খুঁজুন

পরিচ্ছন্ন গণমুখী ইমেজেই মাসুদের আস্থা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
পরিচ্ছন্ন গণমুখী ইমেজেই মাসুদের আস্থা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদের পথচলা শুরুতে সহজ ছিল না। শুরুতে তাকে নানা রকমের প্রতিবন্ধকতা বিদ্রুপ কণ্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। আর তার এই পথচলায় সঙ্গী ছিলেন কয়েকজন পরিচ্ছন্ন ও গণমুখী বিএনপি নেতা। যাদের পরিকল্পনা দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ মাসুদুজ্জামান মাসুদকে দিনদিন জনপ্রিয়তার দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

সেইসাথে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে মাসুদুজ্জামান মাসুদ তার অবস্থান পোক্ত করে নেন। একই সাথে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির ঝান্ডাবাহী ক্লিনম্যান নেতায় পরিণত হয়েছেন। বিএনপির রাজনীতি অনেকটাই তার নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। মহানগর যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এখন তার পাশে।

মাসুদজ্জামান মাসুদের কণ্টকাকীর্ণ পথ চলা শুরুর সঙ্গী হওয়া পরিচ্ছন্ন নেতারা হলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, মহানগর বিএনপির সদস্য সাবেক যুবদল নেতা অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, সদস্য অ্যাডভোকেট বিল্লাল হোসেন, সদস্য ফারুক আহমেদ, সদস্য আলমগীর হোসেন, সদস্য শহিদুল ইসলাম রিপন, সদস্য মনোয়ার হোসেন শোখন ও সদস্য ফারুক আহমেদ রিপন।

তাদের ঐক্যবদ্ধ কৌশলে মাসুদুজ্জামান মাসুদ একজন ব্যবসায়ী নেতা থেকে দিনদিন পাকাপোক্ত রাজনীতিবিদে পরিণত হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে বিএনপির রাজনীতিতে তার রাজকীয়ভাবে প্রবেশ নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে নজির সৃষ্টি করেছে।

বর্তমানে বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে অনেকেই তার সাথে রয়েছেন। মহানগর যুবদলের শীর্ষ নেতারা তার সাথে সভা সমাবেশে হাজির হয়ে থাকেন। যেটা মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর সাংগঠনিক ব্যর্থতা। সেই সাথে প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবু জাফর আহমেদ বাবুলও এমন জনপ্রিয় গ্রহণযোগ্য কোনে নেতা কর্মেদের কাছে টানতে পারেনি।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনু ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। ৯০ এর ছাত্র আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিলো। ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা। তার প্রবল সাংগঠনিক দক্ষতা ও মেথা রয়েছে। সেইসাথে তিনি একজন সুবক্তা সমাজচিন্তক। যিনি তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সহজেই সাধারণ মানুষজনকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

একইভাবে অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু ছাত্রজীবন থেকে বিএনপির রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ৯০ দশকে তিনি ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এরপর তিনি যুবদলের রাজনীতিতে প্রবেশ করেন মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের হাত ধরে। সেই সাথে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বর্তমান মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে সদস্য রয়েছেন অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন নাগরিক আন্দোলনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি সামাজিকভাবে এলাকায় বেশ জায়গা করে নিয়েছে।

অ্যাডভোকেট বিল্লাল হোসেন একসময় বন্দর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন। বর্তমানে তিনি মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদে রয়েছে। তিনি তার প্রজ্ঞা ও দক্ষতার মধ্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে বেশ জায়গা করে আছেন। সেই সাথে তার নিজ এলাকাতেও তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। যা ভোটের রাজনীতিতে গুরুত্ব বহন করে।

ফারুক আহমেদ ছাত্রদলের মাধ্যমে বিএনপির রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন। সেইসাথে বিএনপির রাজনীতিতে তার মোটামুটি অবস্থান রয়েছে। একই সাথে আলমগীর হোসেনেরও বিএনপির রাজনীতিতে নিজ এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

শহিদুল ইসলাম রিপন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক পদে রয়েছেন। একসময় বন্দর থানা যুবদলের রাজনীতিতে তার শক্তিশালী ভূমিকা ছিল। ছাত্রদলের রাজনীতিতেও তার শক্তিশালী ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি কলাগাছিয়া ইউনিয়নেও বেশ শক্তভাবে গুছিয়েছেন। মাসুদের পক্ষে পরপর কয়েকটি জমজমাট সভা করে নিজ এলাকা শক্ত অবস্থানের পরিচয় দিয়েছে।

মনোয়ার হোসেন শোখন ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতা। ছাত্রদল যুবদলের রাজনীতিতে তার শক্তিশালী ভূমিকা ছিলো। বর্তমানে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যপদে রয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিক সংগঠনগুলোতে তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বারবার মাসুদের সভা সমাবেশে শক্ত ভুমিকা রাখছেন। তার রাজনীতির পথচলায় অনেক সংগ্রাম ত্যাগ তিতিক্ষা রয়েছে। ফারুক আহমেদ রিপনও বর্তমানে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যপদে রয়েছেন।

৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর ত্যাগীদের ভোগের রাজনীতিতে এদের দেখা যায়নি। এক কথায় নিতেদের ক্লিন ম্যান ইমেজ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আর এই ক্লিন ম্যান ইমেজই নিয়েই মাসুদের পক্ষে কাজ করছেন।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল।

 

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: রাসেল। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা এই রাজনীতিবিদ জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৮নং ওয়ার্ডের নোয়াদ্দা গ্রামের কৃতি সন্তান মো: রাসেল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি, নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৮নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: রাসেল বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৮নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

 

কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।।

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে বিএনপির একাংশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। চুনকা পাঠাগার মিলনায়তনে বিএনপির এক সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সভায় আতাউর রহমান মুকুল অভিযোগ করেন, যাকে তিনি একসময় পিতৃতুল্য ব্যক্তি হিসেবে সম্মান করেছেন এবং যার সঙ্গে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষে ওসমান পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনীতি করেছেন, সেই ব্যক্তি সুদিনে তাকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

মুকুলের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—একসময় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও কেন আজ তাদের মধ্যে এমন দূরত্ব ও বিরোধ সৃষ্টি হলো?

রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আতাউর রহমান মুকুল দীর্ঘদিন আবুল কালামের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আবুল কালামের হাত ধরেই তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়েছিল বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তাদের মধ্যে পারিবারিক ও আত্মীয়তার সম্পর্কও রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

মুকুলের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচকরা অভিযোগ করছেন, আবুল কালাম রাজনৈতিকভাবে মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করলেও প্রয়োজন ও স্বার্থের পরিবর্তনে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সমালোচকদের অভিযোগ, ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও আবুল কালামের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক ছিল। প্রকাশ্যে এক পক্ষের পক্ষে অবস্থান দেখালেও আড়ালে অন্য পক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। একই ধরনের রাজনৈতিক কৌশল ও দ্বিমুখী অবস্থানের অভিযোগ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনায় উঠেছে বলে দাবি করছেন তার সমালোচকরা।

তাদের ভাষ্য, আবুল কালাম বাইরে থেকে অত্যন্ত নিরীহ ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করলেও দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, কোন্দল এবং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুকুলের মতো দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতার প্রকাশ্য বক্তব্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিশেষ করে একসময় যারা একই রাজনৈতিক বলয়ে ছিলেন, তাদের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে দলীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে—সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পক্ষ থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।

আজ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির এক জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ধারাবাহিক নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই দলের নীতি-নির্ধারকেরা সর্বসম্মতভাবে তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের জন্য মনোনীত করেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারক ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নের খবর প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, একজন প্রবীণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিককে এই পদে বেছে নেওয়া বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পদক্ষেপ।

ব্রাহ্মন্দী ৮ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় মোঃ রাসেল। কালামের বিরুদ্ধে মুকুলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি’র মনোনয়ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা ২৫ আগস্ট অনিশ্চয়তার মুখে কদম রসুল সেতুর নির্মাণ কাজ