খুঁজুন
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

মাসুদুজ্জামানের ডাকে শহরে জনতার ঢল

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
মাসুদুজ্জামানের ডাকে শহরে জনতার ঢল

 

 

 

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে নারায়ণগঞ্জ শহর জুড়ে  ছিল বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পদচারণায় সরগরম। দিবসটি উপলক্ষে বিশাল শোডাউন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ক্রীড়া ও শিক্ষানুরাগী মাসুদুজ্জামান মাসুদ। শহর ও বন্দরের অলিগলি থেকে তার অনুসারী কর্মী-সমর্থকরা মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করেন এ বিশাল শোডাউনে। সকলের মুখে ছিল ধানের শীষ, খালেদা জিয়া আর তারেক রহমানের স্লোগান।

 

 

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে শহরের খানপুর এলাকা থেকে মাসুদুজ্জামানের বিশাল র‌্যালিটি বের হয়। তবে, দুপুর থেকেই তার পক্ষে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, তাঁতী দল ও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন খানপুর হাসপাতালের সামনের সড়কে।

 

 

জাতীয় ও দলীয় পতাকার পাশাপাশি ধানের শীষ প্রতীকের বিভিন্ন ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে জেলা, মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী এ র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। তাদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে নগরীর রাজপথ। মাসুদুজ্জামানের সুবিশাল ও বর্ণাঢ্য এই র‍্যালি নজরকাড়ে নগরবাসীর।

 

 

র‌্যালিটি খানপুর থেকে শুরু হয়ে নবাব সলিমউল্লাহ সড়ক এবং বঙ্গবন্ধু সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে চাষাঢ়ায় বিজয়স্তম্ভের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ সময় তারা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ভোট দিকে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। মাসুদুজ্জামানের বিগত সময়ে সমাজসেবা, ক্রীড়া, শিক্ষা, ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় অঙ্গণে অবদানের কথাও তুলে ধরেন।

 

 

এ সময় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, আনোয়ার হোসেন আনু, সদস্য বিল্লাল হোসেন, আলমগীর হোসেন, ফারুক হোসেন তপন, মনোয়ার হোসেন তপন, অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম শিপলু প্রমুখ।

 

 

আনোয়ার হোসনে আনু বলেন, “আমরা মাসুদ ভাইয়ের পক্ষে নারায়ণগঞ্জে সহনশীল সহমর্মিতার রাজনীতি চাই। আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ নেই। আমরা সবাইকে বলতে চাই, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে নির্দেশনা দিয়েছেন মাসুদ ভাইয়ের সৈনিকরা তাদের জীবন দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে।

 

 

বিপ্লব সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন আব্দুস সবুর খান সেন্টু। তিনি বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আধিপত্যবাদ, ফ্যাসিবাদ, একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কবর রচনা হয়েছিল। আপনারা জানেন এই ফ্যাসিবাদী আন্দোলন উৎখাত করতে যেয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম হয়েছ, নিহত হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী কারাগারে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গণবিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণবিপ্লব হয়েছে। এই বিপ্লবের একটি আকাঙ্ক্ষা, লক্ষ্য ছিল; মানুষের ভোটের অধিকার পুনপ্রতিষ্ঠিত করা।

 

 

তিনি বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আমাদের রাজনীতিক, নেতাকর্মী, ক্রীড়ানুরাগী, ব্যবসায়ী; সকলের আশাকাঙ্ক্ষার প্রতীক মাসুদজমান মাসুদ। তিনি সুশীল সমাজেরও প্রতিনিধি। তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে আমাদের মাঝে পাঠিয়েছে। একদলীয় সরকারের পতনের পর আজকে আমাদের এই গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে। এই গণতন্ত্র আমরা রক্ষা করবো। আমাদের প্রতীক ধানের শীষ আর প্রার্থী মাসুদুজ্জামান।

 

 

গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “দলের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু সংখ্যক ফ্যাসিস্টের প্রতিনিধি বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। ঠিক ভোটের আগে তারা ওই সরকারের প্রেতাত্মাদের সাথে আঁতাত করে গণতন্ত্রকে হত্যা করবে। আমরা মাঝে ময়দানে থেকে এই গণতন্ত্র হত্যাকারীদেরকে চিরতরে নিমূর্ল করবো ধানের শীষে মাসুদকে ভোট দিয়ে।

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর।।
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪২ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আগামী দুই বছরের পথচলা শুরু হলো।

 

গতকাল ১৫ মে (শুক্রবার) বিকেলে মদনগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

 

নবগঠিত এই কমিটিতে সংগঠনের সবার প্রিয়ভাজন, সমাজকর্মী আলমগীর আজাদ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত কমিটির সফল সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম মোরশেদ রতন। এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মো. জিয়াউদ্দিন ভুইয়া।

 

কমিটি ঘোষণার পর নবাগত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, তারা অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে পালন করবেন। একই সাথে আগামী দিনে সিনিয়র সিটিজেনদের অধিকার রক্ষা, সংগঠনের অগ্রগতি এবং সামগ্রিক সমাজ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ডকইয়ার্ডে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে উল্টো বিপাকে পড়েছেন মহিউদ্দিন সাউদ নামে এক ব্যবসায়ী। থানা ও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে অভিযুক্তদের হুমকি এবং পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর ঘাট সংলগ্ন শেফা ডকইয়ার্ডের মালিক মহিউদ্দিন সাউদের কাছে লোহা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা পরিচয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে স্থানীয় একটি চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত কয়েকদিন আগে অভিযুক্তরা ডকইয়ার্ডে প্রবেশ করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, শত শত মানুষের সামনে ডকইয়ার্ড থেকে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের লোহা লুট করে নিয়ে যায় তারা।

 

এই ঘটনায় মহিউদ্দিন সাউদ স্থানীয় মৃত শামছুলের ছেলে সৈকতকে (৪০) প্রধান আসামি করে সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও র‍্যাব কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, “অভিযুক্তরা নিজেদের যুবদল ও বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। তারা আমার কাছে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুট করেছে। এখন আমি জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি।”

 

এদিকে, চাঁদাবাজির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে প্রধান অভিযুক্ত সৈকত হাসান বাদী হয়ে মহিউদ্দিন সাউদের বিরুদ্ধে থানায় একটি পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ডকইয়ার্ডের স্ক্র্যাপ লোহা কেনার জন্য তিনি মহিউদ্দিনকে ৫ লাখ টাকা বায়না দিয়েছিলেন এবং মহিউদ্দিন সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে ৫ লাখ টাকা লেনদেনের স্বপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী খান মাসুদ পালিয়ে গেলে বন্দর ঘাট এলাকার স্ট্যান্ড বাজার ও ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নেন এই সৈকত। তিনি নিজেকে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্যের (এমপি) ভাতিজা পরিচয় দিয়ে থানা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনার মাধ্যমে ত্রাস সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

চাঁদাবাজির শিকার হয়েও প্রতিকার না পেয়ে মহিউদ্দিন সাউদ এখন আতঙ্কিত। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ এখনো তার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের ভয়ে এবং পুলিশের অসহযোগিতায় তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের একটি ডকইয়ার্ডে চাঁদা না পেয়ে লোহা লুটপাটের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মহিউদ্দিন সাউদ। তিনি এ ঘটনায় বন্দর থানা, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, র‌্যাব বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন।

 

অভিযোগে ডকইয়ার্ড মালিক স্থানীয় মৃত শামছুল এর পুত্র সৈকত (৪০) কে প্রধান করে, সজিব, হুমায়ুন, রাসেল, রাব্বি, আফজাল ও বিপ্লবসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করেছেন।

 

অভিযোগে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এরা নিজেদের বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, স্কুল কলেজের ছাত্রীদের রাস্তায় উত্যক্ত ও অসালীন আচরণ করা সহ বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করে আসছে।

 

গত সোমবার (৪ মে) চাঁদা না পেয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দেন।

 

“অভিযোগকারী মহিউদ্দিন দাবি করেন ওরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে হইব। কিন্তু আমি এতে রাজি না হওয়ায় ওরা আমারে বিভিন্ন ভাবে গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করসে। পরবর্তীতে আমার ডকইয়ার্ড থেকে শত শত মানুষের সামনে প্রায় ৭০ হাজার টাকার লোহা নিয়া চলে গেছে। ওরা সবাই যুবদল করে। আমি এখন আমার জীবন নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি।”

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি সেখানে। রিপোর্ট পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। অভিযোগকারীর সাথে যদি ঘটনা মিলে যায় তাহলে অপরাধী যে দলেরই হোক আমি ব্যবস্থা নেবো। আইন সবার জন্যই সমান।”

বন্দর উপজেলা সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন বন্দরে চাঁদাবাজির অভিযোগ করে বিপাকে ব্যবসায়ী- উল্টো মামলার হুমকি বন্দরে চাঁদা না পেয়ে ‘বিএনপি পরিচয়ে ডকইয়ার্ডে লুটপাট’ বিএনপিতে ‘অল-আউট রিসেট’: ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল বগুড়া হচ্ছে সিটি করপোরেশন, দেশে নতুন পাঁচ উপজেলা