অনুপস্থিতি এখন বাস্তবতা। শীর্ষ নেতাদের বেশিরভাগ আত্মগোপনে আছেন, অনেকে আবার জেলে আছেন। তবে এ আসনের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থক এখনো একটি বড় ফ্যাক্টর। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে- আওয়ামী লীগের এই ভোটগুলো কোথায় যাবে নাকি কর্মী-সমর্থকরা ভোট বর্জন করবেন?

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম বাবু জয় পান। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি সংসদ নির্বাচনেই এ আসনে  ধারাবাহিকতাভাবে জয় পান আওয়ামী লীগ।যদিও এ তিনটি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, ভোট জালিয়াতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের অভিযোগ ওঠে। এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হলেও প্রকৃত ভোটের পরিমাণ ও জনসমর্থনের হিসাব প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

বিপরীতে ১৯৯১ থেকে ২০০৭ সালের তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ন এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২ থেকে ৬৭ শতাংশের মধ্যে। ওই সময় আওয়ামী লীগ গড়ে ২০ থেকে ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যা থেকে বোঝা যায়- উপজেলায় দলটির একটি স্থায়ী ভোটব্যাংক বরাবরই বিদ্যমান ।

আওয়ামীলীগের দলের পতনের পর ভোটারদের একটি বড় অংশ রাজনৈতিকভাবে ‘নিরব অবস্থানে চলে গেছে। দলের নিষিদ্ধ অবস্থান ও নেতৃত্ব-শূণ্যতায় একটি বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও ধারণা করছেন কেউ কেউ।এ সমীকরণ নজরে রাখছেন আসনগুলোতে ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো প্রভাবশালী প্রার্থীরাও। তারা আওয়ামী লীগের ভোটগুলো নিজেদের পক্ষে নিতে নানা কৌশলও ইতোমধ্যে নিয়ে রেখেছেন। একাধিক প্রার্থীর ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে আওয়ামী লীগের কাউকে গ্রেপ্তার না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান সেই কৌশলের দিকেই আলোকপাত করে।সব মিলিয়ে  আওয়ামী লীগের ভোট একক কোনো রাজনৈতিক শক্তির দিকে একত্রে যাবে- এমন সম্ভাবনা কম। বরং এই ভোট ভাঙবে, ছড়িয়ে পড়বে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরব থাকবে। এই ছড়ানো ভোটই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল নির্ধারণে ‘নিরব নিয়ামক’ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

 

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস। বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল। আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?” ধানের শীষ প্রতীকে মাঠে নামছেন আজাদ। আড়াইহাজারে কলেজ ছাত্রকে বহিস্কার।