খুঁজুন

মাসুদুজ্জামানের ডাকে শহরে জনতার ঢল

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
মাসুদুজ্জামানের ডাকে শহরে জনতার ঢল

 

 

 

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে নারায়ণগঞ্জ শহর জুড়ে  ছিল বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পদচারণায় সরগরম। দিবসটি উপলক্ষে বিশাল শোডাউন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ক্রীড়া ও শিক্ষানুরাগী মাসুদুজ্জামান মাসুদ। শহর ও বন্দরের অলিগলি থেকে তার অনুসারী কর্মী-সমর্থকরা মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করেন এ বিশাল শোডাউনে। সকলের মুখে ছিল ধানের শীষ, খালেদা জিয়া আর তারেক রহমানের স্লোগান।

 

 

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে শহরের খানপুর এলাকা থেকে মাসুদুজ্জামানের বিশাল র‌্যালিটি বের হয়। তবে, দুপুর থেকেই তার পক্ষে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, তাঁতী দল ও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন খানপুর হাসপাতালের সামনের সড়কে।

 

 

জাতীয় ও দলীয় পতাকার পাশাপাশি ধানের শীষ প্রতীকের বিভিন্ন ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে জেলা, মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী এ র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। তাদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে নগরীর রাজপথ। মাসুদুজ্জামানের সুবিশাল ও বর্ণাঢ্য এই র‍্যালি নজরকাড়ে নগরবাসীর।

 

 

র‌্যালিটি খানপুর থেকে শুরু হয়ে নবাব সলিমউল্লাহ সড়ক এবং বঙ্গবন্ধু সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে চাষাঢ়ায় বিজয়স্তম্ভের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এ সময় তারা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ভোট দিকে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। মাসুদুজ্জামানের বিগত সময়ে সমাজসেবা, ক্রীড়া, শিক্ষা, ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় অঙ্গণে অবদানের কথাও তুলে ধরেন।

 

 

এ সময় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, আনোয়ার হোসেন আনু, সদস্য বিল্লাল হোসেন, আলমগীর হোসেন, ফারুক হোসেন তপন, মনোয়ার হোসেন তপন, অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম শিপলু প্রমুখ।

 

 

আনোয়ার হোসনে আনু বলেন, “আমরা মাসুদ ভাইয়ের পক্ষে নারায়ণগঞ্জে সহনশীল সহমর্মিতার রাজনীতি চাই। আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ নেই। আমরা সবাইকে বলতে চাই, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে নির্দেশনা দিয়েছেন মাসুদ ভাইয়ের সৈনিকরা তাদের জীবন দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে।

 

 

বিপ্লব সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন আব্দুস সবুর খান সেন্টু। তিনি বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আধিপত্যবাদ, ফ্যাসিবাদ, একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কবর রচনা হয়েছিল। আপনারা জানেন এই ফ্যাসিবাদী আন্দোলন উৎখাত করতে যেয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম হয়েছ, নিহত হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী কারাগারে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গণবিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণবিপ্লব হয়েছে। এই বিপ্লবের একটি আকাঙ্ক্ষা, লক্ষ্য ছিল; মানুষের ভোটের অধিকার পুনপ্রতিষ্ঠিত করা।

 

 

তিনি বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আমাদের রাজনীতিক, নেতাকর্মী, ক্রীড়ানুরাগী, ব্যবসায়ী; সকলের আশাকাঙ্ক্ষার প্রতীক মাসুদজমান মাসুদ। তিনি সুশীল সমাজেরও প্রতিনিধি। তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে আমাদের মাঝে পাঠিয়েছে। একদলীয় সরকারের পতনের পর আজকে আমাদের এই গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে। এই গণতন্ত্র আমরা রক্ষা করবো। আমাদের প্রতীক ধানের শীষ আর প্রার্থী মাসুদুজ্জামান।

 

 

গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “দলের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু সংখ্যক ফ্যাসিস্টের প্রতিনিধি বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। ঠিক ভোটের আগে তারা ওই সরকারের প্রেতাত্মাদের সাথে আঁতাত করে গণতন্ত্রকে হত্যা করবে। আমরা মাঝে ময়দানে থেকে এই গণতন্ত্র হত্যাকারীদেরকে চিরতরে নিমূর্ল করবো ধানের শীষে মাসুদকে ভোট দিয়ে।

আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ।

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ।

 

আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়নে একঝাঁক চেয়ারম্যান প্রত্যাশী প্রার্থী আলোচনা থাকলেও তৃণমূলের আস্থায় আছেন ক্লিন ইমেজ খ্যাত মাত্র একজন।কিন্তু কে সেই ক্লিন ইমেজ খ্যাত নেতা? এমন প্রশ্নের উত্তর খুজতে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে তৃণমূলের সেই প্রাত্যাশিত নেতার নাম।

তৃণমূল জানান, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ইউনিয়নের একাধিক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আলোচনায় থাকলেও মোঃ অলি উল্লাহ একজন সৎ, আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠক, বিশিষ্ট সমাজসেবক। আড়াইহাজার তথা হাইজাদী ইউনিয়ন রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে হাইজাদী ইউনিয়ন এর স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এই অলি উল্লাহ।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন এই অলি উল্লাহ । রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে ধমিয়ে রাখতে পারেনি।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে অলি’র বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

চেয়ারম্যান প্রত্যাশি এই নেতা একান্ত আলাপচারিতায় প্রতিবেদক’ কে বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতা নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে হাইজাদী ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।

স্থানীয়দের ভাষ্য, তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে অলি ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইজাদী ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম অলি উল্লাহ এমনটাই উঠে আসে প্রতিবেদকের অনুসন্ধানী রিপোর্টে। তবে এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততা এই পথচলা তাকে কতটা জনপ্রতিধি হওয়ার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় প্রায় ২১ লাখ টাকার ড্রেজারের পাইপ ও যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক যুবদল নেতা কাজল প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া কাজল প্রধান বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সদস্য এবং বন্দর থানা যুবদলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে। বন্দর থানা তার বিরুদ্ধে হত্যা সহ একাধীক মামলা রয়েছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী শিমন হাসানের বাবা মরহুম হাজী মো. আতিকুর রহমান আতিক একজন ড্রেজার ব্যবসায়ী ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর শিমন হাসান ব্যবসার দায়িত্ব নেন। ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ড্রেজারের মালামাল বন্দর উপজেলার সালেহনগর এলাকার রূপালী গেট বাগানসংলগ্ন কাইল্লাহ মিয়ার বাড়ির সামনে রাখা ছিল।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৫ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে কোনো এক সময় কাজল প্রধান ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন পরিকল্পিতভাবে ড্রেজারের মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ১২ ইঞ্চি ড্রেজার পাইপ ৮৫টি, যার আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ টাকা এবং বুস্টার মেশিনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, যার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। এতে মোট প্রায় ২১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী শিমন হাসান জানান, ২৭ জুলাই ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ড্রেজারের পাইপ ও যন্ত্রাংশ খুঁজে না পেয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। পরে গোপন সূত্রে জানতে পারেন, চুরি হওয়া পাইপ ও যন্ত্রাংশ নবীগঞ্জ ও মাহমুদনগর এলাকার বিভিন্ন ভাঙারি (স্ক্র্যাপ) দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। এরপর আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি কাজল প্রধানকে গ্রেপ্তার করে। তবে মামলার অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছেন।
বন্দর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।

কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির

 

 

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন একজন সৎ, আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠক,বিশিষ্ট সমাজসেবক ফকির জহির রহমান । আড়াইহাজার তথা কালাপাহাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে কালাপাহাড়িয়ার স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন এই জহির। অপরদিকে জহিরের রাজনৈতিক দল বিএনপির জন্য একনিষ্ঠতার সাথে বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন এবং দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে মুখ্য ভূমিকা পালন করে বিএনপির নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে কান্ডারী হয়ে উঠেছিলেন।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন জহির। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে ধমিয়ে রাখতে পারেনি।

বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে জহিরের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

জহির বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে জহির ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম জহির। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততা এই পথচলা তাকে কতটা জনপ্রতিধি হওয়ার শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

 

 

আলোচনায় একঝাঁক, তৃণমূলের আস্থায় ক্লিন ইমেজ। বন্দরে ড্রেজার সরঞ্জাম চুরির মামলায় সাবেক যুবদল নেতা গ্রেপ্তার কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে জহির বন্দর থানায় সাংবাদিকদের সঙ্গে ওসির অসদাচরণ আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।