খুঁজুন

ছাত্র-জনতার মুখোমুখি নারায়ণগঞ্জ-৫ এর মনোনিত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান

দেশবাণী রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
ছাত্র-জনতার মুখোমুখি নারায়ণগঞ্জ-৫ এর মনোনিত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মাসুদুজ্জামান আজ ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ছাত্র-জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নারায়ণগঞ্জের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা, শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য একটি বিস্তৃত ও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তুলে ধরেন। অগণিত ছাত্র, যুবক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষে পরিপূর্ণ মিলনায়তনে তিনি তার রাজনৈতিক দর্শন, ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের প্রতি আজীবনের দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।

মাসুদুজ্জামান বলেন, “আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই নারায়ণগঞ্জের নগর খানপুরে। আমার জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এই জেলার সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।” তিনি জানান, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের হোস্টেলে পড়াশোনা করতে গিয়ে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতার শিক্ষা খুব ছোট বয়সেই অর্জন করেছেন। প্রবাসজীবনের অভিজ্ঞতা তার সংগ্রামী মনোভাবকে আরও শক্ত করেছে, আর দেশে খালি হাতে ফিরে পরিবারিক ঐতিহ্য অনুসরণ করে শূন্য থেকে ব্যবসা শুরু করলেও আজকের অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে পরিশ্রম, সততা ও আল্লাহর ইচ্ছায়। নারায়ণগঞ্জের ব্যবসা, শিল্প, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই শহরই আমার পরিচয়, এই শহরই আমার শক্তি-তাই এটিকে আরও আধুনিক, উন্নত, নিরাপদ ও কর্মমুখী শহর হিসেবে গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন।” নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উন্নয়ন পরিকল্পনায় তিনি বন্দরকে আধুনিক শিল্প ও লজিস্টিক্স হাবে রূপান্তর, নারায়ণগঞ্জকে শিক্ষার কেন্দ্র, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যানজট নিরসন, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

মানবসেবা নিয়ে নিজের দর্শন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি একজন মাওলানার দেওয়া ধর্মীয় শিক্ষা উদ্‌ধৃত করে বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত ইবাদত, আর রাজনীতি তার কাছে ক্ষমতার হাতিয়ার নয় – জনকল্যাণের মাধ্যম; তিনি চান তার শেষ নিঃশ্বাসও যেন মানুষের সেবায় ব্যয় হয়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার করে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, “জনতা আগে, নেতা পরে” – এটাই তারেক রহমানের স্বপ্ন এবং তার নিজের রাজনৈতিক নীতি। বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, “আপনাদের ভালোবাসাই আমার শক্তি, আস্থাই আমার অনুপ্রেরণা। নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে জীবন উৎসর্গ করতে চাই। আমাদের জন্য দোয়া করবেন – আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

এ অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ নগর ও বন্দরের গণ্য-মান্য ব্যাক্তিবর্গ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন । দঅনুষ্ঠানের পুরো পরিবেশ ছিল উষ্ণ, অনুপ্রেরণামূলক ঐক্যবদ্ধ মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানের সমাপনীতে মাসুদুজ্জামান সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আজকের এই উপস্থিতি তার প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক। তিনি জানান, এটি কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়—জনগণের সঙ্গে জবাবদিহিতা ও উন্নয়নের যাত্রার সূচনা। নারায়ণগঞ্জকে শান্তি, উন্নয়ন ও কর্মসং সংস্থানের শহর হিসেবে গড়তে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

 

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

 

এ বছরেই অনুষ্ঠিত হতে পারে স্থানীয় নির্বাচন। এমন খবরে গিরগিটির মতো রং বদলে ফ্যাসিস্ট খ্যাত আওয়ামীলীগ’ কে পল্টি মেরে চেয়ারম্যান হওয়ার খায়েশে হঠাৎ আত্বঃপ্রকাশ করল এখলাস উদ্দিন লিটন নামে এক আওয়ামীলীগ দোসর।আর এমন খবরে তৃণমূলে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা।

জানাগেছে, আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হাইজাদী ইউনিয়নের ধন্দী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাইজাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যকরী সসদ্য ছিলেন।ছিলেন স্থানীয় সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ঘনিষ্ঠজন হিসেবে সুপরিচিত । আওয়ামীলীগের একাধিক নেতার সঙ্গে তার বেশ সঙ্গতা থাকলেও বিএনপি ক্ষমতা আসার পর স্থানীয় বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতাকে ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে আছেন নিজ গ্রামে।দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের স্বাদ গ্রহন করে আসলেও সম্প্রতি বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ও বিএনপি নামধারী কিছু নেতার প্রশ্রয়ে এই লিটন বিএনপির সুরে কথা বলছেন। আসলে তিনি হয়তো জানেন না কাক কখনো ময়ূর হতে পারেনা।

তৃণমূল জানায়, লিটনকে মাঠে নামিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন একটি কুচক্রীমহল। তিনি হয়তো শিক্ষিত হতে পারেন কিন্তু অনেকটা গর্দব টাইপের।নতুবা সারা বিশ্ব যেখানে জানেন আওয়ামীলীগ একটি নিষিদ্ধদল। আওয়ামীলীগের দলীয় কোন পদ থাকাকালীন তিনি কোন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না এটা তার বোধগম্য থাকা জরুরী ছিল।লিটনকে কোরবানি দেয়ার জন্যই হয়তো কুচক্রীমহল তাকে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে ওঠেছেন।তৃণমূল বলেন লিটন যদি গর্দব না হতেন, তাহলে আওয়ামীলীগ আমলে লিটনের নিজ গ্রাম ধন্দী হতে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর আত্বঃপ্রকাশের শেষ পরিনিতি কি ছিল তা থেকে তার শিক্ষা নেয়া উচিৎ ছিল। সাবেক এমপি বাবু প্রিন্সকে বলির পাঠা বানিয়ে চড়া দাম তুলে পকেট ভারী করেন।সবশেষ প্রিন্স হয়ে যান টিস্যু পেপারের ন্যায়।তৃণমূল বলেন আমরা মূলত চাই না লিটন তেমন হউক কিছু অতি উৎসাহী ও বিএনপি নামধারী নেতার মিষ্টি মধুর কথায়।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, যদি কোন বিএনপি নামধারী নেতা আওয়ামীলীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে আমরা তৃণমূল বিএনপি তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিব।কোন আওয়ামী লীগের দোসর হাইজাদীর মাঠে গর্জে ওঠার চেষ্টা করলে ধুমরে মুচড়ে দেয়া হবে।বিএনপির দুঃসময়ে একদিনের জন্য যাকে দেখা যায়নি রাজপথে। ছিলেন বিএনপিকে দমন করার জন্য আওয়ামীলীগের দোসরদের সঙ্গী হয়ে।রাজনীতির মাঠে অপরিচিত মুখ হিসেবে খ্যাত ফ্যাসিস্ট আমলের এই কথিত নেতা ভোটের মাঠে জিরো ট্রলারেন্সে থাকলেও সাজতে চাচ্ছেন হিরু।আমরা এমনটা হতে দিব না।

এদিকে বিএনপির দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেখানে আওয়ামী লীগের কোনো দোসর বা সুবিধাভোগী যাতে স্থানীয় সরকারসহ (ইউনিয়ন বা উপজেলা) কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টা না করতে পারে, সে বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে এখন থেকেই চরম সতর্ক অবস্থানে থাকার আহব্বান জানিয়ে যাচ্ছেন। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলের দোসরদের যেকোনো মূল্যে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিহত করার আহব্বান জানান।অথচ সেখানে বিএনপির নামধারী গুটিকয়েক নেতা আওয়ামী লীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নোংরা খেলায় মেতে ওঠার চেষ্টা করছেন।এবিষয়ে আমরা অবশ্যই তারেক রহমানকে লিখিতভাবে অবগত করব বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা।

 

 

দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

 

আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: সুমন মিয়া। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা, কারানির্যাতিত এই রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সফল সভাপতি আড়াইহাজার উপজেলা তারেক জিয়া প্রজন্মদল ও সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক দুপ্তারা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকদল মো: সুমন মিয়া জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার দুপ্তারা ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৩নং ওয়ার্ডের সত্যবান্দী গ্রামের কৃতি সন্তান মো: সুমন মিয়া। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি & নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৩নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা।বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: সুমন মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মেম্বার পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বেশ আলোচনায় রয়েছেন মাহমুদপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও শ্রীনিবারদী গ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ রুবেল শিকারী।

রুবেল শিকারী আগামী ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং তাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনছেন। পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষা ও জনসেবার মানোন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে যাচ্ছেন।

মোঃ রুবেল শিকারী বলেন, জনগণের সমর্থন ও দোয়া পেলে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। আগামী নির্বাচনে ওয়ার্ডবাসী আমার উপর আস্থা রাখলে উন্নয়ন ও সেবাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ সময় তিনি ওয়ার্ডবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

 

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ। দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী। ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।। আল আমিন মোল্লা হাইজাদী ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় মোঃ শাহজালাল মিয়া।