খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

‘কেমন বন্দর চাই’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় মাসুদুজ্জামান মাসুদ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
‘কেমন বন্দর চাই’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় মাসুদুজ্জামান মাসুদ

 

আজ বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক ও সুধীজনদের সঙ্গে কেমন বন্দর চাই’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মাসুদুজ্জামান মাসুদ। মাসুদুজ্জামান মাসুদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বিগত ফ্যাসিবাদিকালে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ করেছে জাতীয়তাবাদি দল। যারা জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন, তাদের অবদান আমরা কখনো ভুলবনা। আমি বন্দরবাসীর পাশে আছি এবং থাকব। এই এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে আমি সবসময় এগিয়ে আসব। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। নারায়ণগঞ্জের বাইরে যাওয়ার আমার কোনো জায়গা নেই। আমি দেখেছি অনেক ক্ষেত্রে যেখানে সরকারের দায়িত্ব পালনের কথা, সেখানে তা ঠিকমত বাস্তবায়ন হয় না। ফলে অসহায় মানুষদের সমাজের অন্যদের উপর নির্ভর হতে হয়। আমি আপনাদের হয়ে সেই পরিবর্তনের কাজটি করার অঙ্গীকার করি – যাতে নীতিমালা সংশোধনের মাধ্যমে সরকার দায়িত্ব পালনে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও যুগোপযোগী হতে পারে। এই শহরের মানুষের সেবা ও সহযোগিতাই আমার অঙ্গাঙ্গী দায়িত্ব।

আজকের মত বিনিময় সভার সাংবাদিকদের মতে, মাসুদুজ্জামান মাসুদ একজন বড় মনের সমাজসেবক। রমজান মাসে তার দিকনির্দেশনায় সাধারণ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে, যা গরীব, দুঃখী ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য উদাহরণ। তিনি সবসময় দিতে এসেছেন, নেয়ার জন্য নয়, এবং মানুষের কল্যাণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

সাংবাদিকরা বলেন, “আমরা মাসুদ ভাইকে সম্মান করি ও তাঁর জন্য দোয়া করি যেন আল্লাহ তাকে জনগণের সেবা করার সুযোগ দেন। প্রেস ক্লাব সবসময় তার জন্য উন্মুক্ত, এবং নির্বাচিত হলে আমরা আশা করি তিনি ক্লাবের দিকে সু-নজর রাখবেন।

সভায় বক্তৃতা ও মতামত প্রদান করেন বন্দর প্রেসক্লাব সহ সভাপতি দ্বীন ইসলাম দিপু,  সাংবাদিক ইমন শাহরিয়ার;সাধারণ সম্পাদক, বন্দর নাগরিক কমিটি কবির সোহেল, সাধারণ সম্পাদক, হাফেজ মো. কবির হোসাইন, আহ্বায়ক, বন্দর উন্নয়ন ফোরাম; অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, যুগ্ম-আহ্বায়ক, বন্দর উন্নয়ন ফোরাম; মোঃ মাহতাব উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক, লক্ষণখোলা আলহাজ্ব ফজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়; এবং রোটারিয়ান নুরুল ইসলাম,শিক্ষানুরাগী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন: আনোয়ার হোসেন আনু, যুগ্ম আহ্বায়ক,নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি। নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি সদস্যবৃন্দ; মনোয়ার হোসেন শোখন, শহিদুল ইসলাম রিপন, শাখাওয়াতুল ইসলাম রানা। সভাপতি শাহেন শাহ্ধসঢ়;, বন্দর উপজেলা বিএনপি সভাপতি হিরণ, বন্দর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ লিটন, যুবদল সভাপতি মনিরুল ইসলাম সজল, কৃষকদলের সভাপতি এনামুল খন্দকার স্বপন। বন্দর প্রেস ক্লাবের; মেহেবুব মিয়া (সদস্য), আব্দুল লতিফ রানা (অর্থ সম্পাদক), মাহফুজুল আলম জাহিদ (সাধারণ সম্পাদক), শ্যামল (সাংবাদিক), মোঃ আজিজুর রহমান (অধ্যক্ষ, বিএম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজ), মোহাম্মদ আলী (প্রধান শিক্ষক, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ডকইয়ার্ড ও ইঞ্জিনিয়ারিং উচ্চ বিদ্যালয়), মোঃ মিজানুর রহমান (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, বন্দর।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সদর ও বন্দরের বিএনপির সকল সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দরা।

উক্ত সভার আয়োজন করেছিল বন্দর প্ধেসঢ়;্রসক্লাব, যার মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ,সুধীজন এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে মতবিনিময় ও সংলাপের একটি উন্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর।।
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪২ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আগামী দুই বছরের পথচলা শুরু হলো।

 

গতকাল ১৫ মে (শুক্রবার) বিকেলে মদনগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

নবগঠিত এই কমিটিতে সংগঠনের সবার প্রিয়ভাজন, সমাজকর্মী আলমগীর আজাদ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত কমিটির সফল সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোরশেদ রতন। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. জিয়াউদ্দিন ভুইয়া।

 

কমিটি ঘোষণার পর নবাগত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, তারা অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করবেন। একই সাথে আগামী দিনে সিনিয়র সিটিজেনদের অধিকার রক্ষা, সংগঠনের অগ্রগতি এবং সামগ্রিক সমাজ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ডকইয়ার্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে উল্টো বিপাকে পড়েছেন মহিউদ্দিন সাউদ নামে এক ব্যবসায়ী। থানা ও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে অভিযুক্তদের হুমকি এবং পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ঘাট সংলগ্ন শেফা ডকইয়ার্ডের মালিক মহিউদ্দিন সাউদের কাছে লোহা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা পরিচয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে স্থানীয় একটি চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত কয়েকদিন আগে অভিযুক্তরা ডকইয়ার্ডে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, শত শত মানুষের সামনে ডকইয়ার্ড থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের লোহা লুট করে নিয়ে যায় তারা।

 

এই ঘটনায় মহিউদ্দিন সাউদ স্থানীয় মৃত শামছুলের ছেলে সৈকতকে (৪০) প্রধান আসামি করে সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‍্যাব কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, “অভিযুক্তরা নিজেদের যুবদল ও বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তারা আমার কাছে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুট করেছে। এখন আমি জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি।”

 

এদিকে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে প্রধান অভিযুক্ত সৈকত হাসান বাদী হয়ে মহিউদ্দিন সাউদের বিরুদ্ধে থানায় একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ডকইয়ার্ডের স্ক্র্যাপ লোহা কেনার জন্য তিনি মহিউদ্দিনকে ৫ লাখ টাকা বায়না দিয়েছিলেন এবং মহিউদ্দিন সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের স্বপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী খান মাসুদ পালিয়ে গেলে বন্দর ঘাট এলাকার স্ট্যান্ড বাজার ও ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেন এই সৈকত। তিনি নিজেকে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) ভাতিজা পরিচয় দিয়ে থানা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনার মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

চাঁদাবাজির শিকার হয়েও প্রতিকার না পেয়ে মহিউদ্দিন সাউদ এখন আতঙ্কিত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ এখনো তার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের ভয়ে এবং পুলিশের অসহযোগিতায় তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের একটি ডকইয়ার্ডে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুটপাটের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মহিউদ্দিন সাউদ। তিনি এ ঘটনায় বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, র‌্যাব বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

অভিযোগে ডকইয়ার্ড মালিক স্থানীয় মৃত শামছুল এর পুত্র সৈকত (৪০) কে প্রধান করে, সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করেছেন।

 

অভিযোগে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এরা নিজেদের বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, স্কুল কলেজের ছাত্রীদের রাস্তায় উত্যক্ত ও অসালীন আচরণ করা সহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে আসছে।

 

গত সোমবার (৪ মে) চাঁদা না পেয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দেন।

 

“অভিযোগকারী মহিউদ্দিন দাবি করেন ওরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে হইব। কিন্তু আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওরা আমারে বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করসে। পরবর্তীতে আমার ডকইয়ার্ড থেকে শত শত মানুষের সামনে প্রায় ৭০ হাজার টাকার লোহা নিয়া চলে গেছে। ওরা সবাই যুবদল করে। আমি এখন আমার জীবন নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি সেখানে। রিপোর্ট পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। অভিযোগকারীর সাথে যদি ঘটনা মিলে যায় তাহলে অপরাধী যে দলেরই হোক আমি ব্যবস্থা নেবো। আইন সবার জন্যই সমান।”

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’ বিএনপিতে ‘অল-আউট রিসেট’: ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল বগুড়া হচ্ছে সিটি করপোরেশন, দেশে নতুন পাঁচ উপজেলা