খুঁজুন

বিএনপির বহিস্কৃত সুলতান এবার মুক্তি পরিষদে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:০০ অপরাহ্ণ
বিএনপির বহিস্কৃত সুলতান এবার মুক্তি পরিষদে

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুলতান আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বহিস্কৃত অবস্থায় থাকার পর এবার সুবিধা অনুযায়ী জাকির খানের মুক্তি পরিষদে যোগ দিয়েছেন। বর্তমানে বিএনপির সুবিধাজনক অবস্থান দেখে যে কোনো উপায়েই হোক বিএনপিতে ঠাঁই নেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন এই সুলতান আহমেদ। সেই সাথে সিটি কর্পোরেশনের আগামী নির্বাচনে বিএনপির ভোটারদের সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে এখন থেকই চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সুলতান আহমেদের রাজনীতি জীবন শুরু হয় জাতীয় পার্টির মাধ্যমে। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের হাত ধরে তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতি শুরু করেন। সেই সাথে জাতীয় পার্টি থেকে ২২ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

এদিকে মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আতাউর রহমান মুকুল সুলতান আহমেদের শ্বশুড় বাড়ির দিকে আত্মীয় হন। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সেই আত্মীয়তার সূত্র ধরে বিএনপিতে যোগ দেন। আতাউর রহমান মুকুলের একছত্র আধিপত্যের বলে তিনি বিএনপিতে পদায়ন হয়ে যান। সেই সাথে বিএনপির ভোটারদের সমর্থনের তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

তবে তিনি জাতীয় পার্টির মায়া ত্যাগ করতে পারেননি। তাই বিএনপির ক্ষমতা হারানোর পর তিনি আবারও ওসমান পরিবারের আশ্রয়ে আসেন। একই সাথে তিনি আওয়ামী লীগের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীর পক্ষে সকল নির্বাচনে কাজ করেন। পাশপাশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওসমান পরিবারের সদস্যদের পক্ষে কাজ করেন। বিভিন্ন সময় ভোটকেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদেরকেও বের করে দিয়েছেন।

সবশষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেলিম ওসমানের পক্ষে প্রচারণা করতে গিয়ে বিএনপিতে থেকে বহিস্কৃত হন। অনেকদিন এই বহিস্কৃত অবস্থায় থাকার পর এবার আবারও সুলতান আহমেদ বিএনপিতে ফেরার চেষ্টায় রয়েছেন। সে লক্ষ্যে তিনি জাকির খানের মুক্তি পরিষদে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন। একই সাথে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।

এর আগে ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সমরক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী সেলিম ওসমানের নির্বাচনী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান।

এই সমাবেশে অন্যান্য অতিথিদের সাথে বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহŸায়ক সুলতান আহমেদ উপস্থিত হয়েছিলেন। এর আগে তিনি সেলিম ওসমানের পক্ষে মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন। তাদের সাথে আরও দুইজন বিএনপি নেতা উপস্থিত হয়েছিলেন।

তাদের উপস্থিতি প্রসঙ্গে সেলিম ওসমান বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলেন, এদেরকে আমি ভালোবাসি ওরা আমাকে ভালোবাসে। আমরা আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টি করি ওরা আমাদের ভাই। আমি বারবার বলেছি আমার নারায়ণগঞ্জের বন্দরের পুলিশ যেন তাদের ডিস্টার্ব না করে। ওরা আমাদের সাথে থাকবে। ওরা আমাদের সাথেই ৭ তারিখে ভোট দেয়ার জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করবে। বন্দরের বিএনপিরা আমাকে বলেছে আমরা কোনো রকমের ডিস্টার্ব করবো না। আমাদের ১৪ গোষ্ঠী নিয়ে সময়মতো আপনাকে ভোট দিতে যাবো।

সেলিম ওসমানের এই বক্তব্যের পরই সেলিম ওসমানের নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে সুলতান আহমেদ সহ বিএনপির ৬ জন নেতা বহিস্কার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্কলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিস্কারের কথা বলা হয়। তাদেরকে প্রাথমিক সদস্য পদ সহ সকল পদ থেকে বহিস্কার করা হয়।

এরই মধ্যে গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। আর এই পতনের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিক দল জাতীয় পার্টি ব্যাকফুটে চলে যায়। সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান আত্মগোপনে চলে যান। সেই সাথে আওয়ামী লীগের ব্যাকফুটে যাওয়ার মধ্য দিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে আসে বিএনপি।

বিএনপির এই সুবিধাজনক অবস্থান দেখে আবারও বিএনপিতে ফেরার চেষ্টায় রয়েছেন সুলতান আহমেদ। তারই ধারাবাহিকতায় এবার বর্তমান বিএনপিতে আলোচনায় থাকা জাকির খানের পক্ষ নিয়েছেন তিনি। প্রতিনিয়তই জাকির খানের মুক্তির দাবীতে সভা সমাবেশ করে যাচ্ছেন। জাকির খানের মুক্তির দাবীতে তিনি সরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। সেই সাথে ভবিষ্যতের জন্য বিএনপিতে তার অবস্থান পোক্ত করার চেষ্টা করছেন।

সূত্রঃ সময়ের নারায়ণগঞ্জ

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

আড়াইহাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ।

 

এ বছরেই অনুষ্ঠিত হতে পারে স্থানীয় নির্বাচন। এমন খবরে গিরগিটির মতো রং বদলে ফ্যাসিস্ট খ্যাত আওয়ামীলীগ’ কে পল্টি মেরে চেয়ারম্যান হওয়ার খায়েশে হঠাৎ আত্বঃপ্রকাশ করল এখলাস উদ্দিন লিটন নামে এক আওয়ামীলীগ দোসর।আর এমন খবরে তৃণমূলে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা।

জানাগেছে, আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হাইজাদী ইউনিয়নের ধন্দী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাইজাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যকরী সসদ্য ছিলেন।ছিলেন স্থানীয় সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ঘনিষ্ঠজন হিসেবে সুপরিচিত । আওয়ামীলীগের একাধিক নেতার সঙ্গে তার বেশ সঙ্গতা থাকলেও বিএনপি ক্ষমতা আসার পর স্থানীয় বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতাকে ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে আছেন নিজ গ্রামে।দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের স্বাদ গ্রহন করে আসলেও সম্প্রতি বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ও বিএনপি নামধারী কিছু নেতার প্রশ্রয়ে এই লিটন বিএনপির সুরে কথা বলছেন। আসলে তিনি হয়তো জানেন না কাক কখনো ময়ূর হতে পারেনা।

তৃণমূল জানায়, লিটনকে মাঠে নামিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন একটি কুচক্রীমহল। তিনি হয়তো শিক্ষিত হতে পারেন কিন্তু অনেকটা গর্দব টাইপের।নতুবা সারা বিশ্ব যেখানে জানেন আওয়ামীলীগ একটি নিষিদ্ধদল। আওয়ামীলীগের দলীয় কোন পদ থাকাকালীন তিনি কোন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না এটা তার বোধগম্য থাকা জরুরী ছিল।লিটনকে কোরবানি দেয়ার জন্যই হয়তো কুচক্রীমহল তাকে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে ওঠেছেন।তৃণমূল বলেন লিটন যদি গর্দব না হতেন, তাহলে আওয়ামীলীগ আমলে লিটনের নিজ গ্রাম ধন্দী হতে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর আত্বঃপ্রকাশের শেষ পরিনিতি কি ছিল তা থেকে তার শিক্ষা নেয়া উচিৎ ছিল। সাবেক এমপি বাবু প্রিন্সকে বলির পাঠা বানিয়ে চড়া দাম তুলে পকেট ভারী করেন।সবশেষ প্রিন্স হয়ে যান টিস্যু পেপারের ন্যায়।তৃণমূল বলেন আমরা মূলত চাই না লিটন তেমন হউক কিছু অতি উৎসাহী ও বিএনপি নামধারী নেতার মিষ্টি মধুর কথায়।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, যদি কোন বিএনপি নামধারী নেতা আওয়ামীলীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে আমরা তৃণমূল বিএনপি তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিব।কোন আওয়ামী লীগের দোসর হাইজাদীর মাঠে গর্জে ওঠার চেষ্টা করলে ধুমরে মুচড়ে দেয়া হবে।বিএনপির দুঃসময়ে একদিনের জন্য যাকে দেখা যায়নি রাজপথে। ছিলেন বিএনপিকে দমন করার জন্য আওয়ামীলীগের দোসরদের সঙ্গী হয়ে।রাজনীতির মাঠে অপরিচিত মুখ হিসেবে খ্যাত ফ্যাসিস্ট আমলের এই কথিত নেতা ভোটের মাঠে জিরো ট্রলারেন্সে থাকলেও সাজতে চাচ্ছেন হিরু।আমরা এমনটা হতে দিব না।

এদিকে বিএনপির দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেখানে আওয়ামী লীগের কোনো দোসর বা সুবিধাভোগী যাতে স্থানীয় সরকারসহ (ইউনিয়ন বা উপজেলা) কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান হওয়ার চেষ্টা না করতে পারে, সে বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে এখন থেকেই চরম সতর্ক অবস্থানে থাকার আহব্বান জানিয়ে যাচ্ছেন। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলের দোসরদের যেকোনো মূল্যে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিহত করার আহব্বান জানান।অথচ সেখানে বিএনপির নামধারী গুটিকয়েক নেতা আওয়ামী লীগের দোসর লিটনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নোংরা খেলায় মেতে ওঠার চেষ্টা করছেন।এবিষয়ে আমরা অবশ্যই তারেক রহমানকে লিখিতভাবে অবগত করব বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা।

 

 

দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া

 

আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের রাজনীতিতে পরিচিত এক নাম মো: সুমন মিয়া। তৃনমুল থেকে গড়ে ওঠা, কারানির্যাতিত এই রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সফল সভাপতি আড়াইহাজার উপজেলা তারেক জিয়া প্রজন্মদল ও সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক দুপ্তারা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকদল মো: সুমন মিয়া জনসেবার প্রত্যয়ে তৃনমূল এর ইচ্ছায় এবার দুপ্তারা ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন।

জানাগেছে, স্হানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতার পরিচয় শুধু রাজনৈতিক কর্মী হিসেবেই নয়, একজন সংগঠক এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজ -সরল স্বভাবের মানুষ হিসেবেও পরিচিত। ৩নং ওয়ার্ডের সত্যবান্দী গ্রামের কৃতি সন্তান মো: সুমন মিয়া। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততার কারণে, এলাকায় একটি পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। তার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নেই কোন বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং নেই কোন চাঁদাবাজি & নেই কোনো জমি দখল এর অভিযোগ। একদম সাদামাটা রাজনীতিবিদ।

বর্তমানে ৩নং ওয়ার্ডে সকল উন্নয়নে তার অবদান আছে রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা ছিল চড়াই-উতরাইয়ে ভরা।বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে একাধিক মামলা -মোকদ্দমার মুখোমুখি হতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি মাঠ ছাড়েননি। সহ্য করেছেন জেল-জুলুম ও নির্যাতিত ও হারিয়েছে তার ব্যবসা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তিনি সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ ভাই এর বিশ্বস্ত হাতিয়ার।

মো: সুমন মিয়া বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য রাজনীতি করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা, দোয়াও সমর্থন পেলে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ক্ষমতা নয়,মানুষের কল্যানই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়ার্ডের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী।

 

 

আড়াইহাজার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মেম্বার পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বেশ আলোচনায় রয়েছেন মাহমুদপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও শ্রীনিবারদী গ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ রুবেল শিকারী।

রুবেল শিকারী আগামী ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং তাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শুনছেন। পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষা ও জনসেবার মানোন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে যাচ্ছেন।

মোঃ রুবেল শিকারী বলেন, জনগণের সমর্থন ও দোয়া পেলে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ওয়ার্ডবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। আগামী নির্বাচনে ওয়ার্ডবাসী আমার উপর আস্থা রাখলে উন্নয়ন ও সেবাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ সময় তিনি ওয়ার্ডবাসীর দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

 

আওয়ামীলীগের দোসর লিটন হতে চান চেয়ারম্যান, তৃণমূলে ক্ষোভ। দুপ্তারা ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে তৃণমূলের আস্থায় সুমন মিয়া মাহমুদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় রুবেল শিকারী। ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।। আল আমিন মোল্লা হাইজাদী ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় মোঃ শাহজালাল মিয়া।