খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮ মাঘ, ১৪৩২

মাকসুদ আশার গোপন বৈঠক, নারায়ণগঞ্জকে অশান্ত করার পরিকল্পনা 

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
মাকসুদ আশার গোপন বৈঠক, নারায়ণগঞ্জকে অশান্ত করার পরিকল্পনা 

নারায়ণগঞ্জকে অশান্ত করার যড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে পড়েছে। মনোনয়ন বঞ্চিত অ্যাডভোকেট আবুল কালামের ছেলে আশা ও ওসমান পরিবারের অন্যতম দোসর মাকসুদ চেয়ারম্যান নাশকতার পরিকল্পনা করেছেন বলে গোয়েন্দা সুত্র বলছে। ফলে সর্তকাবস্থায় গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাদা পোষাকে নেমে পড়েছেন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির অভ্যন্তরে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনকে কেন্দ্র করে। দলের কেন্দ্রীয় ঘোষণায় শিল্পপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদের নাম ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভ ও ষড়যন্ত্রের গোপন আগুন জ্বলে উঠেছে পরাজিত মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়া আবুল কালামের ছেলে সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশা গোপনে হাত মিলিয়েছেন পতিত স্বৈরাচারী দল আওয়ামী লীগের দোসর খ্যাত বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির জেলা সহ-সভাপতি ও বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেনের সঙ্গে। দুজনের মধ্যে একাধিক গোপন বৈঠক হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে একটি নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা সংস্থা।

 

দলীয় সূত্র জানায়, কেন্দ্র থেকে কঠোর নির্দেশ থাকায় আশার পক্ষের কেউ প্রকাশ্যে মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে সাহস পাচ্ছে না। কিন্তু অন্তরালে তারা ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। গত কয়েক দিনে তাঁদের ঘনিষ্ঠ কর্মীরা মদনপুর, চিটাগাং রোড, বন্দর ও সদর এলাকায় গোপনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৫ নভেম্বর) দিনের বেলায় বন্দর এলাকার এক কাঠের স’মিল থেকে বেশ কিছু গাছের গুড়ি ও দাহ্য পদার্থ সংগ্রহ করেছে মাকসুদ-আশা গ্রুপের অনুসারীরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মধ্য রাতে তাঁরা মুখে মাস্ক ও হেলমেট পরে হঠাৎ সড়কে নেমে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাবে। এতে তাঁরা মাসুদুজ্জামানের বিরুদ্ধে “মনোনয়ন বাতিল করো”, “বিক্রি করা প্রার্থী চাই না” এমন উস্কানিমূলক স্লোগান দিতে পারে বলে গোয়েন্দারা ধারণা করছে।
সূত্রটি আরও জানায়, শুধু বিক্ষোভ নয়, তাঁরা রাতে চলাচল করা গাড়িতে আগুন ধরানো বা নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলারও প্রস্তুতি নিচ্ছে। এতে এলাকায় নাশকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ ইউনিট ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে এবং রাতে অতিরিক্ত টহল বাড়ানো হচ্ছে।
গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, “মাসুদুজ্জামানের মনোনয়ন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে তাঁকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। আমরা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। নাশকতার কোনো ইঙ্গিত পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, যদি সত্যি হয় বিষয়টি বিএনপির জন্য হবে চরম আত্মঘাতী। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি। এমন কোন কিছু হওয়ার সুযোগ যেন না পায় সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক করা হয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই বন্দর এলাকায় মাকসুদ হোসেনের সঙ্গে কিছু বিএনপি নেতার অদ্ভুত সম্পর্ক টিকে আছে। এখন সেটি আবার সক্রিয় হচ্ছে নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে। আশা ও মাকসুদ উভয়েই রাজনীতিতে প্রভাব হারিয়ে প্রান্তিক অবস্থানে চলে গেছেন। তাঁদের এই আতঙ্কই হয়তো মাসুদুজ্জামান মাসুদের উত্থান ঠেকাতে মরিয়া করে তুলেছে।
এদিকে বিএনপির জেলা নেতারা বলছেন, দলের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করে আন্দোলন ও নির্বাচনের গতি ভিন্ন খাতে নিতে দেওয়া হবে না। তাঁরা জানিয়েছেন, মাসুদুজ্জামান মাসুদ দলের প্রতীক ‘ধানের শীষ’-এর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন এবং যেকোনো ষড়যন্ত্রের জবাব গণঅংশগ্রহণের মাধ্যমেই দেবেন।
এটি কেবল একটি আসনের বিরোধ নয়, বরং ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় হারতে না চাওয়া গোষ্ঠীগুলোর সংঘাত। মাসুদুজ্জামানের জনপ্রিয়তা ও অর্থনৈতিক শক্তি এখন তাঁকে এই আসনের বিএনপির মূলধারায় সবচেয়ে প্রভাবশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে, যা পুরনো রাজনীতিকদের আতঙ্কে ফেলেছে।
বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনটি নির্বাচনীভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহর ও বন্দরের ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় যেকোনো সহিংসতা বা নাশকতা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “যে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে মাসুদুজ্জামান মাসুদ নিজে বলেন, “আমি দলের প্রতীক ‘ধানের শীষ’-এর প্রার্থী হিসেবে জনগণের কাছে যাচ্ছি। বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। ষড়যন্ত্রের ভয় আমি করি না। বিএনপি নেতাকর্মীরা জানে কারা আন্দোলনের মাঠে ছিল আর কারা শুধু ক্ষমতার লোভে ষড়যন্ত্র করে।”
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

ফতুল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস।

 

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ–৪ (ফতুল্লা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যকর আলোচনা চলছে। বিএনপির দুই হেভিওয়েট বহিষ্কৃত নেতা গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমকে ঘিরে নির্বাচনী সমঝোতার গুঞ্জনে সরগরম হয়ে উঠেছে এলাকা।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে অতীতে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকলেও এবারের নির্বাচনে এই দুই নেতাকে নিয়ে ভিন্ন হিসাব-নিকাশ করছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলমের মধ্যে যেকোনো একজন অপরজনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে থাকবেন। এতে করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের জন্য মাঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা সহজ হবে বলে মনে করছেন তারা।

নেতাকর্মীদের দাবি, একই ঘরানার একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে ফতুল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিভক্তি হলে বিএনপির জন্য তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। সে কারণে বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে একজনকে সামনে রেখে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানাচ্ছেন তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকরা।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গিয়াসউদ্দিন ও শাহ আলম—উভয়েরই ফতুল্লায় নিজস্ব ভোটব্যাংক ও প্রভাব রয়েছে। সমঝোতার মাধ্যমে একজন সরে দাঁড়ালে বিএনপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন কিংবা শাহ আলমের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহল ধারণা করছে, নির্বাচনী প্রচারনা চলাকালীন সময়ে এই সমঝোতা নিয়ে আরও স্পষ্ট বার্তা আসতে পারে।

ফতুল্লার রাজনীতিতে এই গুঞ্জন শেষ পর্যন্ত বাস্তবতায় রূপ নেয় কি না, সে দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক অঙ্গনের।

 

বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন রেজাউল করিম, আতাউর রহমান আঙ্গুর ও মো. দুলাল। নারায়ণগঞ্জের তিনটি আসনে দলীয় প্রার্থী থাকলেও তারা বিদ্রোহ করেছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তিন নেতাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো জানানো হয়।

গত বুধবার মনোনয়নপত্রের শেষদিনেও তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি জানিয়েছে, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার জন্য তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের এ তিন নেতা ছাড়াও টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদীরও ছয় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রেজাউল করিম বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও দুলাল হোসেন জেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন।

আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?”

 

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রসঙ্গ- আওয়ামী লীগের ভোট।  বিগত নির্বাচনগুলোর পরিসংখ্যান বলছে, এ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের একটি বড় ভোটব্যাংক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে দলটির পতনের পর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে পারা- সব মিলিয়ে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অনুপস্থিতি এখন বাস্তবতা। শীর্ষ নেতাদের বেশিরভাগ আত্মগোপনে আছেন, অনেকে আবার জেলে আছেন। তবে এ আসনের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থক এখনো একটি বড় ফ্যাক্টর। এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গণে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে- আওয়ামী লীগের এই ভোটগুলো কোথায় যাবে নাকি কর্মী-সমর্থকরা ভোট বর্জন করবেন?

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম বাবু জয় পান। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি সংসদ নির্বাচনেই এ আসনে  ধারাবাহিকতাভাবে জয় পান আওয়ামী লীগ।যদিও এ তিনটি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল। ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, ভোট জালিয়াতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের অভিযোগ ওঠে। এসব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয়ী হলেও প্রকৃত ভোটের পরিমাণ ও জনসমর্থনের হিসাব প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

বিপরীতে ১৯৯১ থেকে ২০০৭ সালের তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ন এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২ থেকে ৬৭ শতাংশের মধ্যে। ওই সময় আওয়ামী লীগ গড়ে ২০ থেকে ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যা থেকে বোঝা যায়- উপজেলায় দলটির একটি স্থায়ী ভোটব্যাংক বরাবরই বিদ্যমান ।

আওয়ামীলীগের দলের পতনের পর ভোটারদের একটি বড় অংশ রাজনৈতিকভাবে ‘নিরব অবস্থানে চলে গেছে। দলের নিষিদ্ধ অবস্থান ও নেতৃত্ব-শূণ্যতায় একটি বড় অংশ ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলেও ধারণা করছেন কেউ কেউ।এ সমীকরণ নজরে রাখছেন আসনগুলোতে ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো প্রভাবশালী প্রার্থীরাও। তারা আওয়ামী লীগের ভোটগুলো নিজেদের পক্ষে নিতে নানা কৌশলও ইতোমধ্যে নিয়ে রেখেছেন। একাধিক প্রার্থীর ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে আওয়ামী লীগের কাউকে গ্রেপ্তার না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান সেই কৌশলের দিকেই আলোকপাত করে।সব মিলিয়ে  আওয়ামী লীগের ভোট একক কোনো রাজনৈতিক শক্তির দিকে একত্রে যাবে- এমন সম্ভাবনা কম। বরং এই ভোট ভাঙবে, ছড়িয়ে পড়বে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরব থাকবে। এই ছড়ানো ভোটই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল নির্ধারণে ‘নিরব নিয়ামক’ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

 

ফতুল্লায় গিয়াস–শাহ আলমের সমঝোতার আভাস। বহিষ্কার হলেন রেজাউল, আঙ্গুর ও দুলাল। আড়াইহাজার আসন “কার বাক্সে আওয়ামীলীগের ভোটব্যাংক?” ধানের শীষ প্রতীকে মাঠে নামছেন আজাদ। আড়াইহাজারে কলেজ ছাত্রকে বহিস্কার।