খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

বন্দরের ২০ নং ওয়ার্ডে মাসুদুজ্জামানের গণসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরের ২০ নং ওয়ার্ডে মাসুদুজ্জামানের গণসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত

নারায়ণগঞ্জের ২০ নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমী, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর গণসংযোগ কর্মসূচি। ২১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আয়োজিত এই কর্মসূচিটি বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি শাহেন শাহ-এর সার্বিক তত্ত্ববাবধানে সম্পন্ন হয়। এতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মাসুদুজ্জামানকে সমর্থন জানিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। গণসংযোগটি দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনাকান্দা থেকে সূচনা হয়। এলাকাবাসীর শুভেচ্ছা, শ্লোগান এবং ব্যানার-ফেস্টুনে মুখরিত পরিবেশে দীর্ঘ মিছিলটি অগ্রসর হয় ২০ নং ওয়ার্ডের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গণসংযোগটি সমাপ্ত হয়।

এলাকার তরুণ, প্রবীণ, নারীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ গণসংযোগটিকে রূপ দেয় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি তাৎপর্যপূর্ণ প্রদর্শনীতে। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, সমাজসেবা, মানবিক উদ্যোগ ও খেলাধুলার উন্নয়নে মাসুদুজ্জামানের দীর্ঘদিনের ভূমিকা তাঁদেরকে নতুন আশার দিগন্ত দেখিয়েছে। তাই তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ।

গণসংযোগের শুরুতেই মাসুদুজ্জামান বলেন-“আজকের ভয়াবহ ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু মানুষ আহত ও নিহত হওয়ার বেদনাদায়ক খবর পাওয়া যাচ্ছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি রইল আন্তরিক সমবেদনা। আল্লাহ যেন তাদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক দেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য দান করেন। মহান আল্লাহ আমাদের দেশ ও মানুষকে সব ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে হেফাজত করুন।”

তিনি আরো বলেন, বন্দরের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট সমাধান করা এবং ২০ নং ওয়ার্ডের মানুষের প্রত্যাশা, অধিকার ও সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস যাই – এই এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়, চায় সৎ, নিবেদিতপ্রাণ ও জনমুখী নেতৃত্ব। আমরা সবসময় আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব ইন শা আল্লাহ। সুশাসন, উন্নত সেবা, তরুণদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি ও সার্বিক উন্নয়ন – এগুলোই হবে আমাদের কাজের মূল লক্ষ্য। জনগণের প্রতি আস্থাকে ভিত্তি করেই আমরা গণতান্ত্রিক চর্চা ও উন্নয়নের পথচলা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আজকে আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে। বিভেদের রাজনীতি নয় – অংশীদারিত্বের উন্নয়নই হবে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের কেন্দ্রবিন্দু।

গণসংযোগে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক; আনোয়ার হোসেন আনু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য; হাজী ফারুক হোসেন, মনোয়ার হোসেন শোখন, অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, আলমগীর হোসেন। বিএনপি বন্দর থানা বিএনপির; সভাপতি শাহেন শাহ্, বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজারুল ইসলাম হিরন ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ লিটন, মহানগর যুবদল সভাপতি মনিরুল ইসলাম সজল, আহমেদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বন্দর থানা যুবদল, আলী নওশাদ তুসার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বন্দর থানা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাখাওয়াতুল ইসলাম রানা, মসিউর রহমান মশি, স্বেচ্ছাসেবক দলের বন্দর থানা সদস্য সচিব শাহাদুল্লা মুকুল, বিএনপি সভাপতি, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন, নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, বিএনপি, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন, কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বপন; জিল্লুর রহমান, ২০ নং ওয়ার্ডের সভাপতি, মনির পাঠান, সাধারণ সম্পাদক, ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপি। এছাড়াও গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলার সম্মানিত সভাপতি ও সেক্রেটারি, স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মহিলদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

গণসংযোগের সময় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন মাসুদুজ্জামান এবং ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।
পুরো কর্মসূচি জুড়ে স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা শৃঙ্খলা বজায় রাখেন। সড়কজুড়ে মানুষের ঢল থাকলেও কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা বা অসুবিধার সৃষ্টি হয়নি। গণসংযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়।

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

ফতুল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

 

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ–৪ (ফতুল্লা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যকর আলোচনা চলছে। বিএনপির দুই হেভিওয়েট বহিষ্কৃত নেতা গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমকে ঘিরে নির্বাচনী সমঝোতার গুঞ্জনে সরগরম হয়ে উঠেছে এলাকা।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে অতীতে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকলেও এবারের নির্বাচনে এই দুই নেতাকে নিয়ে ভিন্ন হিসাব-নিকাশ করছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমের মধ্যে যেকোনো একজন অপরজনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে থাকবেন। এতে করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্য মাঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা সহজ হবে বলে মনে করছেন তারা।

নেতাকর্মীদের দাবি, একই ঘরানার একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে ফতুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিভক্তি হলে বিএনপির জন্য তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। সে কারণে বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে একজনকে সামনে রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানাচ্ছেন তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকরা।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলম—উভয়েরই ফতুল্লায় নিজস্ব ভোটব্যাংক ও প্রভাব রয়েছে। সমঝোতার মাধ্যমে একজন সরে দাঁড়ালে বিএনপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন কিংবা শাহ আলমের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহল ধারণা করছে, নির্বাচনী প্রচারনা চলাকালীন সময়ে এই সমঝোতা নিয়ে আরও স্পষ্ট বার্তা আসতে পারে।

ফতুল্লার রাজনীতিতে এই গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত বাস্তবতায় রূপ নেয় কি না, সে দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক অঙ্গনের।

 

বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন রেজাউল করিম, আতাউর রহমান আঙ্গুর ও মো. দুলাল। নারায়ণগঞ্জের তিনটি আসনে দলীয় প্রার্থী থাকলেও তারা বিদ্রোহ করেছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তিন নেতাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো জানানো হয়।

গত বুধবার মনোনয়নপত্রের শেষদিনেও তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি জানিয়েছে, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার জন্য তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের এ তিন নেতা ছাড়াও টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদীরও ছয় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রেজাউল করিম বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও দুলাল হোসেন জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন।

আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

 

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রসঙ্গ- আওয়ামী লীগের ভোট।  বিগত নির্বাচনগুলোর পরিসংখ্যান বলছে, এ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের একটি বড় ভোটব্যাংক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে দলটির পতনের পর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে পারা- সব মিলিয়ে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অনুপস্থিতি এখন বাস্তবতা। শীর্ষ নেতাদের বেশিরভাগ আত্মগোপনে আছেন, অনেকে আবার জেলে আছেন। তবে এ আসনের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থক এখনো একটি বড় ফ্যাক্টর। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে- আওয়ামী লীগের এই ভোটগুলো কোথায় যাবে নাকি কর্মী-সমর্থকরা ভোট বর্জন করবেন?

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম বাবু জয় পান। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি সংসদ নির্বাচনেই এ আসনে  ধারাবাহিকতাভাবে জয় পান আওয়ামী লীগ।যদিও এ তিনটি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, ভোট জালিয়াতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের অভিযোগ ওঠে। এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হলেও প্রকৃত ভোটের পরিমাণ ও জনসমর্থনের হিসাব প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

বিপরীতে ১৯৯১ থেকে ২০০৭ সালের তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ন এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২ থেকে ৬৭ শতাংশের মধ্যে। ওই সময় আওয়ামী লীগ গড়ে ২০ থেকে ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যা থেকে বোঝা যায়- উপজেলায় দলটির একটি স্থায়ী ভোটব্যাংক বরাবরই বিদ্যমান ।

আওয়ামীলীগের দলের পতনের পর ভোটারদের একটি বড় অংশ রাজনৈতিকভাবে ‘নিরব অবস্থানে চলে গেছে। দলের নিষিদ্ধ অবস্থান ও নেতৃত্ব-শূণ্যতায় একটি বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও ধারণা করছেন কেউ কেউ।এ সমীকরণ নজরে রাখছেন আসনগুলোতে ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো প্রভাবশালী প্রার্থীরাও। তারা আওয়ামী লীগের ভোটগুলো নিজেদের পক্ষে নিতে নানা কৌশলও ইতোমধ্যে নিয়ে রেখেছেন। একাধিক প্রার্থীর ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে আওয়ামী লীগের কাউকে গ্রেপ্তার না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান সেই কৌশলের দিকেই আলোকপাত করে।সব মিলিয়ে  আওয়ামী লীগের ভোট একক কোনো রাজনৈতিক শক্তির দিকে একত্রে যাবে- এমন সম্ভাবনা কম। বরং এই ভোট ভাঙবে, ছড়িয়ে পড়বে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরব থাকবে। এই ছড়ানো ভোটই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল নির্ধারণে ‘নিরব নিয়ামক’ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

 

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস। বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল। আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?” ধানের শীষ প্রতীকে মাঠে নামছেন আজাদ। আড়াইহাজারে কলেজ ছাত্রকে বহিস্কার।