খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

বন্দরের ২০ নং ওয়ার্ডে মাসুদুজ্জামানের গণসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরের ২০ নং ওয়ার্ডে মাসুদুজ্জামানের গণসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত

নারায়ণগঞ্জের ২০ নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমী, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর গণসংযোগ কর্মসূচি। ২১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আয়োজিত এই কর্মসূচিটি বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি শাহেন শাহ-এর সার্বিক তত্ত্ববাবধানে সম্পন্ন হয়। এতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মাসুদুজ্জামানকে সমর্থন জানিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। গণসংযোগটি দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনাকান্দা থেকে সূচনা হয়। এলাকাবাসীর শুভেচ্ছা, শ্লোগান এবং ব্যানার-ফেস্টুনে মুখরিত পরিবেশে দীর্ঘ মিছিলটি অগ্রসর হয় ২০ নং ওয়ার্ডের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গণসংযোগটি সমাপ্ত হয়।

এলাকার তরুণ, প্রবীণ, নারীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ গণসংযোগটিকে রূপ দেয় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি তাৎপর্যপূর্ণ প্রদর্শনীতে। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, সমাজসেবা, মানবিক উদ্যোগ ও খেলাধুলার উন্নয়নে মাসুদুজ্জামানের দীর্ঘদিনের ভূমিকা তাঁদেরকে নতুন আশার দিগন্ত দেখিয়েছে। তাই তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ।

গণসংযোগের শুরুতেই মাসুদুজ্জামান বলেন-“আজকের ভয়াবহ ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু মানুষ আহত ও নিহত হওয়ার বেদনাদায়ক খবর পাওয়া যাচ্ছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি রইল আন্তরিক সমবেদনা। আল্লাহ যেন তাদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক দেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য দান করেন। মহান আল্লাহ আমাদের দেশ ও মানুষকে সব ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে হেফাজত করুন।”

তিনি আরো বলেন, বন্দরের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট সমাধান করা এবং ২০ নং ওয়ার্ডের মানুষের প্রত্যাশা, অধিকার ও সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস যাই – এই এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়, চায় সৎ, নিবেদিতপ্রাণ ও জনমুখী নেতৃত্ব। আমরা সবসময় আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব ইন শা আল্লাহ। সুশাসন, উন্নত সেবা, তরুণদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি ও সার্বিক উন্নয়ন – এগুলোই হবে আমাদের কাজের মূল লক্ষ্য। জনগণের প্রতি আস্থাকে ভিত্তি করেই আমরা গণতান্ত্রিক চর্চা ও উন্নয়নের পথচলা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আজকে আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে। বিভেদের রাজনীতি নয় – অংশীদারিত্বের উন্নয়নই হবে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের কেন্দ্রবিন্দু।

গণসংযোগে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক; আনোয়ার হোসেন আনু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য; হাজী ফারুক হোসেন, মনোয়ার হোসেন শোখন, অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, আলমগীর হোসেন। বিএনপি বন্দর থানা বিএনপির; সভাপতি শাহেন শাহ্, বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজারুল ইসলাম হিরন ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ লিটন, মহানগর যুবদল সভাপতি মনিরুল ইসলাম সজল, আহমেদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বন্দর থানা যুবদল, আলী নওশাদ তুসার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বন্দর থানা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাখাওয়াতুল ইসলাম রানা, মসিউর রহমান মশি, স্বেচ্ছাসেবক দলের বন্দর থানা সদস্য সচিব শাহাদুল্লা মুকুল, বিএনপি সভাপতি, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন, নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, বিএনপি, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন, কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বপন; জিল্লুর রহমান, ২০ নং ওয়ার্ডের সভাপতি, মনির পাঠান, সাধারণ সম্পাদক, ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপি। এছাড়াও গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলার সম্মানিত সভাপতি ও সেক্রেটারি, স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মহিলদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

গণসংযোগের সময় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন মাসুদুজ্জামান এবং ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।
পুরো কর্মসূচি জুড়ে স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা শৃঙ্খলা বজায় রাখেন। সড়কজুড়ে মানুষের ঢল থাকলেও কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা বা অসুবিধার সৃষ্টি হয়নি। গণসংযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়।

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর।।
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪২ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আগামী দুই বছরের পথচলা শুরু হলো।

 

গতকাল ১৫ মে (শুক্রবার) বিকেলে মদনগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

নবগঠিত এই কমিটিতে সংগঠনের সবার প্রিয়ভাজন, সমাজকর্মী আলমগীর আজাদ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত কমিটির সফল সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোরশেদ রতন। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. জিয়াউদ্দিন ভুইয়া।

 

কমিটি ঘোষণার পর নবাগত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, তারা অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করবেন। একই সাথে আগামী দিনে সিনিয়র সিটিজেনদের অধিকার রক্ষা, সংগঠনের অগ্রগতি এবং সামগ্রিক সমাজ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ডকইয়ার্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে উল্টো বিপাকে পড়েছেন মহিউদ্দিন সাউদ নামে এক ব্যবসায়ী। থানা ও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে অভিযুক্তদের হুমকি এবং পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ঘাট সংলগ্ন শেফা ডকইয়ার্ডের মালিক মহিউদ্দিন সাউদের কাছে লোহা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা পরিচয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে স্থানীয় একটি চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত কয়েকদিন আগে অভিযুক্তরা ডকইয়ার্ডে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, শত শত মানুষের সামনে ডকইয়ার্ড থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের লোহা লুট করে নিয়ে যায় তারা।

 

এই ঘটনায় মহিউদ্দিন সাউদ স্থানীয় মৃত শামছুলের ছেলে সৈকতকে (৪০) প্রধান আসামি করে সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‍্যাব কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, “অভিযুক্তরা নিজেদের যুবদল ও বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তারা আমার কাছে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুট করেছে। এখন আমি জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি।”

 

এদিকে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে প্রধান অভিযুক্ত সৈকত হাসান বাদী হয়ে মহিউদ্দিন সাউদের বিরুদ্ধে থানায় একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ডকইয়ার্ডের স্ক্র্যাপ লোহা কেনার জন্য তিনি মহিউদ্দিনকে ৫ লাখ টাকা বায়না দিয়েছিলেন এবং মহিউদ্দিন সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের স্বপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী খান মাসুদ পালিয়ে গেলে বন্দর ঘাট এলাকার স্ট্যান্ড বাজার ও ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেন এই সৈকত। তিনি নিজেকে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) ভাতিজা পরিচয় দিয়ে থানা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনার মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

চাঁদাবাজির শিকার হয়েও প্রতিকার না পেয়ে মহিউদ্দিন সাউদ এখন আতঙ্কিত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ এখনো তার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের ভয়ে এবং পুলিশের অসহযোগিতায় তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের একটি ডকইয়ার্ডে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুটপাটের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মহিউদ্দিন সাউদ। তিনি এ ঘটনায় বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, র‌্যাব বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

অভিযোগে ডকইয়ার্ড মালিক স্থানীয় মৃত শামছুল এর পুত্র সৈকত (৪০) কে প্রধান করে, সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করেছেন।

 

অভিযোগে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এরা নিজেদের বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, স্কুল কলেজের ছাত্রীদের রাস্তায় উত্যক্ত ও অসালীন আচরণ করা সহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে আসছে।

 

গত সোমবার (৪ মে) চাঁদা না পেয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দেন।

 

“অভিযোগকারী মহিউদ্দিন দাবি করেন ওরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে হইব। কিন্তু আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওরা আমারে বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করসে। পরবর্তীতে আমার ডকইয়ার্ড থেকে শত শত মানুষের সামনে প্রায় ৭০ হাজার টাকার লোহা নিয়া চলে গেছে। ওরা সবাই যুবদল করে। আমি এখন আমার জীবন নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি সেখানে। রিপোর্ট পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। অভিযোগকারীর সাথে যদি ঘটনা মিলে যায় তাহলে অপরাধী যে দলেরই হোক আমি ব্যবস্থা নেবো। আইন সবার জন্যই সমান।”

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’ বিএনপিতে ‘অল-আউট রিসেট’: ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল বগুড়া হচ্ছে সিটি করপোরেশন, দেশে নতুন পাঁচ উপজেলা