খুঁজুন

বন্দরের ২০ নং ওয়ার্ডে মাসুদুজ্জামানের গণসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরের ২০ নং ওয়ার্ডে মাসুদুজ্জামানের গণসংযোগে বাঁধভাঙা জনস্রোত

নারায়ণগঞ্জের ২০ নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমী, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর গণসংযোগ কর্মসূচি। ২১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আয়োজিত এই কর্মসূচিটি বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি শাহেন শাহ-এর সার্বিক তত্ত্ববাবধানে সম্পন্ন হয়। এতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মাসুদুজ্জামানকে সমর্থন জানিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। গণসংযোগটি দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনাকান্দা থেকে সূচনা হয়। এলাকাবাসীর শুভেচ্ছা, শ্লোগান এবং ব্যানার-ফেস্টুনে মুখরিত পরিবেশে দীর্ঘ মিছিলটি অগ্রসর হয় ২০ নং ওয়ার্ডের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গণসংযোগটি সমাপ্ত হয়।

এলাকার তরুণ, প্রবীণ, নারীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ গণসংযোগটিকে রূপ দেয় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি তাৎপর্যপূর্ণ প্রদর্শনীতে। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, সমাজসেবা, মানবিক উদ্যোগ ও খেলাধুলার উন্নয়নে মাসুদুজ্জামানের দীর্ঘদিনের ভূমিকা তাঁদেরকে নতুন আশার দিগন্ত দেখিয়েছে। তাই তাঁকে নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ।

গণসংযোগের শুরুতেই মাসুদুজ্জামান বলেন-“আজকের ভয়াবহ ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু মানুষ আহত ও নিহত হওয়ার বেদনাদায়ক খবর পাওয়া যাচ্ছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি রইল আন্তরিক সমবেদনা। আল্লাহ যেন তাদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক দেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য দান করেন। মহান আল্লাহ আমাদের দেশ ও মানুষকে সব ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে হেফাজত করুন।”

তিনি আরো বলেন, বন্দরের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট সমাধান করা এবং ২০ নং ওয়ার্ডের মানুষের প্রত্যাশা, অধিকার ও সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস যাই – এই এলাকার মানুষ পরিবর্তন চায়, চায় সৎ, নিবেদিতপ্রাণ ও জনমুখী নেতৃত্ব। আমরা সবসময় আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব ইন শা আল্লাহ। সুশাসন, উন্নত সেবা, তরুণদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি ও সার্বিক উন্নয়ন – এগুলোই হবে আমাদের কাজের মূল লক্ষ্য। জনগণের প্রতি আস্থাকে ভিত্তি করেই আমরা গণতান্ত্রিক চর্চা ও উন্নয়নের পথচলা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আজকে আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে। বিভেদের রাজনীতি নয় – অংশীদারিত্বের উন্নয়নই হবে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের কেন্দ্রবিন্দু।

গণসংযোগে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক; আনোয়ার হোসেন আনু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্য; হাজী ফারুক হোসেন, মনোয়ার হোসেন শোখন, অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, আলমগীর হোসেন। বিএনপি বন্দর থানা বিএনপির; সভাপতি শাহেন শাহ্, বন্দর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাজারুল ইসলাম হিরন ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ লিটন, মহানগর যুবদল সভাপতি মনিরুল ইসলাম সজল, আহমেদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বন্দর থানা যুবদল, আলী নওশাদ তুসার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বন্দর থানা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাখাওয়াতুল ইসলাম রানা, মসিউর রহমান মশি, স্বেচ্ছাসেবক দলের বন্দর থানা সদস্য সচিব শাহাদুল্লা মুকুল, বিএনপি সভাপতি, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন, নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, বিএনপি, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন, কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বপন; জিল্লুর রহমান, ২০ নং ওয়ার্ডের সভাপতি, মনির পাঠান, সাধারণ সম্পাদক, ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপি। এছাড়াও গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলার সম্মানিত সভাপতি ও সেক্রেটারি, স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মহিলদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

গণসংযোগের সময় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন মাসুদুজ্জামান এবং ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।
পুরো কর্মসূচি জুড়ে স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা শৃঙ্খলা বজায় রাখেন। সড়কজুড়ে মানুষের ঢল থাকলেও কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা বা অসুবিধার সৃষ্টি হয়নি। গণসংযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে বিএনপির একাংশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুনকা পাঠাগার মিলনায়তনে বিএনপির এক সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সভায় আতাউর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, যাকে তিনি একসময় পিতৃতুল্য ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেছেন এবং যার সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষে ওসমান পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনীতি করেছেন, সেই ব্যক্তি সুদিনে তাকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

মুকুলের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন আজ তাদের মধ্যে এমন দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টি হলো?

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আতাউর রহমান মুকুল দীর্ঘদিন আবুল কালামের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আবুল কালামের হাত ধরেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তাদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন, আবুল কালাম রাজনৈতিকভাবে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করলেও প্রয়োজন ও স্বার্থের পরিবর্তনে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও আবুল কালামের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক ছিল। প্রকাশ্যে এক পক্ষের পক্ষে অবস্থান দেখালেও আড়ালে অন্য পক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। একই ধরনের রাজনৈতিক কৌশল ও দ্বিমুখী অবস্থানের অভিযোগ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনায় উঠেছে বলে দাবি করছেন তার সমালোচকরা।

তাদের ভাষ্য, আবুল কালাম বাইরে থেকে অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কোন্দল এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুকুলের মতো দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে একসময় যারা একই রাজনৈতিক বলয়ে ছিলেন, তাদের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে দলীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ধারাবাহিক নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দলের নীতি-নির্ধারকেরা সর্বসম্মতভাবে তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের জন্য মনোনীত করেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারক ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নের খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রবীণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিককে এই পদে বেছে নেওয়া বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ