খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

মোহাম্মদ আলীকে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বলে আখ্যায়িত করলেন টিপু।

দেশবাণী রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
মোহাম্মদ আলীকে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বলে আখ্যায়িত করলেন টিপু।

 

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ আবু আল ইউসুফ খান টিপু তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লিখেছেন, বিগত ২০২৪সনে ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিস্ট আ’লীগ ও খুনী হাসিনার পতনের পর‌ও যার মুখে “জয় বাংলা”   শ্লোগান উচ্চারিত হয়, সেই ১/১১ ষড়যন্ত্রকারী ও আহ্বানকারী, বহু অপকর্মের হোতা, তেল‌  পানি ও বহুরূপী এবং বিভিন্ন ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎকারী ,সহজ ও সরল মুক্তিযোদ্ধাদের নিজের স্বার্থে ব্যবহারকারী ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কোন সাহসে ও কোন অপশক্তির ইঙ্গিতে ‘  স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ও আগামীতে আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার জননেতা তারেক রহমানের ”  ছবি এবং ধানের শীষ প্রতীক লাগিয়ে পোষ্টার করে?

তিনি আরো লিখেন,  নাঃগঞ্জ জেলা ও মহানগর এবং বিশেষ করে ফতুল্লা থানার নেতাকর্মীদের কি রক্ত ক্ষরণ হয় না? কারণ  বিগত দিনের নাঃগঞ্জের অপশক্তির ও  ওসমান গডফাদারদের  সহযোগী ও উপদেষ্টা, যে মোহাম্মদ আলীর  ডাকে ১/১১ হয়ে , জননেতা তারেক রহমানের মেরুদন্ড ভাঙ্গা হয় এবং মাইনাস ফর্মুলার নামে অহেতুক আপোষহীন নেত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অহেতুক দীর্ঘ দুই বছর জেলে কারাবন্দী থাকতে হয়েছে, সেই বহুরূপী মোহাম্মদ আলী কিভাবে “শহীদ জিয়ার, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ও জননেতা তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করে ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে পোস্টার করে?

তিনি বলেন, আমার তো মনে হয় বিশেষ করে ফতুল্লা থানার বিএনপি’র ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বেশী করে রক্ত ক্ষরণ হরণ হ‌ওয় উচিত! যে বহুরূপী ও প্রতারক এবং তেল ও পানি মোহাম্মদ আলী দীর্ঘ ১৬ বছর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের এড়িয়ে চলছে এবং তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আ’লীগ সরকারের প্রশাসনের ষ্টীমরোলার এবং  ফ্যাসিস্ট আ’লীগের বিরোধী আন্দোলনের নেতা ও কর্মীদের নামে মিথ্যা ও গায়েবী মামলার দেওয়ার সহযোগী ছিল এবং নাঃগঞ্জের অপশক্তি ও চিহ্নিত ওসমান পরিবারের গডফাদারদের সকল অপকর্মের ও অত্যাচারের সহযোগী ও উপদেষ্টা ছিল,সে কিভাবে ফ্যাসিস্ট রুপ পরিবর্তন করে হঠাৎ নব্য বিএনপি রুপ ধারণ করতে চায়,তা কি আমাদের প্রতিবাদ করা উচিত নয়?  বহুরূপী মোহাম্মদ আলীর নির্বাচনে নাঃগঞ্জ-৪আসনে  ফতুল্লা থানা থেকে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী তো দূরের কথা,তাই আসুন আমরা আমাদের রক্ত ক্ষরণকে আটকিয়ে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী ও খুনী হাসিনার একনিষ্ঠ দালাল এবং নাঃগঞ্জের অপশক্তি ও ওসমান গডফাদারদের একনিষ্ঠ দালাল বহুরূপী,তেল ও পানি এবং বহু অপকর্মের খলনায়ক ও সহযোগী মোহাম্মদ আলীকে সকল সামাজিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বর্জন করি ও প্রতিরোধ করি।

তিনি লিখেন, আর যদি প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ না করি,তাহলে এই ফ্যাসিস্ট আ’লীগের ও নাঃগঞ্জের ওসমান গডফাদারদের সহযোগী ও উপদেষ্টা, নাঃগঞ্জের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ক্ষতিকারক হয়ে দাঁড়াবে এবং খুনী ও ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমাদের দেশের পাশ্ববর্তী দেশে থেকে গণতন্ত্রকে হত্যা ও বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সরানোর জন্য অরাজকতা ও আগুন সন্ত্রাস করবে,তা এই বহুরূপী মোহাম্মদ আলী সেই অরাজকতা ও আগুন সন্ত্রাসের সহযোগী ও উপদেষ্টা হয়ে নাঃগঞ্জে ও দেশে অরাজকতা করবে।তাই আমরা নাঃগঞ্জ জেলা, মহানগর ও ফতুল্লা থানা বিএনপির ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদী ও প্রতিরোধ করি। সাধু সাবধান!

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

ফতুল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

 

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ–৪ (ফতুল্লা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যকর আলোচনা চলছে। বিএনপির দুই হেভিওয়েট বহিষ্কৃত নেতা গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমকে ঘিরে নির্বাচনী সমঝোতার গুঞ্জনে সরগরম হয়ে উঠেছে এলাকা।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে অতীতে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকলেও এবারের নির্বাচনে এই দুই নেতাকে নিয়ে ভিন্ন হিসাব-নিকাশ করছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমের মধ্যে যেকোনো একজন অপরজনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে থাকবেন। এতে করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্য মাঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা সহজ হবে বলে মনে করছেন তারা।

নেতাকর্মীদের দাবি, একই ঘরানার একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে ফতুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিভক্তি হলে বিএনপির জন্য তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। সে কারণে বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে একজনকে সামনে রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানাচ্ছেন তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকরা।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলম—উভয়েরই ফতুল্লায় নিজস্ব ভোটব্যাংক ও প্রভাব রয়েছে। সমঝোতার মাধ্যমে একজন সরে দাঁড়ালে বিএনপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন কিংবা শাহ আলমের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহল ধারণা করছে, নির্বাচনী প্রচারনা চলাকালীন সময়ে এই সমঝোতা নিয়ে আরও স্পষ্ট বার্তা আসতে পারে।

ফতুল্লার রাজনীতিতে এই গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত বাস্তবতায় রূপ নেয় কি না, সে দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক অঙ্গনের।

 

বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন রেজাউল করিম, আতাউর রহমান আঙ্গুর ও মো. দুলাল। নারায়ণগঞ্জের তিনটি আসনে দলীয় প্রার্থী থাকলেও তারা বিদ্রোহ করেছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তিন নেতাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো জানানো হয়।

গত বুধবার মনোনয়নপত্রের শেষদিনেও তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি জানিয়েছে, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার জন্য তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের এ তিন নেতা ছাড়াও টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদীরও ছয় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রেজাউল করিম বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও দুলাল হোসেন জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন।

আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

 

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রসঙ্গ- আওয়ামী লীগের ভোট।  বিগত নির্বাচনগুলোর পরিসংখ্যান বলছে, এ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের একটি বড় ভোটব্যাংক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে দলটির পতনের পর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে পারা- সব মিলিয়ে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অনুপস্থিতি এখন বাস্তবতা। শীর্ষ নেতাদের বেশিরভাগ আত্মগোপনে আছেন, অনেকে আবার জেলে আছেন। তবে এ আসনের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থক এখনো একটি বড় ফ্যাক্টর। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে- আওয়ামী লীগের এই ভোটগুলো কোথায় যাবে নাকি কর্মী-সমর্থকরা ভোট বর্জন করবেন?

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম বাবু জয় পান। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি সংসদ নির্বাচনেই এ আসনে  ধারাবাহিকতাভাবে জয় পান আওয়ামী লীগ।যদিও এ তিনটি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, ভোট জালিয়াতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের অভিযোগ ওঠে। এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হলেও প্রকৃত ভোটের পরিমাণ ও জনসমর্থনের হিসাব প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

বিপরীতে ১৯৯১ থেকে ২০০৭ সালের তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ন এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২ থেকে ৬৭ শতাংশের মধ্যে। ওই সময় আওয়ামী লীগ গড়ে ২০ থেকে ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যা থেকে বোঝা যায়- উপজেলায় দলটির একটি স্থায়ী ভোটব্যাংক বরাবরই বিদ্যমান ।

আওয়ামীলীগের দলের পতনের পর ভোটারদের একটি বড় অংশ রাজনৈতিকভাবে ‘নিরব অবস্থানে চলে গেছে। দলের নিষিদ্ধ অবস্থান ও নেতৃত্ব-শূণ্যতায় একটি বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও ধারণা করছেন কেউ কেউ।এ সমীকরণ নজরে রাখছেন আসনগুলোতে ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো প্রভাবশালী প্রার্থীরাও। তারা আওয়ামী লীগের ভোটগুলো নিজেদের পক্ষে নিতে নানা কৌশলও ইতোমধ্যে নিয়ে রেখেছেন। একাধিক প্রার্থীর ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে আওয়ামী লীগের কাউকে গ্রেপ্তার না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান সেই কৌশলের দিকেই আলোকপাত করে।সব মিলিয়ে  আওয়ামী লীগের ভোট একক কোনো রাজনৈতিক শক্তির দিকে একত্রে যাবে- এমন সম্ভাবনা কম। বরং এই ভোট ভাঙবে, ছড়িয়ে পড়বে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরব থাকবে। এই ছড়ানো ভোটই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল নির্ধারণে ‘নিরব নিয়ামক’ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

 

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস। বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল। আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?” ধানের শীষ প্রতীকে মাঠে নামছেন আজাদ। আড়াইহাজারে কলেজ ছাত্রকে বহিস্কার।