খুঁজুন
শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৪ মাঘ, ১৪৩২

তারা দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করছেন।। সেন্টু

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
তারা দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করছেন।। সেন্টু

বিএনপির প্রার্থী মাসুদুজ্জামানকে ঠেকাতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছেন সাবেক এমপি এডভোকেট আবুল কালাম ও তার ছেলে আবুল কাউসার আশা। এরই মাঝে তারা নির্বাচনী এলাকার এক হাজার মানুষের স্বাক্ষর নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রে জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে। এই এক হাজার মানুষ নাকি এডভোকেট আবুল কালামকে এমপি হিসাবে দেখতে চেয়েছেন। কিন্তু বিপরিতে এই বিষয়টি মাসুদুজ্জামানের সমর্থকরা জানতে পেরে তারা বলছেন দলের কেন্দ্র থেকে চাইলে তারা মাসুদুজ্জামানের পক্ষে পঞ্চাশ হাজার মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে জমা দিতে পারবেন।

এ বিষয়ে গতকাল নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবদুস সবুর সেন্টু বলেছেন, দল সব খোঁজ খবর নিয়েই মাসুদুজ্জামানকে মনোনয়ন দিয়েছে। মাসুদুজ্জামান ক্লিন ইমেজের একজন খুবই শক্তিশালী  প্রার্থী। এডভোকেট আবুল কালাম, এডভোকেট সাখাওয়াত এবং আবু আল ইউসুফ খান টিপু দলীয় স্বিদ্ধান্ত না মেনে ভুল করছেন। মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাসুদুজ্জামানকে মেনে নিয়ে মাঠে নেমে পরেছেন। একচল্লিশ সদস্যের মহানগর কমিটির মাত্র তিন/চার জন নেতা কালাম সাহেবের সঙ্গে রয়েছেন। বাকী সবাই রয়েছেন মাসুদুজ্জামানের সাথে।

আবদুস সবুর সেন্টু আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন বিএনপি গঠন করেন তখন থেকেই মাসুদুজ্জামানের গোটা পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে জরিত। অতীতে এডভোকেট আবুল কালাম যতোবার এমপি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন ততোবার মাসুদুজ্জামান ও তার পরিবারে জানমাল হাজির রেখে তার জন্য কাজ করেছেন। বার বারই মাসুদুজ্জামান নিজের পকেটের টাকা খরচ করে এডভোকেট আবুল কালামের জন্য লড়াই করেছেন। তাই আমরা আশা করেছিলাম কালাম সাহেব এবার তার প্রতিদান দেবেন। কিন্তু তিনি কি করলেন, দল মাসুদুজ্জামানকে মনোনয়ন দেয়ার পরেও তিনি সেটা মেনে না নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। আমি মনে করি কালাম সাহেব ভুল করছেন। তার উচিৎ দলীয় প্রার্থীর পাশে থাকা। আর আমি বিশ্বাস করি মাসুদুজ্জামান জয়ী হলে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ব্যাপক উন্নয়ন হবে এবং নারায়ণগঞ্জ শহরের সর্বত্র শৃংখলা ফিরে আসবে। তাই আমি কালাম সাহেবের প্রতি আহবান জানাবো আসুন আমরা নিজেদের ব্যাক্তিগত স্বার্থের চিন্তা বাদ দিয়ে দলের এবং জনগনের স্বার্থে কাজ করি এবং দলীয় প্রার্থীর হাতকে শক্তিশালী করি।

তিনি আরো বলেন গতকাল, কালাম সাহেব, সাখাওয়াৎ সাহেব এবং টিপু সাহেব যে নাটক মঞ্চস্থ্য করেছেন তা আমাদের দলের নেতাকর্মীরা এবং পাঁচ আসনের জনগনের গ্রহন করেনি। রাতেই সোস্যাল মিঢিয়ায় তার প্রমান পাওয়া গেছে। শতকরা নব্বই শতাংশ মানুষ মাসুদুজ্জামানের পক্ষে তাদের মতামত ব্যাক্ত করেছেন। অতএব আমি বলব সময় থাকতে তারা যেনো তাদের এসব বক্তব্য নিজ থেকে প্রত্যাহার করে নেন। তা না হলে দল তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নিলে কিছুই করার থাকবে না। তারা দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করছেন।

আড়াইহাজারে ধানের বিজয় চায়না, কেন্দ্রীয় ২ নেতা।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
আড়াইহাজারে ধানের বিজয় চায়না, কেন্দ্রীয় ২ নেতা।

 

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে একাধিক ধান প্রত্যাশি কেন্দ্রীয় নেতা থাকলেও চূড়ান্তভাবে ধান পান কেন্দ্রীয় বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ।কিন্তু ধানের টিকেট না পাওয়ায় এই আসনের দুইজন কেন্দ্রীয় নেতা মাহমুদুর রহমান সুমন ও পারভীন আক্তার নেই ধানের শীষের প্রচারণায়।যা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে তাহলে কি তারা চান না আড়াইহাজারে ধানের বিজয় হোক? ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণায় কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাদের দৃশ্যমান উপস্থিতি নেই—এ নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যে দু’জন কেন্দ্রীয় পদধারী এই আসনে সক্রিয় হওয়ার কথা ছিল, তাদের অনুপস্থিতি চোখে পড়ছে।

তাদের একজন হলেন মাহমুদুর রহমান সুমন।তিনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক। সুমন এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় তিনি আগ্রহী ছিলেন এবং দলীয় পর্যায়ে তার প্রস্তুতিও ছিল। তবে মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর আড়াইহাজারের ধানের শীষের প্রচারণায় তার সরাসরি অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে না।

অন্যজন পারভিন আক্তার।তিনে কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক। নারী ভোটারদের সংগঠিত করা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম জোরদারে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।সব মিলিয়ে, আড়াইহাজারে ধানের শীষের প্রচারণায় কেন্দ্রীয় পদধারীদের অনুপস্থিতি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন তুলেছে। অনেকে মনে করছেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সক্রিয় অংশগ্রহণ না থাকায় প্রচারণার গতি ও সমন্বয় প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছাচ্ছে না।যদিও তাদের ভোটের মাঠে নামাতে তেমন কোন উদ্যোগ দেখা মেলেনি আজাদের পক্ষ থেকে।এ নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।

 

বন্দর ২২ নং ওয়ার্ডে ফুটবলের পক্ষে মাকসুদ স্ত্রীর ক্যাম্প উদ্ভোদন।

বন্দর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ
বন্দর ২২ নং ওয়ার্ডে ফুটবলের পক্ষে মাকসুদ স্ত্রীর ক্যাম্প উদ্ভোদন।

 

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ফুটবল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব মাকসুদ হোসেনের পক্ষে বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন ও গণসংযোগে ব্যস্ততম দিন কাটিয়েছেন তার সহধর্মিনী সমাজসেবিকা নার্গিস মাকসুদ।

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২২নং ওয়ার্ডের রাজবাড়ি এলাকায় একটি নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি মুছাপুর ইউনিয়নের বারপাড়া এলাকায় আরেকটি নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন করে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও প্রচার-প্রচারণা চালান। পরিশেষে চর ইসলামপুর এলাকায় আরও একটি দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিটি স্থানে শত-শত নারী-পুরুষ ভোটার স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন এবং ফুটবল মার্কার পক্ষে সমর্থন জানান।

এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নার্গিস মাকসুদ বলেন, মাকসুদ হোসেন সবসময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন।তিনি আপনাদের মুছাপুরের ৩ বারের সফল চেয়ারম্যান ও একবার উপজেলা চেয়ারম্যান। তিনি নির্বাচিত হলে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের অবহেলিত জনপদের উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সেবার মানন্নোয়ন এবং যুব সমাজের কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার দেবেন। আমরা আপনাদের দোয়া ও ফুটবল মার্কায় ভোট কামনা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “এই আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়। উন্নয়ন ও সুশাসনের স্বার্থে ফুটবল মার্কাকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরাও ফুটবল মার্কার পক্ষে জোরালো প্রচারণা চালান এবং আসন্ন নির্বাচনে বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

স্বপ্নের আড়াইহাজার গড়তে আপনাদের সকলকে পাশে চাই।।আজাদ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
স্বপ্নের আড়াইহাজার গড়তে আপনাদের সকলকে পাশে চাই।।আজাদ

ঢাকা বিভাগের বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের দলের মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ বলেছেন, আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, স্বপ্নের আড়াইহাজার গড়ে তুলব। সেই স্বপ্নের আড়াইহাজার গড়তে আপনাদের সকলকে আমি পাশে চাই।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাক্ষ্মনদী ইউনিয়নে এক নির্বাচনী সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আপনাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক ভাইদের জন্য কৃষি কার্ড দেবেন।  ১২ তারিখ আপনারা ধানের শীষে ভোট দিন।

আমি আপনাদের পরিবারের সদস্য হয়ে আপনাদের পাশে থেকে একটি প্রগতিশীল আড়াইহাজার গড়ে তুলব। ভোটের মাধ্যমে ধানের শীষকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে এ আসনটি তারেক রহমানকে আমরা উপহার দেব।

তিনি আরও বলেন, এখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নত করার পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, আত্মসামাজিক ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেগবান করা হবে। পাশাপাশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।

গণসংযোগ ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন- নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজিব, আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী ভূঁইয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি মতিউর রহমান মতিন, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডাঃ মনির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মোল্লাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন নেতৃবৃন্দ।

আড়াইহাজারে ধানের বিজয় চায়না, কেন্দ্রীয় ২ নেতা। বন্দর ২২ নং ওয়ার্ডে ফুটবলের পক্ষে মাকসুদ স্ত্রীর ক্যাম্প উদ্ভোদন। স্বপ্নের আড়াইহাজার গড়তে আপনাদের সকলকে পাশে চাই।।আজাদ আমি আপনাদের খেদমত করতে এসেছি।।কালাম ফতুল্লা বিএনপির ১০ নেতা বহিস্কার।